সহিংসতায় জড়িত হেফাজতের কাউকেই ছাড়া হবে না: নানক

তৌফিক মাহমুদ মুন্না

সহিংসতায় জড়িত হেফাজতের কাউকেই ছাড়া হবে না: নানক

আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলির সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, সহিংসতায় জড়িত হেফাজতের কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।

মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর কলাবাগান মাঠে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ আয়োজিত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের ফ্রি অক্সিজেন সেবা সার্ভিস প্রদানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

এসময় তিনি আরও বলেন, অংকুরেই হেফাজতকে শেষ করতে হবে বাড়তে দেওয়া যাবে না। হেফাজত বাড়লে দেশ আফগানিস্তান হয়ে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর দিনে যারা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছেন, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে যারা রক্তাক্ত করেছেন, বিশৃঙ্খলা করে অগ্নিসংযোগ করেছেন তাদের প্রতি দুর্বলতা দেখানোর কোনো সুযোগ নেই।

জাহাঙ্গীর কবির নানক আরও বলেন, যারা ধর্মের নাম ব্যবহার করে এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের বিপথে নিতে চান তারা মতলববাজ। তাদেরকে বরদাস্ত করা হবে না। আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ধরনের মতবাদের কে প্রতিহত করতে হবে।

এসময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামকে উদ্দেশ্য করে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, আপনি আর আপনার দল ক্রাকডাউন হয়ে গেছেন। হেফাজতের নেতাকর্মীদের মুক্তি চাওয়ার বিষয়ে আপনাদের লজ্জা থাকা উচিত।

যেখানেই একটু কচুরিপানা ধরে সেখানে বিএনপি দেখে একটু পার হওয়া যায় কিনা। তাদের এই ধরনের রাজনীতির কারণে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তাই এদেশের মানুষ বিএনপির কোন আন্দোলন সংগ্রামে সাড়া দেয় না। তাদেরকে কঠোরভাবে বলতে চাই, যারা এই দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালিয়েছেন বা যারাই এর সঙ্গে জড়িত আছে তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেন নানক।

আরও পড়ুন


টিকা উৎপাদনে অন্য দেশগুলোকে সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

লকডাউনের সময় আবারও বাড়লো, প্রজ্ঞাপন জারি

বিমান ভূপাতিত ঘটনাকে ইউক্রেন রাজনীতিকীকরণ করছে: ইরান

মামুনুল হককে নিয়ে ফেসবুকে জিহাদের আহ্বান করায় যুবক গ্রেপ্তার


অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম। এসময় তিনি বলেন, জামাত, বিএনপি ও হেফাজত ইসলাম একই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। তারা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে, স্বাধীনতার বিরুদ্ধে, আমাদের জাতীয় সংগীতের বিরুদ্ধে, জাতীয় পতাকার বিরুদ্ধে। তারা বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাতে চায়।

তিনি আরও বলেন, কেউ ধর্মকে ঢাল করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে পারবে না। সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সরকার অবস্থান নিয়েছে। তাদের আইননুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ধর্মনিরপেক্ষ নীতি বাংলাদেশে থাকবে। বাংলাদেশের মানুষকে নিয়ে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাবো।

যে কেউ ০৯৬১১৯৯৭৭৭ হটলাইন নম্বরে ফোন করলে স্বেচ্ছাসেবক লীগের পক্ষ থেকে ফ্রি অক্সিজেন সিলিন্ডার সরবরাহ করা হবে। 

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবুর সঞ্চালনায় করোনা মোকাবিলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের ফ্রি অক্সিজেন সার্ভিসের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ম রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোবাশ্বের চৌধুরী, খায়রুল হাসান জুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক কৃষিবিদ আ ফ ম মাহবুবুল হাসান, দপ্তর সম্পাদক আজিজুুল হক আজিজ, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক কেএম মনোয়ারুল ইসলাম বিপুল, সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন বাবর সহ স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী সময় মতো তাহাজ্জুত নামাজ পড়েন, কোরআন পড়েন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী সময় মতো তাহাজ্জুত নামাজ পড়েন, কোরআন পড়েন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমাদের প্রধানমন্ত্রী (শেখ হাসিনা) তিনি নিজেও একজন মুসলমান। তিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। সময় মতো তাহাজ্জুত নামাজ পড়েন, কোরআন পড়েন। তার হাতে বাংলাদেশ। তিনি কোরআন-সুন্নাহর বাহিরে কিছু করেন না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

শুক্রবার (৭ মে) দুপুরে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের মধুপুরে গত ২৮ মার্চ হেফাজতের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। 

তিনি বলেন, ইসলাম ধর্ম কখনও সহিংসতার কথা বলে না। ইসলাম শান্তির ধর্ম। যারা হেফাজতের নামে দুস্কর্ম করে, নিষ্ঠুরতা করে, অত্যাচার করে এরা মানুষ না, এরা অমানুষ। 

সে সময় তিনি বলেন, এ ধরনের নিষ্ঠুরতা, অত্যাচার ও নৃশংসতা যারা করে এটা কোনো ধর্মের উদ্দেশ্য নয়। অরাজকতা সৃষ্টির মাধ্যমে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ায় ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য।

আসাদুজ্জামান কামাল বলেন, আমি নিজে এসে দেখে গেলাম, আমি আপনাদের সাথে ওয়াদা করছি যারা এ সংহিংসতার সঙ্গে জড়িত তাদের সবাইকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসব।

তিনি আরও বলেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে, এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। যে যেখানেই জড়িত রয়েছেন, তাদের আইনে সোপর্দ করবই। এ নৃশংসতায় মামলা যেগুলো হয়েছে বা হয় নাই, তদন্ত করে সবাইকে আইনের আওতায় নিয়ে আসব। নিষ্ঠুরতা, নৃশংসতা আর বর্বরতা হতে দেব না।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান, অতিরিক্তি ডিআইজি নূরে আলম মিনা, মেজর জেনারেল এ কে এম হুমায়ুন কবির (অব.), মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার আব্দুল মোমেন, সিরাজদিখান উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ, জেলা পিআইবির মো. আনোয়ারুল হক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ ফয়েজুল ইসলাম, সিরাজদিখান উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু বকর সিদ্দিকসহ উপজেলার বিভিন্ন ইউপি চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতারা।

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপে দেশে করোনার সংক্রমণ কমছে : তোফায়েল

অনলাইন ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রীর পদক্ষেপে দেশে করোনার সংক্রমণ কমছে : তোফায়েল

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ভয়াবহ আকার ধারণ করলেও বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদক্ষেপ গ্রহণ করায় সংক্রমণ কমে আসছে। কারণ করোনাকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রীর গৃহিত পদক্ষেপগুলো ছিল বাস্তবসম্মত বলে জানিয়েছেন সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ও ভোলা সদর আসনের সংসদ সদস্যে তোফায়েল আহমেদ।

শুক্রবার (০৭ মে) ভোলা সদর উপজেলার ১৩ ইউনিয়নে নগদ অর্থ ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনকালে ভিডিও কনফারেন্সে তোফায়েল আহমেদ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, করোনাকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গরিবদের জন্য ত্রাণ বিতরণ করছেন। এমন কোনো গরিব নেই, যিনি ত্রাণ পাননি বলেও জানান তিনি। 

নগদ অর্থ ও ত্রাণ বিতরণের সময় করোনা সংক্রমণরোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলার আহ্বান জানান তোফায়েল আহমেদ।

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

দেশে করোনা চিকিৎসায় অক্সিজেন ও ওষুধের অভাব হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

দেশে করোনা চিকিৎসায় অক্সিজেন ও ওষুধের অভাব হবে না: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে করোনা চিকিৎসায় অক্সিজেন ও ওষুধের কোনো অভাব হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে প্রতিদিন ৬০ থেকে ৭০ টন অক্সিজেন লাগছে। আর অক্সিজেন উৎপাদন ক্ষমতা ১৭৫ টন, গ্যাসের মাধ্যমে আরও ৪০ টন। আমাদের কাছে অক্সিজেন মজুত রয়েছে ৯০০ টন। আমরা ভ্যাকসিন আনার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছি। আমরা চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হচ্ছি। আশা করি আমরা খুব তাড়াতাড়ি ভ্যাকসিন পেয়ে যাব।

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়পাড়া এলাকায় শুভ্র সেন্টারে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুক্রবার (৭ মে) বিকেলে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত দুস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় জন্য সরকার সারাদেশে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। যার ফলে এখন করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর সংখ্যা কমে আসছে। সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাফেরা করলে আমরা আবারও করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে পারবো।

ভারত থেকে করোনা টিকা পাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়েছিল তিন কোটি অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন দেবে। কিন্তু দিয়েছে মাত্র ৭০ লাখ। আর উপহার হিসেবে দিয়েছিল ৩০ লাখ। এরপরে আমরা আর ভ্যাকসিন পাইনি। যার কারণে করোনার ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া বন্ধ করা হয়েছে। তবে এর মধ্যে আমরা যদি ভ্যাকসিনের ব্যবস্থা করতে না পারি তাহলে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া কঠিন হয়ে যাবে। ভ্যাকসিন পাওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীও আপ্রাণ চেষ্টা করছেন।

এসময় মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার দুই হাজার অসহায় ও দুস্থ পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

পদ্মাসেতুর মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়ানো হয়নি : সেতুমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

পদ্মাসেতুর মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়ানো হয়নি : সেতুমন্ত্রী

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে করোনার কারণে পদ্মাসেতুর মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়ানো হয়েছে বলে যে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে তা সত্য নয় বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 

শুক্রবার (৭ মে) বিকেলে তার সরকারি বাসভবনে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানান।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আগামী বছর জুনের মধ্যেই পদ্মাসেতুর কাজ সমাপ্ত হবে এবং যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

এ সময় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আজ ঐতিহাসিক ৭ মে। বাংলাদেশের গণতন্ত্রপ্রিয় মানুষের কাছে একটি স্মরণীয় দিন। ২০০৭ সালের এই দিনে তৎকালীন তত্ত্বাধায়ক সরকার ঘোষিত জরুরি অবস্থা চলাকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা শেষে শত প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে দিশে ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা কোন অন্যায় করেনি বলে বুকে ছিল তার অসীম সাহস। এদেশের মাটি ও মানুষই শেখ হাসিনার রাজনীতির মূলশক্তি। তাইতো কোন ষড়যন্ত্রই দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে সেদিন ঠেকিয়ে রাখতে পারেনি।

শেখ হাসিনা রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলেই প্রত্যক্ষ করেছেন ইতিহাসের নানা বাঁকবদল জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, পিতা মুজিব শেখ হাসিনার রাজনীতির গুরু। পিতার মতোই ভালোবাসেন দেশের মানুষকে।

তিনি বলেন, তাইতো গণতন্ত্রকে শৃঙ্খলমুক্ত করতে শত বাঁধা পেরিয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশে এসেছিলেন বলেই সেদিন জনগণের চাপে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাধ্য হয়েছিল নির্বাচন দিয়ে সরে যেতে।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট  নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, দ্বিতীয় বারের মত প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে শেখ হাসিনা রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশরত্ন শেখ হাসিনা শুরু করেন সংকটের আবর্তে নিমজ্জমান অবস্থা থেকে দেশকে পুনরুদ্ধার করে একটি সুখী সমৃদ্ধ ও উন্নত রাষ্ট্র গড়ে তোলার সংগ্রাম। 

গর্বের প্রতীক পদ্মা সেতুর কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে, দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল এবং তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নের মেট্রোরেল। 

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন গণতন্ত্রের অগ্নিবীণার দেশে ফেরা : তথ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন গণতন্ত্রের অগ্নিবীণার দেশে ফেরা : তথ্যমন্ত্রী

৭ মে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন গণতন্ত্রের অগ্নিবীণার দেশে ফিরে আসা বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। 

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সীমিত পরিসরে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন। 

২০০৭ সালের এই দিনে জননেত্রী শেখ হাসিনা তৎকালীন সরকারের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে যুক্তরাজ্য হয়ে দেশে ফিরে আসেন উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আপনারা জানেন, ২০০৭ সালে দেশে যে সেনাসমর্থিত সরকার এসেছিলো, তারা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিদেশে চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলো। শুধু তাই নয়, সকল এয়ারলাইন্সকে তারা সেই নিষেধাজ্ঞার চিঠি দিয়েছিলো এবং জননেত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছিলো।

বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখন বলেছিলেন, তিনি সেইসব মামলা আদালতে আইনগতভাবে মোকাবিলা কর‍তে চান এবং নিজের দেশে ফেরার ওপর নিষেধাজ্ঞা কখনও গ্রহণযোগ্য নয়। 

তিনি বলেন, এই প্রত্যাবর্তনের ফলে যে জননেত্রীর ওপর আক্রমণ হতে পারে, নিষেধাজ্ঞাকারীরা যে কোনো কিছু করার চেষ্টা কর‍তে পারে, সেই সমস্ত ঝুঁকি মাথায় নিয়েই বঙ্গবন্ধুকন্যা ফিরে এসেছিলেন। আর তার ফিরে আসার মধ্য দিয়েই লড়াই-সংগ্রামে দেশে গণতন্ত্র পুণঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো। 

এরপরই ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট ধস নামানো বিজয় অর্জন করেছিলো এবং সেই পথ ধরেই বাংলাদেশে গণতন্ত্রের অভিযাত্রা এবং এর পাশাপাশি উন্নয়নের অগ্রযাত্রাও অব্যাহত রয়েছে, উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, সেকারণেই বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন হচ্ছে গণতন্ত্রের অগ্নিবীণার দেশে ফিরে আসা। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর