ভণ্ড মামুনুলরা মারা গেলে কারা জানাজা পড়ায় সেটা আমরা দেখবো : নিখিল

অনলাইন ডেস্ক

ভণ্ড মামুনুলরা মারা গেলে কারা জানাজা পড়ায় সেটা আমরা দেখবো : নিখিল

আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের কেও মারা গেলে হেফাজতিরা জানাজা দিবে না, তাদের জানাজার দরকার নেই বলে মন্তব্য করেছেন  যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

সোমবার (১২ এপ্রিল)  করোনাভাইরাস প্রতিরোধে দেশব্যাপী যুবলীগের ফ্রি মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং জনসচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

নিখিল বলেন, আমাদের জানাজা পড়ানোর জন্য অনেক আলেম আছে, আল্লাহর ওলিরা আছেন। কিন্তু ভণ্ড মামুনুলরা মারা গেলে কারা জানাজা পড়ায় সেটাও আমরা দেখবো।

বক্তব্য শেষে ফার্মগেটে সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সাবান ও সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. খালেদ শওকত আলী, ইঞ্জিনিয়ার মৃনাল কান্তি জোদ্দার, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. হেলাল উদ্দিন, মো. সাইফুর রহমান সোহাগ, মো. জহির উদ্দিন খসরু, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, দপ্তর সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, স্বাস্থ্য সম্পাদক ডা. ফরিদ রায়হান।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

আওয়ামী লীগ কচুরিপানা নয়, যে বিএনপির হাঁক-ডাকে ভেসে যাবে: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

আওয়ামী লীগ কচুরিপানা নয়, যে বিএনপির হাঁক-ডাকে ভেসে যাবে: কাদের

বিএনপির আন্দোলনে আওয়ামী লীগ ভেসে যাবে, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ কচুরিপানা নয়, যে বিএনপির হাঁক-ডাকে ভেসে যাবে। 

তিনি আরও উল্লেখ করেন, জনগণ তাদের আন্দোলনের অনেক মৌসুমি হাঁক-ডাক শুনেছে, আন্দোলনের ডাক দিয়ে বিএনপি নেতাদের শীতনিন্দ্রায় চলে যাওয়াও দেখেছে তাদের কর্মীরা।

রোববার (১৩ জুন) সকালে তাঁর সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিদেশ নির্ভর বিএনপির রাজনীতি এখন শেকড় থেকে বিচ্ছিন্ন। দেশের রাজনীতি নাকি এখন সংকটময় অবস্থায় নিমজ্জিত, বিএনপি নেতাদের এমন মন্তব্য প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশে কোনো সংকটময় পরিস্থিতি নেই বরং বিএনপির রাজনীতি এখন গভীর সংকটে। দেশ ও জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে বিএনপিই নিজেদের জন্য সংকট তৈরি করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি নেতারা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে কর্মীদের উত্তাল আন্দোলনের দিবাস্বপ্ন দেখাচ্ছেন। কর্মীদের রোষানল থেকে বাঁচতে বিএনপি নেতাদের বক্তব্য এখন আত্মরক্ষার ঢাল মাত্র। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার মানবিক, সুদক্ষ নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল জনগণ অন্য কারো সন্ত্রাসনির্ভর আন্দোলনের হাঁকডাকে ভয় পায় না। বিএনপি নতুন করে আন্দোলনের যে হাঁকডাক দিচ্ছে তা অতীতের ধারাবাহিকতায় আরেকটি ব্যর্থ প্রয়াসের পূর্বাভাস মাত্র। 

আওয়ামী লীগের শেকড় এদেশের মাটি ও মানুষের অনেক গভীরে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান মানুষের মনিকোঠায়। অতীতে অনেক হত্যা, সন্ত্রাস আর ষড়যন্ত্র হয়েছে, তাতে আওয়ামী লীগ আরও শক্তিশালী হয়ে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে।

গতকাল ১২ জুন সংসদীয় বোর্ডের সভায়  আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের শৃঙ্খলাজনিত নির্দেশনা দেওয়া প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অনুমতি ব্যতীত কোথাও কেউ কোনো কমিটি বিলুপ্ত, কমিটি গঠন অথবা ব্যাক্তি বা দল থেকে কাউকে অব্যাহতি দিতে পরবে না।

আরও পড়ুন


সাকিবের শাস্তি মওকুফ করতে মোহামেডানের আবেদন

নিয়োগ দেবে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর

শুভাগত হোমকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব দিয়েছে মোহামেডান

তুরস্কে পাওয়া গেল ১ হাজার ৮শ বছর আগের ভাস্কর্য


সর্বপর্যায়ে দলীয় শৃঙ্খলা কঠোরভাবে মেনে চলার জন্যও সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশনা দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। কোথাও কোনো সমস্যা হলে বিভাগীয় পর্যায়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দ সংশ্লিষ্ট সবার সাথে বসে সমাধান করবে বলেও জানান তিনি। 

দল ও সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয় এমন অপকর্মে জড়িত হলে অথবা আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন ওবায়দুল কাদের। দলের আদর্শ, স্বার্থ ও শৃঙ্খলা বিরোধী বক্তব্য প্রদান থেকে সংশ্লিষ্ট সকলকে বিরত থাকার নির্দেশ দেন তিনি। 

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের দলের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন তিনি আওয়ামী লীগের দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও পরিশ্রমী নেতা ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে আওয়ামী লীগ ও দেশ একজন দেশপ্রেমিক, সৎ, আদর্শবান নেতা হারিয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

নিজের বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখার কারণ জানালেন রেলমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

নিজের বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখার কারণ জানালেন রেলমন্ত্রী

গত ১০ জুন রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের বিয়ের গুঞ্জন প্রথমে শোনা গেলেও মন্ত্রী গণমাধ্যমের কাছে বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে যান। তবে রেলমন্ত্রীর স্ত্রীর ভাই প্রথম গণমাধ্যমের কাছে বিষয়টি শেয়ার করেন।

রেলমন্ত্রীর স্ত্রী দিনাজপুরের বিরামপুরের মেয়ে শাম্মী আকতার মনি। পেশায় তিনি একজন আইনজীবী। গত ৫ জুন উত্তরায় ঘরোয়া পরিবেশে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। দুজনেরই এটি দ্বিতীয় বিয়ে।

এর আগেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে বিয়ে করার অনুমতি পেয়েছিলেন রেলমন্ত্রী। অনুমতি পেয়ে বিয়েও করে ফেলেন। তবে বিষয়টি প্রথম দিকে চেপে গিয়েছিলেন মন্ত্রী।

এ বিষয়ে নূরুল ইসলাম সুজন গণমাধ্যমকে বলেন, বিয়ে করেছি। তা অস্বীকার করার কিছু নেই। যা হয়েছে তা বলতে হবে। কিন্তু গণমাধ্যমকে বিয়ের বিষয়টি প্রথমে জানাইনি। কারণ, আগে তো প্রধানমন্ত্রীকে খুশির খবরটা জানাতে হবে। যতক্ষণ প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়নি, ততক্ষণ তাই অন্যদের কাছেও বিয়ে নিয়ে মুখ খুলিনি।

শুক্রবার প্রধানমন্ত্রীকে টেলিফোনে বিষয়টি জানিয়েছেন উল্লেখ করে রেলমন্ত্রী বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছি তাই বিয়ে নিয়ে এখন আর লুকোচুরির কিছু নেই। আমি চেয়েছি প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়ে অন্যদের জানাব। তবে বিয়ের খবরটি যেহেতু সত্য ছিল তাই সরাসরি কখনও অস্বীকার করিনি। বিয়ে করেছি- সেটা বলতে তো বাধা নেই।'


আরও পড়ুন:


ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ: মাঠে যাওয়ার সময় আম্পায়ারদের গাড়িতে হামলা

১০ বছরের জেল হতে পারে নেতানিয়াহুর: ইসরাইলি আইনজীবী

এবার ফিলিস্তিনি নারীকে গুলি করে হত্যা ইসরাইলি বাহিনীর

বিয়ের আসরে নকল গহনা, মারামারি পরে ক্ষতিপূরণ রেখে তালাক


বিয়ের খবরের পর প্রতিক্রিয়া কি হয় সেটা খেয়াল রাখছিলেন রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে যখন দুই-একটা মিডিয়ায় প্রতিবেদন হয়েছে- তখন ভাবলাম-১৪ তারিখ পার্লামেন্ট আছে, তখন এ বিষয়ে কথা বলব। কারণ, টেলিফোনে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে জানাতে চাইনি।

তবে শেষ পর্যন্ত গত শুক্রবার পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীকে টেলিফোনেই জানাতে হলো। বিয়ের ব্যাপারে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে তার ঘনিষ্ঠ অনেকেও জানতেন না বলে তিনি জানান।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

ফরিদপুর আওয়ামী লীগের বিরোধ নিষ্পত্তির করতে বললেন শেখ হাসিনা

অনলাইন ডেস্ক

ফরিদপুর আওয়ামী লীগের বিরোধ নিষ্পত্তির করতে বললেন শেখ হাসিনা

ফরিদপুর জেলা কমিটির ওপর আবারও ক্ষুব্ধ হয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মিল না হলে প্রয়োজনে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদককে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। 

গতকাল শনিবার গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের সংসদীয় বোর্ডের সভায় দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে এই নির্দেশ দেন দলীয় সভাপতি।

ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের কমিটি নিয়ে জেলার সভাপতি সুবল সাহা ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মাসুদ হেসেনের মধ্যে বিরোধ চলছে। এ বিষয়ে মনোনয়ন বোর্ডের সভায় আলোচনা উঠলে এই নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। 

ফরিদপুর শহর আওয়ামী লীগের জমা পড়া পৃথক দুটি কমিটিও বাদ দিতে বলেন শেখ হাসিনা। তবে ঐ জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের সঙ্গে বসে কেন্দ্রীয় নেতাদের সমন্বয় করার কথা বলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি। বিরোধ নিষ্পত্তি, সমন্বয় করার চেষ্টা বিফলে গেলে সিনিয়র সহ-সভাপতিকে আহ্বায়ক করে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি করে দিতে বলেন তিনি।

শহর আওয়ামী লীগের কমিটি নিয়ে ফরিদপুর জেলার সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক নতুন বিরোধে জড়িয়েছেন। তবে বিরোধ নিষ্পত্তির সব চেষ্টা করতে বলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। মনোনয়ন বোর্ডের সভা শেষে একাধিক সদস্য আরও বলেন, ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে দলাদলি ও দ্বন্দ্ব নিরসন করতে ঢাকায় ডেকে পাঠানোর নির্দেশও দেন দলীয়প্রধান শেখ হাসিনা। কেন্দ্রীয় নেতাদের হস্তক্ষেপে বিরোধ নিষ্পত্তি না হলে গঠনতন্ত্র অনুসরণ করে ব্যবস্থা নিতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।

মনোনয়ন বোর্ডের সভায় পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের উদাহরণ টেনে মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, করোনাকালে নির্বাচনের কারণেই ভারতে বিপর্যয় নেমে এসেছে। ফলে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ নেতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। তবে এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। নির্বাচন কমিশনের ওপর হস্তক্ষেপ করবে না তারা।

আরও পড়ুন:


চলতি মাসে পুলিশে ১০ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি

ইউরোপের দেশ উত্তর মেসিডোনিয়াতে ২০ বাংলাদেশি আটক

দেশে ১০ বছরে বজ্রপাতে মৃত্যু ২২৭৬

রাশিয়াকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিল বেলজিয়াম


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

আজ মোহাম্মদ নাসিমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী

অনলাইন ডেস্ক

আজ মোহাম্মদ নাসিমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী

সাবেক মন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ নাসিমের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী আজ রোববার (১৩ জুন)। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত বছরের এই দিনে ঢাকাস্থ শ্যামলী বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার নির্বাচনী এলাকা কাজিপুরে মাসব্যাপী কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। এছাড়াও সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগসহ অঙ্গ সংগঠনগুলো পৃথক পৃথক কর্মসূচির মধ্য দিয়ে প্রিয় নেতার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করবে।  

বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ট সহচর জাতীয় নেতা শহীদ এম মনসুর আলীর দ্বিতীয় সন্তান মোহাম্মদ নাসিম ১৯৪৮ সালের ২ এপ্রিল সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার কুড়িপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮১ সালের আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলনে যুব বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই জাতীয় রাজনীতিতে যাত্রা শুরু হয় তার। ১৯৮৭ সালের সম্মেলনে দলের প্রচার সম্পাদক মনোনীত হন। ১৯৯২ ও ১৯৯৭ সালের সম্মেলনে তিনি দলের সাংগঠনিক সম্পাদকের দ্বায়িত্ব পান। এসব পদে থেকে তিনি দলকে সুসংগঠিত করতে সারাদেশ চষে বেড়ান। ২০০২ ও ২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত দলের সম্মেলনে তাকে দলের কার্যনির্বাহী কমিটির এক নম্বর সদস্য পদে রাখা হয়। 

২০১২ সালের সম্মেলনে তিনি দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নির্বাচিত হন এবং টানা তিন মেয়াদে এ পদে দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যের পাশাপাশি ১৪ দলের মুখপাত্রের দায়িত্বে ছিলেন।  

মোহাম্মদ নাসিম ১৯৮৬ সালে সিরাজগঞ্জ-১ (কাজিপুর) আসন থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এরপর থেকে এই আসনে ছয়বার বিজয়ী হন তিনি। ১৯৯১ সালে তিনি জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি স্বরাষ্ট্র, গৃহায়ান ও গণপূর্ত এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির দায়িত্ব পালন করেছেন।  

গত বছরের ১ জুন রক্তচাপজনিত সমস্যায় ঢাকার শ্যামলী বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি হন মোহাম্মদ নাসিম এমপি। সেদিনই তার কোভিড-১৯ পজিটিভ আসে। ওই হাসপাতালে ১২ দিন চিকিৎসকের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকার পর ১৩ জুন ঢাকায় সকাল ১১টা ১০ মিনিটে মারা যান তিনি।

আরও পড়ুন:


শিক্ষা প্রতিষ্ঠনের চলমান ছুটি বাড়ল

উপ-নির্বাচনে তিন আসনের আ.লীগের প্রার্থী ঘোষণা

১০০ কোটি টিকা দরিদ্র দেশগুলোতে দেবে বিশ্ব নেতারা

ফের ফিলিস্তিনি কিশোরকে হত্যা করল ইসরায়েল


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

জনগণের উত্তাল আন্দোলনে আওয়ামী লীগ ভেসে যাবে: ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

জনগণের উত্তাল আন্দোলনে আওয়ামী লীগ ভেসে যাবে: ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ কি করছে-করুক। জনগণের কাছে তাদের অন্যায় টিকে থাকতে পারবে না। জনগণের উত্তাল আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ ভেসে যাবে এবং জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা হবে।

শনিবার (১২ জুন) দুপুরে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন তিনি। টঙ্গিতে সালাহ উদ্দিন সরকারের বাসভবন মিলনায়তনে গাজীপুর জেলা ও মহানগর বিএনপির যৌথ উদ্যোগে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই ভার্চুয়াল আলোচনা সভা হয়।

দলের মধ্যে বিভেদ-গ্রুপিং দূর করার আহবান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আসুন অতি দ্রুত আগামীতে আমরা নিজেদের পুরোপুরি সংগঠিত করে ফেলি। নিজেদের ভুল বুঝাবুঝি, বিভেদগুলো দূর করি। একত্রিত হয়ে, ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনগণকে একত্রিত করে আমরা তাকে (আওয়ামী সরকার) সরিয়ে সত্যিকার অর্থে একটি নিরপেক্ষ সরকার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে মধ্য দিয়ে আমরা যেন জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে পারি, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে পারি সেজন্য কাজ করি।

খালেদা জিয়ার মুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, দেশনেত্রীকে মুক্ত করতে হবে। তাছাড়া এখানে গণতান্ত্রিক আন্দোলন হবে না। দেশনেত্রীর মুক্তির আন্দোলন দিয়েই শুরু করতে হবে গণতন্ত্রের মুক্তির আন্দোলন।

বর্তমান অবস্থাকে ‘সংকটময় অভিহিত করে মির্জা ফখরুল বলেন, এই অবস্থার পরিবর্তন আমাদেরই করতে হবে। অন্য কেউ এসে করে দিয়ে যাবে না। বিএনপিকে দায়িত্ব নিতে হবে। বিএনপি হচ্ছে সেই দল যারা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে, বিএনপি হচ্ছে সেই দল যার প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন শহীদ জিয়াউর রহমান, যিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। বিএনপি হচ্ছে সেই দল যার চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া যিনি গণতন্ত্রকে মুক্তি দিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: 


এনআইডির দায়িত্ব ইসিতে থাকা উচিত: সিইসি

খুলনায় করোনায় আরও ৫ জনের মৃত্যু

চার ম্যাচ নিষিদ্ধ সাকিব

ফের ফিলিস্তিনি কিশোরকে হত্যা করল ইসরায়েল


 

তিনি বলেন, আজকে আবার যখন ক্রাইসিস, রাজনৈতিক সংকট, আমাদের সব কিছু নিয়ে চলে যাচ্ছে, তখন আমাদেরই ঘুরে দাঁড়াতে হবে, আমাদেরই শক্ত হয়ে দাঁড়াতে হবে।

ভার্চুয়াল সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা সভাপতি কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন। সঞ্চালনা করেন জেলার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল এবং নির্বাহী কমিটির ওমর ফারুক শাফিন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর