পুরনো ভিডিও ছড়িয়ে গুজব রটানোয় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে র‌্যাব

অনলাইন ডেস্ক

পুরনো ভিডিও ছড়িয়ে গুজব রটানোয় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে র‌্যাব

সম্প্রতি হেফাজতে ইসলামের কয়েকজন নেতাকে গ্রেফতারের পর নাশকতা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে বিশেষ এ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে পুরনো ভিডিও ‘লাইভ’ আকারে যারা ছড়িয়েছে। তাদের শনাক্ত করা হয়েছে। এভাবে পুরনো ভিডিও ছড়িয়ে গুজব রটানোয় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

বৃহস্পতিবার বিকেলে র্যাব সদর দফতরে বাহিনীর আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।

পুরনো ভিডিও লাইভ করতো সংগঠনটির আইটি টিম। যারা এ ধরনের আ্যপস ব্যবহার করতো তাদের র‍্যাব শনাক্ত করেছে। তারা বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ দিয়ে এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে দিতো। এসব কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে র‍্যাব অভিযান পরিচালনা করবে। 

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে দেশব্যাপী যে অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়েছিল, ঠিক তখন থেকেই একটি কুচক্রী মহল দেশব্যাপী বিশৃঙ্খলা-অরাজকতা সৃষ্টি করতে বিভিন্ন ধরনের নাশকতামূলক ও উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছে। র‌্যাব এসব ব্যক্তি বা দলকে বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজ ও স্থির চিত্র দেখে ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে শনাক্ত করে।

‘এসব অপরাধী শনাক্তে র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখা অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এসব অপরাধী শনাক্তের পর আটক করে র‍্যাব আইনের আওতায় আনছে। এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাবই প্রথম অভিযান চালিয়ে আটক করে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর সময়কালে ঘোড়ায় চড়ে বিক্ষোভ করা হেফাজতের এক কর্মীকে। শিশু বক্তাখ্যাত রফিকুল ইসলামকেও র‍্যাব গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনেছে।’

যারা গ্রেফতার হয়েছে তাদের সঙ্গে হেফাজত নেতা মামুনুল হকের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি-না, এমন প্রশ্নের উত্তরে কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, র‍্যাব কোনো দল কিংবা ব্যক্তিকে টার্গেট করে অভিযান পরিচালনা করে না। যারা দেশব্যাপী নাশকতা সৃষ্টি করেছে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছে এবং যারা রাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে র‌্যাব। তাদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ঘরের ডেকোরেশন দেখানোর কথা বলে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

ঘরের ডেকোরেশন দেখানোর কথা বলে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

ঘরের ডেকোরেশন দেখানোর নাম করে যশোরে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৬ মে) ভোরে শহরের খোলাডাঙ্গা উত্তরপাড়া থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

তারা হলেন-খোলাডাঙ্গার নূর আলীর ছেলে ইমামুল হক ছোট (২২) ও মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে লুৎফর রহমান (৬০)।

এ ঘটনায় নির্যাতিত কিশোরীর মা বুধবার (৫ মে) কোতোয়ালি থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, তার মেয়ে স্থানীয় একটি স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। গত ৪ মে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার মেয়েকে ইমামুল বাড়ির পাশে লুৎফর রহমানের চারতলা বাড়ির ডেকোরেশন দেখাবে বলে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। বাড়ির মালিক লুৎফর রহমানও এ সময় তাকে ধর্ষণ করে।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তাজুল ইসলাম বলেন, মামলা পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে ইমামুল ও লুৎফরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এরপর তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এছাড়া নির্যাতিত কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আজই জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থাপন করা হবে বলে জানান ওসি।

এ ব্যাপারে যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আরিফ আহম্মেদ বলেন, এক কিশোরীর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

পরবর্তী খবর

বেতন-বোনাসের দাবিতে মিরপুরে রাস্তা অবরোধ

অনলাইন ডেস্ক

বেতন-বোনাসের দাবিতে মিরপুরে রাস্তা অবরোধ

বেতন-বোনাসের দাবিতে মিরপুর ১০ নম্বরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের রাস্তা অবরোধ।

বিস্তারিত আসছে...

পরবর্তী খবর

কুড়িল ফ্লাইওভারে গলায় গামছা পেঁচানো দুবাই প্রবাসীর লাশ

অনলাইন ডেস্ক

কুড়িল ফ্লাইওভারে গলায় গামছা পেঁচানো দুবাই প্রবাসীর লাশ

রাজধানীর খিলক্ষেত কুড়িল ফ্লাইওভারে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় সুভাষ চন্দ্র সূত্রধর (৩২) নামে দুবাই প্রবাসী এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

খবর পেয়ে খিলক্ষেত থানার উপ-পরিদর্শক এসআই শাহিনুর রহমান। বৃহস্পতিবার (৬মে) ভোর সাড়ে পাঁচটায় ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক খিলক্ষেত বাজার সংলগ্ন পূর্বাচল গামি ৩০০ ফিট রোডস্থ ফ্লাইওভারে গলায় গামছা পেছানো মাথায় আঘাত রক্তাক্ত উপর হয়ে পড়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে মৃতদেহটি উদ্ধার করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

এসআই বলেন ,তার কাছে থেকে পাওয়া পাসপোর্ট থেকে জানা যায়, তিনি দুবাই থাকতেন গত বছরের১৩ নভেম্বর বাংলাদেশে আসেন।

পরে পাসপোর্ট এর ঠিকানা অনুযায়ী পরিবারকে খবর দিলে স্বজনরা এসে মৃতদেহ শনাক্ত করেন।

তিনি আরো বলেন, পরিবার থেকে জানতে পেরেছি  আগামী ৮ মে আবারো দুবাই যাবার কথা সেজন্য গতকাল বগুড়া গ্রামের বাড়ি থেকে ঢাকায় করোনা টেস্ট এর জন্য আসছিলেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে।

মৃতের ভায়রা ভাই শ্রী কৃষ্ণ বাবু জানান, বগুড়ার শিবগঞ্জের মোকামতলা থেকে গতকাল রাত আটটায়  তিনি  মাইক্রো বাসে  ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। করোনা টেস্ট এর জন্য। কারণ তিনি আগামী ৮ তারিখে আবারো দুবাই যাবেন সেজন্য টিকিটের টাকাসহ ৬০/৭০হাজার টাকা নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে আসেন।

পরে ভোর রাত্রে  নিহতের শাশুড়ির শ্রীমতি লক্ষ্মী রানী তার নাম্বারে ফোন দিয়ে বলে সুভাষের নাম্বার বন্ধ পাচ্ছি তুমি ওকে খোঁজ করে দেখো। আমার বাসা খিলক্ষেত এলাকায় পরে আমি বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকি এর মধ্যে খিলক্ষেত থানা পুলিশ ফোন দিলে ফ্লাইওভারে গিয়ে সুভাষের  গলায় গামছা পেঁচানো রক্তাক্ত অবস্থায় মৃতদেহ দেখতে পাই। তবে তার কাছে কোন টাকা পাওয়া যায়নি।

স্বজনদের দাবি এটি একটি হত্যাকাণ্ড পুলিশ যেন হত্যাকারীদের কে খুঁজে বের করে সঠিক বিচার করেন।

মৃত সুভাষ বগুড়া জেলার, শিবগঞ্জ থানার,বড় নারায়নপুর গ্রামের মৃত সুবীর চন্দ্র সূত্রধরের ছেলে। পাঁচ ভাই তিন বোনের মধ্যে সে ছিল সবার ছোট।

নিহতের আরো ৩ ভাই দুবাইতে থাকেন। গত বছরের দেশে এসে বিবাহ করেছিলেন সুভাষ।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

লিবিয়ায় মাফিয়ার হাতে বন্দী মাদারীপুরের ২৪ যুবক, ভিডিও পাঠিয়ে টাকা দাবি

অনলাইন ডেস্ক

লিবিয়ায় মাফিয়ার হাতে বন্দী মাদারীপুরের ২৪ যুবক, ভিডিও পাঠিয়ে টাকা দাবি

দীর্ঘদিন থেকেই বিদেশে বেশি বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে আসছে দেশের বেশ কিছু দালাল চক্র। সমুদ্র পথে পাড়ি জমাতে গিয়ে অনেককেই জীবন দিতে হয়। অনেকেই আবার চড়াই উতরাই পেরিয়ে হয়তোবা বিদেশে পৌঁছায়। কেউ টিকেও যায়। কিন্তু অনেকেই পড়ে মাফিয়াদের হাতে। মুক্তিপনের টাকা মিললে অনেকেই ছাড়া পান তবে বেশিরভাগকেই জীবন দিতে হয়।

দালালের খপ্পরে পড়ে লিবিয়ায় মাফিয়াদের কাছে বন্দী জীবন কাটাচ্ছে মাদারীপুরের এ রকম ২৪ যুবক। দাবি তাদের একটাই টাকা। বন্দিদের পরিবারের কাছে নির্যাতনের ভিডিও পাঠিয়ে লাখ লাখ টাকা দাবি করছে মাফিয়ারা।

গতকাল বুধবার মাফিয়াদের পাঠানো নির্যাতনের একটি ভিডিও চিত্র গণমাধ্যমের হাতে এসেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে মাফিয়ারা বেশ কয়েকজনকে পিটিয়ে তাদের পরিবারের কাছে বলতে বাধ্য করছে, টাকা না দিলে তাদের মেরে ফেলা হবে। এতে পরিবারের লোকজন আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ ,মাদারীপুর সদর উপজেলার চাষার গ্রামের বাসিন্দা জাহিদ খান ইউছুফ এলাকার পরিচিত দালাল। ৪ থেকে ৫ বছর যাবৎ তিনি মানব পাচারের সঙ্গে যুক্ত। তার মাধ্যমে প্রায় ৩০০ যুবক লিবিয়ার পথে পাড়ি জমিয়েছেন। যার বেশির ভাগ সাগর পথ পাড়ি দিয়ে ইতালি পাড়ি দিয়েছে। এ সব লোকজন পাঠাতে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কাজ করে। জাহিদ খানের কাজ হলো মাদারীপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিদেশ যেতে ইচ্ছুকদের সংগ্রহ করা।

ভুক্তভোগীরা আরও জানান, প্রত্যেকের সাথে জাহিদ খানের ৮ থেকে ৯ লাখ টাকার চুক্তি হয়। রুট হিসেবে তারা ব্যবহার করেছেন ঢাকা টু লিবিয়া তারপর সেখান থেকে ‘গেম করে’ ইতালি। সর্বশেষ তার মাধ্যমে যাওয়া ২৪ জন যুবক লিবিয়ার মাফিয়াদের হাতে আটক রয়েছে। এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় তাকে প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলতে পারছে না।

আরও পড়ুন


খালেদা জিয়ার আবেদন রাতেই পাঠানো হয়েছে আইন সচিবের কাছে

২২ দিন পর চালু গণপরিবহন, মানতে হবে যে সব নির্দেশনা

ভারতে আবারও রেকর্ড পরিমাণ মৃত্যু

রোজার সৌন্দর্যে ​মুগ্ধ হয়ে ভারতীয় তরুণীর ইসলাম গ্রহণ


মাফিয়ার কাছে আটক হিফজু হাওলাদারের বাবা হাবু হাওলাদার বাবা এই প্রতিবেদককে বলেন, গত সোমবার তারা ভিডিওটি পেলেও ছেলের ক্ষতি হবে এই ভয়ে কাউকে জানাননি।

মানবপাচারকারী জাহিদ খান ইউসুফের কাছে মোবাইল ফোনে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি কোনো লোক পাঠাই নাই। এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।

মাদারীপুর সদর উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মজিবর রহমান মৃধা এ বিষয়ে বলেন, আমি জাহিদকে চিনি। তবে সে মানবপাচারের সাথে জড়িত তা জানা ছিল না। আমার ইউনিয়নের কিছু লোকসহ মাদারীপুরের ২৪ জন লিবিয়ায় মাফিয়ার কাছে বন্দী থাকার বিষয়েও আমি অবগত না।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম মিঞা বলেন, আমরা এই সংবাদটি শুনেছি। আমি তদন্ত অফিসারকে চাষার গ্রামে পাঠিয়েছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। সূত্র: দেশ রূপান্তর।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার

আব্দুল লতিফ লিটু, ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে কষ্টি পাথরের মূর্তি উদ্ধার

ঠাকুরগাঁও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের দক্ষিণ বোয়ালধার গ্রামে পুকুর খনন করার সময় একটি কষ্টিপাথরের মূর্তি পাওয়া গেছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বালিয়াডাঙ্গী থানা পুলিশকে মূর্তিটি জমা দিয়েছেন ওই গ্রামের হামিদুর রহমান।

লঞ্চ-ট্রেন ও দূরপাল্লার বাস বন্ধ, প্রজ্ঞাপন জারি

খালেদা জিয়ার বিদেশযাত্রা নির্ভর করছে সরকারের ওপর: ফখরুল

সুন্দরবনে ফের আগুন

বুধবার দুপুরে বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি তদন্ত আব্দুস সবুর জানান, গতকাল সন্ধ্যায় পুলিশ মূর্তিটি থানায় নিয়ে এসেছে। বেশ বড় তবে ওজন মাপা হয়নি।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে ভানোর ইউনিয়নের বোয়ালধার সিংহাড়ি গ্রামে পুকুর খননের সময় মূর্তিটি পায় হামিদুর রহমান।

৬নং ভানোর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাব সরকার বলেন, পুকুর খননের সময় মূর্তি পাওয়ার পর হামিদুরের ভাই ইসমাইল আমাকে মোবাইলে বিয়ষটি অবগত করে। পরে গ্রাম্য পুলিশ পাঠিয়ে মূর্তিটিকে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসা হয়। পরে পুলিশকে খবর দিলে সন্ধ্যায় পুলিশ এসে পরিষদ থেকে থানায় নিয়ে যায় মূর্তিটি।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর