লকডাউনে শিল্প কারখানা চলবে

নিজস্ব প্রতিবেদক


লকডাউনে শিল্প কারখানা চলবে

৫ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে সারা দেশে চলছে সাতদিনের লকডাউন। যা আজ রাত ১২টায় শেষ হচ্ছে। করোনা ভাইরাসে শনাক্ত ও মৃত্যু বাড়তে থাকায় আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে আবারো এক সপ্তাহের লকডাউন দিতে যাচ্ছে সরকার। আর এ লকডাউনেও শিল্পকারখানা খোলা রাখতে গত শুক্রবার থেকেই সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন গার্মেন্টস মালিকরা।

তারা সরকারের সামনে দুটি বিষয় তুলে ধরেছেন। এক: কারখানা বন্ধ করলে ক্রয়াদেশ হারাবে বাংলাদেশ। দুই: শ্রমিকেরা ছুটিতে গ্রামের বাড়ির দিকে রওনা দিলে সংক্রমণ আরও ছড়াবে। 

আর এই দুইটি বিষয়কে বিবেচনায় নিয়ে আজ বিকেলে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক হয়। 

বৈঠক শেষে নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘১৪ এপ্রিল থেকে সম্পূর্ণ লকডাউন হলেও শিল্প কারখানা চলবে। মন্ত্রী পরিষদ সচিব আমাদের নিশ্চিত করেছেন।’ 

তিনি বলেন, ‘লকডাউনে শিল্প কারখানা ছাড়া সব বন্ধ থাকবে। মানুষের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এ ছাড়া ব্যাংক বন্ধ থাকতে পারে। তাতে আমদানি রপ্তানিতে সমস্যা হবে। এ বিষয়েও পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব।’


মাওলানা মামুনুল হকের বিষয়কে ব্যক্তিগত বললেন বাবুনগরী

মাওলানা রফিকুল মাদানীর নামে আরেকটি মামলা, আনা হলো যেসব অভিযোগ

দেশে করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড

দেশে নতুন করে করোনা শনাক্ত ৫ হাজার ৮১৯ জন


অবশ্য সরকার এ বিষয়ে এখনো প্রজ্ঞাপন জারি করেনি। আজ বা কাল সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে জানিয়েছেন মোহাম্মদ হাতেম।

বৈঠকে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম ও নবনির্বাচিত সভাপতি ফারুক হাসান, নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর সভাপতি মোহাম্মদ আলী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

৯ দিনে এলো রেকর্ড ৮ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স

অনলাইন ডেস্ক

৯ দিনে এলো রেকর্ড ৮ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স

করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেও  রোজার ঈদের আগে চলতি মে মাসের প্রথম ৯ দিনে প্রবাসীরা ৯১ কোটি ৯০ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা।

মঙ্গলবার (১১ মে) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, সাধারণ সময়ের চেয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ঈদের আগে বেশি পরিমাণ রেমিট্যান্স দেশে পাঠান। তাদের নিজ নিজ পরিবার যাতে উৎসব ও স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদ উদযাপন করতে পারেন, এজন্যই এ সময়ে তারা বাড়তি রেমিট্যান্স পাঠান। এবারও তারা রেকর্ড রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

এর আগে গত ৩ মে দিনশেষে প্রথমবারের মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৫ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ রিজার্ভ দিয়ে আগামী ১২ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব।

চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৪৪ দশমিক শূন্য ২ বিলিয়ন বা চার হাজার ৪০২ কোটি ডলার।

২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন ডলার, ১৫ ডিসেম্বর ৪২ মিলিয়ন এবং ২৮ অক্টোবর রিজার্ভ ৪১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিল।

সদ্য শেষ হওয়া এপ্রিল মাসে ২০৬ কোটি ৭০ লাখ (২ দশমিক শূন্য ৬ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা গত বছরের (২০২০ সাল) এপ্রিলের চেয়ে ৮৯ দশমিক ১১ শতাংশ বেশি। গত বছরের এপ্রিল মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১০৯ কোটি ২৯ লাখ ৬০ হাজার।

দেশের ইতিহাসে এক মাসে রেমিট্যান্সপ্রবাহে এতো বেশি প্রবৃদ্ধি এর আগে কখনই হয়নি। চলতি অর্থবছরের মার্চে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৯১ কোটি ৯৫ লাখ ডলার এবং ফেব্রুয়ারিতে ১৭৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স আসে দেশে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, চলতি (২০২০-২১) অর্থবছরের ১০ মাসে রেমিট্যান্স দুই হাজার কোটি (২০ বিলিয়ন) ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এর আগে কোনো অর্থবছর এতো পরিমাণ রেমিট্যান্স আসেনি।

২০১৯-২০ অর্থবছর এক হাজার ৮২০ কোটি ডলার বা ১৮ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স আসে দেশে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স আসে এক হাজার ৬৪২ কোটি ডলার।

এছাড়া ঈদ ও উৎসবে বিভিন্ন ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সরকারের প্রণোদনার সঙ্গে বাড়তি ১ শতাংশ দেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে। এতে বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠাতে উৎসাহী হচ্ছেন প্রবাসীরা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

নতুন করে ঠিক হলো বেসরকারি পর্যায়ের করোনা পরীক্ষার ফি

অনলাইন ডেস্ক

নতুন করে ঠিক হলো বেসরকারি পর্যায়ের করোনা পরীক্ষার ফি

বেসরকারি পর্যায়ে দেশে কোভিড–১৯ রোগের পরীক্ষার ফি কমানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) নাসিমা সুলতানা সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

আগে বিদেশগামীদের সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো ল্যাব থেকে পরীক্ষা করলে তিন হাজার টাকা লাগত। এটি কমিয়ে এখন ২৫০০ টাকা করা হয়েছে।

এ ছাড়া সাধারণ লোকজনের বেসরকারি ল্যাবে পরীক্ষা করাতে লাগত ৩ হাজার ৫০০ টাকা, তা কমিয়ে ৩ হাজার টাকা করা হয়েছে।


আরও পড়ুনঃ


ফ্রান্সের ইকুইহেন বিচ: উল্টানো নৌকার নিচে বসবাস

টিকা আনতে চীনে বিমানবাহিনীর পরিবহণ বিমান

ঈদে অর্থ বহনে ঢাকা মেট্রোপলিটান পুলিশের নির্দেশনা

ভারতে বাতিল হল গো-রক্ষা হেল্প ডেস্ক


আর বেসরকারিভাবে বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষা করালে ৪ হাজার ৫০০ টাকার পরিবর্তে এখন লাগবে ৩ হাজার ৭০০ টাকা।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

ঈদের আগে মানুষ সোনা কেনার চেয়ে বিক্রি করছে বেশি

অনলাইন ডেস্ক

ঈদের আগে মানুষ সোনা কেনার চেয়ে বিক্রি করছে বেশি

বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি হয় বিভিন্ন উৎসব উপলক্ষে। এ কারণেই বিভিন্ন উৎসবের অপেক্ষায় থাকেন অলঙ্কার ব্যবসায়ীরা। কিন্তু এবারের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সবকিছু ওলট-পালট করে দিয়েছে। ঈদের আগে মানুষ সোনা কেনার চেয়ে বিক্রি করছে বেশি।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে—ক্রেতা না থাকায় বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ার পরও দেশের বাজারে বাড়ানো হচ্ছে না। ঈদ উপলক্ষে নানা ছাড় দিয়েও ক্রেতা পাওয়া যাচ্ছে না।

স্বর্ণের অলঙ্কার বিক্রি আশঙ্কাজনকহারে কমে যাওয়ায় অনেকটাই আয়হীন হয়ে পড়েছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা। আবার বিক্রি না থাকায় স্বর্ণ শিল্পীরা কাটাচ্ছেন বেকার সময়।

গত বছর করোনার প্রকোপ শুরুর পর সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণা করলে তার পর থেকেই স্বর্ণ ব্যবসায়ী ও শিল্পীরা বিপাকে পড়েন বলে জানিয়েছেন তারা। তাদের আশা ছিলো চলতি বছরের রোজার ঈদকেন্দ্রিক ভালো ব্যবসা করে লোকসান কিছুটা কাটিয়ে উঠবে।

কিন্তু, করোনার কারণে আর্থিক সংকট থেকে মানুষ স্বর্ণালঙ্কার কেনার বদলে বিক্রি করছে বেশি। হাতে টাকা না থাকায় মানুষ এখন অতিপ্রয়োজনীয় পণ্য ছাড়া শখের পণ্য খুব কম কিনছে। আবার অনেকে আছে জাকাত দেয়ার জন্য বাড়তি স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে দিচ্ছে।


আরও পড়ুনঃ


ফ্রান্সের ইকুইহেন বিচ: উল্টানো নৌকার নিচে বসবাস

ভারতে শ্মশান থেকে মৃতদের কাপড় চুরি, আটক ৭

মৃত্যুর আগে বাবাকে ফোনে জানালেন ধর্ষণের কথা!

ভারতে বাতিল হল গো-রক্ষা হেল্প ডেস্ক


এদিকে দেশের বাজারে মন্দা দেখা দিলেও সম্প্রতি বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় উত্থান হয়েছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) গতকাল ১০ মে থেকে বাড়িয়েছে সোনার দাম।

এখন থেকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণ ৭১ হাজার ৪৪৩ টাকায় বিক্রি হবে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬৮ হাজার ২৯৩, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ৫৯ হাজার ৫৪৪ ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৪৯ হাজার ২২ টাকায় বিক্রি হবে।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

কম খরচে বেশি লাভ, কাউন চাষে বাড়ছে আগ্রহ

আব্দুস সালাম বাবু, বগুড়া

স্বল্প খরচে লাভজনক হওয়ায় দানাদার শস্য কাউন চাষে আগ্রহী হচ্ছে বগুড়ার সারিয়াকান্দি ও সোনাতলার চরাঞ্চলের কৃষক। পরিচর্যা ও সার প্রয়োগ ছাড়াই কাউনের ভালো ফলন হওয়ায় প্রতিবছর বাড়ছে চাষের জমি। পাখির খাদ্য হিসেবে কাউনের চাহিদা বাড়ায় কৃষকও ভালো দাম পাচ্ছেন। 

অনুকূল আবহাওয়ার কারণে বাম্পার ফলন হওয়ায় যমুনা ও বাঙালি নদীর চরাঞ্চলে কাউন চাষিদের মুখে হাসি ফুটেছে। সারিয়াকান্দিতে গত বছর ১ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে কাউন চাষ হলেও এবছর তা বেড়ে ১ হাজার ৭১০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে।

চরাঞ্চলের জমিতে বন্যার কারণে পলি জমে, উর্বর জমিতে কাউনের বীজ বপনের পর থেকেই গাছ বেড়ে উঠতে থাকে। অগ্রহায়ণ থেকে মাঘ মাস পর্যন্ত বীজ বপন এবং বৈশাখ ও জ্যৈষ্ঠ মাসে কাউন কাটা-মাড়াই হয়। আর চলতি বছর কাউনের বাম্পার ফলনে লাভের আশা চাষিদের।

প্রতি মণ কাউন ২ হাজার থেকে ২৫শ’ টাকায় বিক্রি হয়ে থাকে। অল্প খরচে লাভ বেশি হওয়ায় চাষিরাও ঝুঁকছেন কাউন চাষে। 


চীনা উপহারের ৫ লাখ ডোজ টিকা আসছে বুধবার

৩ হাজার যাত্রী নিয়ে শিমুলিয়া ঘাট ছাড়লো ফেরি

সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি ৬ দিন বন্ধ


কাউন থেকে তৈরি হয় পায়েশ, পোলাও, খিচুড়ি, মলা ও বিস্কুটসহ মজাদার বিভিন্ন খাবার। পাখির খাদ্য হিসেবে কাউনের চাহিদাও বর্তমানে অনেক বেশি বেড়েছে। চলতি বছর বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার ১হাজার ৭১০ হেক্টর এবং সোনাতলা উপজেলার  ৪০ হেক্টর জমিতে কাউন চাষ হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

এক সপ্তাহের ব্যবধানে

নওগাঁয় কেজিতে চালের দর কমেছে ৪ থেকে ৫ টাকা

অনলাইন ডেস্ক

নওগাঁয় এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে চালের দর কমেছে ৪ থেকে ৫ টাকা। আর প্রতি বস্তায় কমেছে দুইশ থেকে তিনশ টাকা পর্যন্ত। এতে কিছুটা স্বত্বিতে ক্রেতারা। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে বোরো ধান ওঠায় কমতে শুরু করেছে চালের দর। 

দেশের সর্ববৃহৎ চাল উৎপাদনকারী জেলা নওগাঁ। আর দেশের চালের চাহিদার সিংহভাগই মেটানো হয় এ জেলা থেকে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে নওগাঁর খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চালে প্রকারভেদে ৪ থেকে ৫ টাকা কমেছে। আর প্রতি বস্তায় কমেছে দুইশ থেকে তিনশ টাকা পর্যন্ত।

খুচরা ব্যবসাযীরা বলছেন, এক সপ্তাহ আগে ২৮ চাল বিক্রি হয়েছে ৫৬ টাকা, বতমানে তা বিক্রি হচেছ ৫২ টাকা। একই ভাবে জিরাশাইল ৬২ থেকে ৫৮  টাকা। মোটা চাল ৪৫ থেকে ৪০ টাকা আর নাজিরশাইল ৭০ থেকে ৬৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। চালের দর কমায় কিছুটা স্বত্বিতে সাধারণ ক্রেতারা।  

বোরো ধান বাজারে ওঠায় চালের দর কমতে শুরু করেছে। তবে সরকার যদি বাজার মনিটরিং করে তাহলে চালের বাজার স্থিতিশলি থাকবে বলে মনে করেন ব্যবসায়ী নেতারা।

চালকল মালিক সমিতির তথ্য মতে, নওগাঁর আড়ত থেকে গড়ে প্রতিদিন ৭০ থেকে ৮০ ট্রাক চাল রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করা হয়।

news24bd.tv / কামরুল   

পরবর্তী খবর