নাকের মধ্যে থাকা অবস্থাতেই করোনা প্রতিরোধ করুন: ডা. এন. এন. কান্নাপ্পান মাদুরাই

অনলাইন ডেস্ক

নাকের মধ্যে থাকা অবস্থাতেই করোনা প্রতিরোধ করুন: ডা. এন. এন. কান্নাপ্পান মাদুরাই

অতিমারি ভাইরাস করোনার প্রকোপ বাড়ছে দিনকে দিন। প্রতিদিনই লাখ লাখ মানুষের আক্রান্তের ও হাজারো মানুষের মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে দেশে দেশে।

ভ্যাকসিন এলেও এই মহামারী প্রতিরোধ সম্ভব হয়ে উঠছে না। ভ্যাকসিন গ্রহণের পরও করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪ হাজার ৪২৭ জনের শরীরে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এ সময়ে শতক পেরিয়েছে মৃত্যুর সংখ্যা।

এ পর্যায়ে এসেও করোনা প্রতিরোধ চেষ্টায় বসে নেই দেশি-বিদেশি চিকিৎসক ও গবেষকরা। তারা বিভিন্ন পরামর্শ ও চিকিৎসার কথা তুলে ধরছেন প্রতিনিয়ত।

এর মধ্যে ভারতীয় চিকিৎসক ডা. এন. এন. কান্নাপ্পান মাদুরাই করোনা নির্মূল সম্ভব দাবি করে একটি পরামর্শ দিয়েছেন। 

তার পরামর্শে বলা হয়েছে, করোনায় গরম পানি পান গলার জন্য ভালো। তবে করোনাভাইরাস আমাদের নাকের প্যারান্যাসাল সাইনাসের অন্তরালে ৩-৪ দিন লুকিয়ে থাকে, আর আমরা যে গরম পানি পান করি তার প্রভাব সেখানে পৌঁছাতে পারে না।

পরে ৪-৫ দিন পর দেখা যায় সাইনাসে লুকিয়া থাকা ওই করোনা ফুসফুস পর্যন্ত চলে যায়, তখন আমাদের শ্বাসক্রিয়ায় সমস্যা দেখা দেয়। এ কারণেই আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ গরম পানির ভাপ (গরম পানির বাষ্প নিঃশ্বাসের সঙ্গে টানা) নেওয়া।

যা আমাদের নাকের প্যারান্যাসাল সাইনাসের অন্তরালে পৌঁছাতে পারে। মনে রাখতে হবে আমাদের নাকের মধ্যে থাকা অবস্থাতেই করোনাভাইরাসকে প্রতিরোধ করতে হবে।


আল্লাহ ফেরআউনকেও সুযোগ দিয়েছিলেন ছেড়ে দেননি: বাবুনগরী

ইফতারের আগে দোয়া কবুলের জন্য যে আমল করা উচিত

কখন রোজা ভাঙলে গোনাহ হবে না

আল্লাহ ছাড় দেন, ছেড়ে দেন না


তিনি জানান, গবেষণায় দেখা গেছে, ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এই ভাইরাস তার কার্যকারিতা হারিয়ে অক্ষম হয়ে যায়। আর ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় করোনা এতটাই দুর্বল হয়ে যায় যে মানবদেহের যেকোনো ইমিউনিটি সিস্টেম তা প্রতিরোধে সক্ষম। এছাড়া ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এই ভাইরাস বিনাশ হয়ে যায়।

তার দাবি সাধারণত পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্টের সবারই গরম পানির ভাপ নেওয়ার প্রক্রিয়াটা জানা। তবে আমাদের সবার উচিৎ করোনা মহামরীতে এই সুবিধাটা কাজে লাগানো। যারা বাড়ির বাইরে বের হন না তাদের দিনে অন্তত একবার হলেও ভাপ নেওয়া উচিৎ। আর যারা কোনো কাজে বাড়ি থেকে বের হন বাজার করেন- তাদের দিনে দু’বার ভাপ নেওয়া উচিৎ। এছাড়া যারা বেশি মানুষের সংস্পর্শে যাচ্ছেন তাদের প্রতিদিন তিনবার ভাপ নেওয়া দরকার।

চিকিৎসকদের মতে, গরম পানি পান ও এর নির্দিষ্ট তাপমাত্রার ভাপ নিঃশ্বাসের সঙ্গে নাকের ভেতরে নেওয়ায় করোনা প্রতিরোধ অনেকটাই সম্ভব। যদি সব মানুষ এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে এক সপ্তাহ চলে, তাহলে মহামারী করোনা বিনাশ হবে।

কিছু পরামর্শ:
গরম পানি ও এর ভাপ নেওয়ার প্রক্রিয়া এক সপ্তাহের জন্য শুরু করতে হবে। সকাল-সন্ধ্যা নিয়ম করে দিনে দু’বার পাঁচ মিনিট করে নিতে হবে। প্রত্যেকেই যদি এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়- তবেই করোনা অনেকটাই প্রতিরোধ সম্ভব। এর মধ্য দিয়ে বিনাশ হবে এই মহামারী। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এই প্রক্রিয়ায় কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই এবং বাড়তি কোনো খরচও নেই। ডা. এন. এন. কান্নাপ্পান মাদুরাই এটা মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

কোভিড টেস্ট কখন করাবেন, কখন করাবেন না

রুমি আহমেদ

কোভিড টেস্ট কখন করাবেন, কখন করাবেন না

আপনার যদি কোভিড হয় - জ্বর নেমে যাবার তিন দিন পর থেকেই আপনি কোভিড নেগেটিভ। টেস্ট করে দেখার কোন প্রয়োজন নেই আপনি নেগেটিভ হলেন কিনা। আপনার যদি কোভিড পজিটিভ হয় কিন্তু কোন সিম্পটম নাই - তাহলে টেস্ট পজিটিভ এর নয় দিন পরেই আপনি নেগেটিভ - টেস্ট করে নেগেটিভ দেখানোর দরকার নাই!

মূল কারণ হচ্ছে ১০ দিন পরে আপনি কোভিড নেগেটিভ। এটা কনফার্ম করার জন্য টেস্ট লাগবে না! কারন আপনার টেস্ট পজিটিভ আসতে পারে আরো ছয় সাত মাস! ব্যাখ্যা হচ্ছে ভাইরাস মারা গেলেও মৃত ভাইরাস এর কঙ্কাল নাকে গলায় রয়ে যায়! ওই ফ্র্যাগমেন্ট গুলোই পিসিআর টেস্ট পজিটিভ করে দিতে পারে! এক্ষেত্রে যা হয় তা হচ্ছে একবার পজিটিভ একবার নেগেটিভ আবার পজিটিভ - এধরণের উদ্ভট আচরণ শুরু করে টেস্ট রেজাল্ট গুলো!

পিসিআর টেস্ট ছাড়া আরেকটা টেস্ট আছে - এন্টিবডি টেস্ট। এন্টিবডি টেস্ট করার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন কেন টেস্টটা করাচ্ছেন! আগে ইনফেকশন হয়েছিল এটা জানার জন্য করলে এক কথা! এখন ইনফেকশন আছে কিনা তা ধরার জন্য এন্টিবডি টেস্ট কার্যকর না।

আপনি ভ্যাকসিন নিয়েছেন এবং আপনার শরীরে এন্টিবডি ডেভেলপ করলো কিনা তা জানার জন্য যদি টেস্ট করতে চান তাহলে এটা জানা দরকার যে প্রায় সবগুলো এন্টিবডি টেস্ট কিট ভাইরাস এর নিউক্লিওক্যাপসিড প্রোটিন এর বিরুদ্ধে যে এন্টিবডি হয়েছে তা ডিটেক্ট করে। IgG N ।


আরও পড়ুনঃ


ট্রিও মান্ডিলি: এক আধুনিক রূপকথার গল্প

রোজার সৌন্দর্যে ​মুগ্ধ হয়ে ভারতীয় তরুণীর ইসলাম গ্রহণ

ফেসবুক: রচনা ও পাঠ

বান্দরবানে মিয়ানমারের আরাকান আর্মির ৩ সদস্য গ্রেপ্তার


ভ্যাকসিন নিলে স্পাইক প্রোটিন এর বিরুদ্ধে এন্টিবডি হয়, নিউক্লিওক্যাপসিড প্রোটিন এর বিরুদ্ধে এন্টিবডি হয় না। আপনি ভ্যাকসিন নেয়ার পর এন্টিবডি টেস্ট করলে টেস্ট টা নেগেটিভ হবে - কারণ আপনার আগে যদি কোভিড না হয়ে থাকে তাহলে তাহলে আপনার তো নিউক্লিওক্যাপসিড প্রোটিন এর বিরুদ্ধে এন্টিবডি থাকার কথা না!

তবে রিসেন্টলি স্পাইক প্রোটিন এন্টিবডি চেক করার কিট বের হয়েছে। ভ্যাকসিন নেয়ার পর আপনার স্পাইক প্রোটিন এন্টিবডি পজিটিভ হবার কথা!

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

দুধের ১০ উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক

দুধের ১০ উপকারিতা

পৃথিবীর সব খাদ্যের সেরা খাদ্য দুধ। সর্বোচ্চ পুষ্টিমানের জন্যই দুধের শ্রেষ্ঠত্ব।  দুধের অপরিহার্য উপাদান ল্যাকটোজ, যা দৈহিক গঠন, বিকাশ ও মেধা বৃদ্ধিতে সহায়ক। মানুষের স্বাস্থ্য রক্ষার মূল উপাদান দুধ।

আসুন এবার জেনে নিই দুধের নানা উপকারিতা-   

 ১. ক্যালসিয়াম দাঁত ও হাড়ের গঠন মজবুত করে। দুধের ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি হাড় ও দাঁতে শোষিত হয়ে এদের গড়ন দৃঢ় করে। প্রতিদিন দুধ পান করলে দাঁত ক্ষয়ে যাওয়া, দাঁতে পোকা ও হলুদ ছোপ পড়া, হাড় ক্ষয়ের মতো সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।
 
২. প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ পানে অন্যান্য খাবারের চাহিদা অনেকাংশে মিটে যায়। নাস্তার সময় দুধ পান করলে অনেক সময় ধরে সেটা পেটে থাকে। ফলে ক্ষুধা কম থাকে। এছাড়া দুধ পানের ফলে দেহের অনেক ধরণের পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয়। তাই ওজন বেড়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগলে এবং স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে কম সময়ে ওজন কমাতে চাইলে, প্রতিদিনের ডায়েটে দুধ রাখুন।
 
৩. দুধে থাকা ভিটামিন ও মিনারেল ফিটনেস বাড়ায় ও মানসিক চাপ দূর করতে সহায়তা করে। দুধ পানে ঘুমের উদ্রেক হয়, যার ফলে মস্তিষ্ক শিথিল থাকে ও মানসিক চাপমুক্ত হয়। সারাদিনের মানসিক চাপ দূর করে শান্তির ঘুম নিশ্চিত করতে প্রতিদিন রাতে এক গ্লাস কুসুম গরম দুধ পান করুন। 
 
৪. দুধ শরীর রি-হাইড্রেট করতে সাহায্য করে। ডিহাইড্রেশনের সমস্যায় ভুগলে এক গ্লাস দুধ পান করে নিন। সুস্থ বোধ করবেন।
 
৫. কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা থাকলে এবং দুধজাতীয় খাবারে অ্যালার্জি না থাকলে রাতে ঘুমনোর আগে প্রতিদিন এক গ্লাস গরম দুধ পান করুন।
 
৬. শরীরে ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের মাত্রা ঠিক না থাকলে প্রি মেনস্ট্রুয়াল সিন্ড্রোম হতে পারে। তাই পিরিয়ডের সময় পেট ব্যথা ও অ্যাসিডিটির সমস্যা হলে খেয়ে নিন এক গ্লাস দুধ।
 
৭. দুধে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন যা মাংশপেশির গঠনে সহায়তা করে ও মাংশপেশির আড়ষ্টতা দূর করে। নিয়মিত ব্যায়ামের ক্ষেত্রে প্রতিদিন এক থেকে দুই গ্লাস দুধ খুবই উপকারী। শিশুদের মাংশপেশির গঠন উন্নত করতেও প্রতিদিন দুধ পান করা উচিত।


ইতিহাস গড়ে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে ম্যানসিটি

 

সাক্ষাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে যে ৪টি আবেদন জানালো হেফাজত নেতারা

ইতিকাফের ফজিলত

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চাকরির সুযোগ


 

৮. প্রতিদিন আমরা এমন অনেক ধরণের খাবার খাই যার ফলে অ্যাসিডিটি হয় ও বুক জ্বালাপোড়া করে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ সমাধান, প্রতিদিন দুধ পান। দুধ পাকস্থলী ঠাণ্ডা রাখে ও বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা দূর হয়।
 
৯. দুধে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেল রয়েছে, যা দেহের ইমিউন সিস্টেম উন্নত করে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। প্রতিদিন দুধ পানে ত্বক নরম, কোমল ও মসৃণ হয়।
 
১০. দুধ কোলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণে রাখে ও রক্ত পরিষ্কারের পাশাপাশি রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। সূত্র: মেডিকেল নিইজ টুডে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী বাঙ্গি

অনলাইন ডেস্ক

স্বাস্থ্যের জন্য বেশ উপকারী বাঙ্গি

অন্যতম দেশি ফল বাঙ্গি। এই গরমে আরামদায়ক ফল হিসেবে বাঙ্গির তুলনা হয় না। পুষ্টিতে ভরপুর এই ফলটি সব বয়সের মানবদেহের জন্যই উপকারী। বাঙ্গির পুরোটাই জলীয় অংশে ভরপুর। এটি ভিটামিন ‘সি’, শর্করা ও সামান্য ক্যারোটিন সমৃদ্ধ।

বয়স ধরে রাখে: বাঙ্গি ত্বকের বয়সের ছাপ দূর করে। এটি ত্বকের কোষ নষ্ট হয়ে গেলে তা ঠিক করতে সাহায্য করে। বাঙ্গির প্রোটিন কম্পাউন্ড ত্বককে করে সুন্দর। বাঙ্গি মধুর সঙ্গে মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট রেখে দিন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহার করুন। 

দূর করে ব্রণ, একজিমা: ব্রণ বা একজিমার সমস্যায় ভুগলে প্রতিদিন এক গ্লাস বাঙ্গির শরবত খান। এ ছাড়াও বাঙ্গি ভালো করে ব্লেন্ড করে ছেঁকে রসটুকু বের করে তা লোশনের মতো ব্যবহার করুন। এতে ব্রণ এবং একজিমার সমস্যা দূর হয়। 

চুল পড়া কমায়: বাঙ্গিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘বি’। এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ‘ইন্সনিটোল’, যা আমাদের চুল নতুন করে গজাতে সাহায্য করে এবং চুল পড়া প্রতিরোধ করে থাকে। তাই নিয়মিত বাঙ্গি খেলে চুলের অনেক উপকার পাওয়া যায়। এ ছাড়া ব্লেন্ড করা বাঙ্গি শ্যাম্পু করার পর চুলে কন্ডিশনারের মতো ব্যবহার করাও ভালো। 

কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: বাঙ্গিতে আছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ বা ডায়াটারি ফাইবার, যা খাবার হজমে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। 

পানিশূন্যতা দূর করে: বাঙ্গির মোট ওজনের শতকরা ৯০ ভাগই হল পানি। অর্থাৎ শরীরে প্রয়োজনীয় পানির ঘাটতি পূরণ কিংবা শরীরকে মশ্চারাইজড রাখতে বাঙ্গির জুড়ি নেই। সুতরাং এই গরমে দেহকে ঠান্ডা, আরামদায়ক ও সুস্থ রাখতে খাদ্য তালিকায় বাঙ্গি যোগ করা খুবই বুদ্ধিমানের কাজ।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে: বাঙ্গিতে চিনি, চর্বি ও ক্যালরি কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য যে আদর্শ একটি খাদ্য তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণেও বাঙ্গি ভূমিকা রাখে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: বাঙ্গিতে প্রচুর পটাশিয়াম থাকে যা ভাসোডাইলেটর (vasodilator) হিসাবে কাজ করার মাধ্যমে রক্তের স্বাভাবিক ফ্লো বজায় রাখে। ফলে রক্তনালীগুলো খুব রিলাক্সিং থাকে এবং স্বাস্থ্যবান একটি ব্লাড প্রেসার বজায় থাকে।


মুখ্যমন্ত্রী হতে যেসব নিয়মের মধ্য দিয়ে যেতে হবে মমতাকে

মুক্ত গণমাধ্যম দিবস আজ

বার্সার ঘাম ঝরানো জয়ে মেসির জোড়া গোল

সুরা লাহাবের বাংলা অর্থ ও উচ্চারণ


কিডনির সুস্থতায়: বাঙ্গির এক ধরনের নির্যাস যাকে বলা হয় oxykine। এই oxykine নামক উপাদান কিডনির পাথর অপসারণ ও অন্যান্য কিডনি ডিসঅর্ডারে ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখে বলে প্রমাণিত হয়েছে। এছাড়া এতে প্রচুর পরিমাণ পানি থাকার কারণে কিডনির সুস্থতায় বাঙ্গির ভূমিকা রয়েছে।

ফুসফুস ভালো রাখতে: নিয়মিত বাঙ্গি খেলে দেহে ভিটামিন-'এ' এর ঘাটতি পূরণ হয় যা ক্ষতিগ্রস্ত ফুসফুসের পুনরুদ্ধারে সাহায্য করে। বিশেষ করে ধূমপায়ী, ধুমপানের কারণে যাদের ফুসফুস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের জন্য বাঙ্গি বিশেষ উপযোগী একটি খাদ্য।

ক্যানসার প্রতিরোধে: দেহে সংঘটিত বিভিন্ন জৈবিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন ফ্রি রেডিকেল-ই মূলত ক্যানসার কোষের গ্রোথের জন্য প্রয়োজনীয় নিউট্রিয়েন্ট সরবরাহ করে থাকে। বাঙ্গিতে উপস্থিত উচ্চমাত্রার ভিটামিন-সি ও বিটা-কেরোটিন এসমস্ত ক্ষতিকর ফ্রি রেডিকেলগুলোকে নিঃশেষ করে করে দিয়ে ক্যানসার প্রতিরোধে অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

খাবারে রুচি ফেরাতে কাঁচা-আমের টক ডাল

অনলাইন ডেস্ক

খাবারে রুচি ফেরাতে কাঁচা-আমের টক ডাল

গ্রীষ্মের তীব্রতায় জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়লেও এই সময়ে দেখা মেলে বেশ কিছু হৃদয় প্রশান্তকারী রসালো ফলের। যার মধ্যে অন্যতম ফলের রাজা আম। আর এখন বাজারে সবচেয়ে সহজলভ্য কাঁচা আম।

এতে আছে ভিটামিন বি-১ ও ভিটামিন-২। এছাড়াও আছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, পটাসিয়াম। এছাড়া কাঁচা আমে বিটা ক্যারোটিন থাকায় হৃৎপিণ্ডের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

সকাল কিংবা দুপুরের খাবারে ভাতের সঙ্গে আমের টক ডাল হতে পারে এই সময়ের অন্যতম মেন্যু। অনেকে মনে করেন, আম দিয়ে ডাল এর পুষ্টিগুণ নষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল।

মসুর ডাল দিয়ে আমের টক ডাল রান্না করলে পুষ্টিগুণ অটুট থাকে। এই টক ডাল হজমের জন্য যেমন সহায়ক তেমনি এটি সহজপাচ্য। টক ডাল গরমের ক্লান্তি কাটাতেও সাহায্য করে। এছাড়াও গরমের সময় অরুচি কাটাতেও সহায়ক টক ডাল।


আরও পড়ুনঃ


ফেলে রাখা ট্রাকে মিললো ২ লাখ ৪০ হাজার টিকা

শপিংয়ে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে পরদিন কিনলেন নতুন গাড়ি

ভারত থেকে অস্ট্রেলিয়া প্রবেশ সাময়িকভাবে অবৈধ, জেল-জরিমানার বিধান

উত্তর কোরিয়ায় সস্তায় চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়: কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ডসহ তিন প্রজন্মের শাস্তি


কাঁচা আম শরীর ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে। মসুর ডাল প্রোটিনের অন্যতম প্রধান উৎস। তাই একে মাংসের বিকল্প হিসেবেও ধরা হয়। মসুর ডাল শুধু সুস্বাদুই নয় এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিগুণ। খনিজ পদার্থ, আঁশ, খাদ্যশক্তি, আমিষ, ক্যালসিয়াম, লৌহ, ক্যারোটিন, ভিটামিন বি-২ ও শর্করা ইত্যাদি। অন্যদিকে, কাঁচা আম ভিটামিন সমৃদ্ধ ও মিনারেলে ভরপুর। এতে আছে ক্যারোটিন ও ভিটামিন, যা চোখ ভালো রাখার জন্য দরকারি।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

পাকা পেঁপের পুষ্টিগুণ

অনলাইন ডেস্ক

পাকা পেঁপের পুষ্টিগুণ

গরমে পেট ঠাণ্ডা রাখতে পাকা পেঁপের জুড়ি নেই। পাকা পেঁপে অর্শরোগ ও কোষ্ঠকাঠিন্য রোগে হিতকর। পেঁপে পুরুষের প্রোস্টেট গ্রন্থির ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়। কানসাস স্টেট ইউনির্ভাসিটির এক গবেষণা তথ্যে জানা যায়, ভিটামিন 'এ' সমৃদ্ধ পাকা পেঁপে ধূমপানের কুফল এড়াতে সাহায্য করে।

এছাড়াও পাকা পেঁপে শরীরকে নানা দিক দিয়ে সুস্থ রাখে। যেমন-

হার্ট ভালো রাখে- নিয়মিত পেঁপে খাওয়ার অভ্যেস করলে হার্টের সমস্যার সম্ভাবনা কিন্তু অনেকখানি কমে। পেঁপের মধ্যে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এছাড়াও ভিটামিন এ, সি,ই ইত্যাদি থাকে। যা কোলেস্টেরল কমায়। যার ফলে স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটার্কের সম্ভাবনা কিছুটা হলেও কমে। যে কারণে যাঁদের ডায়াবিটিসের সমস্যা রয়েছে এবং সেই সঙ্গে হার্টের সমস্যা তাঁদের প্রতিদিন একবাটি পাকা পেঁপে খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

চোখের সমস্যায়- খুব কম বয়স থেকেই এখন চশমা লাগছে শিশুদের। এমনকী অল্প বয়সেই ক্ষীণ দৃষ্টিশক্তির মতো সমস্যাও আসছে। সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় দেখা দিয়েছে প্রতিদিন পাকা পেঁপে খেলে এই সমস্যা অনেকটাই কমে। পেঁপের মধ্যে থাকা ভিটামিনই এর কারণ। এছাড়াও বয়স্কদের প্রতিদিন দুবাটি করে পেঁপে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।


পশ্চিমবঙ্গ কার, জানা যাবে আজ

আজ হতে পারে ভয়াবহ কালবৈশাখী ঝড়

সূরা তাওবার শেষ দুই আয়াতের ফজিলত

কিংবদন্তি চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়ের জন্মদিন আজ


হজমে সাহায্য করে- পেঁপে মুখের রুচি ফেরায়। সেই সঙ্গে খিদে বাড়ায়। আর পেট পরিষ্কার করে। পেট পরিষ্কার হলেই খিদে বাড়বে। সেই সঙ্গে গ্যাস অম্বলের সমস্যা কমবে। এমনকী যাঁদের অর্শ থাকে তাঁদের ক্ষেত্রেও খুব ভালো কাজ করবে। শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বেরিয়ে গেলেই শরীর থাকবে সুস্থ।

ত্বকের সুরক্ষায়:- পাকা পেঁপে ত্বকের জন্য খুবই উপকারী একটি ফল। পেঁপেতে থাকা পেপাইন ত্বকের ক্ষতি রোধ করতে এবং প্রদাহ জনিত জ্বালা কমাতে সহায়তা করে। এছাড়াও পেঁপের মধ্যে থাকা ভিটামিন সি ত্বকের কালো ছোপ দূর করে, ব্রণের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে এবং ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া ভাব নিয়ন্ত্রণে রাখে। ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে নিয়মিত পাঁকা পেঁপে খাওয়ার পাশাপাশি এটি মুখে ফেসমাক্স হিসেবেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর