হাতের নাগালে বই রাখুন

পীর হাবিবুর রহমান

হাতের নাগালে বই রাখুন

একদিন আমরা বইকে আগলে রাখতাম। বই পড়ার নেশায় আসক্ত ছিলাম। বইয়ের চেয়ে জ্ঞান আহরণের আর কোনো মাধ্যম পৃথিবীতে নাই। বুকের উপর নিয়ে বই পাঠ। পাশ ফিরে বই পাঠ। টেবিলে বইয়ে ডুবন্ত ছিলাম।বই পড়তে পড়তে ঘুম। আজ আমরা স্মার্ট ফোন, ফেসবুক, ইউটিউবে আসক্তিতে বইকে নির্বাসনে দিয়েছি। যারা এসব আবিস্কার করেছেন তারা আসক্ত হননি। বইয়েই ডুবে আছেন। এখন একদল ফেসবুক থেকে সংগ্রহ করে স্টেটাস দেন, গুগল থেকে নিয়ে দেন। জ্ঞানের প্রকাশ ঘটান। সত্য মিথ্যা ধার ধারেননা।তবু বই ছুয়েও দেখবেন না।

এক সময় মধ্যবিত্তের বাড়িতে বুকসেলফ বই থাকতো। এখনো অনেকে আকড়ে ধরেছেন। কিন্তু অনেকে সুন্দর বাড়িতে ফ্লাটে থাকেন। ঘরে মূল্যবান আসবাব ডেকোরেশন আছে। নেই কেবল বই। বই পড়ুয়াদের সাথে আড্ডায় যে আনন্দ, যে জ্ঞান, সেন্স অব হিউমার, বই না পড়ুয়াদের সাথে তার কিছুই নেই।কেবল গসিপ। আসুন সংবিধানটা মাথার পাশে রাখি। ঘরে বই রাখি। হাতের নাগালে বই রাখি। বইপাঠ করে নিজেকে সৃজনশীল মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ রাখি। বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না,জ্ঞানী হয়। বই ও জ্ঞান সমাজে আলো ছড়ায়, বইহীনতা জ্ঞানহীনতা দেয় অন্ধকার। বই কিনতে যারা কৃপনতা করেন তাদের মতোন মনের গরিব আর কে আছে!

পীর হাবিবুর রহমান, নির্বাহী সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রতিদিন

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

মাথা শুধু চুলের স্টাইল করার জন্য বিধাতা দেয়নি

আনোয়ার সাদী

মাথা শুধু চুলের স্টাইল করার জন্য বিধাতা দেয়নি

ঈদে বাড়ি ফেরার অনুভূতির সঙ্গে অন্য কোনো অনুভূতির তুলনা হয় না। বাড়ি ফেরা মানে কোনো একটা ঘরে ফেরা নয়। নয় শুধু পরিচিত রাস্তায় ফেরা, আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে দেখা করা। ঈদে বাড়ি ফেরা মানে স্মৃতির কাছে ফেরা, শৈশবে ফেরা, নিজের কাছেই ফেরা। যাদের বাবা- মা নেই, তাদের কবর জিয়ারত করা । এটা একটা অন্যরকম বিষয়। আমরা হয়তো এই অনুভূতিকে প্রকাশ করতে পারি না, লিখে বুঝাতে পারি না। কেবল ভেতরে ভেতরে আমাদের তাগিদ তৈরি হয়, আমরা বাড়ি ফিরি আবার কাজের টানে ঢাকা ফিরি। 

এবারও সবার মনে একই তাগিদ তৈরি হতে পারে। কিন্তু এবার আর অন্যবার এক নয়। এখন দেশে মহামারি চলছে, করোনা ভাইরাসের কারণে। মাত্র কিছু দিন আগেও হাসপাতালে জায়গা ছিলো না। সেই পরিস্থিতি ঠিকঠাক করতে এবং আরো অনেক মানুষের সম্ভাব্য জীবনহানী ঠেকাতে দেশে লকডাউন দিতে হলো। তাতে সিপিডির হিসাবে কোটিরও বেশি মানুষ নতুন করে গরীব হয়ে গেছে। 

এখন ভেবে দেখুন, করোনা ভাইরাস আরো ছড়ানো মানে, আরো নতুন গরীব তৈরী হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হওয়া। এটাতো দেশের ক্ষতি, কোভিডের চিকিৎসা করাতে কতো খরচ হবে, নিজেকে কী পরিমাণ কষ্টের ভেতর দিয়ে যেতে হবে, এসব বিষয় তো আছেই । 

তাহলে ঈদে বাড়ি ফেরা গুরুত্বপূর্ণ নাকি এবার সংযম করে, করোনা মুক্ত আনন্দের ঈদ করা গুরুত্বপূর্ণ? 
বিবেক আমার আপনার, কিন্তু এই বিবেকের সিদ্ধান্তের ফলাফল পায় দেশ। 

ভাবুন, মাথা শুধু চুলের স্টাইল করার জন্য বিধাতা দেয়নি, দিয়েছে কিছুটা চিন্তা করার জন্যেও। 

আনোয়ার সাদী, সিনিয়র নিউজ এডিটর, নিউজটোয়েন্টিফোর।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ফেসবুক: রচনা ও পাঠ

খালেদ মুহিউদ্দীন

ফেসবুক: রচনা ও পাঠ

প্রতিদিন আপনি আমি ফেসবুক রচনা করি, পড়ি, খুঁজি। কী লিখি-পড়ি কী খুঁজি? আমরা কি তথ্যপ্রেমী তথ্যকাঙাল না তথ্য সওদাগর? 

আমরা তথ্য দেই, তথ্য নেই, তথ্য গিলি, তথ্য বমি করি। আমরা কি এখন পৌরাণিক দুমুখো সাপ - দুই অংশে দ্বিধা হয়ে খেতে থাকি নিজেকেই? কী হয় তথ্য জেনে তথ্য জানিয়ে? এইসব তথ্য কী সেই সব রহস্য বোঝার জন্য জরুরি?

নাকি আপনি আমি আমাদের বিচারের দাঁড়িপাল্লা হাতে বের হই? দেখি কে কে কত বোকা আর খারাপ, কারা কারা নৃশংস আর দুর্নীতিবাজ, কারা ভাল মানুষের মুখোশ এঁটে গলা কাটে আর মানুষের।

সম্ভবত আমরা বিপ্লবী দ্রোহী আর প্রতিবাদী খুব। সব অন্যায়কে আমি আপনি রুখে দেই। আমরা শত্রু খুঁজে পাই, সবাই মিলে তাকে শেষ করি। তারপর দারুণ ভালবেসে বন্ধুদের বানাই নতুন শত্রু।

নাকি আমি আপনি কল্যাণকামী খুব, মহান সংস্কারক একেক জন? তিলে তিলে পঁচে যাওয়া এই সমাজকে আমার পূর্বপুরুষ আর আমার মত মর্যাদাবান করে তুলতে চাই; তাইত চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেই কে কে শয়তান?

আরও পড়ুন


বান্দরবানে মিয়ানমারের আরাকান আর্মির ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

যে দিন পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে চীনের অনিয়ন্ত্রিত রকেট

৯ বছর পর ফাইনালে চেলসি, রিয়াল মাদ্রিদের বিদায়

নাজাতের ১০ দিন ও বরকতময় শবে কদর


এমনও কি হতে পারে আপনি সতর্ক আর সাবধানী শ্রেষ্ঠ? খালি আপনিই পেয়েছেন সত্যের পথ! তাই আপনি দেখিয়ে দেন কী কী বিপদ আসছে আমাদের দিকে।

আপনি শিখিয়ে দেন শেখাতে থাকেন নিরলস কীভাবে এইসব ক্লেদ আর পাঁক বাঁচিয়ে কীভাবে আপনি শুধু আপনি আর হয়ত আপনার ভক্তকূল থেকে গেছেন পবিত্র।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

১২ থেকে ১৫ বছর বয়সীদের ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমোদন কানাডায়

শওগাত আলী সাগর

১২ থেকে ১৫ বছর বয়সীদের ভ্যাকসিন ব্যবহারের অনুমোদন কানাডায়

১২ থেকে ১৫ বছর বয়সী ছেলেমেয়েদের জন্য ফাইজারের ভ্যাকসিন ব্যবহারের  অনুমোদন দিয়েছে হেলথ কানাডা।এর আগে  ১৬ বছর এবং ততোর্ধ্ব বয়সীদের এমআরএন্এ ভ্যাকসিন দেয়ার অনুমোদন দেয়া হয়েছিলো। তবে মডার্না, অ্যাষ্ট্রেজেনেকা এবং জনসন ১৮ বছর বয়স এবং তারচেয়ে বেশি বয়সীদের জন্য অনুমোদিত ছিলো। 

 কানাডায় সংক্রমণের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বেশ কিছুদিন ধরেই ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে। ভ্যাকসিনের সরবরাহ বাড়ার  সঙ্গে সঙ্গে বয়সসীমা কমিয়ে  এখন ১২ বছরে নিয়ে  আসা হয়েছে। ।

প্রথম দিকে ভ্যাকসিনের সংকট থাকলেও কানাডায় এখন সরবরাহ বেড়েছে। জুলাইয়ের মধ্যে ১৮ বছর বয়সী এবং তার উপরের সবাইকে দুই ডোজ ভ্যাকসিন দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগুচ্ছে কানাডা। সেপ্টেম্বরের মধ্যে বারো বছর পর্যন্ত সবার ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে চায় লিবারেল সরকার।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

টেস্টে দিনব্যাপী বোলিং করেও কোন বোলারই সফল হয়নি

ড. তুহিন মালিক

টেস্টে দিনব্যাপী বোলিং করেও কোন বোলারই সফল হয়নি

টেস্ট ক্রিকেটে দিনব্যাপী বোলিং করেও যখন কোন বোলারই সফল হয়নি। দিনশেষে তখন মাত্র কয়েক ওভার বল করেই বিজয় নিশ্চিত করলো আরেক বোলার। একদিকে সবাই যখন শত শত বল ছুঁড়েও উইকেটের দেখা পায়নি। অন্যদিকে একজন তখন অল্পকিছু বল খরচ করেই সফল।

উদাহরণটা দিলাম, কোয়ালিটি ও কোয়ান্টিটির তফাৎটা বোঝানোর জন্য। অর্থাৎ কোন কর্মের কোয়ালিটি বা মান তার কোয়ান্টিটি বা পরিমানের চাইতে অনেক বেশী গুরুত্বপূর্ণ।

পয়েন্টটা কিন্তু ক্রিকেট নিয়ে নয়। এটা উদাহরণ মাত্র। আসল পয়েন্টটা হচ্ছে, শবে ক্বদরের ইবাদত নিয়ে। অর্থ্যাৎ সারারাত জেগে দ্রুতগতিতে শত শত রাকাত মনোযোগবিহীন নামাজের চাইতে। ধীরে সুস্থে লম্বা রাকাতের। লম্বা রুকু-সেজদার।  কোয়ালিটিসম্পন্ন অল্প নামাজই আল্লাহর সাথে অনেক বেশী কানেক্টেভিটি বা যোগাযোগ তৈরি করতে সক্ষম। আর ক্বদরের রাতে আল্লাহর সাথে এরকম কোয়ালিটি বা মান সম্পন্ন কানেক্টেভিটিই তৈরি করতে হবে। যেমনটা রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘তুমি এমনভাবে নামাজ আদায় কর, যেন তুমি আল্লাহকে দেখছ; যদি তুমি দেখতে অক্ষম হও, তাহলে মনে কর আল্লাহ তোমাকে দেখছেন।’ 

প্রশ্ন হচ্ছে— আল্লাহর সাথে এই কানেক্টেভিটির পরিমাপটা মাপবো কিভাবে? হিসাবটা সোজা। সেজদায় গিয়ে যতটুকু চোখের পানি ফেলতে পারি। কানেক্টেভিটির পরিমাপটাও ততটুকু বাড়বে। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, ‘বান্দা আল্লাহর অধিক নিকটবর্তী হয়, যখন সিজদারত থাকে। অতএব তোমরা তখন অধিক দোয়া করতে থাকো।’ 

অনেকেরই জিজ্ঞাসা। ক্বদরের এই মহিমান্বিত রাতে কি কি ইবাদত করবো? এর সরল ও সহজ উত্তর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) নিজেই দিয়েছেন। হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, ‘একদা আমি রাসুল (সাঃ)কে জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসুল! আমি যদি ক্বদরের রাত সম্পর্কে অবহিত হতে পারি; তবে আমি কি করব? তখন রাসুল (সাঃ) আমাকে এই দোয়া পাঠ করার জন্য বললেন। দোয়াটি হলো: اَللَّهُمَّ اِنَّكَ عَفُوُّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُوْ عَنَّا ‘আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউউন তুহিব্বুল আফওয়া ফাফু আন্নি’। অর্থাৎ: ‘হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল; আপনি ক্ষমা করতে ভালোবাসেন। অতএব আমাকে ক্ষমা করে দিন।’

আসলে আল্লাহর পছন্দই হচ্ছে, তাঁর বান্দারা যেন ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকে। আর তিনি ক্ষমা করতেই থাকেন। করতেই থাকেন....। আর আল্লাহ তো ক্ষমা করতেই ভালোবাসেন। কিন্তু শয়তান মানুষকে সারাজীবন ধোঁকার মধ্যে রাখে। যাতে সে অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে না পারে। আজকে কালকে করতে করতেই যেন মৃত্যু চলে আসে। অথচ আল্লাহ বলছেন, ‘আল্লাহ ছাড়া আর কে পাপ ক্ষমা করবেন?’ ‘আল্লাহই তওবা কবুলকারী, করুণাময়।’  ‘যে খারাপ কাজ করে কিংবা নিজের প্রতি জুলুম করে, তারপর আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চায়, সে আল্লাহ্‌কে ক্ষমাশীল ও দয়ালু পাবে।’

তাই এ রাতে নিজের পাপের জন্য অনুতপ্ত হয়ে বেশি বেশি তাওবা, এস্তেগফার, দোয়া, মোনাজাত করার পাশাপাশি। অবশ্যই আল্লাহর ফরজ বিধান এ রাতের মাগরিব, ইশা এবং ফজরের নামাজ জামাতের সঙ্গে আদায় করতে হবে। সাথে তারাবীহ, তাহাজ্জুদ, কিয়ামুল লাইল, নফল নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকারসহ নেক আমলে সময় কাটানো। কোরআনের অনেকগুলো পারা দ্রুতগতিতে তিলাওয়াত করার চাইতে। পরিমানে অল্প হলেও ধীরে সুস্থে শ্রুতিমধুর ভাবে। আয়াতের অর্থ বুঝে। শুদ্ধভাবে আদবের সাথে। পরিপূর্ণ তৃপ্তির সাথে আল্লাহর কালাম তেলাওয়াত করি।

এ রাতে দান, খয়রাত, সাদাকাহ, চ্যারেটি বা সৎকর্ম বেশী পরিমানে করি। কারন, দোয়া ও চ্যারেটির মাধ্যমে মানুষের তাকদিরের পরিবর্তন হয়ে থাকে। 

হায়েজা মা-বোনরা এ মহিমান্বিত রজনীর সাওয়াব-সৌভাগ্য অর্জন থেকে বঞ্চিত থাকবেন না। তারাও বেশি বেশি দোয়া-ইস্তিগফার-তাওবা ও জিকির-আজকার করতে পারবেন এবং দান-সাদাকাহ, চ্যারেটি বা সৎকর্ম করতে পারবেন।
রমজানের শেষ দশকে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কোমর বেঁধে ইবাদত করতেন। তিনি নিজে রাত জাগতেন এবং উনার পরিবারবর্গকে জাগিয়ে দিতেন। তাই অবশ্যই আমাদের পরিবারের সদস্যদেরকেও জাগিয়ে দিয়ে এ রাতের সৌভাগ্য লাভে উৎসাহিত করতে হবে। 

একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুল আমরা অনেকেই করে থাকি। তা হলো, অনেকেই মনে করি ক্বদরের রাত বুঝি শুরু হয় এশার পর থেকে। তাই মাগরিবের পর ইফতার শেষে দুনিয়াবি হাসি-তামাশা কিংবা পরচর্চার মত খোশগল্পে ব্যাস্ত থাকি। অথচ ক্বদরের রাত মাগরিবের পরই শুরু হয়ে যায়। চলে ফজর পর্যন্ত। টিভি বা মোবাইল স্ক্রিনের আসক্তি থেকে নিজেকে দুরে সরিয়ে রাখি। এগুলোর সঠিক ব্যবহারও করতে পারি। প্রয়োজনে বিভিন্ন ইসলামিক স্কলারের লেকচার শুনি। মোবাইল স্ক্রিনে সূরা, তরজমা, তাফসির শিখি। 

অর্থাৎ সারাংশ একটাই। অনুতপ্ত হয়ে, চোখের পানি ফেলে, গুনাহ মাফ চেয়ে। ভবিষ্যতের জন্য পুরোপুরি সংশোধিত হয়ে। নিজের ভিতরের ইগো বা অহংকারের এখনই দাফন করি। কাল থেকে অবশ্যই নিজের মধ্যে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনি। মানুষের হক ফিরিয়ে দিয়ে ও মানুষের কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে। আমৃত্যু আল্লাহর হুকুম ও রাসূল (সাঃ)এর প্রদর্শিত জীবন বিধান মত বাকি হায়াতের জীবনটুকু অতিবাহিত করতে পারাটাই হচ্ছে শবে ক্বদরের আসল প্রাপ্তি। সাথে অবশ্যই বোনাস হিসাবে পাচ্ছি, একনাগারে ৮৩ বছর ৪ মাসের ইবাদতের চাইতেও অধিক পরিমানের সওয়াব।
আল্লাহ আমাকে সহ সবাইকে বুঝে আমল করার তওফিক দান করুন।

লেখক : আইনজ্ঞ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ।

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

লেখাচোর প্রসঙ্গে

গুলজার হোসাইন উজ্জ্বল

লেখাচোর প্রসঙ্গে

লেখা চুরি একটি গর্হিত অপরাধ। অতীতে অনেকবার আমি এ জাতীয় লেখাচোরদের চুরির শিকার হয়েছি। এদেরকে তেমন গণ্য করিনি। ভেবেছি এরা এমনিতেই সমাজে হেয় প্রতিপন্ন হবে। আমার কিছু করতে হবে না।

তবে সমস্যা হচ্ছে লেখাচুরিকে আমাদের সমাজ ‘হালকা সমস্যা’ বলে মনে করে। কেউ কেউ ‘সমস্যাই না’ মনে করে। বরং এর বিরুদ্ধে কথা বললে বিরক্ত হয়।

কিছু তথাকথিত প্রফেসর আমার লেখাচুরি করেছে। তারচেয়েও বড় সমস্যা বলার পর আমাকে ব্লক মেরেছে। কিছু ইঁচড়ে পাকা এদেরকেই ‘স্যার স্যার’ বলে ফেনা তোলে।

লেখাচোরকে সামাজিকভাবে হেয় করা কর্তব্য বলে আমি মনে করি। অন্যায়কারীকে সমাজ যখন মাথায় তুলে নাচে তখন সমস্যার শিকড় অনেক গভীরে প্রবেশ করে বলে আমার আশঙ্কা হয়। অন্তঃসারশূন্য ফেইম সিকার আর তাদের আন্ডা বাচ্চাদেরকে এই পোস্টের মাধ্যমে ঘৃণা জানালাম।

চোরের শিষ্যরা চোর হবে এটা ভাবলে খারাপ লাগে। আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকার।  কারণ এরা সেরকম প্রজন্মই তৈরি করবে যাদের নিজেদের ভেতরে কিছু নেই।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর