আজকের এই বাকবিতণ্ডার ভিডিও ফেসবুকে না এলেই ভালো লাগত
আজকের এই বাকবিতণ্ডার ভিডিও ফেসবুকে না এলেই ভালো লাগত

আজকের এই বাকবিতণ্ডার ভিডিও ফেসবুকে না এলেই ভালো লাগত

Other

করোনাকালিন এই পরিস্থিতিতে নারী চিকিৎসক এবং পুরুষ পুলিশের বাকবিতণ্ডা দেখে আমরা ক্ষুব্ধ, হতাশ এবং বিপন্ন বোধ করছি।

আমরা মানে পরিবারের আমরা তিনজন সদস্য।

আজকের এই বাকবিতণ্ডার ভিডিও আকারে ফেসবুকে না এলেই ভালো লাগত।

হ্যাঁ করোনাকালীন বিশেষ সময়ে কেউ আইডি কার্ড দেখাতে পারলে সেটা খুবই ভালো।

তিনি যখন আইডি কার্ড দেখাতে পারেননি, আর নিজের পরিচয় দিয়েছেন তখন তাকে ছেড়ে দেওয়াই যেত।

আবার সবশেষে তো তাকে ছেড়েই দেওয়া হয়েছে। তবে, মাঝখানের এই ঝামেলা কেন?


সুরা আরাফ ও সুরা আনফালের বাংলা অনুবাদ

নারী ফুটবল দলে করোনার হানা

নিখোঁজের ১১২ দিন পর সেপটিক ট্যাঙ্কে মিলল নারীর লাশ


ভিডিওটা দেখে আম্মা বলল, এখন ঢাকায় যারাই আছে, তাদের কারোরই মানসিক অবস্থা ভালো নেই। আতঙ্কে মানুষ ভুলভাল কথা বলবেই।

আব্বা বলল, সব ডাক্তারকে গলায় কি যেন বলে ওটা স্টেথেস্কোপ ঝুলিয়ে রাখতে হবে। তাহলে পুলিশ হয়রানি করবে না।  
আর কর্তব্যরত পুলিশ তো সংখ্যায় অনেকজন ছিলেন। একজন যখন রেগে গেছেন তাকে সরিয়ে দিয়ে দ্বিতীয়জন কথা বলবেন। তাহলেই তো এই সমস্যাটা এত বাড়ত না!

করোনায় আমরা দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলছি কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টা কতটা গুরুত্ব দিচ্ছি? যারাই করোনাকালে দায়িত্ব পালন করছেন তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের দিকটাও যেন আমরা সবাই ভাবি।

এই ঘটনা আমাদের গতবছর সামনে নিয়ে চলে এসেছে। গতবছর আমাদের পরিবারের সদস্য তার সহকর্মীর সঙ্গে এক বাসায় ভাড়া ছিল। তার সহকর্মীর পরিবার তাকে বাড়ি ফিরিয়ে নিল। এই খবর শোনার পর সেই রাতে আমরা সবাই সারারাত জেগে থাকলাম। আর ফোনে অনবরত কথা বললাম। পরদিন সকালে সে বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিল। যখন সে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়েছে আমাদের দ্বিতীয় দুশ্চিন্তা। রাস্তায় যদি পুলিশ ধরে! তাকে বারবার করে আইডি কার্ড সঙ্গে রাখতে বলা হয়েছে।

গোদাগাড়িতে পুলিশ একবার তার রিজার্ভ অটো থামিয়ে পরিচয় জিজ্ঞেস করেছে।

দ্বারিয়াপুর দিয়ে যখন সে শহরে ঢুকছে তখন পুলিশ তার পরিচয় জানতে চেয়েছে। সে কাছে গিয়ে বলেছে, আমি ডাক্তার। এটা শুনে পুলিশ বলেছে। ও আচ্ছা। আচ্ছা যান।

সেদিন যখন বাড়িতে পৌঁছাল তখন আমরা যে স্বস্তিটা পেয়েছিলাম আজ যেন সেই স্বস্তিটা আবার পেলাম। পৃরনো স্মৃতি মনে করে আমাদের ভালো লাগল। সেই পুলিশকে আবার ধন্যবাদ দিলাম যে কিনা ২ টা শব্দ শুনে তাকে ছেড়ে দিয়েছিল।

করোনাকাল এ যে বড় বিপন্নতার কাল। এই বিপদে কেউ কারো প্রতিপক্ষ নয়, সবাই সবার প্রতি সহমর্মি হিসেবে এই বিপদ মোকাবেলা করব এটাই প্রত্যাশা। সবার আচরণ সংযত হোক।

মানবজমিনের সৌজন্যে বাকবিতণ্ডার ভিডিও

news24bd.tv তৌহিদ

;