লকডাউন আবার দিতে হলে যা ভাবতে হবে

নাজনীন আহমেদ

লকডাউন আবার দিতে হলে যা ভাবতে হবে

* সত্যিকার অর্থে implement করা কী যাবে নাকি ঢিলেঢালা নামমাত্র চলবে! ঢিলেঢালা লকডাউনে লোকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় গিয়ে সংক্রমণ আরও বাড়াতে পারে। এবার কিন্তু গতবছরের  অবস্থা নেই। গতবার সংক্রমণের হার কম ছিল। কিন্তু এবার কোভিডের নতুন ভ্যরাইটিতে সংক্রমণ প্রবণতা অনেক বেশি।

* প্রায় ৪ কোটি দরিদ্র মানুষের (এর মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৭০ লক্ষ অতি দরিদ্র) মানুষের খাদ্য নিরাপত্তার প্রস্তুতি থাকতে হবে। গতবারের মানুষের হাতে সঞ্চয় ছিল, এখন কিন্তু  স্বল্প আয়ের মানুষের হাতে সঞ্চয় কম। কাজেই সত্যিকারের লকডাউনে গেলে অনেক বেশি সংখ্যক মানুষের সাহায্য দরকার হবে। এত মানুষের দায়ভার নেয়ার প্রাতিষ্ঠানিক ও আর্থিক সক্ষমতা আমাদের আছে কি?

*অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের প্রতিষ্ঠানগুলো বাঁচিয়ে রাখার উপায় কি হবে? গত এক বছরে যারা ঝণ নিয়েছেন তারা ব্যবসা-বাণিজ্য এখন না করলে ফেরত দিবেন কি করে ? আর এই ধরনের প্রতিষ্ঠান সমস্যায় পড়লে সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থানের উপায় কি হবে তা ভাবতে হবে। 

*নিম্ন মধ্যবিত্ত , টানাটানিতে চলা লোকজন কারো কাছে হাত পাততে পারবেন না কিন্তু খাদ্য কষ্টে থাকবেন । এদেরও কিন্তু সরকারি সাহায্যের প্রয়োজন হবে। আবারো বলছি গত বছর এই সংকটে মানুষ যতটা না পড়েছে, এবার তার চেয়ে বেশি হবে। কারণ অনেক মানুষের সঞ্চয় গত বছর কমে গেছে। বিশেষ করে অনেক উদ্যোক্তা তাদের ব্যবসা বাঁচিয়ে রাখার জন্য সঞ্চয় থেকে অথবা পারিবারিকভাবে ঋণ করেছেন। এত বিপুলসংখ্যক মানুষের জন্য খাদ্য কিংবা আয় -এর নিরাপত্তা অথবা কর্মসংস্থানের নিরাপত্তার দেয়ার উপায় কী হবে! 

*যে ক'দিনের লকডাউন দিলে সত্যিকার অর্থেই তা করোনার সংক্রমণ মোকাবেলায় কার্যকর হবে, ততদিন পর্যন্ত লকডাউন দেয়ার সক্ষমতা না থাকলে অল্প দিনের লকডাউন দিয়ে জীবনেরও তেমন লাভ হবেনা, জীবিকাও হবে ক্ষতিগ্রস্ত । তখন করোনার সাথে সাথে অভাবে পরেও মানুষের জীবনের ঝুঁকি বাড়তে পারে। এগুলো ভেবেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। 

*আমার মতে সকল প্রকার সভা-সমাবেশ জনসমাগম বন্ধ করে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মানা নিশ্চিত করতে হবে। সংক্রমণ প্রতিরোধমূলক মাস্ক সাবান ইত্যাদি ব্যাপকভাবে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিতরণ করতে হবে। এই সংক্রান্ত প্রচার প্রচারণা জোরদার করতে হবে। স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সহযোগিতায় গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত সচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। সর্বোপরি স্বাস্থ্যবিধি মানা কঠোরভাবে ইমপ্লিমেন্ট করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা নিতে হবে।

নাজনীন আহমেদ: অর্থনীতিবিদ

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

শুনেছি রোজিনার বিরুদ্ধে মামলার আগে সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা দেনদরবার করেছেন

শওগাত আলী সাগর

শুনেছি রোজিনার বিরুদ্ধে মামলার আগে সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা দেনদরবার করেছেন

শওগাত আলী সাগর

সরকার কি তা হলে সাংবাদিকদের তথা গণমাধ্যমের কোনো প্রয়োজনীয়তা আর অনুভব করছে না! সরকার আর সাংবাদিকদের মধ্যে একটা দুরত্ব তৈরি হোক- সেটা কি সরকার নিজেও চাচ্ছে! রোজিনার জামিন মঞ্জুর না হওয়ার খবর শোনার পর প্রথম আমার এই কথাটাই মনে পড়লো। 

সচিবালয়ে পাঁচ ঘন্টা আটকে রেখে শারীরিক, মানসিক নির্যাতন, থানায় সোপর্দ করা, মামলা দায়ের এবং সর্বশেষ জামিন না দিয়ে জেলখানায় পাঠিয়ে দেয়ার মধ্যে সুষ্পষ্ট একটা বার্তা আছে। এটি কেবল স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তার ক্ষোভের বিষয় হলে ব্যাপারটা এতোটা গড়াতে পারতো বলে আমার বিশ্বাস হচ্ছে না।

রোজিনার বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার আগে সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা দেনদরবার করেছেন বলে শুনেছি। বেশ কয়েকজন নেতা রাত পর্যন্ত শাহবাগে থানায় উপস্থিত ছিলেন। 

এঁদের সবাই বর্তমান সরকারের সমর্থক। ক্ষোভে বিক্ষোভে সবচেয়ে বেশি যে সাংবাদিকরা সোচ্চার তাদের সিংহভাগই এই সরকারের সমর্থক। রোজিনার স্বামীও সরকার সমর্থক রাজনীতির একজন নেতা। 

রোজিনা যতো নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন বা হবেন- তা এই সরকারের সমর্থক সাংবাদিকদেরই সবচেয়ে বেশি আহত করছে, তাদের অনুভুতি অপমানিত হচ্ছে। নিজের সমর্থকদের অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে রোজিনাকে নিপীড়নের মাধ্যমে কতিপয় আমলার ব্যক্তিগত ক্ষোভ প্রশমনের ঝুঁকিপূর্ণ প্রজেক্ট এতোক্ষণ চলতে পারার কথা না। 

কিন্তু রোজিনাকে জেল হাজতে পাঠানোর পর মনে হলো - সরকার এইসব আবেগ অনুভূতিকে পাত্তা দিচ্ছে না। আমি মনেপ্রাণে চাইবো আমার এই ব্যাখ্যা ভুল প্রমাণিত হোক। 
এই ঘটনাটি স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়েই শেষ হতে পারতো বলে আমি বিশ্বাস করি। হওয়াই উচিৎ ছিলো। এখনো সময় শেষ হয়ে যায়নি। 


স্বাস্থ্য বিভাগের পিয়ন থেকে শুরু করে ওপরের সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক

যুদ্ধবিরতির জন্য ফিলিস্তিনিদের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হবে ইসরাইল: হামাস

রোজিনার মুক্তির দাবিতে শাহবাগ থানার সামনে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ

আরশের ছায়াতলে আশ্রয় পাবেন যে সাত ব্যক্তি


সরকারে, আ্ওয়ামী লীগে বিবেচনাবোধ সম্পন্ন মানুষের একেবারে আকাল পরে গেছে- এই কথা কিভাবে বিশ্বাস করি! তারা এগিয়ে আসতে পারেন। তথ্যমন্ত্রী নিজেও একটা ভূমিকা নিতে পারেন। রোজিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি উঠিয়ে নেয়া, তাকে সসম্মানে মুক্তি দেয়া, স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের যারা তাকে নিপীড়ন করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া -এটি আমার দাবি এবং প্রস্তাব।  

সরকারের মধ্যে যাদের যুক্তিবোধ, বিবেচনাবোধ আছে- তাদের একটু সক্রিয় হতে বলবো। ’রোজিনাকে জেলখানায় পাঠিয়ে আপনারা আপনাদের সমর্থক সাংবাদিকদেরই আসলে পীড়ন করছেন’- এই বাস্তবতাটা আপনাদের বোধে কাজ করুক।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

রোজিনার মুক্তি চাই, কোনো শর্ত ছাড়াই

জুলহাস আলম

রোজিনার মুক্তি চাই, কোনো শর্ত ছাড়াই

জুলহাস আলম

সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম দেশকে ভালোবাসেন। রোজিনা আমাদের বন্ধু, আমরা একই ব্যাচের শিক্ষার্থী। 

একবার আমাকে নক করে বললেন: ‘জুলহাস ভাই, বিদেশে যাবার জন্য আপনার কাছ থেকে একটা রিকমেন্ডেশন লাগবে, যদি সম্ভব হয় তাহলে কৃতজ্ঞ থাকবো।’ 

আমি ভাবলাম হয়তো বিদেশ চলে যাবেন একেবারে। অনেকেই যাচ্ছেন। উত্তরে রোজিনা বললেন: ‘না, না, ভাই, নর্থ আমেরিকায় একটা সাংবাদিকতার উপর একটা স্কলারশীপের চেষ্টা করবো, সেজন্য একটা রিকমেন্ডেশন দরকার, আপনার কাছ থেকে পেলে ভালো হয়।’ 

বললাম: ‘কোনো সমস্যা নেই, অবশ্যই দিব।’ 

তার বক্তব্যে পরিষ্কার আবেগ ছিল যে তিনি দেশকে ভালোবাসেন। বলছিনা যে, কেউ বিদেশে চলে গেলে তিনি দেশকে ভালোবাসেন না। 

আমার কাছে মনে হয়, দেশের মধ্যে বিদ্যমান সকল অরাজকতা, অন্যায়, দুর্নীতি, যা ইচ্ছা তাই থাকার পরও এবং বাইরে চলে যাবার সুযোগ থাকার পরও যারা এখানেই পড়ে থাকতে চান এবং থাকেন, তারা একটু বেশিই দেশপ্রেমিক। 

রোজিনাও সেই দলেই পড়েন। তাছাড়া নারী হয়ে এমন শক্তভাবে সাংবাদিকতা করার সাহস দেখানো অতো সহজ নয়। তার সকল চেষ্টা প্রশাসনের বড় কর্তাদের নানা অস্বচ্ছতা ও দুর্নীতির ভেতরে আঘাত করা। জনগণের সামনে তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। সেটাকে তিনি দায়িত্ব হিসেবে নিয়েছেন। তার যে সাহস সেই সাহস আমাদের অনেকের আছে কি না সন্দেহ আছে আমার। 

সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম প্রশাসনের অনেক কর্তা ব্যক্তির কমফোর্ট জোন এলোমেলো করে দেবার একজন সৈনিক। আর তার কাজের ফলে আমার ধারণা সবচেয়ে বেশি সুবিধা হয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর। 


সাংবাদিক রোজিনার পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ 

যুদ্ধবিরতির জন্য ফিলিস্তিনিদের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হবে ইসরাইল: হামাস

রোজিনার মুক্তির দাবিতে শাহবাগ থানার সামনে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ

আরশের ছায়াতলে আশ্রয় পাবেন যে সাত ব্যক্তি


যারা উনার চোখের সামনে পর্দা তুলে রাখতে চান যেনো সবকিছু তিনি দেখতে না পান, জানতে না পারেন, তারা একজন রোজিনা ইসলামকে সহ্য করতে পারবেননা, সেটাই কি স্বাভাবিক না? তাই তাকে শায়েস্তা করতে না পারলে বড় বড় নানা দুর্নীতির অভিযোগে নিমজ্জিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সেই দুষ্টচক্র শান্তি পায় কি করে? করোনা শুরু হবার পর থেকে এই মন্ত্রণালয় নিয়ে যত রকমের খবর বেরিয়েছে সেগুলোর পোস্ট মর্টেম করলেতো আর কিছুই বাকি থাকেনা। 

রোজিনার মুক্তি চাই, কোনো শর্ত ছাড়াই।

জুলহাস আলম, ব্যুরো চিফ, এপি

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

রোজিনা আপার মুক্তি চাই

আশরাফুল আলম খোকন

রোজিনা আপার মুক্তি চাই

আজকের ঘটনাটা খুবই দুঃখজনক। দোষ কার, কে দায়ী তা জানিনা। তবে মনে হয়েছে, একজন পেশাদার সাংবাদিকের সাথে অন্যভাবে আচরণ করেও বিষয়টি সমাধান করা যেত। গুটি কয়েক কর্মকর্তার জন্য সবসময় সাংবাদিক বান্ধব শেখ হাসিনার সরকার আজ সমালোচনার মুখে। 

সাড়ে সাত বছর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ে কাজ করেছি। নিজে চোখে দেখেছি তিনি নিজে কতটা সাংবাদিক বান্ধব। সাংবাদিকদের কল্যাণের জন্য নিজে উদ্যোগী হয়ে কত কত কাজ করেছেন। 

এই রকম পরিস্থিতি আগেও হয়েছে। দুই পক্ষের সাথে কথা বলেই সমাধান হয়েছে। এমন অনেক সমাধান নিজেও করেছি। হয়তো কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি অথবা সাংবাদিকের সাথে কথা বলেছি। “পেশাদার” আবারো বলছি পেশাদার সাংবাদিকদের চেষ্টা করেছি ঝামেলামুক্ত রাখতে। 


সাংবাদিক রোজিনার পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ 

যুদ্ধবিরতির জন্য ফিলিস্তিনিদের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হবে ইসরাইল: হামাস

রোজিনার মুক্তির দাবিতে শাহবাগ থানার সামনে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ

আরশের ছায়াতলে আশ্রয় পাবেন যে সাত ব্যক্তি


সদিচ্ছা থাকলে অ-সমাধানযোগ্য কোন কিছুই পৃথিবীতে নাই। পেশাদার আর অ-পেশাদারদের সাথে আচরণ একরকম হওয়া উচিত না। রোজিনা আপার মুক্তি চাই।

(মত ভিন্ন মত বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

এক রিপোর্টারকে লাঞ্ছিত করেছি তাও সচিবালয়ে! ধিক, শত ধিক!

রউফল আলম

এক রিপোর্টারকে লাঞ্ছিত করেছি তাও সচিবালয়ে! ধিক, শত ধিক!

রউফল আলম

আমরা ছোট জিনিস চোখে দেখি না। তাই ব্যবহার করি মাইক্রোস্কোপ। খালি চোখে যা দেখা যায় না, মাইক্রোস্কোপের নিচে সেটা কি দারুণ দৃশ্যমান হয়ে উঠে। 

অনুসন্ধানী রিপোর্টগুলো মাইক্রোস্কোপের মতো কাজ করে। সমাজের সাধারণ মানুষ যেটা দেখে না, জানে না—অনুসন্ধান করে তৈরি করা রিপোর্টগুলো আমাদেরকে তা দেখতে, অনুধাবন করতে ও জানতে সাহায্য করে। এজন্যই মনে হয় বলা হয়—Fake news is cheap to produce. Genuine journalism is expensive. 

করোনার মহামারিতে দেশের স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রথম আলোয় রোজিনা ইসলামের রিপোর্ট পড়তাম! ভাবতাম এই মানুষটার সাহস অনেক। জাঁদরেল সাংবাদিক। 

যে সমাজে কথা বলাই সবচেয়ে বড়ো অপরাধ, সেখানে এমন রিপোর্ট করতে পারা মানুষটিকে নিশ্চয় অনেক ধকল পোহাতে হয়। রিপোর্টারকে না চিনেও তার প্রতি একটা শ্রদ্ধা জাগতো। 

এমন রিপোর্টারকে দুনিয়ার বহু সমাজ সম্মানিত করে। পুরস্কার দেয়! কারণ তারা যোদ্ধা। তারা আলোকিত দেশের স্বপ্নে যুদ্ধ করে। সর্বগ্রাসের হাত থেকে মানুষকে বাঁচাতে কলম নিয়ে সংগ্রাম করে। কিন্তু এমন এক রিপোর্টারকে আমরা লাঞ্ছিত করেছি। তাও সচিবালয়ে! কী ভয়ংকর! কী বিভৎস! 


সাংবাদিক রোজিনার পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ 

যুদ্ধবিরতির জন্য ফিলিস্তিনিদের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হবে ইসরাইল: হামাস

রোজিনার মুক্তির দাবিতে শাহবাগ থানার সামনে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ

আরশের ছায়াতলে আশ্রয় পাবেন যে সাত ব্যক্তি


দেশের সাংবাদিকদের সততা নিয়ে যখন অনেক অভিযোগ, তখন এমন সাহসী রিপোর্টারকে লাঞ্ছিত করা মানে হলো সমাজকে আরো অন্ধকারে ঢেলে দেয়া। অনিয়ম, দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনাকে উৎসাহিত করা। সমাজের উপর গজবকে আরো তরান্বিত করা। ধিক, শত ধিক! 

রউফল আলম, নিউজার্সি, যুক্তরাষ্ট্র।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

রোজিনার ঘটনা অন্য সাংবাদিকদের জন্যে সুস্পষ্ট বার্তা

আলী রিয়াজ

রোজিনার ঘটনা অন্য সাংবাদিকদের জন্যে সুস্পষ্ট বার্তা

একজন সাংবাদিককে সচিবালয়ে পাঁচ ঘণ্টা ধরে আটক করে, হেনস্তা করার পরে অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। প্রথম আলো’র সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় হেনস্তা করা, তাঁকে আটক করার ঘটনা বিষয়ে স্বাস্থ্য সচিব সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা পর্যন্ত বলেননি। 

এই ঘটনার নিন্দা জানানোই যথেষ্ট নয়, এর বিরুদ্ধে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রতিবাদ এবং এই ধরণের নিপীড়নমূলক আচরণের জন্যে যারা দায়ী তাঁদের বিচার নিশ্চিত করার জন্যে এখনই পদক্ষেপ নেয়া জরুরি। 

দলীয় পরিচয়ে বিভক্ত সাংবাদিক ইউনিয়নগুলো এই বিষয়ে কিছু করবেন, বা বিবৃতি দেয়ার বেশি কোন ধরণের পদক্ষেপ নেবেন তেমন আশা করার কারণ নেই। কিন্ত সাংবাদিকতার সঙ্গে যুক্তদের সকলেরই এই মুহূর্তে দরকার সম্মিলিত পদক্ষেপ নেবার কথা বিবেচনা করা। 

দেশের সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে অবিলম্বে এই বিষয়ে সরকারের কাছে ব্যাখ্যা দাবি, রোজিনা ইসলামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং এই ধরণের আচরণ বন্ধের নিশ্চয়তা আদায় করা। 

রোজিনা ইসলামকে হেনস্তা করার ঘটনা সাংবাদিকদের ওপরে হামলার নতুন অধ্যায়, কিন্ত নতুন ঘটনা নয়। দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন সময়েই সাংবাদিকরা বিভিন্নভাবে আক্রান্ত হচ্ছে, নির্যাতিত হচ্ছেন। তাঁদের পাশে দাড়ানোর লোক পর্যন্ত নেই। সাংবাদিকদের অনৈক্য, দলীয় বিভক্তি এবং পেশাদারী মনোভাবের অনুপস্থিতি এই ধরণের নির্যাতন নিপীড়নকে ক্রমাগতভাবে স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত করেছে।


সাংবাদিক রোজিনার পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ 

যুদ্ধবিরতির জন্য ফিলিস্তিনিদের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হবে ইসরাইল: হামাস

রোজিনার মুক্তির দাবিতে শাহবাগ থানার সামনে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ

আরশের ছায়াতলে আশ্রয় পাবেন যে সাত ব্যক্তি


এই ঘটনা এবং আগেও অসংখ্য ঘটনায় সাংবাদিকদের ওপরে নির্যাতনের কারণ স্পষ্ট – যখনই কোনও সাংবাদিক ক্ষমতাসীনদের – স্থানীয় বা জাতীয় পর্যায়ে–জবাবদিহির মুখোমুখির চেষ্টা করেছেন সেই সময়েই তাঁদেরকে হয়রানি, নির্যাতনের মুখোমুখি হতে হয়েছে। জবাবদিহির অনুপস্থিত রাজনৈতিক ব্যবস্থায় যে কোনও ধরণের জবাবদিহি দাবি করলেই তার পরিণতি হয় নির্যাতন, নিপীড়ন। এই ঘটনা অন্য সাংবাদিকদের জন্যে সুস্পষ্ট বার্তা – তাঁরা সেটা শুনতে/বুঝতে পারছেন কিনা সেটাই আমার প্রশ্ন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর