মতিন খসরুর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

অনলাইন ডেস্ক

মতিন খসরুর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আবদুল মতিন খসরু এমপি’র মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, সাবেক আইনমন্ত্রী এবং সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক শোক বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, ‘একজন বিজ্ঞ আইনজীবী ও জনমানুষের নেতা হিসেবে মতিন খসরু চিরদিন মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন। দেশের আইন ও বিচার ব্যবস্থার উত্তরণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা একজন জননেতা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিককে হারালাম, যিনি জাতির পিতার হত্যাকাণ্ডের বিচারসহ জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন মামলায় আইনজ্ঞ হিসেবে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন।’

উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মতিন খসরু গত ১৬ মার্চ থেকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন ছিলেন। মঙ্গলবার থেকে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন তিনি। বুধবার বিকাল ৪টা ৫০ মিনিটে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস

অনলাইন ডেস্ক

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড়ের আভাস

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মধ্যরাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ঝড় বৃষ্টিসহ বজ্রপাত হতে পারে বলে বৃহস্পতিবার রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তর তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আবহাওয়াবিদ মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ঢাকায় মধ্যরাতে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া রাতে বা সকালের দিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাতের আভাস রয়েছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসের তথ্য বলছে, ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার আবহাওয়ার অবস্থায় উল্লেখযোগ্য তেমন কোনো পরিবর্তন নেই।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মাস্ক পরাতে ৮ নির্দেশনা

অনলাইন ডেস্ক

মাস্ক পরাতে ৮ নির্দেশনা

করোনা মহামারিকালে ঘরের বাইরে মাস্ক পরার বিষয়ে আটটি নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৬ মে) সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

এতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ঘরের বাইরে মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এক্ষেত্রে ইতোমধ্যে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ শুরু করেছে।

মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দেশনাগুলো অনুসরণ করার জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে বলে তথ্য বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে ঘরের বাইরে মাস্ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, মাস্ক হচ্ছে অন্যতম মাধ্যম বা উপকরণ, যেটি করোনার সংক্রমণ ঝুঁকি হ্রাস করতে পারে। কোনো জরুরি কাজে কেউ ঘরের বাইরে গেলে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহারের জন্য সরকারের নির্দেশনা সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মেনে চলতে হবে।

মাস্ক পরার বিষয়ে সরকারের ৮ নির্দেশনা

> কয়েকস্তরবিশিষ্ট সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো, যা এককালীন ব্যবহার করতে হবে।

> অনেকে মাস্ক পরার সময় নাক খোলা রেখে শুধু মুখ ঢেকে রাখে, যা সঠিক নয়। বরং উপরের মেটাল অংশটাকে নাকের সঙ্গে চেপে ও নিচের অংশটাকে থুঁতনির নিচে নিয়ে উভয়ই ঢেকে রাখতে হবে। সম্পূর্ণ মুখমণ্ডল ঢেকে রেখে মাস্ক পরতে হবে।

> অনেকে মাস্ক থুঁতনি পর্যন্ত খুলে রেখে কথাবার্তা বলেন। এটাও ঠিক নয়। এতে লেগে থাকা জীবাণু সহজেই ছড়িয়ে পড়ে।

> সার্জিক্যাল মাস্ক ঘরে রেখে দিয়ে দীর্ঘদিন ব্যবহার করা উচিত নয়। একটি মাস্ক সর্বোচ্চ একদিন ব্যবহার করে সেটাকে ধ্বংস করে দিতে হবে।

> যেসব স্থানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা মুশকিল, যেমন- গণপরিবহন ও বাজার বা দোকানপাট, সেসব জায়গায় মাস্ক পরতেই হবে। পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় ও হাত জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে।

> সাধারণ কাপড়ের মাস্ক ব্যবহারের পর অবশ্যই পরিষ্কার করতে হবে। অপরিষ্কার মাস্ক পরলে রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ব্যবহার করা মাস্ক জীবাণুমুক্ত করতে পরামর্শ দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মাস্ক সাবান পানিতে ভিজিয়ে ধুয়ে রোদে শুকিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

> ভেজা মাস্ক পরিধান উচিত নয়। এতে সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।

> বাইরে গেলে দুটি মাস্ক ব্যাগে রাখা দরকার। মুখে বাঁধা মাস্ক কোনো কারণে নষ্ট হলে বা ভিজে গেলে অন্যটি ব্যবহার করতে হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়াকে যে দেশে নেওয়ার প্রস্তুতি

অনলাইন ডেস্ক

খালেদা জিয়াকে যে দেশে নেওয়ার প্রস্তুতি

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সরকার অনুম‌তি দি‌লে য‌ত দ্রুত সম্ভব চি‌কিৎসার জন্য লন্ডন নিতে চান পরিবারের সদস্যরা। ইতোমধ্যেই পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে লন্ডন নেওয়ার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ মে) রাতে খা‌লেদা জিয়ার বোন সে‌লিমা ইসলাম গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান। 

সেলিমা ইসলাম জানান, ‘ খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য সরকা‌রের অনুম‌তি পে‌লে তাকে লন্ডন পাঠা‌বো। সেখা‌নে তার বড় ছে‌লে তারেক রহমানও র‌য়ে‌ছেন। সেই প্রক্রিয়াও শুরু ক‌রে‌ছি।   খালেদা জিয়ার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হওয়াই তার পাস‌পো‌র্টের মেয়াদ বাড়ানোর কাজ চল‌ছে বলেও জানান তিনি।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাসপোর্টের মেয়াদ ২০১৯ সালে শেষ হয়ে যায়। নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা হয়েছে। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর নতুন পাসপোর্ট পাওয়া যাবে বলে জানা গেছে। 
 
বিএনপির একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, এমআরপি পাসপোর্টের জন্য ফিঙ্গার প্রিন্ট ও আবেদনকারীর স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক হলেও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে সেই শর্ত শিথিল করা হয়েছে। তাকে বিনা ফিঙ্গার প্রিন্ট ও স্বাক্ষরে নতুন পাসপোর্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

খালেদা জিয়ার পাসপোর্ট ফি জমা দেওয়া হয়েছে। আর এই বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জানানো হয়েছে। সেখান থেকে বলা হয়েছে অল্প সময়ের মধ্যে তার পাসপোর্ট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।  

প্রসঙ্গত, খা‌লেদা জিয়ার বি‌দে‌শে চি‌কিৎসার বিষয়ে তার ভাই শামীম ইস্কান্দা‌রের লি‌খিত আবেদন ৬ মে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের হাতে পৌঁছয়। আইনমন্ত্রী জানান, তারা এই আবেদনের মানবিক দিক বিবেচনা করছেন। তবে, খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার (৬ মে) হচ্ছে না। আর এটি কোনো আদালতের বিষয়ও নয়। সরকারের নির্বাহী আদেশেই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল করোনা আক্রান্ত হন খালেদা জিয়া। শুরুতে গুলশানের বাসায় চিকিৎসা চলছিল তার। ১৫ এপ্রিল সিটি স্ক্যানের জন্য প্রথমবারের মতো তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যান। ঘণ্টাখানেক পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বাসায় ফিরে যান তিনি। এরপর ২৭ এপ্রিল ফের তাকে শারীরিক টেস্টের জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে যেতে হয়। এই দফায় চিকিৎসকদের পরামর্শে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় খালেদা জিয়াকে। এরই মধ্যে ৩ শ্বাসকষ্ট শুরু হলে তাকে হাসপাতালের সিসিইউতে নেওয়া হয়। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ

অনলাইন ডেস্ক

জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ

তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ খবর জানানো হয়। আগামী ৫ বছরের জন্য তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগপ্রাপ্ত জাতীয় অধ্যাপকরা হলেন- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন, ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (বারডেম) সভাপতি এ কে আজাদ খান এবং বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএনটারোলজি সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক মাহমুদ হাসান।

‘জাতীয় অধ্যাপক’ বাংলাদেশের বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা যা বাংলাদেশ সরকার কতৃর্ক শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও গবেষণার জন্যে দেশের বিশিষ্ট পণ্ডিত, চিন্তাবিদ এবং শিক্ষকগণকে প্রদান করা হয়। ১৯৭৫ সাল থেকে এই সম্মাননা প্রবর্তিত হয়। সাধারণত পাঁচ বছর মেয়াদের জন্যে কোনো ব্যক্তি জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্তি পেয়ে থাকেন, তবে ক্ষেত্রবিশেষে দীর্ঘতর মেয়াদের জন্যেও পুনর্নিয়োগ দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১৯৭৫ সালের ১৭ মার্চ জাতীয় অধ্যাপক পদে তিন জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তারা হলেন- অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন এবং কাজী মোতাহার হোসেন । ১৯৯৪ সালে প্রথম নারী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় সুফিয়া আহমেদকে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক মন্ত্রী এবং সাবেক জাতীয় অধ্যাপকদের নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় অধ্যাপক নির্ধারণ কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি জাতীয় অধ্যাপকের নিয়োগ দিয়ে থাকে। শিক্ষামন্ত্রী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এই কমিটির সিদ্ধান্ত ও মনোনয়ন অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি এই নিয়োগ সম্পন্ন করেন। 

যারা জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পান তারা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে মাসিক হারে ভাতা পেয়ে থাকেন। জাতীয় অধ্যাপকরা সরকারের অনুমতি নিয়ে বিদেশে যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করতে পারেন। তবে জাতীয় অধ্যাপক পদে থাকাকালীন তারা অন্য কোনো বেতনভুক্ত চাকরি করতে পারেন না।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন খালেদা জিয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক

নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন খালেদা জিয়ার

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাসপোর্টের মেয়াদ ২০১৯ সালে শেষ হয়ে যায়। নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা হয়েছে। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর নতুন পাসপোর্ট পাওয়া যাবে বলে জানা গেছে। 
 
বিএনপির একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, এমআরপি পাসপোর্টের জন্য ফিঙ্গার প্রিন্ট ও আবেদনকারীর স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক হলেও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে সেই শর্ত শিথিল করা হয়েছে। তাকে বিনা ফিঙ্গার প্রিন্ট ও স্বাক্ষরে নতুন পাসপোর্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

খালেদা জিয়ার পাসপোর্ট ফি জমা দেওয়া হয়েছে। আর এই বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জানানো হয়েছে। সেখান থেকে বলা হয়েছে অল্প সময়ের মধ্যে তার পাসপোর্ট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।  

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর