একটা সময় চিকিৎসা ছিল স্রেফ পলিটিক্যাল এজেন্ডা

গুলজার হোসাইন উজ্জ্বল

একটা সময় চিকিৎসা ছিল স্রেফ পলিটিক্যাল এজেন্ডা

কোভিড অনেক কিছুর ভেতর একটা জিনিস বুঝিয়ে দিল।

একটা সময় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন বললে বোঝাতো শুধুই গ্রামের মানুষের দোরগোড়ায় ডাক্তার (সুচিকিৎসা নয়) পাঠানো। চিকিৎসা ছিল স্রেফ পলিটিক্যাল এজেন্ডা। নির্বাচনী মেনিফেস্টর মত। অবশ্য এখনো তেমনটাই আছে। তবু কিছু সত্য অন্তত স্পষ্ট হয়েছে৷

গ্রামে ডাক্তার পাঠানোর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ ছিলো আমাদের হাসপাতালগুলোর আধুনিকায়ন, সেটা গ্রাম শহর যাই হোক। আর দরকার ছিল চিকিৎসকদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ ও উচ্চ শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি। হয়েছে উলটা।

আমাদের এখন মনে হচ্ছে প্রচুর আইসিইউ লাগবে। কিন্তু আমাদের প্রশিক্ষিত জনগোষ্ঠী নাই। ক্রিটিক্যাল কেয়ারের বিশেষজ্ঞ নাই, আইসিইউ চালানোর মত ডাক্তার নাই, নার্স নাই আরো অনেক কিছু নাই।

"গ্রামে ডাক্তার পাঠাইতে হবে" এই জিকির ছিলো আসর গরম করার আবেগী জিকির। একটা হেলথ সিস্টেম সমন্বিতভাবে গড়ে উঠলে গ্রাম-শহর বলে ভেদ থাকেনা। হাসপাতাল স্রেফ রেফারেল লেভেলে ভাগ হয়ে কাজ করে।

নতুন গিমিক শুরু হয়েছে। অনেক জেলা সদরেই আইসিইউ নাই, উপজেলায় আইসিইউ বানিয়েছে। জনপ্রতিনিধিরা এসব করে শো অফ করেন। "এই দেখেন আমার উপজেলায় আইসিইউ করছি"।


আরও পড়ুনঃ


বাইডেনের প্রস্তাবে রাজি পুতিন

গালি ভেবে গ্রামের নাম মুছে দিলো ফেসবুক

একজন মিডিওকার যুবকের ১৮+ জীবনের গল্প এবং অন্যান্য

মৃত্যুতে যারা আলহামদুলিল্লাহ বলে তারা কী মানুষ?


এভাবে কাজের কাজ কিছু হয়না। আইসিইউ স্রেফ কিছু যন্ত্রপাতি নয়। এখানে সব ডিসিপ্লিনের ডাক্তার লাগে। উপজেলায় সেটা আছে?

উপজেলায় বড় জোর হাইফ্লো অক্সিজেন নিশ্চত করুন। জেলা সদরে আইসিইউ করুন। ঢাকার সবগুলো সরকারি হাসপাতালে আইসিইউ নিশ্চিত করুন তাহলেই দেখবেন অনেকখানি কাজের কাজ হয়েছে।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

যদি ইসরায়েলের একজন মারা যায় তাহলে তা জঙ্গী তৎপরতা!

আসিফ নজরুল

যদি ইসরায়েলের একজন মারা যায় তাহলে তা জঙ্গী তৎপরতা!

যদি একশত জন ফিলিস্তিনী মারা যায় আর ফিলিস্তিনীরা জবাবে রকেট ছুড়ে, তাতে  যদি ইসরায়েলের একজন মারা যায় তাহলে তা জঙ্গী তৎপরতা। 

যদি একজন  ইসরায়েলী মারা যাওয়ার পর ইসরায়েল বোমা মেরে একশ ফিলিস্তিনী মেরে ফেলবে-এটা তখন আত্নরক্ষা! 
অনেক তথাকথিত সভ্য দেশ এভাবেই দেখে বিষয়টা। 

জাতিসংঘ আর মানবাধিকারের মাতবররা চালাকি করে  দুপক্ষকে বলে আত্নসম্বরণ করতে।

৭০-৮০ বছর ধরে পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় ভন্ডামী হচ্ছে এখানেই। এখন আমি আপনি কি করতে পারি? 

অনেক কিছু পারি। কিন্তু এটা কি কখনো ভাবতে পারি যে কিভাবে নিজেদেরকে এতো দুর্বল করে ফেলেছি আমরা মুসলমানরা? 
আমাদের আনুষ্ঠানিকতা যতোটা আছে ঈমান কি আছে ততোটা? সত্যি মুসলমান কি হতে পেরেছি আমরা অনেকে?

আসিফ নজরুল, রাজনৈতিক বিশ্লেষক (ফেসবুক থেকে)

পরবর্তী খবর

ব্রিজ চাইনিজরা,বিদ্যুৎ কেন্দ্র রাশিয়ানরা কিন্তু দেশ নিয়ে কথা বলা যাবে না

রউফুল আলম

ব্রিজ চাইনিজরা,বিদ্যুৎ কেন্দ্র রাশিয়ানরা কিন্তু দেশ নিয়ে কথা বলা যাবে না

বাংলাদেশে হাজার কোটি টাকার ব্রিজ করবে চাইনিজরা। ভারতীয়রা এসে মোবাইল নেটওয়ার্কের কাজ করে দিবে। রাশিয়ানরা এসে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র করবে। ভারত থেকে গরু, পিয়াঁজ, ভ্যাকসিন আনবো। জাপান থেকে ঋণ নিবো। 

কিন্তু শুধুমাত্র দেশ নিয়ে কথা বলতে হলে আপনাকে দেশি হতে হবে! মানে, দেশে থাকতে হবে। 
বিদেশে বসে দেশ নিয়ে কথা বলা যাবে না। 

রউফুল আলম, নিউজার্সি, যুক্তরাষ্ট্র।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ফুটন্ত কড়াই থেকে জ্বলন্ত উনুনে

ডা. আমিনুল ইসলাম

ফুটন্ত কড়াই থেকে জ্বলন্ত উনুনে

এই সেকেন্ড ওয়েভে বিশেষ করে ভারতে দেখা যাচ্ছে কোভিড রোগীরা আরোগ্য লাভের পর পর এক ধরনের ছত্রাক দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছেন যার মৃত্যুহার প্রায় ৫৫ শতাংশ। কোভিড রোগী যাদের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস আছে তাদের বেলায় এটি বেশি দেখা যায়। কোভিড রোগীদের অক্সিজেন কমে গেলে স্বল্প মাত্রার স্বল্পসময়ের জন্য স্টেরয়েড প্রাণ রক্ষাকারী। কিন্তু এটি যদি নির্বিচারে দীর্ঘদিন বা অতিরিক্ত dose এ দেয়া হয় তাহলেও এ রোগটি হতে পারে। কোভিড চিকিৎসায় যদি এমন কোন ওষুধ দেয়া হয় যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয় তার ফলশ্রুতিতে ও এটি হতে পারে।

এ Mucormycosis বা black fungus রোগটি  নতুন কিছু তা কিন্তু নয়। যাদের ইমিউনিটি খুব দুর্বল তাদের বেলায় কদাচিৎ এটি দেখা যেত আগে। কোভিড নিজেও যেহেতু ইমিউনিটি কমিয়ে দেয় এর সাথে যখন অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস  বা নির্বিচারে স্টেরয়েড বা অন্য immunosupressant যোগ হয় তখন এই Mucormycosis রোগটি দেখা যায় বেশি হারে। ভারতের একজন চিকিৎসকের টুইট দেখলাম, তিনি নিজে একাই সাত-আটটি এমনতর রোগী পেয়ে গেছেন।

ছত্রাকটি সাধারণত স্যাতস্যাতে ভেজা পরিবেশে থাকে। তাই রোগী কোন পরিবেশে থাকে সেটি গুরুত্ব পূর্ণ। এর spore শ্বাসের সাথে নাক দিয়ে sinus এ প্রবেশ করে। নাক দিয়ে লাল বা কালো dicharge হতে পারে তখন। মুখের একাংশে ব্যথা বা ফুলে যেতে পারে। নাক লালচে বা কালচে বর্ণ ধারণ করতে পারে নাও পারে। মুখের ভিতরে উপরের অংশে (hard palate) কালচে দাগ দেখা দিতে পারে। খুব দ্রুত ডায়াগনোসিস করে এন্টিফাঙ্গাল না দিলে এটি হাড়-মাংস সবকিছু ছেদ করে চোখে চলে যায়। চোখে ব্যাথা, ঘোলা দেখা, পানি পড়া এসব লক্ষণ দেখা দেয় তখন। এ অবস্থায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অপারেশনের প্রয়োজন পড়ে। চোখের পর এটি চলে যায় মস্তিষ্কে। পুরু চক্রটাকে বলা হয় Rhino-orbital-cerebral Mucormycosis. 

তাছাড়া এটি সরাসরি ফুসফুসে গিয়ে নিউমোনিয়ার মাধ্যমেও মৃত্যু ঘটাতে পারে। খুব দ্রুত রোগ নির্ণয় ও এন্টিফাঙ্গাল ওষুধ না দিলে অবস্থা জটিল থেকে জটিলতর হয়।  সব ধরনের এন্টিফাঙ্গাল আবার এতে কাজ করেনা। আরেকটা কথা, এটা কিন্তু ছোঁয়াচে নয়।

এ থেকে রক্ষা পেতে কোভিড রোগীদের অবশ্যই ডায়াবেটিস কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে হবে। স্টেরয়েড কোভিডে যেমন জীবনরক্ষাকারী তেমনি এর লাগামহীন ব্যবহার মৃত্যুর কারণও হতে পারে সে ব্যাপারটা মনে রাখতে হবে।
ঠিক যে সময়টায় কোভিড থেকে সুস্থ হয়ে যাচ্ছে অবস্থা ঠিক তখনই এই mucormycosis আক্রমণ করে বসে। 
এ যেন "শেষ হয়েও হইলো না শেষ।"

ডা. আমিনুল ইসলাম

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

মানুষের জীবনের প্রশ্নে খামখেয়ালি করাটা অপরাধ

শওগাত আলী সাগর

মানুষের জীবনের প্রশ্নে খামখেয়ালি করাটা অপরাধ

ঈদে যে মানুষগুলো গ্রামে গিয়েছিলেন- তারা এবার ঢাকায় ফিরে আসবেন। এই মানুষগুলো কখন কিভাবে ফিরবেন, তাদের ঢাকায় ফেরাটা কিভাবে সহজ এবং নিরাপদ করা যায় তা নিয়ে সরকারের এখনি ভাবা দরকার। ঈদে বিপুল সংখ্যক মানুষ গ্রামে যাবে, সংস্কৃতিগত ঐতিহ্যের কারনেই যাবে- সেটাও আগে থেকে ভেবে ব্যবস্থা নেয়া দরকার ছিলো। সেটি করা হয়নি। ফেরার পথে অন্তত করা হোক।

স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে এতোগুলো মানুষের ঢাকায় ফেরা নিশ্চিত করাটা কোনো একক মন্ত্রণালয়ের পক্ষে সম্ভব না, একক মন্ত্রণালয়ের কাজও না। স্থানীয় প্রশাসনের অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এই ক্ষেত্রে, সড়ক পরিবহণের ভূমিকা আরো গুরুত্বপূর্ণ। ফলে সরকারের সমন্বিত উদ্যোগ দরকার।

প্রয়োজনে ধীরে ধীরে সময় নিয়ে ঢাকায় ফেরার ব্যবস্থা করা হোক। ঈদ পরবর্তী ফেরায় বিলম্বের কারনে কারো বেতন কাটা বা চাকুরীতে হয়রানি যাতে না হয় সেটি নিশ্চিত করা হোক।


আরও পড়ুনঃ


গ্রহাণু ঠেকাতে অন্তত পাঁচ বছর সময় লাগবে: নাসা

কিছুতেই কান্না থামছিলো না বুবলির

ইসরায়েলের হামলা নিয়ে নোয়াম চমস্কির টুইট

হামলায় ইসরাইলের একক আধিপত্যের যুগ শেষ: হামাস


মানুষের জীবনের প্রশ্ন যেখানে জড়িত, সেই বিষয় নিয়ে অবহেলা বা খামখেয়ালি করাটা অপরাধ। এই কথাটা আমাদের বিবেচনায় রাখা দরকার।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

‘ঘরে ঈদ সুপার হিট’- এটাই হোক আমাদের শ্লোগান

শওগাত আলী সাগর

‘ঘরে ঈদ সুপার হিট’- এটাই হোক আমাদের শ্লোগান

‘ঘরে ঈদ, সুপার হিট’। কথাটা মনে ধরে গেলো। মহামারীর এই সময়ে এর চেয়ে সুন্দর কথা আর কি হতে পারে। ‘অ্যালামনাই এসোসিয়েশন অব নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ব্রিটিশ কলম্বিয়া চ্যাপ্টারের’ ঈদ শুভেচ্ছার ভিডিওটা নিউজফিডে ভেসে উঠতেই কৌতূহল বশত: ক্লিক করেছিলাম।

সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট আলবিনা তাদের সদস্যদের একটি প্রতিযোগিতার খবর দিতে গিয়ে জানালেন, বিষয়বস্তু হচ্ছে- ‘ঘরে ঈদ সুপার হিট’। আমার কাছে মনে হলো- এটি তো কেবল প্রতিযোগিতার বিষয় নয়, একটি শ্লোগান, একটি ক্যাম্পেইনের মুল বিষয়, একটি ম্যাসেজ।

আরও পড়ুন


এবার ফিলিস্তিনের হয়ে ইসরাইলে রকেট হামলা চালালো লেবানন

ইসরাইলের যে কোনো স্থানে আঘাত হানতে সক্ষম আইয়াশ-২৫০ ক্ষেপণাস্ত্র

বায়তুল মোকাররমে ঈদের প্রথম ও দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত

নিউজ টোয়েন্টিফোরের কুষ্টিয়া প্রতিনিধি জামিল হাসান খোকন আর নেই


বিশ্বের দেশে দেশে বিশেষ করে বাংলাদেশে আমাদের যে স্বজনরা রাত পোহালেই (শুক্রবার) ঈদ উৎসবে মেতে উঠবেন- তাদের জন্য এটি একটি জরুরী বার্তা বটে।

অন্তত এই বারের জন্য ‘ঘরে ঈদ সুপার হিট’- এটাই হোক আমাদের শ্লোগান।
ঈদের শুভেচ্ছা সবাইকে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর