লকডাউনে ব্যাংক বন্ধের সিদ্ধান্ত, বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংক

অনলাইন ডেস্ক

লকডাউনে ব্যাংক বন্ধের সিদ্ধান্ত, বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংক

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে আবারও এক সপ্তাহের লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। সোমবার (১২ এপ্রিল) দুপুরে আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে যে সর্বাত্মক লকডাউনের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে তাতে এ কথা উল্লেখ করা হয়। ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে ২১ এপ্রিল মধ্যরাত পর্যন্ত এ লকডাউন চলবে।

লকডাউন কর্মসূচির আওতায় সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার কথা বলেছে সরকার। তবে ব্যাংক পুরোপুরি বন্ধ রাখা যাবে কি না, সে বিষয়ে এখন বাংলাদেশ ব্যাংকে বৈঠক চলছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। সব কর্মকর্তা–কর্মচারীকে নিজ নিজ কর্ম এলাকায় অবস্থান করতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থলবন্দর ও সংশ্লিষ্ট অফিস এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।


আরও পড়ুনঃ


বাংলাদেশের জিহাদি সমাজে 'তসলিমা নাসরিন' একটি গালির নাম

করোনা আক্রান্ত প্রতি তিনজনের একজন মস্তিষ্কের সমস্যায় ভুগছেন: গবেষণা

কুমারীত্ব পরীক্ষায় 'ফেল' করায় নববধূকে বিবাহবিচ্ছেদের নির্দেশ

বাদশাহ সালমানের নির্দেশে সৌদিতে কমছে তারাবির রাকাত সংখ্যা


তবে এই বিধিনিষেধের আওতায় পোশাক কারখানা খোলা থাকছে। এ অবস্থায় ব্যাংক পুরোপুরি বন্ধ রাখা যাবে কি না, এ নিয়ে আলোচনা করছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘পোশাক কারখানা চালু থাকলে ঋণপত্র খোলাসহ অন্য কার্যক্রম চালু রাখতে হবে। না হলে কারখানা চলবে না। এ জন্য আমরা অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। নিশ্চয়ই এ নিয়ে একটা ব্যাখ্যা আসবে।’

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

হাঁড়িভাঙা আসছে

রেজাউল করিম মানিক,রংপুর থেকে

হাঁড়িভাঙা আসছে

রংপুরের বাজারে উঠতে শুরু করেছে হাঁড়িভাঙা আম। ২০ জুনের পর এ আম বিক্রির সরকারি নির্দেশনা থাকলেও এখনই তা মিলছে হাট-বাজারে। কৃষি বিভাগের আশা, এবার ২০০ কোটি টাকার ওপরে আম বাণিজ্য হবে রংপুরে। কারণ আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার আমের ফলন হয়েছে ভালো। হাঁড়িভাঙা আম বিদেশে রপ্তানিতে সহযোগিতার কথা জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

হাঁড়িভাঙা আমের সবচেয়ে বড় হাট মিঠাপুকুরের খোড়াগাছ ইউনিয়নের পদাগঞ্জ হাটে সরেজমিন দেখা যায়, মূল সড়কের পাশেই বড় বড় আমগাছের নিচে বসেছে বিশাল আমের হাট। এ আম বিক্রিকে কেন্দ্র করে দেখা দিয়েছে নানা ধরনের অর্থনৈতিক কার্যক্রম। ২০ জুন আসার আগেই ভ্যানে করে বাগান থেকে পরিপক্ক আম এনে হাটে তুলেছেন চাষি ও ব্যবসায়ীরা। আমচাষিরা সকাল-সকাল আম বিক্রি করেই বাড়ি ফিরে গেছেন।

আম ঘিরে নানা অর্থনৈতিক কার্যক্রম: বেচাকেনার জন্য পদাগঞ্জ আমের হাটে খোলা হয়েছে ইসলামী ব্যাংক ও মেঘনা ব্যাংকের শাখা। ‘

ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বড় বড় ব্যবসায়ী ও কৃষকরা ঝামেলামুক্তভাবে বড় ধরনের লেনদেন করছেন। আমের হাট ঘিরে বিভিন্ন কুরিয়ার সার্ভিসের শাখাও খোলা হয়েছে। প্রিয়জনের কাছে আম পরিবহনে স্থানীয় স্বজনরা কাজে লাগাচ্ছেন এগুলো। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আম পাঠানোর উপযোগী বাঁশের খাঁচা, প্লাস্টিকের ক্যারেট বিক্রি করছেন স্থানীয় অনেকে। ট্রাকে আম ওঠানামার কাজ করছেন শ্রমজীবীরা। এতে বাড়তি আয়ের সুযোগ হয়েছে তাদের।

আম বহনের খাঁচা বিক্রেতা আবুল হোসেন বলেন, আমের বাজার জমে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে খাঁচার চাহিদা বাড়ে। দামও ভালো পাই। প্লাস্টিকের খাঁচা ১০০ টাকা ও বাঁশের তৈরি খাঁচা ৪০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি করছি।

আম ঘিরে নানা অর্থনৈতিক কার্যক্রম গড়ে উঠলেও কষ্টার্জিত হাঁড়িভাঙা আমে কাঙ্ক্ষিত লাভ করতে পারছেন না বলে জানাচ্ছেন উৎপাদক কৃষকরা। 

প্রতি বছর মধ্যস্বত্বভোগীরা বড় বড় আড়ত গড়ে তুলে বাজারে আম ওঠার সঙ্গে সঙ্গে সিন্ডিকেট করে দাম কমিয়ে দেয়। ফলে কৃষকরা অনেকটা বাধ্য হয়েই কম দামে মধ্যস্বত্বভোগী-ফড়িয়াদের কাছে হাঁড়িভাঙা বিক্রি করতে বাধ্য হন। এ সমস্যা দূর করে আমের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের পাইকারদের সঙ্গে চাষিদের ব্যবসায়িক সংযোগ স্থাপন বিষয়ে বিপণন অধিদপ্তরকে নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

প্রতিদিন হাটে উঠছে ১০০-১৫০ মণ আম: হাটে আম বিক্রি করতে আসা চাষি রফিকুল ইসলাম বলেন, অনেক বাগানের আম আগেই পেকে গেছে। তাই সেগুলো ভ্যানে করে হাটে নিয়ে এসেছি। রংপুরের ব্যবসায়ীরা এসব কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। এখন আকারভেদে এসব আম বিক্রি হচ্ছে এক হাজার থেকে এক হাজার ৬০০ টাকা মণ। সরকারের বেঁধে দেওয়া ২০ জুনের পর বাইরে থেকে ব্যবসায়ীরা এলে দাম দুই হাজার টাকা মণ হবে, আশা করছি। আমচাষি আফজালুল বলেন, হাটের অবস্থা তো খুব খারাপ। কোটি কোটি টাকার আম বিক্রি হয়, অথচ হাটের কোনো উন্নয়ন নেই। সামান্য বৃষ্টিতেই প্রচুর কাদা হয়ে যায়। তাই আম বেচতে অনেক দূর্ভোগ পোহাতে হয়।

পদাগঞ্জ ও পাইকারহাটের ইজারাদার আইয়ুব আলী বলেন, হাটে প্রতিদিন ১০০-১৫০ মণ আম উঠছে। তবে বিক্রি শুরু হবে ২০ জুন থেকে। তাই ক্রেতা-বিক্রেতা কম। আমি দীর্ঘ ২১ বছর ধরে হাটগুলো ইজারা নিয়ে আসছি। প্রতি বছর সরকারকে মোটা অংকের রাজস্ব দিলেও হাটের কোনো উন্নয়ন হয় না।

আমের ক্রেতা শাহীন ইসলাম বলেন, আমের চেয়ে পাঠানো খরচই বেশি। আধা মণ আম পাঠাতে কেজিপ্রতি ১০ টাকা কুরিয়ার খরচ; খাঁচা, লেবারসহ সব মিলিয়ে ২০০ টাকা খরচ হয়। এতে আমাদের কষ্টই হয়। কুরিয়ার সার্ভিস খরচ একটু কমালে ভালো হতো। এ জন্য সরকারি-বেসরকারিভাবেও পরিবহনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

চাষের আওতায় ১৮৬৫ হেক্টর জমি: রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, রংপুরের আট উপজেলায় এক হাজার ৮৬৫ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে সুস্বাদু, আঁশবিহীন হাঁড়িভাঙা আম। এর মধ্যে মিঠাপুকুর ও বদরগঞ্জ উপজেলার সিংহভাগ জমিতে আবাদ হয়েছে এ আম। এবার আমের গড় ফলন হয়েছে হেক্টরপ্রতি ১৫ টন, যার বাজারমূল্য প্রায় ১২৭ কোটি টাকা। গত বছর করোনার কারণে আম বিপণনে কৃষকদের সমস্যা চিহ্নিত করে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে কৃষি বিভাগ ও প্রশাসন। আম বিক্রির জন্য অ্যাপ তৈরি, পরিবহনের জন্য বিশেষ বাস কিংবা ট্রেন সুবিধা নিয়ে রংপুরের মিঠাপুকুরের পদাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে চাষিদের সঙ্গে আলোচনা সভা করা হয়েছে। এ ছাড়া রংপুরের আট উপজেলায় এক হাজার ৪১৫ হেক্টর জমিতে আম্রপালি, বারি-৪, ফজলি, আশ্বিনা, কেরোয়া, সাদা ল্যাংড়া, কালো ল্যাংড়া ও মিশ্রিভোগের চাষ হয়েছে।

এসব আমের গড় ফলন হেক্টরপ্রতি ১৩ টন, যার বাজারমূল্য প্রায় ৬৭ কোটি টাকা।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ওবায়দুর রহমান মন্ডল বলেন, এবার কিছুটা খরা ছিল। তবে হাঁড়িভাঙা আমের আবাদ ভালো হয়েছে। কৃষকরা সহজে যাতে আম বিপণন করতে পারেন, সে জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। প্রতি বছরের মতো এবারও কৃষকদের পাশে রয়েছি।

তৎপর প্রশাসন : রংপুরের জেলা প্রশাসক আসিব আহসান বলেন, আম পরিবহনের জন্য গাড়িগুলোতে আমরা স্টিকার সহযোগিতা করছি। এতে আম ব্যবসায়ী-চাষিরা তাদের আম দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঝামেলা ছাড়াই সরবরাহ করতে পারবেন। পরিবহন সমস্যা এড়াতে মতবিনিময় সভা করে কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। তারা আম বিক্রির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করছেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এমপি বলেন, রংপুরের কৃষিতে গত ২০ বছরের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হলো হাঁড়িভাঙা আম। এ আম দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব। কিন্তু একে খুব যত্নসহ রপ্তানি করতে হবে। এ ধরনের আম প্রক্রিয়াজাত করার সুযোগ এখনও দেশে হয়নি। যদি কেউ রপ্তানি করতে চান, তাহলে আমরা তাদের সহযোগিতা দেব। হাঁড়িভাঙা আমের ব্যাপক প্রচারও প্রয়োজন।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা

অনলাইন ডেস্ক

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার কোটি টাকা

সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে রয়েছে ৫৭ কোটি ৩ লাখ সুইস ফ্রাঁ। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় পাঁচ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) ২০২০ সাল শেষের এই হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে সে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বাংলাদেশের নামে সে দেশের ব্যাংক ব্যবস্থায় মোট যে দায় রয়েছে, তার মধ্যে ৫৩ কোটি ফ্রাঁ এ দেশের ব্যাংকগুলোর কাছে। অন্যদিকে গ্রাহক আমানত রয়েছে তিন কোটি ২২ লাখ ফ্রাঁ, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩০০ কোটি টাকার সামান্য বেশি।

২০১৯ সালে ছিল প্রায় পাঁচ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। ফলে আগের বছরের চেয়ে বাংলাদেশের নামে থাকা অর্থ কিছুটা কমেছে। তবে বাংলাদেশি গ্রাহকের নামে থাকা আমানত অনেক বেড়েছে।


আরও পড়ুনঃ

শনিবার থেকে সিনোফার্মের টিকাদান কার্যক্রম শুরু

ব্রাজিলের কাছে পাত্তাই পেল না পেরু

আবারও গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী

নন্দীগ্রামের ভোটের ফলাফল নিয়ে হাইকোর্টে মমতা


বাংলাদেশের কোনো নাগরিক বা প্রতিষ্ঠান যদি নিজের বদলে অন্য দেশের নামে অর্থ গচ্ছিত রেখে থাকে, তাহলে তা এই হিসাবের মধ্যে আসেনি।

একইভাবে সুইস ব্যাংকে গচ্ছিত রাখা মূল্যবান শিল্পকর্ম, স্বর্ণ বা দুর্লভসামগ্রীর আর্থিক মূল্যমান হিসাব করে এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। অনেক দেশের নাগরিকই মূল্যবান সামগ্রী সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকের ভল্টে রেখে থাকেন।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম বন্দর কাস্টমস ২৪ ঘন্টা খোলা রাখার সুফল মিলেছে রাজস্ব আদায়ে

নয়ন বড়ুয়া জয়

বছর জুড়ে করোনার ভয়াবহতার মধ্যেও ২০২০-২১ অর্থবছরে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের রাজস্ব আদায় গেল অর্থ বছরের চেয়ে অনেক বেশি। কয়েক মাসে রাজস্ব আদায় বেড়ে যাওয়ায় এবারের লক্ষ্য মাত্রার কাছাকাছি পৌঁছেছে কাস্টমস। 

চব্বিশ ঘন্টা কাস্টমসের কার্যক্রম চালু থাকায় রাজস্ব আদায়ে স্বরণকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড বললেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। তবে বন্দর সচিব বলছেন,আমদানি ও রপ্তানি কারকরা আরো এগিয়ে আসলে রাজস্ব বাড়বে আরো কয়েকগুণ। তবে অসৎ ব্যবসায়ীদের কোন ছাড় নেই বললেন কাস্টমস কমিশনার । 

চলতি মাসেই শেষ হচ্ছে চট্টগ্রাম কাস্টমসের ২০২০ -২১ অর্থ বছরের রাজস্ব আদায়ের সময়সীমা। এবারের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬৪ হাজার ৩০৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। যা এই পর্যন্ত আদায় হয়েছে ৫০ হাজার ২শ কোটির বেশি।  যা গেল অর্থ বছরের চেয়ে অনেক বেশি বললেন কাস্টমসের এই কর্মকর্তা।

চট্টগ্রাম বন্দর কাস্টমস ২৪ ঘন্টা খোলা রাখার সুফল মিলেছে রাজস্ব আদায়ে বললেন বন্দর ব্যবহারকারীরা।

বন্দর সচিব বলছেন, আমদানি রপ্তানি কারকরা পণ্য খালাস কিংবা পণ্য রপ্তানিতে মনোযোগি হলে আরো বাড়বে রাজস্ব।

এদিকে কাস্টমস কমিশনার বলছেন ,আইন এবং বিধির বাইরে পণ্য খালাস করতে আসলে ছাড় দেয়া হবেনা আমদানি কারকদের।

এদিকে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে বে টার্মিনাল চালু হলে কাস্টমসের রাজস্ব আরো বাড়বে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

আরও পড়ুন


পরীমনি কেনো এতো রাতে বোট ক্লাবে যাবে: সোহান (ভিডিও)

ক্লাবে ঢুকে মদ না পেয়ে তারা ভাঙ্গচুড় চালায় : ক্লাব কর্তৃপক্ষ (ভিডিও)

অল কমিউনিটি ক্লাবে ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করলেন পরীমনি (ভিডিও)

মদ পানে গভীর রাতে যুবক-যুবতী নিয়ে ক্লাবে যেতেন পরীমনি


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

আন্তর্জাতিক বাজারে না কমলে দেশের বাজারে তেলের দাম কমবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক বাজারে না কমলে দেশের বাজারে তেলের দাম কমবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম না কমলে অভ্যন্তরীণ বাজারে ভোজ্যতেলের দাম কমবে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) সকালে রংপুর নগরীতে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, প্রতি সপ্তাহে গ্লোবাল মার্কেট ও বিশ্ববাজার মনিটরিং করা হয় তেলের বাজারটার কী অবস্থা হয়। সর্বকালের সর্বোচ্চ দামে পৌঁছে দাম তেলের। বিশ্ববাজারে দাম না কমলে ভোজ্যতেলের দাম কমানো কঠিন হবে। গ্লোবাল মার্কেটে কমলে দাম কমবে। তবে করোনাকালে জাহাজের ভাড়াও বেড়ে গেছে। যার ফলে যারা নিয়ে আসছে সেখানেও একটা প্রভাব পড়ছে।

জানা গেছে, গত ২৯ মে শনিবার থেকে বাজারে প্রতি লিটার সয়াবিন তেল ১৫৩ টাকায় বিক্রি শুরু হয়। দাম বাড়িয়ে বৃহস্পতিবার (২৭ মে) বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়শেন জানিয়েছে, তেলের নতুন দাম শনিবার (২৯ মে) থেকে কার্যকর।

গত মে মাসের মাঝামাঝিতে তেলের দাম বাড়িয়ে ১৪৪ টাকা লিটার নির্ধারণ হয়। এ নিয়ে গত পাঁচ মাসে মোট পাঁচ দফায় ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হয়।


আরও পড়ুনঃ

আবু ত্ব-হা আদনানকে খুঁজে দিতে জাতীয় দলের ক্রিকেটার শুভর আহ্বান

গণপূর্ত ভবনে অস্ত্রের মহড়া: সেই আ.লীগ নেতাদের দল থেকে অব্যাহতি

আবারও মিয়ানমারের গ্রামে তাণ্ডব চালিয়েছে সেনাবাহিনী

সুইসদের হারিয়ে সবার আগে শেষ ষোল নিশ্চিত করল ইতালি


৩০ ডিসেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৩৮ টাকা (৩৩ শতাংশ) বেড়েছে। ওই সময় প্রতি লিটার তেল ১১৫ টাকায় বিক্রি হতো।

নতুন মূল্যতালিকা অনুসারে, আগের দাম ৬৮৫ টাকা থেকে ৪৩ টাকা বেড়ে পাঁচ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম এখন ৭২৮ টাকা। এ ছাড়া প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ১২৯ টাকায়। আগে এ তেলের দাম ছিল ১২২ টাকা লিটার।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের টোল আদায় জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে না (ভিডিও)

প্লাবন রহমান

প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মান শেষ না হওয়ায় ঢাকা-মাওয়া-ভাঙা এক্সপ্রেসওয়ে থেকে টোল আদায় পিছিয়ে যাচ্ছে। ফলে সিদ্ধান্ত থাকলেও আগামী ১লা জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে না এ মহাসড়কে টোল আদায়। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর বলছে- সব প্রস্তুতি শেষে আসছে ডিসেম্বর থেকে টোল আদায় শুরু হবে। 

ঢাকা-মাওয়া-ভাঙা, দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে। ৫৫ কিলোমিটার এই মহাসড়কে কোন রকম সিগনালের বাধায় পড়তে হয় না যানবাহনকে। যে কারনে ৭০-৮০ কিলোমিটার গতি যেন স্বাভাবিক এই পথে। তাই-আগের দুর্বিসহ সব দুর্ভোগ ভুলে অনেকটা স্বস্তি এখন এই পথের যাত্রীদের।

নয়নাভিরাম টেকসই এই পথে চলাচলে মনে হতে পারে দেশে নয়, বিদেশের কোন অত্যাধুনিক মহাসড়কে চলছেন। যেখানে মূল সড়কের দু,পাশে ছোট যানবাহনের জন্য রয়েছে দুই-দুই চার লেনের সার্ভিস লেন। যার মাধ্যমে ঝুঁকি কমেছে দূর্ঘটনার।

তবে- এই পথে নিরবচ্ছিন্নভাবে চলতে এবার গুনতে হবে টোল। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী-আগামী ১লা জুলাই থেকে এই এক্সপ্রেসওয়ে থেকে টোল আদায় শুরু করার কথা। কিন্তু নদীর ওপারে মাওয়া ভাঙা অংশে টোল প্লাজার কাজ শেষ না হ্ওয়ায় আপাতত পেছাচ্ছে টোল আদায়।

অবকাঠামো নির্মান শেষ না হলেও-এরই মধ্যে যানবাহনের ধরন অনুযায়ী টোল নির্ধারন করেছে মহাসড়ক বিভাগ। পুরো এক্সপ্রেসওয়েতে যাতায়াতের জন্য ভারী ট্রাক থেকে ১১০০ টাকা, মাঝারি ট্রাক থেকে ৫৫০ টাকা, বড় বাস থেকে ৪৯৫ টাকা, ছোট ট্রাক থেকে আদায় করা হবে ৪১২ টাকা করে। 

এছাড়া- এক্সপ্রেসওয়েতে চলতে মিনিবাসকে ১৭৫ টাকা, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপকে ২২০ টাকা , সেডান কারকে ১৩৭ টাকা ৫০ পয়সা এবং মোটরসাইকেলকে গুনতে হবে ২৭ টাকা ৫০ পিয়সা।

গত বছরের মার্চে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় ঢাকা-মাওয়া-ভাঙা এক্সপ্রেসওয়ে। যে মহাসড়কে এখন কোন টোল দিতে হচ্ছে না। তবে-এক্সপ্রেসওয়ের মধ্যে থাকা ধলেশ্বরী সেতু-১, ধলেশ্বরী সেতু ২ ও আড়িয়াল খা সেতু থেকে টোল আদায় করছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

আরও পড়ুন


পরীমনি কেনো এতো রাতে বোট ক্লাবে যাবে: সোহান (ভিডিও)

ক্লাবে ঢুকে মদ না পেয়ে তারা ভাঙ্গচুড় চালায় : ক্লাব কর্তৃপক্ষ (ভিডিও)

অল কমিউনিটি ক্লাবে ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করলেন পরীমনি (ভিডিও)

মদ পানে গভীর রাতে যুবক-যুবতী নিয়ে ক্লাবে যেতেন পরীমনি


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর