যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতার বাড়িতে ছাত্রলীগ নেতকর্মীদের ‘হামলা’
যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতার বাড়িতে ছাত্রলীগ নেতকর্মীদের ‘হামলা’

যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতার বাড়িতে ছাত্রলীগ নেতকর্মীদের ‘হামলা’

অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ যুব অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. আতাউল্লাহর বাড়িতে ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা হামলা, ভাঙচুর, বিস্ফোরণ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কবলাছড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় দুজন আহত হন। তারা হলেন সংগঠনটির আহ্বায়ক মো. আতাউল্লাহর দুই বড় ভাই মাসুদ হোসাইন (৩১) ও উপজেলার চর ইসলামপুর সরকারি প্রাথমিকি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মহসিন হোসাইন (২৮)।

আতাউল্লাহ ও তাঁর পরিবারের অভিযোগ, বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম মাহবুব হোসাইনের নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে। তবে ছাত্রলীগের সভাপতি মাহবুব বলছেন, ‘এটি মিথ্যা। তিনি আতাউল্লাহ ও তাঁর বাড়িঘর চেনেনই না। ’

পরিবার ও স্থানীয় লোকজন সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে ১৩ থেকে ১৫টি মোটরসাইকেলে উপজেলা ছাত্রলীগের ২৫ থেকে ৩০ জন নেতা–কর্মী ককটেল, বন্দুক, হকিস্টিক ও লাঠিসোঁটা নিয়ে উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের কবলাছড়া গ্রামে আতাউল্লাহর বাড়িতে হামলা চালান।

হামলার নেতৃত্বে ছিলেন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মাহবুব হোসাইন। বাড়ির প্রবেশমুখে ও ঘরের বারান্দায় তাঁরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান।

পরে তাঁরা আতাউল্লাহর বাড়িতে ঢুকে দুটি ঘরের লেপ–তোশকে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এ সময় তাঁরা ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন।

এসব সহিংসতার কারণ জানতে চেয়ে বাধা দিলে ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা আতাউল্লাহর বড় ভাই স্কুলশিক্ষক মহসিন হোসাইনকে মারধর করেন।

এ সময় ছোট বোন সাবেকুন্নাহারকে (২৩) আটকে রাখা হয়। কিছুক্ষণ পর বাড়ির ছাদ থেকে নেমে আসেন আতাউল্লাহর আরকে বড় ভাই মাসুদ। ক্ষুব্ধ ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা মাসুদের মাথায় বন্দুক ধরে তাঁকে আটকে রাখেন। একপর্যায়ে মাসুদকেও মারধর করেন।

যাওয়ার সময় নগদ ১৭ হাজার টাকা এবং চারটি মুঠোফোন লুট করে নিয়ে যান তাঁরা। তবে এ সময় আতাউল্লাহ বাড়িতে ছিলেন না।


লকডাউনে শপিংমলে যেতে লাগবে মুভমেন্ট পাস

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ হওয়ার সুযোগ

করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত কমল চট্টগ্রামে

হিরো আলম বললেন, এইটা মরুভূমি না, যমুনা নদীর চর

এ বিষয়ে আতাউল্লাহ দাবি করেন, বৃহস্পতিবার রাতে তখনো তারাবিহ নামাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। ছাত্রলীগের সভাপতি মাহবুবের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের অস্ত্রধারী নেতা–কর্মীরা তাঁদের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় তাঁর দুই ভাইকে মারধর করা হয়েছে। আর বোনকে আটকে রাখা হয়েছে। পেট্রল ঢেলে বাড়ির দুটি ঘরের লেপ-তোশক ও কাপড়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটানো হয়েছে ককটেল বিস্ফোরণ।

অভিযোগের বিষয়ে বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এস এম মাহবুব হোসাইন বলেন, ‘এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। কারণ, আতাউল্লাহ নামে আমি কাউকে চিনি না এবং ওর বাড়ি কোথায় সেটিও জানি না। তবে আতাউল্লাহ নামে জামায়াত-শিবিরের এক নেতা উপজেলায় আছে বলে শুনেছি। আর এই ঘটনা সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। ’

বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, ওই বাড়িতে হামলার খবর পেয়ে রাতে ১১টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় ঘরের এক কোণে তোশক পোড়া দেখতে পেয়েছে পুলিশ। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় থানায় এখনো কেউ অভিযোগ করতে আসেনি।

news24bd.tv তৌহিদ

সম্পর্কিত খবর