কেন তিমি মারা যাচ্ছে তার তদন্ত চান স্থানীয়রা

অনলাইন ডেস্ক

কেন তিমি মারা যাচ্ছে তার তদন্ত চান স্থানীয়রা

একরে পর এক মৃত তিমি ভেসে আসছে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে। গতকাল শুক্রবার একটি মৃত তিমিটি ভেসে আসার পর, আজ শনিবার সমুদ্রসৈকতের হিমছড়ির দরিয়ানগর পয়েন্টে আরেকটি মৃত তিমি ভেসে এসেছে। তবে কেন এই তিমি মারা যাচ্ছে তার তদন্ত চান স্থানীয়রা।

প্রথম তিমিটি রাতে বালুচরে পুঁতে ফেলা হয়েছে আর দ্বিতীয় তিমিটি আজ সন্ধ্যা নাগাদ বালুচরে পুঁতে ফেলা হতে পারে বলে জানা গেছে।

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কক্সবাজারের জ্যেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আশরাফুল হক জানান, আজকের তিমির আকার-আকৃতিও আগেরটার মতো। আগের তিমির পেটে আঘাতের চিহ্ন ছিল। আর এটির পিঠে বড় ধরনের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। 

দুইটা তিমির শরীর থেকেও নমুনা সংগ্রহ করে ময়নাতদন্ত করা হবে। তারপর বলা যাবে, তিমির মৃত্যুর কারণ কী বলে জানান মৎস্য গবেষকেরা।

আরও পড়ুন


দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চ মৃত্যু

মাওলানা মামুনুলের বিরুদ্ধে সোনারগাঁয়ে আরও এক মামলা

মুন্সীগঞ্জে বিস্ফোরণ: চিকিৎসাধীন মেয়রের স্ত্রীর মৃত্যু

করোনা কাউকে করে না করুণা: ওবায়দুল কাদের


কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (প্রশাসন) মো. আমিন আল পারভেজ জানান, সৈকতের হিমছড়ি এলাকায় যে দুইটি তিমিটি ভেসে এসেছে, তার আকারও একই রকম। জোয়ারের পানি নেমে গেলে ময়নাতদন্তের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হবে। 

সমুদ্রসৈকতের স্থানীয় জেলে রহিম শিকদার (৪৫) জানান, সমুদ্রে এখন মাছ ধরার কোনো নৌযান নেই। এরপরও কেন বড় বড় তিমি মারা যাচ্ছে। কি কারণে মারা যাচ্ছে তার তদন্ত দরকার বলে মনে করেন তিনি।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

মাস্ক পরাতে ৮ নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক

মাস্ক পরাতে ৮ নির্দেশনা

করোনা মহামারিকালে ঘরের বাইরে মাস্ক পরার বিষয়ে আটটি নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৬ মে) সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

এতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ঘরের বাইরে মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এক্ষেত্রে ইতোমধ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছে।

মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে বলে তথ্য বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ঘরের বাইরে মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, মাস্ক হচ্ছে অন্যতম মাধ্যম বা উপকরণ, যেটি করোনার সংক্রমণ ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে। কোনো জরুরি কাজে কেউ ঘরের বাইরে গেলে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহারের জন্য সরকারের নির্দেশনা সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মেনে চলতে হবে।

মাস্ক পরার বিষয়ে সরকারের ৮ নির্দেশনা

> কয়েকস্তরবিশিষ্ট সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো, যা এককালীন ব্যবহার করতে হবে।

> অনেকে মাস্ক পরার সময় নাক খোলা রেখে শুধু মুখ ঢেকে রাখে, যা সঠিক নয়। বরং উপরের মেটাল অংশটাকে নাকের সঙ্গে চেপে ও নিচের অংশটাকে থুঁতনির নিচে নিয়ে উভয়ই ঢেকে রাখতে হবে। সম্পূর্ণ মুখমণ্ডল ঢেকে রেখে মাস্ক পরতে হবে।

> অনেকে মাস্ক থুঁতনি পর্যন্ত খুলে রেখে কথাবার্তা বলেন। এটাও ঠিক নয়। এতে লেগে থাকা জীবাণু সহজেই ছড়িয়ে পড়ে।

> সার্জিক্যাল মাস্ক ঘরে রেখে দিয়ে দীর্ঘদিন ব্যবহার করা উচিত নয়। একটি মাস্ক সর্বোচ্চ একদিন ব্যবহার করে সেটাকে ধ্বংস করে দিতে হবে।

> যেসব স্থানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা মুশকিল, যেমন- গণপরিবহন ও বাজার বা দোকানপাট, সেসব জায়গায় মাস্ক পরতেই হবে। পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় ও হাত জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে।

> সাধারণ কাপড়ের মাস্ক ব্যবহারের পর অবশ্যই পরিষ্কার করতে হবে। অপরিষ্কার মাস্ক পরলে রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ব্যবহার করা মাস্ক জীবাণুমুক্ত করতে পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মাস্ক সাবান পানিতে ভিজিয়ে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

> ভেজা মাস্ক পরিধান উচিত নয়। এতে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

> বাইরে গেলে দুটি মাস্ক ব্যাগে রাখা দরকার। মুখে বাঁধা মাস্ক কোনো কারণে নষ্ট হলে বা ভিজে গেলে অন্যটি ব্যবহার করতে হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়াকে যে দেশে নেওয়ার প্রস্তুতি

অনলাইন ডেস্ক

খালেদা জিয়াকে যে দেশে নেওয়ার প্রস্তুতি

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সরকার অনুম‌তি দি‌লে য‌ত দ্রুত সম্ভব চি‌কিৎসার জন্য লন্ডন নিতে চান পরিবারের সদস্যরা। ইতোমধ্যেই পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে লন্ডন নেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ মে) রাতে খা‌লেদা জিয়ার বোন সে‌লিমা ইসলাম গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান। 

সেলিমা ইসলাম জানান, ‘ খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য সরকা‌রের অনুম‌তি পে‌লে তাকে লন্ডন পাঠা‌বো। সেখা‌নে তার বড় ছে‌লে তারেক রহমানও র‌য়ে‌ছেন। সেই প্রক্রিয়াও শুরু ক‌রে‌ছি।   খালেদা জিয়ার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়াই তার পাস‌পো‌র্টের মেয়াদ বাড়ানোর কাজ চল‌ছে বলেও জানান তিনি।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাসপোর্টের মেয়াদ ২০১৯ সালে শেষ হয়ে যায়। নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা হয়েছে। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর নতুন পাসপোর্ট পাওয়া যাবে বলে জানা গেছে। 
 
বিএনপির একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, এমআরপি পাসপোর্টের জন্য ফিঙ্গার প্রিন্ট ও আবেদনকারীর স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক হলেও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে সেই শর্ত শিথিল করা হয়েছে। তাকে বিনা ফিঙ্গার প্রিন্ট ও স্বাক্ষরে নতুন পাসপোর্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

খালেদা জিয়ার পাসপোর্ট ফি জমা দেওয়া হয়েছে। আর এই বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জানানো হয়েছে। সেখান থেকে বলা হয়েছে অল্প সময়ের মধ্যে তার পাসপোর্ট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।  

প্রসঙ্গত, খা‌লেদা জিয়ার বি‌দে‌শে চি‌কিৎসার বিষয়ে তার ভাই শামীম ইস্কান্দা‌রের লি‌খিত আবেদন ৬ মে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের হাতে পৌঁছয়। আইনমন্ত্রী জানান, তারা এই আবেদনের মানবিক দিক বিবেচনা করছেন। তবে, খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার (৬ মে) হচ্ছে না। আর এটি কোনো আদালতের বিষয়ও নয়। সরকারের নির্বাহী আদেশেই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল করোনা আক্রান্ত হন খালেদা জিয়া। শুরুতে গুলশানের বাসায় চিকিৎসা চলছিল তার। ১৫ এপ্রিল সিটি স্ক্যানের জন্য প্রথমবারের মতো তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যান। ঘণ্টাখানেক পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বাসায় ফিরে যান তিনি। এরপর ২৭ এপ্রিল ফের তাকে শারীরিক টেস্টের জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে যেতে হয়। এই দফায় চিকিৎসকদের পরামর্শে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। এরই মধ্যে ৩ শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তাকে হাসপাতালের সিসিইউতে নেওয়া হয়। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ

অনলাইন ডেস্ক

জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ

তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ খবর জানানো হয়। আগামী ৫ বছরের জন্য তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগপ্রাপ্ত জাতীয় অধ্যাপকরা হলেন- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন, ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (বারডেম) সভাপতি এ কে আজাদ খান এবং বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএনটারোলজি সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক মাহমুদ হাসান।

‘জাতীয় অধ্যাপক’ বাংলাদেশের বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা যা বাংলাদেশ সরকার কতৃর্ক শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও গবেষণার জন্যে দেশের বিশিষ্ট পণ্ডিত, চিন্তাবিদ এবং শিক্ষকগণকে প্রদান করা হয়। ১৯৭৫ সাল থেকে এই সম্মাননা প্রবর্তিত হয়। সাধারণত পাঁচ বছর মেয়াদের জন্যে কোনো ব্যক্তি জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্তি পেয়ে থাকেন, তবে ক্ষেত্রবিশেষে দীর্ঘতর মেয়াদের জন্যেও পুনর্নিয়োগ দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১৯৭৫ সালের ১৭ মার্চ জাতীয় অধ্যাপক পদে তিন জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তারা হলেন- অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন এবং কাজী মোতাহার হোসেন । ১৯৯৪ সালে প্রথম নারী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় সুফিয়া আহমেদকে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক মন্ত্রী এবং সাবেক জাতীয় অধ্যাপকদের নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় অধ্যাপক নির্ধারণ কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি জাতীয় অধ্যাপকের নিয়োগ দিয়ে থাকে। শিক্ষামন্ত্রী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এই কমিটির সিদ্ধান্ত ও মনোনয়ন অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি এই নিয়োগ সম্পন্ন করেন। 

যারা জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পান তারা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে মাসিক হারে ভাতা পেয়ে থাকেন। জাতীয় অধ্যাপকরা সরকারের অনুমতি নিয়ে বিদেশে যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করতে পারেন। তবে জাতীয় অধ্যাপক পদে থাকাকালীন তারা অন্য কোনো বেতনভুক্ত চাকরি করতে পারেন না।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন খালেদা জিয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক

নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন খালেদা জিয়ার

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাসপোর্টের মেয়াদ ২০১৯ সালে শেষ হয়ে যায়। নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা হয়েছে। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর নতুন পাসপোর্ট পাওয়া যাবে বলে জানা গেছে। 
 
বিএনপির একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, এমআরপি পাসপোর্টের জন্য ফিঙ্গার প্রিন্ট ও আবেদনকারীর স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক হলেও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে সেই শর্ত শিথিল করা হয়েছে। তাকে বিনা ফিঙ্গার প্রিন্ট ও স্বাক্ষরে নতুন পাসপোর্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

খালেদা জিয়ার পাসপোর্ট ফি জমা দেওয়া হয়েছে। আর এই বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জানানো হয়েছে। সেখান থেকে বলা হয়েছে অল্প সময়ের মধ্যে তার পাসপোর্ট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।  

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

এক্স-রে রিপোর্ট ভালো নয় খালেদা জিয়ার

অনলাইন ডেস্ক

এক্স-রে রিপোর্ট ভালো নয় খালেদা জিয়ার

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। গতকাল বুধবার তার শ্বাসকষ্ট বাড়লে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ান চিকিৎসকরা। তা ছাড়া ফুসফুসে যে পানি জমেছিল, তা আগেই বের করা হয়েছে। খালেদা জিয়ার প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ লিটার অক্সিজেন লাগছে এবং তার এক্স-রে রিপোর্টও ভালো নয়। বৃহস্পতিবার (৬ মে) সন্ধ্যায় খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড সূত্রে একথা জানা গেছে। এর আগে দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ওই মেডিকেল বোর্ডের বৈঠক হয়।

মেডিকেল বোর্ডের সূত্রটি জানায়, অসুস্থ খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুব বেশি দূরে না নিয়ে, কাছাকাছি কোনো দেশে নেওয়ার মতামত দিয়েছেন তারা। কারণ তার এক্স-রে রিপোর্টও ভালো নয়।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের বৈঠকে অংশ নেন অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, ডা. আল মামুন, ডা. এ জেড এম জাহিদ, ডা. আব্দুশ শাকুর খান, এভারকেয়ার হসপাতালের কনসালটেন্ট ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার, ডা. সিনা, ডা. ফাহামিদা বেগম, ডা. মাসুম কামাল, ডা. আল মামুন, ডা. সাদিকুল ইসলাম এবং ডা. তামান্না অংশ নিয়েছেন।

বৈঠকে অনলাইনে যোগ দেয় লন্ডন, নিউইয়র্ক থেকে বিশেষজ্ঞ টিম। এছাড়া বৈঠকে যোগ দেন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান।

এভারকেয়ার হাসপাতাল সূত্র জানায়, বৈঠকে খালেদা জিয়ার বুধবারের (৫ মে) রিপোর্টগুলো পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠক শেষে মেডিকেল বোর্ডের এক সদস্য জানান, অসুস্থ খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় দিনে ৩ থেকে ৪ লিটার অক্সিজেন লাগছে। তাছাড়া, তার এক্স-রে রিপোর্ট পাওয়া গেছে, সেটিও ভালো নয়।

গত ১০ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনাভাইরাস পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। পরদিন সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এরপর দ্রুত বক্ষব্যাধি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়। তাদের তত্ত্বাবধানে গুলশানের বাসা ফিরোজায় তার চিকিৎসা চলছিল। দ্বিতীয়বার পরীক্ষাতেও তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

এরপর গত ২৭ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাকে ৩-৪ দিন রাখার কথা বলেছিলেন তার চিকিৎসকেরা। এর মধ্যে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় সোমবার বিকেলে তাকে কেবিন থেকে সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) স্থানান্তর করা হয়। করোনার পাশাপাশি ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, রিউমেটিক আর্থ্রাইটিসসহ কয়েকটি রোগে ভুগছেন খালেদা জিয়া।

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর