বেনাপোলে ভারত ফেরত ৪৩৯ বাংলাদেশি কোয়ারেন্টাইনে, পজিটিভ ৩

যশোর প্রতিনিধি:

বেনাপোলে ভারত ফেরত ৪৩৯ বাংলাদেশি কোয়ারেন্টাইনে, পজিটিভ ৩

করোনা রোধে ভারতের সঙ্গে স্থলপথে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত ১৪ দিন বন্ধ ঘোষণা করলেও আটকেপড়া যাত্রীরা দূতাবাসের বিশেষ অনুমতি নিয়ে ফিরছেন। ফেরত আসা বাংলাদেশিরা বেনাপোল পৌর এলাকায় সাতটি আবাসিক হোটেলে ১৪ দিনের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে আছেন। 

এদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত তিনজন। এরা ভারতে গিয়ে করোনা পজিটিভ হন। তবে নতুন করে এ পথে কোনো পাসপোর্টধারী ভারত ও বাংলাদেশে ঢোকেনি।

নিষেধাজ্ঞা পরবর্তীতে গত সোমবার সন্ধ্যা থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত ভারতে আটকে পড়া ৪৩৯ বাংলাদেশি বেনাপোল স্থলপথে দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফিরেছেন ৬৭ যাত্রী। তবে আগত বাংলাদেশিদের মধ্যে তিনজন পজিটিভ। 

এদিকে চিকিৎসা শেষে হাতে খরচের টাকা না থাকায় ভারত ফেরত বাংলাদেশিরা নিজ খরচে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে অসহায় দিন পার করছেন বলে জানা গেছে। তবে সরকারি নির্দেশনা মানতে তাদের বাধ্য হয়ে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হচ্ছে। 

আরও পড়ুন:


দিল্লির রাস্তায় পড়ে থাকা মরদেহ ছিঁড়ে খাচ্ছে কুকুর

কথিত পরকীয়ার অভিযোগ এনে ভাইবোনকে জুতাপেটা

'আইলারে নয়া দামান" গানটি নতুন প্রজন্মের কাছে ধরা (ভিডিও)

নোয়াখালীতে লিচু পাড়াকে কেন্দ্র করে বড় ভাইকে পিটিয়ে হত্যা


বনাপোল ইমিগ্রেশন স্বাস্থ্য বিভাগের মেডিকেল অফিসার আশরাফুজ্জামান বলেন, ভারতফেরত বাংলাদেশিরা বেনাপোল বন্দর এলাকার সাতটি আবাসিক হোটেলে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে আছেন। সেখানে সব খরচ যাত্রীদের বহন করতে হবে। এছাড়া ফেরত আসা তিন বাংলাদেশি করোনা পজিটিভ যাত্রীকে যশোর সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটের রেড জোনে রাখা হয়েছে।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি আহসান হাবিব বলেন, বাংলাদেশি উপ-হাইকমিশনারের ছাড়পত্র থাকায় আটকে পড়া যাত্রীদের ৪৩৯ জন ভারত থেকে ফিরেছেন। ভারতীয় নাগরিক ফিরেছেন ৬৭ জন। তবে নিষেধাজ্ঞার পর থেকে বাংলাদেশি কোনো পাসপোর্টধারী যাত্রী নতুন করে ভারতে যায়নি এবং ভারত থেকেও ভারতীয় নাগরিক বাংলাদেশে আসেনি।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

ঈদের দিনে চট্টগ্রামে ভারী বৃষ্টিপাত, রাস্তায় কোমর পানি

অনলাইন ডেস্ক

ঈদের দিনে চট্টগ্রামে ভারী বৃষ্টিপাত, রাস্তায় কোমর পানি

চট্টগ্রামে ঈদের দিনে পানির নিচে রয়েছে নগরীর নিম্নাঞ্চলের বেশির ভাগ অংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ২৭ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৪মে) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় প্রায় দেড় ঘণ্টারও বেশি বৃষ্টি ছিল।

সকাল থেকে বৃষ্টি হওয়ার কারণে চট্টগ্রামের প্রবর্তক মোড়, আগ্রাবাদ সিডিএ, চকবাজার, আবাসিক এলাকা, দুই নম্বর গেইট, খাতুনগঞ্জ, বহদ্দারহাটসহ অধিকাংশ নিম্নাঞ্চলের সড়ক ও অলিগলিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।

একই সাথে এসব এলাকার দোকানপাটে পানি ঢুকে যায়। আর জলাবদ্ধতার কারণে পানি মাড়িয়ে অতিরিক্ত রিকশা ভাড়া দিয়ে ঈদের দিন চলাচল করতে হয় নগরবাসীদের।


আরও পড়ুনঃ


গ্রহাণু ঠেকাতে অন্তত পাঁচ বছর সময় লাগবে: নাসা

তাহসান-মিথিলার ‘সারপ্রাইজ’-এর রহস্য উন্মোচন, আড়ালে অন্য কেউ

ইসরায়েলের হামলা নিয়ে নোয়াম চমস্কির টুইট

ইসরায়েলের হামলা মানবতাবিরোধী অপরাধ: মিয়া খলিফা


আজ সন্ধ্যার দিকে আবার বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া মধ্যরাতে আবারও মাঝারি বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে ঈদের নামাজকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০

বেলাল রিজভী, মাদারীপুর

মাদারীপুরে ঈদের নামাজকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, নারীসহ আহত ১০

মাদারীপুরের শিবচরে ঈদের নামাজ আদায় করাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় এক নারী সহ আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন। আহতদের উদ্ধার করে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

উপজেলার কাঁঠালবাড়ি এলাকার শিকদার কান্দি গ্রামে শুক্রবার সকালে এঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এঘটনায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের দাদন আকনের সমাজ থেকে কিছু লোক একই এলাকার আমিন শিকদারের সমাজে যোগ দিয়ে শিকদার বাড়ীর মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করতে যায়। পথি মধ্যে দাদন আকনের লোকজন তাদেরকে অন্য সমাজে যেতে দিবে না বলে বাধা প্রদান করে। এতে মুহুর্তে মধ্যে ঊভয় পক্ষের লোকজন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

আমিন শিকদারের গ্রুপের লোকের দাবী, দীর্ঘদিন ধরে আমরা আকনদের সমাজে ছিলাম । তারা আমাদের প্রতি অনেক অত্যচার করত। এবারের ঈদের আমরা তাদের সমাজ ছেড়ে দিয়ে অন্য সমাজের যাওয়াতে তারা আমাদের উপর আঘাত করেছে।

তবে আকন গ্রুপের প্রধান দাদন আকন বলেন, যারা আমাদের সমাজ ছেড়ে চলে যাইতে ছিলো । আমি তাদের কাছে টাকা পামু। আমাদের সমাজে যেহেতু তারা থাকবে না। তাই আমি আমার পাওনা টাকা চাইছি। আর এই কারণেই তারা আমাদের উপর হামলা করেছে।


আরও পড়ুনঃ


গ্রহাণু ঠেকাতে অন্তত পাঁচ বছর সময় লাগবে: নাসা

তাহসান-মিথিলার ‘সারপ্রাইজ’-এর রহস্য উন্মোচন, আড়ালে অন্য কেউ

ইসরায়েলের হামলা নিয়ে নোয়াম চমস্কির টুইট

ইসরায়েলের হামলা মানবতাবিরোধী অপরাধ: মিয়া খলিফা


শিবচর থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিরাজ হোসেন বলেন, ঈদের নামাজ আদায় করাকে  কেন্দ্র করে কাঁঠালবাড়িতে দুই পক্ষের মাঝে সংঘর্ষ হয়ে। খবর পেয়ে সাথে সাথে আমি ঘটনা স্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছি। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ণ করা আছে। এলাকার  পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক আছে। এখন পর্যন্ত কোন পক্ষে অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

ঈদের নামাজ পড়তে গিয়ে মসজিদের ছাদ থেকে পড়ে এক বৃদ্ধ নিহত

অনলাইন ডেস্ক

ঈদের নামাজ পড়তে গিয়ে মসজিদের ছাদ থেকে পড়ে এক বৃদ্ধ নিহত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঈদের নামাজ পড়তে গিয়ে মসজিদের ছাদ থেকে পড়ে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছে।

 

বিস্তারিত আসছে…

পরবর্তী খবর

খুলনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

সামছুজ্জামান শাহীন, খুলনা

খুলনায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে খুলনা টাউন জামে মসজিদসহ সকল মসজিদে ঈদ-উল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার সকাল আটটায় অনুষ্ঠিত টাউন জামে মসজিদের জামাতে ইমামতি করেন মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ সালেহ। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, জেলা প্রশাসক  মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লী ঈদের জামাতে অংশগ্রহণ করেন।

নামাজ শেষে করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি,  দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। টাউন জামে মসজিদে দ্বিতীয় জামাত সকাল নয়টায় এবং তৃতীয় ও শেষ জামাত সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়। সিটি করপোরেশনে ৩১টি ওয়ার্ডের ৭৫৫টি মসজিদে ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের তত্ত্বাবধানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া খুলনা জেলার নয়টি উপজেলার প্রায় দুই হাজার ৯৯৩টি মসজিদে ঈদ-উল-ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন


ঈদের আনন্দ নেই ফেরিতে মাকে হারানো সেই রিফাতের পরিবারে

বগুড়ায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

স্বাস্থ্যবিধি মেনে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপনের আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের

লকডাউন প্রত্যাহারের পর ঢাকায় ফিরুন: তাপস


ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশ বেতার, খুলনা বিশেষ অনুষ্ঠানমালা এবং স্থানীয় সংবাদপত্রসমূহ নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করে। বিভিন্ন হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশুসদন, ভবঘুরে কল্যাণকেন্দ্র ও দুস্থ কল্যাণকেন্দ্রে ঈদ উপলক্ষে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

ঈদের আনন্দ নেই ফেরিতে মাকে হারানো সেই রিফাতের পরিবারে

বেলাল রিজভী, মাদারীপুর

ঈদের আনন্দ নেই ফেরিতে মাকে হারানো সেই রিফাতের পরিবারে

নতুন পোশাক আর রঙিন স্বপ্ন নিয়ে মা’কে নিয়ে ছোট বোনের সাথে ঈদ করতে নারায়ণগঞ্জ থেকে মাদারীপুরের গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন কিশোর রিফাত। কিন্তু মর্মান্তিক নির্মম দুর্ঘটনায় রিফাতের সেই স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে গেলো। মায়ের কোলে আর উঠতে পারবেন না রিফাতের ছোট বোন ৭ বছর বয়সী আজমীরা। যেখানে থাকার কথা উৎসব আর আনন্দ আজ সেখানেই চলছে শোকের মাতম। রিফাতের দাদা ও নানী বাড়ি একই গ্রামে হওয়ায় দুই বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।

বুধবার দুপুরে ফেরিতে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে পরকালে পাড়ি জমিয়েছেন মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার বালিগ্রামের নিপা বেগম নামে এক গৃহবধূসহ পাঁচজন। ফেরি দুর্ঘটনায় নিহত সবার পরিবারেই এখন বইছে শোকের মাতম।

রিফাতের চাচা উজ্জল বেপরাী জানান, কয়েক হাজার যাত্রীর সাথে ফেরিতে উঠে রিফাত ও তার মা। মুন্সীগঞ্জ জেলার শিমুলিয়া ঘাটে ফেরিতে উঠার পর সেখানে ৭টি যানবাহন ছিল। যানবাহন বের করতে গিয়ে সাধারণ যাত্রীরা চাপে মুখের পড়ে। পরবর্তীতে যানবাহন রেখে প্রায় দেড় ঘণ্টা পর ফেরি ডালা তুলতে বাধ্য হন ফেরি কর্তৃপক্ষ। এসময় ফেরিতে অতিরিক্ত যাত্রী থাকায় এবং প্রচণ্ড গরমে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ফেরি বাংলাবাজার ঘাটের কাছে পৌছালে রিফাতের মা অসুস্থ বোধ করে। তখন মায়ের জন্য কয়েক দফা পানি আনে রিফাত। এ সময় তিনটি শিশু ধাক্কা খেয়ে পড়ে গেলে তাদের কাধে করে রক্ষা করে ছোট্ট রিফাত। এমনকি একজন বৃদ্ধ ব্যক্তিসহ কয়েকজনকে পানি দিয়ে জীবন বাঁচায় রিফাত। কিন্তু নিজের মায়ের শেষ করুণ পরিণতিটা রুখতে পারেনি সে। চিরদিনের জন্য মাকে হারিয়ে ফেলে রিফাত। 
রিফাত বলেন, আমি পানি পান করিয়ে অনেকের জীবন বাঁচাইছি। অথচ আমার মাকেই বাঁচাতে পারলাম না। মাকে নিয়ে ঈদের আনন্দ করতে আসছিলাম কিন্তু মা তো এখন আর নেই।

বাংলাবাজর ঘাট সূত্রে জানা গেছে, বুধবার দুপুরে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটের পদ্মা নদীতে একটি রোরো ফেরিতে আসছিল কয়েক হাজার যাত্রী। ফেরির যানবাহন রাখার খোলা জায়গায় তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। প্রখর রোদের তাপে ফেরি যখন বাংলাবাজার ঘাটের কাছাকাছি আসে তখনই অসুস্থ হয়ে পড়তে শুরু করে যাত্রীরা। পানি পিপাসা আর গরমে ঘটনাস্থালেই মারা যায় ৫ জন। 

নিহতরা হলেন পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার আরামকাঠি এলাকার আবদুল জব্বারের ছেলে শরিফুল ইসলাম (২৭) ও গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার পদ্মবিলা এলাকার মজিবর রহমানের স্ত্রী শিল্পী বেগম (৪০)। বরিশালের মুলাদি থানার নুরুদ্দিন আকন(৪৫), শরীয়তপুরের নরীয়া থানার আনছুর আলি (১৫) এবং মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার নিপা বেগম।

নারায়ণগঞ্জে নিজে স’মিলে ও স্ত্রী গার্মেন্টেসে কাজ করতো। এখন কিভাবে সন্তানদের লালন-পালন করবেন সেই ভাবনায় দিশেহারা রিফাতের পিতা আল আমিন বেপারী। আল আমিন বেপারী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, উনাকে (নিহত নিপা) বলেছিলাম তুমি গরম সহ্য করতে পারো না। তোমার বাড়ি যাওয়ার দরকার নাই। তবুও গেছে। এখন আমাদের ঈদের আনন্দ নেই। ছোট ছোট বাচ্চা রেখে গেছে। এখন ওদের নিয়ে কিভাবে বাঁচবো?

আরও পড়ুন


বগুড়ায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

স্বাস্থ্যবিধি মেনে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপনের আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের

লকডাউন প্রত্যাহারের পর ঢাকায় ফিরুন: তাপস

ফিলিস্তিনে ইসরাইলি হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১৩


শিবচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিরাজ হোসেন বলেন, ফেরিতে দুর্ঘটনায় নিহত পাঁচজনের লাশ শনাক্ত করে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে আগামীতে পুলিশ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিবে।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন বলেন, দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রত্যেক পরিবারকে ২০ হাজার টাকা করে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অনুদান প্রদান করা হয়েছে। এই করোনা পরিস্থিতির মধ্যে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের না হওয়ার জন্য অনুরোধ করেন তিনি।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর