কান ধরে ব্যবসা ছেড়ে দিতে চাই: অ্যাপেক্স এমডি

নিজস্ব প্রতিবেদক

কান ধরে ব্যবসা ছেড়ে দিতে চাই: অ্যাপেক্স এমডি

সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর

‘বাংলাদেশের করব্যবস্থা চূড়ান্ত রকমের ব্যবসা–অবান্ধব’ উল্লেখ করে অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেছেন, আমরা যারা বাংলাদেশে ব্যবসা করি, কাল থেকে কান ধরে ব্যবসা ছেড়ে দিতে চাই।

অর্থনীতিবিষয়ক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) উদ্যোগে শনিবার (১৭ এপ্রিল) এক ভার্চ্যুয়াল সভায় অংশ নিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট (আরএপিআইডি) ও এশিয়া ফাউন্ডেশন-‘পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য ও উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার যাত্রাকে মসৃণ করতে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই)’ শীর্ষক এ আলোচনা সভাটির আয়োজনের সহযোগিতায় ছিলো। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান। এছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি নিহাদ কবীর, ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন আরএপিআইডির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক।

অনুষ্ঠানে তিনি বলেন,  ‘বাংলাদেশের করব্যবস্থা চূড়ান্ত রকমের ব্যবসা–অবান্ধব। এ কারণে ব্যবসা বন্ধ করেই দেওয়া উচিত। আমরা যারা বাংলাদেশে ব্যবসা করি, আমরা কাল থেকে কান ধরে ছেড়ে দিতে চাই। লাভ হোক আর লোকসান, যা-ই হবে, কর দিয়েই যাবেন। যারা কর দেয় না, তারাই ভালো থাকবে। তারা আরও বড় বড় ব্যবসা করবে আর আমরা মরব। এই ধরনের ব্যবসার মধ্যে আর আমরা নেই। করব্যবস্থা ঠিক করেন। অন্যথায় বর্তমান ব্যবসাই থাকবে না, নতুন বিনিয়োগের তো প্রশ্নই ওঠে না।’

তিনি বলেন,  বলেন, ‘জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) যদি কর সংগ্রহকারী হিসেবে থাকে এবং সারা জীবন শুধু বলে “শুনছি”, কিন্তু বাস্তবে কোনো প্রতিফলন না দেখি, তার মানে বাংলাদেশে আপনারা কোনো বিনিয়োগ চান না। বলে দেন, আমরা বন্ধ (কারখানা) করে ট্রেডার হয়ে যাই। কারণ, ট্রেডিং ব্যবসা ভালো। উৎপাদন করে এই মরার খাটুনি যুক্তিসংগত নয়।’


এবার লাইভে এসে ক্ষমা চাইলেন নুর

মিশরে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ১১

অর্থমন্ত্রীর জামাতা দিলশাদ হোসেন মারা গেছেন

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে যে ৩ প্রশ্নে নিশ্চুপ ছিলেন মাওলানা মামুনুল


পণ্য রপ্তানি বাড়াতে বিদেশি বিনিয়োগের ওপর জোর দিয়ে সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর বলেন, ‘২০১৯ সালে বাংলাদেশ প্রায় ১০০ কোটি ডলারের জুতা রপ্তানি করেছিল। একই সময়ে ভিয়েতনামের জুতা রপ্তানির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের। তাদের শীর্ষ পাঁচটি জুতা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান দেশি-বিদেশি যৌথ বিনিয়োগে। ভিয়েতনামে যৌথ বিনিয়োগে স্থাপিত একটি কোরিয়ান কোম্পানি ১০০ কোটি ডলারের জুতা রপ্তানি করে। আর আমরা সারা বছর সবাই মিলে সেই পরিমাণ জুতা রপ্তানি করছি। এটিই আসলে এফডিআইয়ের মূল শক্তি।’

সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর আরও বলেন, ‘করোনার কারণে সারা বিশ্বে এফডিআইয়ের হার অর্ধেক হয়ে গেছে। তবে বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ আছে। বিধিনিষেধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বড় ব্র্যান্ড চীনের কাপড় নেবে না। সে জন্য ভারত, পাকিস্তানের মতো দেশে বস্ত্রকল হচ্ছে। বাংলাদেশ সেই সুযোগ নিতে পারে। তা ছাড়া মিয়ানমার থেকে ব্যবসা ছিনিয়ে নেওয়ার সুযোগ এখনই।’

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

চলমান লকডাউনে

ভয়াবহ কন্টেইনার জটের আশঙ্কা করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

লকডাউনে পণ্য খালাস কমে যাওয়ায় চট্টগ্রাম বন্দরে এখন থেকে কন্টেইনার জট। ঈদের টানা ছুটি আর চলমান লকডাউনে ভয়াবহ কন্টেইনার জটের আশঙ্কা করছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। তাই ব্যবসায়ী সংগঠন, অফডক, এমনকি বড় বড় আমদানীকারকদের দ্রুত পণ্য খালাস করতে চিঠিও দিয়েছে তারা।

বিকডার সভাপতি নুরুল কাইয়ুম খান বলছেন,অফডকে জায়গা খালি। আর আমদানি কারকরা বলছেন কাস্টমসের নানান জটিলতা দ্রুত পণ্য খালাসে বড় বাধা। এদিকে কাস্টমস কমিশনার বলছেন, অন্যায় আবদার দেখিয়ে দ্রুত পণ্য খালাস করতে গেলে কোন ছাড় নেই আমদানি কারকদের। 

চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন সাড়ে তিন হাজার থেকে চার হাজার পণ্যবাহী কন্টেইনার ডেলিভারি হলেও করোনার চলমান লকডাউনে নেমে এসেছে ২ থেকে আড়াই হাজারে।পণ্য ডেলিভারি কমে যাওয়ায় দিন দিন বাড়ছে কন্টেইনার জট।

পণ্য খালাসে সবার সহযোগিতা চেয়ে আমদানিকারক ও অফডকসহ সংশ্লিষ্টদের চিঠি দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

অফডক কর্তৃপক্ষ বলছেন, খালি জায়গা থাকলেও নানান জটিলতার কারণেই আমদানিকারকরা ব্যবহার করছেনা। আর আমদানিকারকরা বলছেন কাস্টমসের গাফিলতি কিংবা সক্ষমতার অভাবেই ঝুলে যায় পুরো প্রক্রিয়া।

এদিকে কাস্টমস কমিশনার বলছেন, আইন এবং বিধির বাইরে পণ্য খালাস করতে আসলে ছাড় দেয়া হবেনা আমদানি কারকদের।

৪৯ হাজার টিউস কন্টেইনার ধারণক্ষমতাসম্পন্ন চট্টগ্রাম বন্দর টার্মিনালে এখন কন্টেইনার আছে ৩৮ হাজারের কাছাকাছি। এরপরও জেটি ও বহি: নোঙ্গোর মিলিয়ে পণ্য খালাসের অপেক্ষায় আছে অন্তত ৪০ টি জাহাজ।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

ঈদ উপলক্ষে ১৪ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট ছাড়ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ঈদ উপলক্ষে ১৪ হাজার কোটি টাকার নতুন নোট বাজারে ছাড়ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মধ্যে ৪ হাজার কোটি টাকার নোট এরই মধ্যে ব্যাংকগুলোতে বিতরণ হয়ে গেছে।

আরো ১০ হাজার কোটি টাকার নোট কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রয়েছে। ব্যাংকগুলো তাদের চাহিদা অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে নতুন নোট সংগ্রহ করতে পারবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র। 


রায়হান হত্যা: এসআই আকবরসহ ৬ জনের নামে চার্জশিট

ভারতে আজ ১০ হাজার রেমডেসিভির পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

আগামী মাসে পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করলেন বাইডেন

বাবা-মা-বোনের পর এবার কোভিড পজিটিভ দীপিকা পাড়ুকোন


এবছর করোনার বিধি-নিষেধের কারণে আগের মতো জনসাধারণের কাছে নতুন নোট বিতরণ করবে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে গ্রাহকরা লেনদেনের সময়ে নতুন নোট নিতে পারবেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

যশোরে উন্নত জাতের ক্যাপসিকামের চারা উৎপাদন

যশোর প্রতিনিধি:

যশোরে বায়োটেকনলজি ল্যাবরেটরিতে উদ্ভাবিত টিস্যু কালচারের মাধ্যমে উন্নত ক্যাপসিকামের চারা উৎপাদনের জন্য গবেষণা চলছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, এই চারা ভাইরাস ও অন্য রোগজীবাণু মুক্ত হয়। ফলনও হবে কয়েক গুণ বেশি। এই চারা কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে পারলে স্বল্প খরচে ক্যাপসিকাম চাষ করে লাভবান হতে পারবে তারা। 

ক্যাপসিকাম বা মিষ্টি মরিচ সারা বিশ্বেই একটি জনপ্রিয় সবজি। বাংলাদেশেও এর জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। এছাড়া ক্যাপসিকাম বিদেশে রপ্তানীর সম্ভাবনাও  রয়েছে। তবে এ সবজি  চাষে চারা সংকটের কারণে বানিজ্যিকভাবে উৎপাদন করতে পারছে না কৃষকরা।

আরও পড়ুন:


হাসপাতালে আগুনের ঘটনায় ইরাকের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ

একটা দল ঢাকায় বসে শুধু লিপ সার্ভিস দিচ্ছে আর ষড়যন্ত্র করছে: কাদের

এবার ধান-চাল ক্রয়ে সুষ্ঠু দাম নির্ধারণ করা হয়েছে: কৃষিমন্ত্রী

ব্রাহ্মণবাড়িয়া তাণ্ডব: আরও ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ


এ সংকট নিরসনে নতুন দিগন্তের পথ দেখাচ্ছে টিস্যু কালচার পদ্ধতি। রামনগরে গ্রিন বায়োটেক টিস্যু কালচার ল্যাবরেটরতে উন্নত ক্যাপসিকাম চারা উৎপাদনের গবেষণা করছে গবেষকরা।

বর্তমানে ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে ক্যাপসিকাম বীজ বা চারা ক্রয় করে চাষ করছেন কৃষকরা। এ কারণে এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে  দেখছেন   তারা। 

কৃষকদের মাঝে ক্যাপসিকামের বীজ ছড়িয়ে দিতে পারলে বানিজ্যিকভাবে এই সবজি চাষ করে আর্থিক ভাবে লাভবান হবে কৃষকরা এমনটাই মনে করেন সংশ্লিস্টরা। ‘

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

অনলাইনেও বেড়েছে বিক্রি

শপিংমলগুলোয় জমে উঠেছে ঈদ কেনাকাটা

অনলাইন ডেস্ক

ঈদের বাকি আর কয়েকদিন। এরইমধ্যে রাজধানীর শপিংমলগুলোয় জমে উঠেছে ঈদ কেনাকাটা। তবে করোনা বাস্তবতায় এবার গেলবারের তুলনায় বিক্রি কম বলে জানান দোকানিরা। 

স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনেকে বিপনীবিতানে আসলেও বেশিরভাগ ফ্যাশনহাউজ বলছে অনলাইনে বেড়েছে তাদের বেচাবিক্রি। বিস্তারিত জানাচ্ছেন ফাতেমা কাউসার।

ঈদ শপিং এ বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনা পরিস্থিতি। বড় বড় শপিংমল গুলোতে তাই ক্রেতা সাধারণের সামাজিক দূরত্ব এবং স্বাস্থ্যবিধি মানার লম্বা লাইন।

অন্যবারের মতো ফ্যাশন হাউজগুলো এবারো ঈদ উপলক্ষে নিয়ে এসেছে নতুন নতুন কালেকশন। ক্রেতারাও ঈদ গরম দুটোকেই মাথায় রেখে সারছেন ঈদ কেনাকাটা।

ঈদের বাকি আরো নয়দিন থাকায় দোকানিরা জানান সামনের দিনগুলোতে আরো বাড়বে তাদের বেচাকেনা।

এদিকে করোনার কথা চিন্তা করে অনেকেই আবার ঘরে বসেই সারছেন ঈদের কেনাকাটা। অনলাইনে আগের চেয়ে বিক্রি বেড়েছে বলে জানান অনেকে। সামনের দিনগুলোতে বেচাবিক্রি আরো বাড়বে এমন প্রত্যাশা সবার।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

করোনায় দু’বছর ধরে ব্যবসায় মন্দা

রাজশাহীর সিল্ক পল্লীতে এবার নেই ঈদের আমেজ

কাজী শাহেদ:

উৎসব-পার্বনে রাজশাহী সিল্কের চাহিদা ছিল আকাশচুম্বি। করোনায় গেল দু’বছর ধরে ব্যবসায় মন্দা। ক্রেতা নেই আগের মতো। বন্ধ হয়ে গেছে বহু কারখানা। যারা টিকে আছেন, তাদের লোকসানের পাল্লা ভারি হচ্ছে প্রতিদিনই। তারপরও রেশমের সোনালী দিনের প্রত্যাশায় আছেন সবাই। 

ঈদ উৎসবে রাজশাহী সিল্কের চাহিদা ছিল আকাশচুম্বী। এখন ঐতিহ্য বজায় থাকলেও ধুঁকছে রেশম শিল্পখাত। কয়েকটা উৎপাদন ও বিপণন প্রতিষ্ঠান লোকসান গুণেই ধ্বংসপ্রায়। আগে ঈদ আসলে সারাবছরের ব্যবসা হয়ে যেতো। করোনাকালে কমেছে বিকিকিনি।

রাজশাহীর সিল্ক পল্লীতে এবার নেই ঈদের আমেজ। সারাবছরই এখানে রেশমের পোশাক তৈরি হলেও করোনার কারণে তাতে ভাটা পড়েছে। গতবারও লকডাউনের কারণে বেচাবিক্রি হয়নি। এবারো একই অবস্থা। লোকসানের পাল্লা ভারি হচ্ছে।

বৈশাখ আর ঈদকে ঘিরে বেচাকেনা জমে। কিন্তু করোনায় দু’বছরে বেচাকেনা তো দূরের কথা, অধিকাংশ তাঁত বন্ধ হয়ে গেছে লোকসান টানতে গিয়ে। এখন ঘুরে দাঁড়ানোটায় বড় চ্যালেঞ্জ।

রেশম ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত দু’বছরে সিল্ক খাতের লোকসান ছাড়িয়েছে তিন’শ কোটি টাকা। লিয়াকত আলী, সভাপতি, বাংলাদেশ রেশম শিল্প মালিক সমিতি শিগগিরই নতুন দিনে, নতুন কিরণে করোনাকাল কাটিয়ে রেশম ফিরবে তার গৌরবে, ক্রেতার পদচারণায় মুখর হবে সিল্ক পল্লী-এমন প্রত্যাশা সবার।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর