রুচি-বিকৃতি কোন পর্যায়ে নামলে মায়ের ডায়রি ছেলেকে দিয়ে সত্যতা নিশ্চিত করানো হয়

গোলাম মোর্তোজা

রুচি-বিকৃতি কোন পর্যায়ে নামলে মায়ের ডায়রি ছেলেকে দিয়ে সত্যতা নিশ্চিত করানো হয়

গোলাম মোর্তোজা

‘আল জাজিরার প্রতিবেদন কিছু হয় নাই’-প্রবক্তারা  টেলিফোন ফাঁস এবং ডায়রি সাংবাদিকতা করছেন।রুচি-বিকৃতি কোন পর্যায়ে নামলে মায়ের একান্ত ব্যক্তিগত ডায়রি ছেলেকে দিয়ে সত্যতা নিশ্চিত করানো হয়,তা প্রচার করা হয়! 

এই গণমাধ্যম মানুষ পড়বে, দেখবে-আমারা তা প্রত্যাশা করি? সামাজিক মাধ্যম তো সম্পাদনাহীন প্লাটফর্ম। তার উপর আস্থা রাখা যায় না। 


১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউননের চিন্তা করছে সরকার: কাদের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৯ থানা, ১২ পুলিশ ক্যাম্প ও ফাঁড়িতে এলএমজি নিয়ে প্রস্তুত পুলিশ

মাওলানা মামুনুলের ফেসবুক পেজে নেই সেই লাইভ ভিডিও


কিন্তু বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে গণমাধ্যমের চেয়ে সামাজিক মাধ্যমের উপর মানুষের আস্থা বেড়ে যাচ্ছে কেন? কেন মানুষ দেশের গণমাধ্যম থেকে মুখ ফিরিয়ে নিল? উত্তর অজানা নয়।মোসাহেবী, টেলিফোন ফাঁস আর ডায়রি সংবাদিকতা দিয়ে জনআস্থা ধরে রাখা যায় না।

গোলাম মোর্তোজা, সিনিয়র সাংবাদিক। 

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের সুচিকিৎসা দিয়ে দায়িত্ব পালনে ফিরে যেতে দেওয়া হোক

শওগাত আলী সাগর

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের সুচিকিৎসা দিয়ে দায়িত্ব পালনে ফিরে যেতে দেওয়া হোক

প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে সচিবালয়ে আটকে রাখা হয়েছে- বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্নজনের পোষ্ট থেকে জানতে পারছি। কিন্তু কি কারণে রোজিনার মতো একজন ডাকসাইটে সাংবাদিককে আটকে রাখার মতো ঘটলো সে ব্যাপারে পরিষ্কার কোনো বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে না।

কোনো মিডিয়া এখন পর্যন্ত এই ব্যাপারে কোনো খবর পরিবেশন করেছে বলে চোখে পড়েনি। রোজিনার কর্মস্থল, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ-স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়,  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়,সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয় এমনকি পুলিশও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেয়নি। সাংবাদিকদের কোনো সংগঠন আানুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দিয়েছে কীনা সেটি চোখে পড়েনি (আমি ফেসবুক পোষ্টের কথা বলছি না।)।

রোজিনা ইসলাম অত্যন্ত দাপুটে রিপোর্টার। সরকারের নানা সংস্থার দুর্নীতি, অনিয়ম তিনি উন্মোচন করেছেন সাহসিকতার সাথে। সরকারি কোনো দপ্তরে তিনি আটক হলে, নাজেহাল হলে সেটি অবশ্যই সংবাদ হওয়ার মতো ঘটনা। রোজিনা অনভিপ্রেত কোনো কাজ করে থাকলে সেই  ব্যাপারেও সরকারের ভাষ্য থাকা দরকার। একজন দাপুটে সাংবাদিক সরকারি দপ্তরে হয়রানির শিকার হবেন- আর সেটি নিয়ে ঘুরিয়ে পেচিয়ে কেবল ফেসবুকেই আমরা কথা বলবো, সেটা কাংখিত না। ঘটনা সম্পর্কে পরিষ্কার বক্তব্য সবার সামনে থাকা দরকার।

রোজিনা ইসলামকে আটকের ঘটনায় সরকারের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দাবি করি আমরা। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কি ঘটেছে তার খুঁজে বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হোক। সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করে তাকে তার দায়িত্ব পালনে ফিরে যেতে দেওয়া হোক।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

প্রথম আলোর রিপোর্টারকে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে আটকে হেনস্থা করা হয়েছে

ফরিদা ইয়াসমিন

প্রথম আলোর রিপোর্টারকে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে আটকে হেনস্থা করা হয়েছে

প্রথম আলোর রিপোর্টার রোজিনা ইসলামকে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে আটকে রেখে হেনস্থা করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও তথ্যমন্ত্রীর এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিবের সংগে কথা বলেছি।

তারা বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। যতটুকু জেনেছি রোজিনা অসুস্থ হয়ে পড়েছে কিন্তু এখনও আটকে রাখা হয়েছে, হাসপাতালে নিতে দিচ্ছে না। 

আমি তাকে দ্রুত হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করার দাবি জানাচ্ছি। 

নতুবা উদ্ভুত পরিস্থিতির জন্য দায় দায়িত্ব সংশ্লিষ্টদের নিতে হবে।

ফরিদা ইয়াসমিন,সভাপতি, জাতীয় প্রেসক্লাব

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

ফিলিস্তিনিদের সংগ্রামের অংশ হওয়ার তাগিদ রুমিন ফরাহানার

অনলাইন ডেস্ক

ফিলিস্তিনিদের সংগ্রামের অংশ হওয়ার তাগিদ রুমিন ফরাহানার

ফিলিস্তিনিদের সংগ্রামের অংশ হওয়ার তাগিদ রুমিন ফরাহানার। এ ব্যাপারি তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। যা হুবহু তুলে ধরা হলো-

তিনি এস্ট্যাটাসে লিখেছেন, আসুন বর্ণবাদ, সম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের নিরন্তর সংগ্রামের অংশ হই। মানুষ হিসেবে, মুসলিম হিসেবে আর নিপীড়িতের পাশে থাকার সাংবিধানিক শপথের অংশ হিসেবে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

বিশ্ব জুড়ে মুসলিমদের নির্যাতিত হবার কারণ হলো শিক্ষা বিমুখিতা

রুবাইয়াত সাইমুম চৌধুরী

বিশ্ব জুড়ে মুসলিমদের নির্যাতিত হবার কারণ হলো শিক্ষা বিমুখিতা

ফিলিস্তিন ইজরায়েলের যুদ্ধ ( আসলে যুদ্ধ না। এটা ইজরায়েল দ্বারা সংঘটিত গণহত্যা) বেশ কয়েকদিন ধরে চলছে। 

প্রায় ২০০ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে, যার ৫৫ জনই শিশু।

যুক্তরাষ্ট্র এ ব্যাপারে ইজরায়েলকে “ নিজের আত্মরক্ষার অধিকার আছে” বলে গণহত্যার অধিকার নিশ্চিত করেছে। আবার এই যুক্তরাষ্ট্রই চীনের উইঘুনে মুসলমান নির্যাতন নিয়ে কঠিন ভাবে চিন্তিত।

আসলে তারা ( অথবা যে কেউ) কাউকে নিয়েই ততক্ষণ চিন্তিত হয় না, যতক্ষণ না সেখানে নিজের স্বার্থ থাকে।

মুসলিম বিশ্বের কিছু দেশ বেশ গলাবাজি করে প্রতিবাদ করেছে দেখা গেলো, কিন্তু তাদের কে বিশ্ব পাত্তা দেয় না। কারণ জাতি হিসেবে তারা বেশ মূর্খ। অর্থ এসব দেশের আছে। কিন্তু জ্ঞান নেই। তাই বিশ্বে তাদের মূল্যও নেই।

কাতার বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশ, সৌদি একাই তেলের বাজার ওলোটপালট করে ফেলতে পারে। কিন্তু এসব দেশের কারোরই জ্ঞান নেই। তারা না পেরেছে বিজ্ঞান চর্চা করে নিজেদের জন্য হলেও নতুন জ্ঞান তৈরি করতে করতে, না পেরেছে সৃষ্ট জ্ঞানের সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে ।

মুসলমানদের বিশ্ব জুড়ে নির্যাতিত হবার প্রধান কারণই হলো তাদের জ্ঞান এবং শিক্ষা বিমুখিতা। তারা টাংখুর উপরে প্যান্ট পরা নিয়ে যতটা চিন্তিত , তার হাজার ভাগের এক ভাগও চিন্তিত না নতুন কোনো ঔষধ তৈরিতে। তারা মেয়েদের হিজাব নিয়ে যতটা স্পর্শকাতর তার লক্ষ ভাগের এক ভাগও স্পর্শকাতর না, সেই মেয়েদের অংক শিখতে না পারার অধিকারের ব্যাপারে।

এসবের ফল ভোগ করছে ফিলিস্তিন- আফগানিস্তান - সিরিয়া- ইরান- ইরাক- লিবিয়া- ইয়েমেন। সামনে আরো দেশ ভোগ করবে। 

আমরা কতটুকু দীর্ঘ  দাড়ি রাখা ঠিক তা নিয়ে গবেষণা করতে থাকি, আর তারা আমাদের দেশের দৈর্ঘ্য পরিবর্ত করে দিক।

রুবাইয়াত সাইমুম চৌধুরী: সহকারি অধ্যাপক, বাংলাদেশ ইউনির্ভাসিটি, ঢাকা।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

মেয়েদের সবচেয়ে বেশি খুন-ধর্ষণ কারা করে?: তসলিমা নাসরিন

তসলিমা নাসরিন

মেয়েদের সবচেয়ে বেশি খুন-ধর্ষণ কারা করে?: তসলিমা নাসরিন

বাংলাদেশে ইসলামি জঙ্গির বিরুদ্ধে অপারেশনে সবচেয়ে সফল যে পুলিশ অফিসার, তাঁর নাম বাবুল আক্তার। তাঁর প্রতিভা, তীক্ষ্ণ বুদ্ধি,  বিচক্ষণতার  পুরস্কারও তিনি পেয়েছেন, পদোন্নতি এবং পদোন্নতি।  জানিনা   এই বাবুল আক্তারের বুদ্ধি কী করে মস্তিস্ক থেকে উড়ে গিয়েছিল যখন তিনি  ভাড়াটে খুনী দিয়ে তাঁর স্ত্রীকে খুন করানোর পরিকল্পনা করেছিলেন। বুদ্ধিরও পাখা থাকে। তাঁর স্ত্রী মিতু যখন ছেলেকে স্কুলে পৌঁছে দিতে বাস স্ট্যাণ্ডের দিকে  যাবে, তখনই, চৌরাস্তার মোড়ে তাঁকে খুন করা হবে। এই ছক মেনেই খুনীরা মিতুকে নৃশংসভাবে খুন করেছে। বাবুল আক্তার ভেবেছিলেন, তিনি পার পেয়ে যাবেন, কারণ মানুষ ভেবে নেবে, যেহেতু তিনি জঙ্গি মেরেছেন, তাই জঙ্গিরা তাঁর স্ত্রীকে মেরে তাঁর প্রতিশোধ নিয়েছে।

তাঁর দুই সন্তান। দুই সন্তানের এক সন্তান নিজের  মা'কে চোখের সামনে  খুন হতে দেখবে, তা জেনেও বাবুল আক্তার খুনটি করিয়েছিলেন। স্বামী হিসেবে তিনি অযোগ্য, পিতা হিসেবেও।

সংসারে দীর্ঘদিন অশান্তি। স্ত্রীকে তুমি ভালোবাসো না। স্ত্রীর চেহারা তোমার দেখতে ইচ্ছে করে না।   কখনও দুজনের মধ্যে সুসম্পর্ক ফিরে আসবে বলে তুমি বিশ্বাসও করো না।  এই অবস্থায় যে কাজটি করতে হয়, তা হলো স্ত্রীকে  তালাক দেওয়া, স্ত্রীকে মেরে ফেলা নয়।

বাবুল আক্তারের মতো মানুষ কেন এই সহজ সমাধানটি গ্রহণ করলেন না, বরং এমন এক সমাধান বেছে নিলেন, যে সমাধানে তাঁর ধরা পড়ার, এবং ফাঁসি বা যাবজ্জীবন হওয়ার ঝুঁকি ছিল। ওই যে বললাম না বুদ্ধিরও পাখা থাকে, মাঝে মাঝে উড়ে যায়।

কিছু সত্য তথ্য  সবারই  জানা উচিত। মেয়েদের সবচেয়ে বেশি ধর্ষণ কারা করে? স্বামী বা প্রেমিক। মেয়েদের সবচেয়ে বেশি শারীরিক এবং মানসিক  নির্যাতন কারা করে? স্বামী বা প্রেমিক। মেয়েদের সবচেয়ে বেশি খুন কারা করে? স্বামী বা প্রেমিক।

পরবর্তী খবর