নাকের তৈলাক্ত ভাব থেকে দূর করার টিপস

অনলাইন ডেস্ক

নাকের তৈলাক্ত ভাব থেকে দূর করার টিপস

নাকের ত্বক একটু বেশিই যেন তেলতেলে হয়ে থাকে। যা খুবই অস্বস্তিকর। কীভাবে মুক্তি পাবেন নাকের তৈলাক্ত ভাব থেকে? চলুন তবে জেনে নেয়া যাক এর সহজ সমাধান-  

অ্যালোভেরা:

অ্যালোভেরা জেল ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করুন এক ঘণ্টা। তুলার বলের সাহায্যে জেল লাগান নাকে। ৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।

দই:

দইয়ে রয়েছে ল্যাকটিক অ্যাসিড যা ত্বকের অতিরিক্ত তেল অপসারণ করে। দই ফেটিয়ে নিন। পাতলা করে লাগান নাকের ত্বকে। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। প্রতি রাতে এটি ব্যবহার করলে কমে যাবে নাকের তেলতেলে ভাব।

আপেলের খোসা:

আপেলের খোসায় রয়েছে ভিটামিন সি, এ এবং আঁশজাতীয় উপাদান যা ত্বক উজ্জ্বল করার পাশাপাশি ত্বকের তৈলাক্ততা দূর করে। আপেলের খোসা শুকিয়ে গুঁড়া করে ১ চা চামচ লেবুর রসের সঙ্গে মেশান। মিশ্রণটি ত্বকের তৈলাক্ত অংশে লাগান। শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন।


ভারতে করোনার দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যুতে নতুন রেকর্ড

আরমানিটোলায় কেমিক্যাল গোডাউনের অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৪, দগ্ধ ২০

করোনার ভয়ে ভারত ছাড়লো শাহরুখের পরিবার

মাওলানা মামুনুলের বিরুদ্ধে মাদ্রাসা দখলের অভিযোগ


এছাড়াও আরও কয়েকটি কাজ করতে পারেন। নিম্নে সেগুলো উল্লেখ করা হলো:-

>> ব্লটিং পেপারের সাহায্যে মুছে নিতে পারেন এক্সট্রা তেল।

>> অয়েল ফ্রি সানক্রিন বেছে নিন।  

>> দিনে দুইবার ফেসওয়াস দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করুন। এতে ত্বকের বাড়তি তেল দূর হবে।

>> টোনার ব্যবহার করুন নিয়মিত।

>> ক্রিম বেইজড নয়, ওয়াটার বেইজড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন।

>> শিট মাস্ক ব্যবহার করুন।

>> নাক তেলতেলে হয়ে গেলে বেবি সোপের সাহায্যে পরিষ্কার করে নিন।

>> নাকের ত্বকের রোমকূপ খুব সহজে তেল জমে বন্ধ হয়ে যায়। সপ্তাহে অন্তত একদিন তাই স্ক্রাবিং করুন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

হঠাৎ করে শিরায় টান ধরলে কী উপায়?

অনলাইন ডেস্ক

হঠাৎ করে শিরায় টান ধরলে কী উপায়?

শিরায় টান ধরার বা আঙুল বেঁকে যাওয়ার সমস্যা খুব সাধারণ মনে হলেও এটি ততটাও সাধারণ নয়। কারণ যতক্ষণ টান ধরে থাকে, ততক্ষণই যন্ত্রণা থাকে। এরপর সেটি আবার জটিল আকারও ধারণ করতে পারে।

ঘুম থেকে ওঠার সময়, হাঁটার সময়, কখনো কখনো ঘুমের মধ্যে শিরায় টান ধরতে পারে। অনেক সময় হাঁটতে গিয়ে পায়ের আঙুল বেঁকে যেতে পারে। হাতের কিংবা কোমরের পেশীতেও টান ধরে যায় অনেক সময়। এই ব্যথা দীর্ঘ সময় থেকে যেতে পারে। এর পেছনের মূল কারণ হলো পানিশূন্যতা। শরীরে পানির পরিমাণ কমে গেলে এমনটা হয়।

চিকিত্‍সকরা বলছেন, ঘামের কারণে শরীর থেকে প্রয়োজনীয় পানির অনেকটাই বের হয়ে যায়। ফলে শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দেয়। যে কারণে পেশির স্থিতিস্থাপকতাও কমে যায়। শীতের দিনে পানি পানের পরিমাণ কমিয়ে দেন অনেকে। এতে শিরায় টান ধরার প্রবণতা বাড়ে। কারও যদি পেশীর কোনো ক্রনিক অসুখ না থাকে তবে পানির ঘাটতি পূরণ করলেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

news24bd.tv/এমিজান্নাত 

পরবর্তী খবর

ভালো ছাতা চেনার উপায়

অনলাইন ডেস্ক

ভালো ছাতা চেনার উপায়

ভালো ছাতা চেনার কিছু উপায় রয়েছে। চলুন সেগুলো জেনে নেওয়া যাক।

১. ছাতা তৈরি হয় বিভিন্ন ধরনের কাপড় দিয়ে। তবে প্যারাসুটের কাপড় অথবা বেলপেকের কাপড় দিয়ে তৈরি ছাতাগুলো ভালো মানের। কেননা এই ধরনের কাপড় সহজে ছিদ্র হয় না এবং নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা কম থাকে। এছাড়া বেশ কিছু ছাতা রয়েছে যেগুলোতে দুই স্তরের কাপড় ব্যবহার করা হয়। এক্ষেত্রে রোদ-বাদলের দিনগুলোতে ছাতার বাইরের কাপড় গরম কিংবা ভেজা থাকলেও ভেতরের কাপড় একই রকম থেকে যায়।

২. ছাতার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান শিক। শিক যদি কম থাকে অথবা নিম্নমানের হয় তাহলে হালকা বৃষ্টি কিংবা তুফানে ছাতা উল্টে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই শিক যতো বেশি থাকবে ছাতা তত মজবুত হবে। শিকের ক্ষেত্রে আরেকটি বিষয় হলো স্টিলের শিক ভেজা থাকলে মরিচা পড়ে নষ্ট হয়ে যায়। স্টেইনলেস স্টিলের শিক, অ্যালুমিনিয়ামের শিকগুলো বেশ উন্নত মানের। তাছাড়াও শিকের সঙ্গে ফাইবার সংযুক্ত করে দেওয়া ছাতাগুলোও টেকসই। এই ধরনের শিকগুলোতে সহজে মরিচা পড়ে না।

৩. একটি ছাতা ব্যবহার করে তখনই আরাম পাওয়া যায় যখন ছাতার হাতল মজবুত থাকে এবং ধরে তৃপ্তি হয়। কিছু ছাতা রয়েছে যেগুলোতে কাঠের হাতল ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের হাতল ভিজে গেলে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। প্লাস্টিকের হাতলগুলো টেকসই, পাতলা এবং মজবুত।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ওভেন পরিষ্কারের সহজ টিপস

অনলাইন ডেস্ক

ওভেন পরিষ্কারের সহজ টিপস

দীর্ঘ সময় মাইক্রোওয়েভ ওভেন সঠিকভাবে পরিষ্কার না করলে বাসা বাধতে পারে জীবাণু। সহজে এটি পরিষ্কারের কিছু টিপস জেনে নিন ঝটপট।

যেভাবে পরিষ্কার করবেন

প্রথমে মাইক্রোওয়েভ থেকে র‍্যাক ও গ্রিল বের করে সাবানপানিতে ডুবিয়ে রাখুন। ব্রাশ দিয়ে ভালোভাবে কিছুক্ষণ ঘষে ধুয়ে শুকিয়ে নিন।

একটি মাইক্রোওয়েভ সেফ পাত্রের মধ্যে ভিনেগার আর পানি মিশিয়ে উচ্চতাপে ওভেনের ভেতর এটি ৫ মিনিট রেখে দিন। এ থেকে যে স্টিম তৈরি হবে তা মাইক্রোওভেনে লেগে থাকা ময়লা নরম করবে। তারপর ঠাণ্ডা হয়ে গেলে পাত্রটি বের করে পেপার টাওয়েল বা কাপড় দিয়ে ওভেন পরিষ্কার করে নিন।

পানির সঙ্গে বেকিং সোডা, লেবু ও লবণ মেশান। মিশ্রণটিতে কাপড় ভিজিয়ে মাইক্রোওয়েভের ভেতরের অংশ ভালো করে পরিষ্কার করুন।

এক কাপ পানিতে ২ চা চামচ আপেল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি একটু গরম করে তাতে একটি কাপড়ের টুকরো ডুবিয়ে মাইক্রোওয়েভ পরিষ্কার করতে পারেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আসল গ্রিন টি চিনবেন কীভোবে?

অনলাইন ডেস্ক

আসল গ্রিন টি চিনবেন কীভোবে?

শরীরে জারিত না হওয়ায় গ্রিন টি অন্য চায়ের তুলনায় স্বাস্থ্যকর। এটি শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা এলডিএল ও ট্রাইগ্লিসারাইড জমতে দেয় না। এছাড়াও দ্রুত ফ্যাট ঝরাতে এটি সাহায্য করে।

সঠিক গ্রিন টি চেনা বেশ মুশকিল। তবে খাঁটি গ্রিন টি তে রয়েছে কিছু বৈশিষ্ঠ্য যেগুলো জানা থাকলে সহজেই আসল গ্রিন টি চিনে নিতে পারবেন--

# সতেজ গ্রিন টি হালকা সবুজ রঙের হবে

# এর পাতার আকার হবে বড়

# আসল গ্রিন টি ৬ মাসের বেশি রাখা যায় না

# গ্রিন টি-র প্যাকেটে এপিগ্যালোক্যাটেচিন (ইজিসিজি) আছে কি না দেখে কিনতে হবে।

# গ্রিন টির গন্ধ হবে হালকা, সতেজ, কচি ঘাসের মতো

খাওয়ার বিষয়ে যেসব খেয়াল রাখা জরুরি--

# গ্রিন টি-তে দুধ মেশানো ঠিক নয়

# গ্রিন টি-তে কখনই চা মিশিয়ে খাবেন না

# ওয়ার্ক আউটের আগে বা পরে গ্রিন টি খাওয়া যায়

news24bd.tv/এমিজান্নাত

 

পরবর্তী খবর

অ্যাকুরিয়াম পরিষ্কারের সহজ কিছু উপায়

অনলাইন ডেস্ক

অ্যাকুরিয়াম পরিষ্কারের সহজ কিছু উপায়

ঘরে অনেকেই অ্যাকুরিয়াম রাখতে পছন্দ করেন। ঘরকে সুশোভিত রাখার জন্য শৌখিন মানুষরা এটি রাখেন। কিন্তু এর যত্ন নেওয়ার সময় হিমশিম খান অনেকে। বিশেষ করে অ্যাকুরিয়ামের কাঁচের ভেতরের দেয়ালের শ্যাওলা পরিষ্কার করা কষ্টকর একটি কাজ। এমন কিছু উপায় রয়েছে যেগুলো অবলম্বন করে অ্যাকোয়ারিয়ামের কাঁচ পরিষ্কার করা যায়। এসব উপায় অবলম্বন করার জন্য খুব পরিশ্রম করারও প্রয়োজন নেই। 

আলো: অ্যাকুরিয়ামের ভেতর আলো বেশি থাকলে শেওলাও দ্রুত জমে। এ সমস্যা এড়াতে যথাসম্ভব আলো কমিয়ে রাখা ভালো। যদি সেখানে সত্যিকারের গাছ থাকে তাহলে ভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

গাছ: অ্যাকুরিয়ামে যদি শেওলা জমে যায় তাহলে সেখানে গাছের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। এতে গাছ পানি থেকে অনেক খাবার সংগ্রহ এবং পানিতে থাকা কার্বন-ডাই অক্সাইডও নিতে পারবে। খাবার না পেয়ে ধীরে ধীরে শেওলা মরে যাবে।

চিংড়ি: অ্যাকুরিয়ামে রাখার জন্য বাজারে ছোট মাপের চিংড়ি কিনতে পাওয়া যায়। এসব চিংড়ির প্রিয় খাবার শেওলা। তাই শেওলা দূর করতে মোক্ষম হাতিয়ার হলো ছোট চিংড়ি। তবে মাছও চিংড়ি খেতে পছন্দ করে বলে চিংড়ি রাখবেন কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে।

শামুক: শেওলা থেকে মুক্তির সবচেয়ে সহজ পথ হলো শামুক। তবে শেওলা খাওয়ার শেষে তারা অ্যাকুরিয়ামের অন্যান্য গাছের প্রতি আক্রমণ করতে পারে। এ বিষয়ে সাবধান হয়ে নিতে হবে আগেই।

আরও পড়ুন:


এবারও হচ্ছে না প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা

আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করা: প্রধানমন্ত্রী

ওসমানীনগরে শিক্ষিকাকে গলাকেটে হত্যার পর গৃহকর্মীর আত্মহত্যা

এবার মাহিয়া মাহির দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন


প্লেকো মাছ: অ্যাকুরিয়ামের দেয়ালের শেওলা পরিষ্কারের জন্য অনেকেই প্লেকো মাছ রাখেন। এই মাছ অনেক শান্ত প্রকৃতির হয়। তবে এরা আকারে বড় হয়। তাই অতি ছোট ট্যাংকে এসব মাছ না রাখাই উত্তম।

অ্যালগি-ইটার: অ্যালগি-ইটার নামে বিশেষ ধরনের মাছ শেওলা খেতে ভালোবাসে। তবে সমস্যা হচ্ছে এসব মাছ অন্য মাছের আঁশ খেয়ে নেয়। ফলে অ্যাকুরিয়ামে থাকা অন্যান্য মাছ মারা যায়। তাই অ্যাকুরিয়ামে অ্যালগি-ইটার মাছ রাখার আগে চিন্তাভাবনা করা উচিত।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর