মাওলানা মামুনুলের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা দখলের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

মাওলানা মামুনুলের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা দখলের অভিযোগ

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় জামি'আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন ১০ জন। তাদের মধ্যে সিনিয়র ছিলেন শায়খুল হাদীস মাওলানা আজিজুল হক। তাই শুরুতে তাকে ঘিরেই এ মাদ্রাসা পরিচালিত হতো। 

ওয়াক্‌ফ সম্পত্তির ওপর এটি গড়ে ওঠে। হাজি মোহাম্মদ আলী ও নূর হোসেন এ সম্পত্তির মালিক ছিলেন। মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে তাদেরও নাম রয়েছে।

প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই এর আদর্শ ছিল- এখানে কোনো রাজনীতি করা যাবে না। তবে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের বাবা প্রথম এ প্রতিষ্ঠানে রাজনীতি ঢোকান বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি ছিলেন বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের শরিক।

মাদ্রাসাটির বেশ কয়েকজন শিক্ষকদের অভিযোগ বাবার মৃত্যুর পর তার দেখানো পথেই হাঁটতে শুরু করেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক। মাদ্রাসাটি ঘিরে প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে একটি দুষ্টচক্র গড়ে তুলেছেন তিনি।

দেশের অন্যতম জাতীয় পত্রিকা ‘দৈনিক সমকাল’-এর  ‘মামুনুলের দখল থেকে মুক্ত হচ্ছে রাহমানিয়া মাদ্রাসা’ শিরোনামের প্রতিবেদনটিতে এসব তথ্য জানানো হয়। 

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, মোহাম্মদপুরের জামি'আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা ঘিরে প্রায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে একটি দুষ্টচক্র গড়ে তুলেছেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক। ওই প্রতিষ্ঠানটিতে রাজনীতি ঢোকান মামুনুলের বাবা মাওলানা আজিজুল হক। তিনি বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের শরিক ছিলেন। বর্তমানে আজিজুলের চার ছেলে, নাতিসহ অন্তত ২০ আত্মীয় প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষকতা করছেন। এটা যেন তাদের 'পারিবারিক সম্পত্তি'।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, এই মাদ্রাসায় রাজনীতির বীজ বপনের বিরোধিতা করায় ৩৫ জন শিক্ষককে একযোগে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়া হয়। পুরোনো পাঁচজন শিক্ষক আর মামুনুলদের পছন্দের লোক নিয়োগ দিয়ে চলছে এই প্রতিষ্ঠান। তবে মাদ্রাসা থেকে বিতাড়িতরা অনেক আগেই আদালতের শরণাপন্ন হন। গত বছর আদালত থেকে তাদের পক্ষে রায়ও হয়।

জেলা প্রশাসন ও আদালত থেকে তিন দফায় রায় বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মামুনুল গ্রেপ্তারের পর আবার নড়েচড়ে বসেছেন বিতাড়িত সেই শিক্ষকরা। গতকাল বৃহস্পতিবার তারা মাদ্রাসায় নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি বরাবর লিখিত আবেদন করেন। সেখানে তারা আদালতের রায়ের অনুলিপি সংযুক্ত করে দেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম সমকালকে বলেন, মাদ্রাসার বিষয়ে আদালতের রায়ের ব্যাপারে করণীয় নির্ধারণে আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করা হবে। এরপর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মামুনুল ও তার সাঙ্গোপাঙ্গদের মাধ্যমে কেউ হয়রানি ও প্রতারণার শিকার হলে তা নির্ভয়ে পুলিশকে জানানোর অনুরোধ করেন কমিশনার।

দৈনিক সমকালের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডিসি হারুন অর রশিদ। তিনি বলেন, মাদ্রাসাটি দখল করে রেখেছিলেন মামুনুল ও তাদের পরিবারের লোকজন। যারা এই চক্রের মাধ্যমে বঞ্চনার শিকার, তাদের পক্ষ থেকে একটি আবেদন পেয়েছি। আদালতের নির্দেশনার আলোকে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে এর নিয়ন্ত্রণ বুঝিয়ে দেওয়া হবে। উগ্রবাদী কায়দায় সেখানে যারা কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিল, তাদের আইনের আওতায় নেওয়া হবে। মামুনুল ও তার লোকজন মাদ্রাসা দখলের ঘটনায় জড়িত হলে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, জামি'আ রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার অন্তত সাতজন সাবেক শিক্ষকের সঙ্গে গতকাল কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন মুফতি হিফজুর রহমান। তিনি একসময় মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষ ছিলেন। ২০০১ সালে তাকেসহ ৩৬ শিক্ষককে একযোগে প্রতিষ্ঠানটি থেকে অন্যায়ভাবে বের করে দেওয়া হয়। হিফজুর সমকালকে জানান, ১৯৮৬ সালে এই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন ১০ জন। তাদের মধ্যে সিনিয়র ছিলেন শায়খুল হাদীস মাওলানা আজিজুল হক। তাই শুরুতে তাকে ঘিরেই এ মাদ্রাসা পরিচালিত হতো। ওয়াক্‌ফ সম্পত্তির ওপর এটি গড়ে ওঠে। হাজি মোহাম্মদ আলী ও নূর হোসেন এ সম্পত্তির মালিক ছিলেন। মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে তাদেরও নাম রয়েছে।

কেন একসঙ্গে এতজন শিক্ষককে বের করে দেওয়া হয়- জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই এর আদর্শ ছিল- এখানে কোনো রাজনীতি করা যাবে না। তবে মামুনুল হকের বাবা প্রথম এ প্রতিষ্ঠানে রাজনীতি ঢোকান। শিক্ষকদের দু-চারজন বাদে প্রায় সবাই এর বিরোধিতা করেন। মিছিল-সমাবেশে মাদ্রাসা থেকে ছাত্রদের ডেকে নেওয়া হতো। বিভিন্ন সময় রাজনীতিতে জড়াতে গিয়ে মাদ্রাসার ছাত্ররা গ্রেপ্তারও হয়। মাদ্রাসা ঘিরে রাজনীতি করার বিরোধিতা করতে গিয়েও একসঙ্গে এতসংখ্যক শিক্ষককে বের করে দেওয়া হয়। মাদ্রাসায় ছাত্র মজলিস করার কারণে আজিজুল হকের ছেলে মামুনুল হককে ছাত্রাবস্থায় ওই প্রতিষ্ঠান থেকে বহিস্কারও করা হয়।

হিফজুর রহমান আরও বলেন, পরবর্তী সময়ে মাদ্রাসাটিকে একটি পারিবারিক সম্পত্তি হিসেবে রূপ দেন মামুনুল হক ও তার স্বজনরা। তারাই এটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছিলেন। আদালত ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিন দফায় মামুনুল হকসহ অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করার নির্দেশনা দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।


আরমানিটোলায় কেমিক্যাল গোডাউনের আগুনে বাড়লো নিহতের সংখ্যা

২৩ এপ্রিল, ইতিহাসের এই দিনে

ফজর নামাজের ফজিলত

লকডাউন শেষে যা যা বন্ধ রাখার পরামর্শ


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মামুনুলের আর ৪ ভাই ও ৮ বোন আছেন। এর মধ্যে মামুনুলসহ চার ভাই এ মাদ্রাসার শিক্ষক। অন্যরা হলেন- মাহফুজুল হক, মাহমুদুল হক ও মাহবুবুল হক। তাদের একাধিক ভাগিনা ও ভাতিজা সেই মাদ্রাসার শিক্ষক।

জানা গেছে, ২০০১ সালে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট ক্ষমতায় আসার পর শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে মাদ্রাসাটির তৎকালীন অধ্যক্ষসহ পরিচালনা কমিটির অন্যদের উচ্ছেদ করা হয়। ওই উচ্ছেদে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত-শিবির কর্মীদের জড়ো করা হয়েছিল। তৎকালীন প্রশাসনও এতে সহায়তা করে।

জানা গেছে, মামুনুল ও তার লোকজন মাদ্রাসায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পর আশপাশের জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেন। মাদ্রাসা ভবনের উত্তরদিকে চাঁন মিয়া হাউজিং। ওই অংশের ৬০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৫ ফুট প্রশস্ত খালি জায়গা দীর্ঘ দিন মাদ্রাসা প্রাচীরের মধ্যে খালি পড়ে ছিল। কিন্তু সেটা মাদ্রাসার সম্পদ নয়। সম্প্রতি মাদ্রাসার মূল অংশের সঙ্গে সংযুক্ত করে খালি জায়গাটিতে স্থাপনা নির্মাণের উদ্যোগ নেয় কর্তৃপক্ষ। চাঁন মিয়া হাউজিং কর্তৃপক্ষ জানায়, খালি ওই জয়গাটি খাসজমি। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের ওই খাসজমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের বিরোধিতা করেন তারা।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, মামুনুল ওই মাদ্রাসার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর যারা প্রতিষ্ঠানটি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন, তাদের মধ্যে রয়েছেন- মুফতি হিফজুর রহমান, মুফতি মনসুরুল হক, ইব্রাহিম হেলাল, সাইদ, মিজানুর রহমান, রুহুল আমিন, ইদ্রিস, ফারুক, আবদুল কাইয়ুম, ওবায়দুল্লাহ, রেজওয়ানুর, আবদুর রাজ্জাক, হিলাল উদ্দিন, বোরহান উদ্দিন, মনিরুজ্জামান, আহমদ উল্লাহ, হাসান সিদ্দিকুর, ওমর ফারুক, আবদুর রহিম, হেলাল উদ্দিন, রুহুল আমিন, কামরুজ্জামান প্রমূখ।

জাতীয় এই দৈনিকটির সঙ্গে কথা বলেন মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষক আবদুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, মাওলানা আজিজুল হক রাজনীতি করতে গিয়ে সর্বনাশ ডেকে আনেন। ২০০০ সালে মোহাম্মদপুরে নূর মসজিদের পাশে হরতালের দিন একজন পুলিশ হত্যার শিকার হন। ওই দিন মাদ্রাসা ছাত্রদের রাস্তায় জড়ো করেছিলেন আজিজুল হক ও তার লোকজন। তবে সব পরিস্থিতি তাদের অনুকূলে যায় ২০০১ সালের নির্বাচনের পর। হঠাৎ শত শত লোক লাঠিসোটা ও অস্ত্র নিয়ে মাদ্রাসা দখল করে। এর পর আর আমরা সেখানে ঢুকতে পারিনি।
সমকাল বলছে, মাদ্রাসার একাধিক শিক্ষক জানান, আদালত থেকে তাদের পক্ষে রায় দেওয়া হলেও এতকাল সরকারপন্থি স্থানীয় একটি প্রভাবশালী গ্রুপের কারণে তারা মাদ্রাসার নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেননি। বারবার তাদের হস্তক্ষেপে প্রশাসন পিছু হটে। এটা না হলে অনেক আগেই অবৈধ দখলদারদের সেখান থেকে বিতাড়িত করা সম্ভব ছিল।

সমকালের প্রতিবেদনটি আরও বলা হয়, মামুনুলকে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। এরই মধ্যে সংগঠনটির মোট ১৭ শীর্ষ নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন। মামুনুলকে তাদের অনেকের মুখোমুখি করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে নানা প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যাচ্ছেন তিনি। আবার কিছু প্রশ্নের জবাব তার মতো করে দিচ্ছেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ওনাকে তিলে তিলে মারার জন্য অপকর্মগুলো গায়ের জোরে করেছেন: গয়েশ্বর

অনলাইন ডেস্ক

ওনাকে তিলে তিলে মারার জন্য অপকর্মগুলো গায়ের জোরে করেছেন: গয়েশ্বর

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে মারার জন্য যে অপকর্মগুলো করেছেন তা বাদ দিয়ে এখন তাকে নিঃশর্ত মুক্তি দিন। জরুরিভাবে তার উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন। এমন মন্তব্য করেছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

আজ নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের নিচ তলায় জাতীয়তাবাদী প্রজন্ম ’৭১ এর উদ্যোগে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তির জন্য দোয়া মাহফিল ও দুস্থদের মাঝে ঈদ সামগ্রী করা হয়। এসময় এমন মন্তব্য করেন গয়েশ্বর।

গয়েশ্বর বলেন, আমাদের নেত্রীর চিকিৎসা সংকট আছে। অর্থাৎ এই চিকিৎসাটা দেশের অভ্যন্তরের হসপিটালগুলোতে যথেষ্ট নয়। সেকারণে পরিবারের পক্ষ থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতি চাওয়া হয়েছে। আমি সরকারের কাছে দাবি করব, তাকে নিঃশর্ত মুক্তি দিন।

‘আপনাদের যা করার দেশনেত্রীকে করেছেন। আর বেশি কিছু করা আপনাদের উচিত না। মানুষ বুঝেছে তাকে তিলে তিলে মারার জন্য এবং রাজনীতি থেকে বিতাড়িত করার জন্য আপনারা এই অপকর্মগুলো গায়ের জোরে করেছেন। সুতরাং এই অপকর্ম বাদ দিয়ে দেশনেত্রীকে নিঃশর্ত মুক্তি দিন।’

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়াকে নিয়ে মন্ত্রীরা বিদ্রূপাত্মক কথা বলছে: মির্জা ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

খালেদা জিয়াকে নিয়ে মন্ত্রীরা বিদ্রূপাত্মক কথা বলছে: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ। কিন্তু তাকে নিয়ে সরকারের মন্ত্রীরা বিদ্রূপাত্মক কথা বলছেন, যা খুবই দুঃখজনক। 

আজ রোববার (৯ মে) অনলাইনে এক সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আপনারা শালীনতা ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার বজায় রেখে কথা বলবেন। আজকের দিনটি শেষ কথা নয়, দয়া করে বিদ্রূপাত্মক কথা বলা থেকে বিরত থাকুন, অন্যথায় ইতিহাস ক্ষমা করবে না।’

খালেদা জিয়া বয়স্ক হওয়ায় কোভিড-পরবর্তী চিকিৎসা ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় চিকিৎসকরা উদ্বেগের সঙ্গে চিকিৎসা কার্যক্রম চালাচ্ছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানান ফখরুল ইসলাম। 

বিএনপির চেয়ারপারসনের বিদেশে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা আবেদন করেছি। শুনেছি সেটা এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। এখনও কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। সরকারে সিদ্ধান্তের আগে খালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়ার বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব হচ্ছে না।’

news24bd.tv / কামরুল  

পরবর্তী খবর

করোনামুক্ত খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতি: ফখরুল

অনলাইন ডেস্ক

করোনামুক্ত খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতি: ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, করোনামুক্ত বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কিছুটা উন্নতির দিকে।

রোববার (৯ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এক ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে যাচ্ছে। তাকে এখনও সিসিইউতে রেখেই চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে তার চিকিৎসা করছেন।

তিনি আরও বলেন, শনিবার (৮ মে) বিকেল সাড়ে ৪টায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওই বৈঠকে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় দোয়া করা হয়েছে। আমরাসহ দেশবাসী তার স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন। আমরা দোয়া করি তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবেন।

আরও পড়ুন


যে যেখানে আছে, সেখানে থেকেই ঈদ উদযাপনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

এবার নার্সের ‘নিমুরা নিমুরা’ গানের নাচের ভিডিও ভাইরাল (ভিডিও)

করোনার ভারতীয় ধরণ, বিপদজনক ভবিষ্যতেরই পূর্বাভাস: কাদের

৪৪ সন্তানের জন্ম দেয়ার পর বদমাশ ব্যাটা পালিয়ে যায়


এর আগে গত ২৭ এপ্রিল থেকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি আছেন খালেদা জিয়া। ৩ মে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় তাকে সিসিইউতে রাখা হয়েছে। তাকে উন্নত চিকিৎসা দেওয়ার জন্য পরিবারের সদস্যরা সরকারের কাছে আবেদন করেছে। সরকারি অনুমতি পেলে তাকে যুক্তরাজ্যে পাঠানো হবে বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

করোনার ভারতীয় ধরণ, বিপদজনক ভবিষ্যতেরই পূর্বাভাস: কাদের

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনার ভারতীয় ধরণ, বিপদজনক ভবিষ্যতেরই পূর্বাভাস: কাদের

দেশে শনাক্ত করোনা ভাইরাসের ভয়ংকর ভারতীয় ধরণ, সামান্যতম উদাসীনতায় বিপদজনক ভবিষ্যতেরই পূর্বাভাস, এমতাবস্থায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার (৯ মে) সকালে রাজধানীর আইডিইবি ভবনে বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমা প্রকৌশলী পরিষদ আয়োজিত "মুজিববর্ষ ও কোভিড ১৯ মোকাবিলায় করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানান তিনি। এসময় মন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন। 

ওবায়দুল কাদের বলেন, এদেশের জনগণ অতীতে অনেক প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সফলতার সাথে মোকাবেলা করেছে। চলমান করোনা দুর্যোগও শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সফলভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম হবে বাংলাদেশ। এখনই সকলকে সংযমী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে এই মহামারি থেকে রক্ষা পেতে ঘরে ঘরে সচেতনতার দুর্গ গড়ে তুলতে হবে বলেও জানান তিনি। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহ্ববানে যার যার অবস্থানে থেকে ঈদ উৎযাপন করে এই প্রাণঘাতী করোনাকে প্রতিরোধ করাই এখন একমাত্র অবলম্বন বলে মনে করেন ওবায়দুল কাদের।

আরও পড়ুন


৪৪ সন্তানের জন্ম দেয়ার পর বদমাশ ব্যাটা পালিয়ে যায়

সেই স্পিডবোট মালিক চান মিয়া র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

সূরা বালাদের ফজিলত, আলোচিত প্রধান দু’টি বিষয়

পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত সাদিক খান আবারও লন্ডনের মেয়র


গতকালও ভারতে মৃত্যুর সর্বোচ্চ রেকর্ড ছিলো, ভারত এখন করোনার তাণ্ডবে লন্ডভন্ড। অক্সিজেন উৎপাদনে বিখ্যাত দেশ হওয়া সত্ত্বেও ভারত আজ চরম সংকটে অক্সিজেনের জন্য, সেখানে হাহাকার লেগেই আছে, ফুটপাতও এখন ভারতের শ্মশানঘাটে পরিণত হয়েছে এমতাবস্থায় ওবায়দুল কাদের বলেন, আবারো তৃতীয় ঢেউয়ের আভাস পাওয়া যাচ্ছে এবং ভারত থেকে বিপদজনক বার্তা পাচ্ছে  বাংলাদেশ। 

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক অভিন্ন শত্রু করোনাকে বাদ দিয়ে এখনো দেশে রাজনীতির ব্লেম গেইম চলমান উল্লেখ করে বলেন, যতদোষ কেবল নন্দ ঘোষ শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকারের। অথচ বাংলাদেশ এখনো তুলনামূলক ভাবে ভালো আছে শেখ হাসিনার মতো সাহসী, দুরদর্শী ও মানবিক নেতৃত্বের কারণে। জীবন ও জীবিকার মধ্যে সমন্বয় করে শেখ হাসিনা পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনতে সমর্থ হয়েছেন, একথা তাঁর নিন্দুকেরাও স্বীকার করেন বলেও মত দেন তিনি।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

করোনামুক্ত হলেও খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে চাওয়ার কারণ জানালো পরিবার

অনলাইন ডেস্ক

করোনামুক্ত হলেও খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে চাওয়ার কারণ জানালো পরিবার

প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ২৭ দিন পর করোনা ‘নেগেটিভ’ হয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তবুও তাকে বিদেশে নিতে চান তার পরিবার।

এ বিষয়টি নিয়ে রোববার (৯ মে) দেশের শীর্ষ স্থানীয় একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন খালেদা জিয়ার বোন সেলিমা ইসলাম। 

তিনি বলেন, ‘যেহেতু তার ছেলে, ছেলের স্ত্রী, নাতনীসহ পরিবার রয়েছে লন্ডনে। এর আগেও তার চিকিৎসা সেখানে হয়েছে, তাই আমরা তাকে লন্ডনেই নিতে চাই।’ 

গতকাল রাতে তার ফলাফল নেগেটিভ আসে। খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের একজন এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এ জেড এম জাহিদ হোসেন গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, মোট তিনবার বেগম খালেদা জিয়ার করোনা ভাইরাস পরীক্ষা করা হয়েছে। এবারের পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। করোনা মুক্ত হলেও এখন তার পোস্ট করোনার চিকিৎসা চলছে।

এদিকে, খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার আবেদনের বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

আজ সকালে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পাবলিক রিলেশন্স অফিসার ড. মো. রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


নিয়ন্ত্রণ হারানো চীনের রকেট পড়লো ভারত মহাসাগরে

যাত্রীদের চাপ সামলাতে সব ফেরিঘাটে বিজিবি মোতায়েন

অবশেষে করোনামুক্ত হলেন খালেদা জিয়া

কাবুলে স্কুলের পাশে বোমা বিস্ফোরণে নিহত ৫৫


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য  বিদেশে পাঠানোর আবেদনের বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের অভিগত সম্বলিত নথি আইন ও বিভাগের সচিবের দপ্তর থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। 

গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনা শনাক্ত হয়। এরপর ২৭ এপ্রিল রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় গত ৩ মে খালেদাকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়।

# খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত স্বরাষ্ট্রে

# অবশেষে করোনামুক্ত হলেন খালেদা জিয়া

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর