সন্তান জন্ম দিয়েই করোনা আক্রান্ত সংবাদকর্মীর মৃত্যু, নবজাতকের অবস্থাও আশঙ্কাজনক

অনলাইন ডেস্ক

সন্তান জন্ম দিয়েই করোনা আক্রান্ত সংবাদকর্মীর মৃত্যু, নবজাতকের অবস্থাও আশঙ্কাজনক

করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল ৭১ টিভির অ্যাসোসিয়েট নিউজ প্রডিউসার রিফাত সুলতানা। 

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) বিকেল পাঁচটার দিকে রাজধানীর ইমপালস হাসপাতালে মারা যান তিনি।

সন্তানসম্ভবা অবস্থায় প্রায় এক সপ্তাহ তিনি করোনার সঙ্গে লড়াই করেছেন।

রিফাত সুলতানার পরিবার জানায়, আজ (শুক্রবার) সকালে তিন সন্তান জন্ম দেন। এক সপ্তাহ ধরে তিনি করোনা আক্রান্ত ছিলেন।


আল্লাহ ফেরআউনকেও সুযোগ দিয়েছিলেন ছেড়ে দেননি: বাবুনগরী

ইফতারের আগে দোয়া কবুলের জন্য যে আমল করা উচিত

কখন রোজা ভাঙলে গোনাহ হবে না

আল্লাহ ছাড় দেন, ছেড়ে দেন না


৭১ টিভির প্রযোজক মাজহারুল মাসুম বলেন, ‘বিকেলে তার মৃত্যুর সংবাদ আমরা পেয়েছি। এটি একবোরেই অনাকাঙ্খিত ঘটনা। এমন মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না। সকালে তার সন্তানের জন্ম হয়েছে। একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন তার শাশুড়ি। এছাড়া রিফাতের স্বামীও করোনায় আক্রান্ত।’

রিফাতের সহকর্মী ও বন্ধু তারেক হাসান জানান, রিফাতের যমজ দুটো সন্তান রয়েছে। তাদের বয়স প্রায় দুই বছর। আজ সকালে ইমপালস হাসপাতালে রিফাতের কন্যা সন্তানের জন্ম হয়েছে। সদ্যজাত সন্তানের অবস্থাও ভালো নয়। এ কারণে সকালেই তার কন্যা সন্তানকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাকে বিশেষভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, প্রয়াত রিফাতের স্বামী নাজমুল ইসলাম করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর কয়েকদিন ধরে মুগদা হাসপাতালে ভর্তি আছেন। রিফাতের এমন মৃত্যুতে পরিবার শুধু নয়, তার সহকর্মীরাও শোকাহত। 

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে এর আগ পর্যন্ত ৩৪ জন সাংবাদিকের মৃত্যু হয়েছিল। রিফাতকে নিয়ে এ সংখ্যা ৩৫ হলো। এছাড়া করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও ১৪ জন সংবাদকর্মী। গত ১০ এপ্রিল করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যান প্রবীণ সাংবাদিক হাসান শাহরিয়ার।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ

অনলাইন ডেস্ক

জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ

তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ খবর জানানো হয়। আগামী ৫ বছরের জন্য তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগপ্রাপ্ত জাতীয় অধ্যাপকরা হলেন- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন, ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (বারডেম) সভাপতি এ কে আজাদ খান এবং বাংলাদেশ গ্যাস্ট্রোএনটারোলজি সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক মাহমুদ হাসান।

‘জাতীয় অধ্যাপক’ বাংলাদেশের বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা যা বাংলাদেশ সরকার কতৃর্ক শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও গবেষণার জন্যে দেশের বিশিষ্ট পণ্ডিত, চিন্তাবিদ এবং শিক্ষকগণকে প্রদান করা হয়। ১৯৭৫ সাল থেকে এই সম্মাননা প্রবর্তিত হয়। সাধারণত পাঁচ বছর মেয়াদের জন্যে কোনো ব্যক্তি জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্তি পেয়ে থাকেন, তবে ক্ষেত্রবিশেষে দীর্ঘতর মেয়াদের জন্যেও পুনর্নিয়োগ দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১৯৭৫ সালের ১৭ মার্চ জাতীয় অধ্যাপক পদে তিন জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। তারা হলেন- অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন এবং কাজী মোতাহার হোসেন । ১৯৯৪ সালে প্রথম নারী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় সুফিয়া আহমেদকে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়, অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক মন্ত্রী এবং সাবেক জাতীয় অধ্যাপকদের নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় অধ্যাপক নির্ধারণ কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি জাতীয় অধ্যাপকের নিয়োগ দিয়ে থাকে। শিক্ষামন্ত্রী কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এই কমিটির সিদ্ধান্ত ও মনোনয়ন অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি এই নিয়োগ সম্পন্ন করেন। 

যারা জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পান তারা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে মাসিক হারে ভাতা পেয়ে থাকেন। জাতীয় অধ্যাপকরা সরকারের অনুমতি নিয়ে বিদেশে যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করতে পারেন। তবে জাতীয় অধ্যাপক পদে থাকাকালীন তারা অন্য কোনো বেতনভুক্ত চাকরি করতে পারেন না।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন খালেদা জিয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক

নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন খালেদা জিয়ার

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পাসপোর্টের মেয়াদ ২০১৯ সালে শেষ হয়ে যায়। নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করা হয়েছে। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর নতুন পাসপোর্ট পাওয়া যাবে বলে জানা গেছে। 
 
বিএনপির একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, এমআরপি পাসপোর্টের জন্য ফিঙ্গার প্রিন্ট ও আবেদনকারীর স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক হলেও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে সেই শর্ত শিথিল করা হয়েছে। তাকে বিনা ফিঙ্গার প্রিন্ট ও স্বাক্ষরে নতুন পাসপোর্ট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 

খালেদা জিয়ার পাসপোর্ট ফি জমা দেওয়া হয়েছে। আর এই বিষয়টি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জানানো হয়েছে। সেখান থেকে বলা হয়েছে অল্প সময়ের মধ্যে তার পাসপোর্ট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।  

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

এক্স-রে রিপোর্ট ভালো নয় খালেদা জিয়ার

অনলাইন ডেস্ক

এক্স-রে রিপোর্ট ভালো নয় খালেদা জিয়ার

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে করোনারি কেয়ার ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। গতকাল বুধবার তার শ্বাসকষ্ট বাড়লে অক্সিজেনের মাত্রা বাড়ান চিকিৎসকরা। তা ছাড়া ফুসফুসে যে পানি জমেছিল, তা আগেই বের করা হয়েছে। খালেদা জিয়ার প্রতিদিন ৩ থেকে ৪ লিটার অক্সিজেন লাগছে এবং তার এক্স-রে রিপোর্টও ভালো নয়। বৃহস্পতিবার (৬ মে) সন্ধ্যায় খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড সূত্রে একথা জানা গেছে। এর আগে দুপুরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ওই মেডিকেল বোর্ডের বৈঠক হয়।

মেডিকেল বোর্ডের সূত্রটি জানায়, অসুস্থ খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য খুব বেশি দূরে না নিয়ে, কাছাকাছি কোনো দেশে নেওয়ার মতামত দিয়েছেন তারা। কারণ তার এক্স-রে রিপোর্টও ভালো নয়।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডের বৈঠকে অংশ নেন অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, ডা. আল মামুন, ডা. এ জেড এম জাহিদ, ডা. আব্দুশ শাকুর খান, এভারকেয়ার হসপাতালের কনসালটেন্ট ডা. শাহাবুদ্দিন তালুকদার, ডা. সিনা, ডা. ফাহামিদা বেগম, ডা. মাসুম কামাল, ডা. আল মামুন, ডা. সাদিকুল ইসলাম এবং ডা. তামান্না অংশ নিয়েছেন।

বৈঠকে অনলাইনে যোগ দেয় লন্ডন, নিউইয়র্ক থেকে বিশেষজ্ঞ টিম। এছাড়া বৈঠকে যোগ দেন তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান।

এভারকেয়ার হাসপাতাল সূত্র জানায়, বৈঠকে খালেদা জিয়ার বুধবারের (৫ মে) রিপোর্টগুলো পর্যালোচনা করা হয়। বৈঠক শেষে মেডিকেল বোর্ডের এক সদস্য জানান, অসুস্থ খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় দিনে ৩ থেকে ৪ লিটার অক্সিজেন লাগছে। তাছাড়া, তার এক্স-রে রিপোর্ট পাওয়া গেছে, সেটিও ভালো নয়।

গত ১০ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনাভাইরাস পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। পরদিন সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

এরপর দ্রুত বক্ষব্যাধি ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের সমন্বয়ে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়। তাদের তত্ত্বাবধানে গুলশানের বাসা ফিরোজায় তার চিকিৎসা চলছিল। দ্বিতীয়বার পরীক্ষাতেও তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

এরপর গত ২৭ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তাকে ৩-৪ দিন রাখার কথা বলেছিলেন তার চিকিৎসকেরা। এর মধ্যে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় সোমবার বিকেলে তাকে কেবিন থেকে সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) স্থানান্তর করা হয়। করোনার পাশাপাশি ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, রিউমেটিক আর্থ্রাইটিসসহ কয়েকটি রোগে ভুগছেন খালেদা জিয়া।

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিজ্ঞানীরা কাজ করছে : কৃষিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিজ্ঞানীরা কাজ করছে : কৃষিমন্ত্রী

দেশে খাদ্য নিরাপত্তায় অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিজ্ঞানীরা নিরলসভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে ফসলের অনেক নতুন জাত ও চাষাবাদের প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে। ফলে, ক্রমশ জনসংখ্যা বাড়লেও খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক।

কৃষিমন্ত্রী আজ বৃহস্পতিবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার গোমস্তাপুর উপজেলায় 'ব্রি-৮১ জাতের ধান কর্তন ও কৃষক সমাবেশ' অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

কৃষিমন্ত্রী  বলেন, দেশে খাদ্য নিরাপত্তায় অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ রয়েছে। দেশে ১৭ কোটি মানুষ রয়েছে; আর প্রতি বছর বাড়ছে ২২-২৩ লাখ করে। অন্যদিকে নানা কারণে চাষযোগ্য জমির পরিমাণ কমছে। রয়েছে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবও। এ অবস্থায় দেশের মানুষকে খাওয়ানো, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়া কঠিন চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিজ্ঞানীরা নিরলসভাবে কাজ করছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, আজকে বরেন্দ্র অঞ্চলের রহনপুরের এই মাঠে ব্রি ৮১ জাতের ধান কাটা হচ্ছে। এর ফলন অনেক ভাল। বিঘা প্রতি ৩১ মণ, প্রতি শতকে প্রায় ১ মণ। এটি জনপ্রিয় ব্রি ২৮ ও ব্রি ২৯  জাতের মত। ব্রি ২৮ ও ২৯ দীর্ঘদিন ধরে চাষ হচ্ছে কিন্তু উৎপাদনশীলতা কমে যাচ্ছে। সেজন্য এই  নতুন ব্রি ৮১ জাতটি কৃষক পর্যায়ে দ্রুত সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। চাষিরাও এটি চাষে ব্যাপক আগ্রহ দেখাচ্ছেন। অচিরেই ব্রি ধান ৮১ জনপ্রিয়তায় ব্রি ধান ২৮ এর মতো হবে। এ উচ্চফলনশীল জাতটি চাষের মাধ্যমে  ধান উৎপাদন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়বে এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তায় এটি আশানুরূপ ভূমিকা রাখবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো: মঞ্জুরুল হাফিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. শাহজাহান কবীর। অন্যান্যের মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কমলারঞ্জন দাশ, বিএডিসির চেয়ারম্যান ড. অমিতাভ সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আসাদুল্লাহ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক ডিজি হামিদুর রহমান, বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মো: বখতিয়ার,বারির মহাপরিচালক ড. নাজিরুল ইসলাম,   পুলিশ সুপার এএইচএম আবদুর রকিব, কৃষিবিদ বদিউজ্জামান বাদশা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপপরিচালক মো: নজরুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন প্রকল্প দেশে যুগান্তকারী উন্নয়ন ঘটাতে পারে : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন প্রকল্প দেশে যুগান্তকারী উন্নয়ন ঘটাতে পারে : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রাণিসম্পদ খাতে সরকারের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের যথাযথ বাস্তবায়ন দেশে যুগান্তকারী উন্নয়ন ঘটাতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বৃহস্পতিবার (০৬ মে) রাজধানীর ফার্মগেটে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সভা কক্ষে অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এসময় মন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সবচেয়ে বড় প্রকল্প। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে আমরা কাজ করছি। বর্তমানের চেয়ে সমৃদ্ধ কাজ করতে পারলে আমরা এ উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হবো। আর এর সুফল দেশের জনগণ পাবে।

তিনি আরও বলেন, পৃথিবী এখন বিশ্ব গ্রামে পরিণত হয়েছে। এসময় জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) আমাদের সাথে রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে এফএও’র বিশেষজ্ঞদের মতামত, পরামর্শ ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও যোগ্যতা নিয়ে কাজ করতে হবে। প্রকল্পের শুরুতে আমদের যে উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল সেটা অর্জনে কোনভাবই ব্যর্থ হওয়া চলবে না। প্রকল্প বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া মসৃণ, কার্যকর ও লক্ষ অর্জনে সহযোগী হতে হবে। আমাদের শিক্ষাগত ও কারিগরী সক্ষমতাসম্পন্ন এবং অভিজ্ঞ জনবল রয়েছে। প্রকল্পে কী লক্ষ্য ছিল, এ পর্যন্ত কী অর্জন হয়েছে আর কীভাবে লক্ষ্য পরিপূর্ণ করা সম্ভব হবে-এ তিনটি বিষয়ে সচেতন ও যত্নবান হলে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ সকরতে হবে। তাহলে প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের যুগান্তকারী উন্নয়ন সম্ভব হবে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি সিম্পসন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মোঃ ইমদাদুল হক ও মোঃ তৌফিকুল আরিফ, বাংলাদেশ প্রাণিসসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাক্তন মহাপরিচালক ডাঃ আবদুল জব্বার শিকদার, ডাঃ আইনুল হক ও ডাঃ হীরেশ রঞ্জন ভৌমিক, বাংলাদেশ প্রাণিসসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রাক্তন মহাপরিচালক ড. নাথু রাম সরকার, প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মোঃ আব্দুর রহিম, উপপ্রকল্প পরিচালবৃন্দ, এফএও’র অন্যান্য প্রতিনিধিবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর