প্যারিস জলবায়ু চুক্তি বাস্তবায়নই একমাত্র সমাধান

অনলাইন ডেস্ক

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি বাস্তবায়নই একমাত্র সমাধান

কার্বন নির্গমন বন্ধে জি-২০ দেশগুলোর ‘প্রধান ভূমিকা’ কামনার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব থেকে বিশ্বকে বাঁচাতে প্যারিস চুক্তির ‘কঠোর বাস্তবায়নের’ আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) রাতে দুই দিনের ‘পররাষ্ট্র নীতি ভার্চুয়াল ক্লাইমেট সামিট’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মারাত্মক কোভিড-১৯ ভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে বিশ্বের সব দেশের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার ওপরও জোর দেন।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন নির্দিষ্ট সীমানায় আবদ্ধ নয়। যদি একটি দেশ থেকে নির্গত হয়, তাতেও প্রতিটি দেশ প্রভাবিত হয়। সুতরাং প্রতিটি দেশকে তার (যথাযথ) ভূমিকা পালন করতে হবে। তবে ধনী দেশগুলো বিশেষ করে জি-২০ দেশগুলোকে বিশ্বব্যাপী (কার্বন) নির্গমন বন্ধে প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে।

শেখ হাসিনা অভিমত ব্যক্ত করেন, প্যারিস চুক্তির কঠোর বাস্তবায়নই বিশ্বব্যাপী কার্বন নির্গমন এবং এর ফলে বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধের একমাত্র উপায়। গ্রহটিকে বাঁচাতে পদক্ষেপ নেওয়ার সময় আগামীকাল নয়, আজ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী নিম্ন পর্যায়ের মাত্র ৩ দশমিক ৫ শতাংশ (কার্বন) নির্গমনের জন্য ১০০ টি দেশ দায়ী এবং জি-২০ দেশগুলো ৮০ শতাংশের জন্য দায়ী।

শেখ হাসিনা অবশ্য প্যারিস চুক্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাবর্তনের প্রশংসা করে বলেন, এটা ভালো খবর যে যুক্তরাষ্ট্র প্যারিস চুক্তিতে ফিরে এসেছে।  আমরা মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সিদ্ধান্তের এবং গত সপ্তাহে জলবায়ু বিষয়ক নেতাদের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত করারও প্রশংসা করি।

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন প্যারিস চুক্তিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় অভিযোজন এবং প্রশমনের উদ্দেশ্যে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের তহবিল গঠনের অঙ্গীকার করেছে।

চলমান করোনাভাইরাস মহামারি সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে সারা বিশ্ব কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

কোভিড-১৯-এর পর, সম্ভবত জলবায়ু পরিবর্তনর সবচেয়ে আলোচিত বিষয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি এখন প্রতিটি দেশের জন্য, বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো জলবায়ু দুর্বল দেশগুলোর জন্য একটি বিশাল হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বাড়ছে এবং এতে কোনো সন্দেহ নেই। এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি সমস্ত অসুস্থতার জন্য প্রধানত দায়ী। বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রার ক্রমাগত বৃদ্ধি মানব জাতির জন্য সবচেয়ে জরুরি উদ্বেগের বিষয়। প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে উঠতে না দিতে সম্মত হয়েছে। কিন্তু তাপমাত্রা বৃদ্ধির জন্য দায়ী গ্রিন হাউস গ্যাসের নির্গমন রোধে এখনও পর্যন্ত যথেষ্ট কিছু করা হয়নি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো দেশগুলো প্রতিনিয়ত ভয়াবহ বন্যা, খরা, জোয়ারের ঢেউ, জলোচ্ছাস, বজ্রপাত ইত্যাদির মতো বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের অভিজ্ঞতা অর্জন করে আসছে। বর্তমানে আমার দেশে তাপপ্রবাহ চলছে।

গত বছর বাংলাদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে দেশটির এক-তৃতীয়াংশ এলাকা পানিতে নিমজ্জিত হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশে গত বছর ভারী বৃষ্টিপাত ছাড়াও সুপার সাইক্লোন আমফানসহ বেশ কয়েকটি সাইক্লোন আঘাত হানে এবং এই সব প্রাকৃতিক দুর্যোগ জলবায়ু পরিবর্তনের ফলেই ঘটেছে। বাংলাদেশ কার্বন নিঃসরণকারী দেশ নয়, এবং বাস্তবিক অর্থে শুধু বাংলাদেশই নয়, বরং ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম (সিভিএফ)-এর কোন সদস্য রাষ্ট্রই উল্লেখযোগ্য কার্বন নিঃসরণকারী নয়।

তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু তা সত্ত্বেও আমরাই জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। প্রতি বছর জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে আমার দেশের ২ শতাংশ জিডিপি হারাচ্ছি।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ মানবিক বিবেচনায় ১১ লাখের বেশি রোঙ্গিাকে আশ্রয় দিয়েছে। জোরপূর্বক-বাস্তুচ্যূত এই সব মিয়ানমারের নাগরিকদের পরিবেশগত-সংকটপূর্ণ কক্সবাজারে আশ্রয় দেয়া হয়েছে। কিন্তু তাদেরকে আশ্রয় দেয়ায় ওই এলাকার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

সিভিএফ জলবায়ু অভিযোজনের সম্মুখভাগে রয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বল্পোন্নত দেশগুলোর (এলডিসি) মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম একটি ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘৮০০ এর বেশি অভিযোজন ও প্রশমন কর্মসূচি বাস্তবায়নে আমরা এখন পর্যন্ত আমাদের নিজস্ব সম্পদ থেকে ৪১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ ব্যয় করেছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ পার্লামেন্ট চলমান জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণতাকে ২০১৯ সালে একটি বৈশ্বিক জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করেছে।
তিনি আরো বলেন, ‘আমরা দেশব্যাপী ৩০ মিলিয়ন বৃক্ষ রোপনের পরিকল্পনা করেছি এবং কম-কার্বনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে ‘মুজিব ক্লাইমেট প্রোসপারিটি প্ল্যান’ প্রণয়নের পরিকল্পনা গ্রহণ করছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতি বছর আমরা আমাদের জিডিপি’র প্রায় ২.৫ শতাংশ বা প্রায় ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দুর্যোগ মোকাবেলায় টেকসই জলবায়ু সহনশীল ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যয় করি।আমরা উপকূলীয় এলাকায় ১২ হাজার সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ করেছি এবং ২০০ হাজার হেক্টর ‘গ্রিন বেল্ট’ করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশি বিজ্ঞানীরা লবণাক্ততা ও বন্যা সহনশীল শস্য, বৃষ্টির পানির সংরক্ষণের জলাধার ও পুকুর-বালি-ফিল্টার উদ্ভাবন করেছে। এছাড়াও তারা উপকূলীয় এলাকার মানুষের জন্য পানির ওপর ভাসমান কৃষি প্রযুক্তি ও ভ্রাম্যমাণ পানি শোধানাগার প্লান্ট উদ্ভাবন করেছেন।আমরা উপকূলীয় জেলাগুলোর চরাঞ্চলে কৃত্রিম ম্যানগ্রোভ বন করছি।

শেখ হাসিনা আরও বলেন, তাঁর সরকার সাইক্লোন-প্রবণ এলাকাগুলোর দরিদ্রদের জন্য সাইক্লোন সহনশীল টেকসই বাড়ি-ঘর নির্মাণ করছে।
পানি সংরক্ষণ ও জলাশয়গুলো নাব্যতা বাড়াতে আমরা সারাদেশে নদী ও খাল ড্রেজিং করছি।

জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনের ভার্চুয়াল এ আয়োজন করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফিরে আসার পর এ আয়োজন নিঃসন্দেহে অন্যরকম বার্তা বহন করে।

সম্মেলনে বিশ্বের ৪০টি দেশের নেতাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বাইডেন। ভার্চুয়াল এ আয়োজনে সাড়া দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ উন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানরা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ফেরিতে যাত্রীদের চাপে ৫ জনের মৃত্যু

বেলাল রিজভী, মাদারীপুর

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ফেরিতে যাত্রীদের চাপে ৫ জনের মৃত্যু

শিমুলিয়া ঘাট থেকে ছেড়ে আসা পৃথক দুটি ফেরিতে বাংলাবাজার ঘটে ভিড়ার আগ মূহুর্তে যাত্রীদের চাপে ও প্রচণ্ড গরমে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছে শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিরাজ হোসেন।

ঘাট ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আজ সকাল ১০ টার দিকে যাত্রী বোঝাই করে শিমুলিয়া ঘাট থেকে রো রো ফেরি শাহ-পরান ছেড়ে আসে। বেলা সাড়ে ১১ টায় বাংলাবাজার ৩ নং ফেরি ঘাটে আসে। যাত্রীরা নেমে গেলে দেখা যায় আনচুর মাতুব্বর নামের এক ১৫ বছরের কিশোর ফেরিতেই মারা গেছে।

অন্যদিকে এনায়েতপুরী ফেরীতে গরমে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে দুইজন পুরুষ ও ২ জন মহিলা। এছাড়াও একই ফেরিতে হিটস্টকের শিকার হয়েছে ৭/৮ জন।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

আল-আকসা মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় প্রধানমন্ত্রীর নিন্দা

অনলাইন ডেস্ক

আল-আকসা মসজিদে সন্ত্রাসী হামলায় প্রধানমন্ত্রীর নিন্দা

ফিলিস্তিনের আল-আকসা মসজিদে ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (১২ মে) প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

মসজিদে ইসরায়লি হামলায় হতাহতদের প্রতি শোক ও সমবেদনা জানিয়ে  মঙ্গলবার (১১ মে) ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে চিঠি পাঠান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। চিঠিতে তিনি এ ঘটনার নিন্দা প্রকাশ করেন।

এতে বলা হয়, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি ইসরায়েলি হামলায় হতাহতদের প্রতি শোক ও সমবেদনা জানিয়ে ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসকে পত্র প্রেরণ করেছেন।’

আরও পড়ুন


বঙ্গবন্ধুকন্যা মানবিক বলেই খালেদা জিয়া জেলের বাইরে চিকিৎসা নিচ্ছেন: কাদের

চীন থেকে আরও ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে চেষ্টা চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চীনের টিকা পেতে দেরি হওয়ায় কাউকে দোষারোপ করা যাবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মিতু হত্যার নতুন মামলায় এক নম্বর আসামি হবেন বাবুল আক্তার: পিবিআই


এদিকে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর অব্যাহত হামলায় নিহতের সংখ্যা বাড়ছেই। সবশেষ মঙ্গলবার রাতভর এবং বুধবার ভোরে গাজার বেশ কয়েকটি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে এখন পর্যন্ত ৩৬ জনের নিহতের খবর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এসেছে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

চীন থেকে আরও ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে চেষ্টা চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

চীন থেকে আরও ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে চেষ্টা চলছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানিয়েছেন, বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে সরকার চীন থেকে আগামীতে আরও বেশি সিনোফার্ম ভ্যাকসিন নিয়ে আসতে কাজ করছে। প্রয়োজন মোতাবেক দেশের সবাইকে টিকা দেয়া চেষ্টা অব্যাহত আছে।

বুধবার (১২ মে) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় চীনা টিকা হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন ও ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং উপস্থিত ছিলেন। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, চীন বাংলাদেশকে সিনোফার্মের পাঁচ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন উপহার হিসেবে দিয়েছে। বন্ধু রাষ্ট্র থেকে এটা অনেক বড় পাওয়া। চীন সরকার ও দেশটির সকল নাগরিকদের ধন্যবাদ জানাই। চীন থেকে পাওয়া এই ৫ লাখ ভ্যাকসিন দুই ডোজ করে আড়াই লাখ মানুষকে দেয়া হবে।

আরও পড়ুন


চীনের টিকা পেতে দেরি হওয়ায় কাউকে দোষারোপ করা যাবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মিতু হত্যার নতুন মামলায় এক নম্বর আসামি হবেন বাবুল আক্তার: পিবিআই

কাশিমপুরে স্থানান্তর করা হলো মামুনুল-রফিকুলসহ ১৪ হেফাজত নেতাকে

যদি চালুই করতে হয়, তবে আজ থেকে নয় কেন?


জাহিদ মালেক বলেন, আরও বেশি ভ্যাকসিন নিয়ে আসতে চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনা চলছে। রাষ্ট্রদূতও আশ্বস্ত করেছেন। আমরাও অনুরোধ করেছি ভ্যাকসিন কার্যক্রম চালু রাখতে প্রতি মাসেই যেন কিছু করে ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়। তারা আশ্বাস দিয়েছে, এ বিষয়ে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাবে। জুন-জুলাইয়ে নতুন করে ভ্যাকসিন দেয়ার চেষ্টা করবে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিনের পাশাপাশি মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা একটি বড় বিষয়। আমরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি এবং মানুষ সুবিধা পাচ্ছে। আমাদের দেশে মোটামুটি নিয়ন্ত্রণে আছে। যদিও আমরা দেখলাম ঈদের সময় মানুষ যেভাবে গেল বাড়িতে, তাতে আমরা খুবই মর্মাহত হলাম।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

চীনের টিকা পেতে দেরি হওয়ায় কাউকে দোষারোপ করা যাবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

চীনের টিকা পেতে দেরি হওয়ায় কাউকে দোষারোপ করা যাবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, চীন থেকে ভ্যাকসিন আসার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ার পেছনে কাউকেই দোষারোপ করা যাবে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সিনোফার্মের টিকা অনুমোদন দিতে দেরি করায় এমনটি হয়েছে।

বুধবার (১২ মে) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় চীনা টিকা হস্তান্তর উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক, ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন উপস্থিত ছিলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘চীনা টিকার বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদন না দেওয়ায় আমরা আনতে খুব একটা আগ্রহী ছিলাম না। আমাদের বিশেষজ্ঞরাও এ বিষয়ে এমনই নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তবে এখন অনুমোদন দেয়ায় আমরা এ টিকা আনতে চাই। তাই টিকা আনতে দেরি হওয়ায় কাউকেই দোষারোপ করার সুযোগ নেই বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন


মিতু হত্যার নতুন মামলায় এক নম্বর আসামি হবেন বাবুল আক্তার: পিবিআই

কাশিমপুরে স্থানান্তর করা হলো মামুনুল-রফিকুলসহ ১৪ হেফাজত নেতাকে

যদি চালুই করতে হয়, তবে আজ থেকে নয় কেন?

বিবেকবোধ বা মানবিকতায় ‘চুজ অ্যান্ড পিক’ ব্যবস্থা নেই


টিকা উপহার দেয়ায় চীন সরকারকে ধন্যবাদ জাানয়ে ড. এ কে আব্দুল মোমেন আরও জানান, চীনের এই টিকার যৌথ উৎপাদন হতে পারে। আর তা হলে উভয়পক্ষই লাভবান হবেন।

এর আগে বুধবার ভোরে ঢাকায় পৌঁছায় চীনের পাঁচ লাখ উপহারের টিকা। ভোর সাড়ে ৫টায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি বিশেষ ফ্লাইট টিকা নিয়ে বেইজিং থেকে ঢাকায় আসে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

মিতু হত্যার নতুন মামলায় এক নম্বর আসামি হবেন বাবুল আক্তার: পিবিআই

অনলাইন ডেস্ক

মিতু হত্যার নতুন মামলায় এক নম্বর আসামি হবেন বাবুল আক্তার: পিবিআই

পাঁচ বছর আগে ঘটে যাওয়া চট্টগ্রামে মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার বাদী ছিলেন স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তার। এবার স্ত্রী হত্যা মামলায় ফেঁসে যাচ্ছেন তিনি নিজেই। নতুন মামলায় এক নম্বর আসামি করা হবে স্বামী বাবুল আক্তারকে এমটিই জানিয়েছে পিবিআই।

বুধবার (১২ মে) সকালের ঢাকায় পিবিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে পিবিআই প্রধান ও পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুদার এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, পুরোনা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন আজই আদালতে দেয়া হবে। নতুন যে মামলাটি করা হবে তাতে বাদী হতে পারেন মিতুর বাবা।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) তদন্তে বাবুল আক্তারের বিরুদ্ধেই স্ত্রী মিতু হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সংশ্লিষ্টতা প্রমাণ পাওয়া যায়। এরপর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে তাকে হেফাজতে নিয়েছে সংস্থাটি।

পিবিআই প্রধান বলেন, খ্যাতিমান পুলিশ অফিসার ছিলেন বাবুল আক্তার। অনেক কাজ করেছেন। তাঁর স্ত্রীকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। চাঞ্চল্যকর মামলা হিসেবে এটি পরিগণিত। বাবুল আক্তার বাদী হয়েছিলেন। পুরোনো মামলায় ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন দুজন।

আরও পড়ুন


কাশিমপুরে স্থানান্তর করা হলো মামুনুল-রফিকুলসহ ১৪ হেফাজত নেতাকে

যদি চালুই করতে হয়, তবে আজ থেকে নয় কেন?

বিবেকবোধ বা মানবিকতায় ‘চুজ অ্যান্ড পিক’ ব্যবস্থা নেই

আবারও করোনায় মৃত্যুর রেকর্ড গড়লো ভারত


বনজ কুমার বলেন, বাবুল আক্তারের সম্পৃক্ততা আসেনি। মহামান্য হাইকোর্ট জানতে চেয়েছেন, কত দিন ঝুলে থাকবে। সে উত্তর খুঁজতে গিয়ে মামলা অন্যদিকে মোড় নেয়।

বনজ কুমার বলেন, মামলার বাদীকে ইচ্ছা করলেই গ্রেপ্তার করা যায় না। বাদীকে গ্রেপ্তার করতে হলে চূড়ান্ত রিপোর্ট দিতে হবে। খুলশী থেকে ফাইনাল রিপোর্ট জমা দিতে আজই কোর্টে যাচ্ছে পুলিশ। এটি দাখিলের পর নতুন মামলা হবে। মোশাররফ হোসেন বাদী হতে পারেন। কথা বলা হয়েছে তাঁর সঙ্গে। তাঁকে পিবিআই চট্টগ্রাম নিয়ে গেছে। নতুন মামলায় এক নম্বর আসামি হবেন বাবুল আক্তার।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর