চীনের ভ্যাকসিনের জন্য এখন পা ধরে বেড়াচ্ছে সরকার : ডা. জাফরুল্লাহ

অনলাইন ডেস্ক

চীনের ভ্যাকসিনের জন্য এখন পা ধরে বেড়াচ্ছে সরকার : ডা. জাফরুল্লাহ

চীনের করোনা ভ্যাকসিনের বাংলাদেশে ট্রায়ালের অনুমোদন দিতে বলেছিলাম বছরখানেক আগেই । কিন্তু তখন কেও আমার কথা শোনেনি। আর এখন সরকার সেই ভ্যাকসিনের জন্য চীনের পা ধরে বেড়াচ্ছে বলে জানিয়েছেন  গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। 

বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ করোনা চিকিৎসা সেবার উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন তিনি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম অনলাইনে যুক্ত হয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ করোনা চিকিৎসা সেবার উদ্বোধন করেন।

তিনি বলেন, আমি যখন বলেছিলাম, চীনকে ট্রায়াল করতে দাও কথা শুনে না; এখন তো পা ধরে বেড়াচ্ছে সরকার। এর পায়ে একবার ধরে ওর পায়ে একবার ধরে। তারা যখন আসছিল তখন কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এখানে সরকারের ইচ্ছার বড় অভাব আছে। সরকার গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় এমন কিছু ব্যক্তিকে বসিয়েছে তারা কখন কী বলে তার কোনো ঠিক থাকে না।

এখন পর্যন্ত দেশে অক্সিজেনের সংকট দেখা যায়নি তবুও অক্সিজেনের অভাবেও মানুষ মারা যাচ্ছে দাবি করে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, একটা ছোট আকারের অক্সিজেন প্ল্যান্ট তৈরি করতে ৩০ কোটি টাকার মতো প্রয়োজন। সরকারের পক্ষ থেকে এই অর্থ খরচ করা কোনো বিষয় না। হাসপাতালগুলোকে এই অর্থ অনুদান হিসেবে দিলে তারা নিজেরাই প্রয়োজন অনুযায়ী অক্সিজেন উৎপাদন করে নিতে পারে। এক বছর ধরে এই কথাগুলো সরকারকে বলেও কিছু হলো না।

এখনো সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় করোনা মোকাবিলা সম্ভব জানিয়ে জাফরুল্লাহ বলেন, করোনা মোকাবিলা করতে হলে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা লাগবে। না হলে করোনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে না। আর হতাশ হলে চলবে না, এই যুদ্ধে আমাদের জিততে হবে; আমরা জিতব।

সংবাদ সম্মেলনে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমাণ করোনা চিকিৎসা সেবা প্রসঙ্গে জানানো হয়, রাজধানীতে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের বাড়ি গিয়ে চিকিৎসাসেবা দেবে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের কোভিড-১৯ চিকিৎসক দল। করোনা রোগীর বাসা থেকে ফোন করলেই হাসপাতাল সুবিধা সম্বলিত অ্যাম্বুলেন্সসহ সেখানে চলে যাবেন গণস্বাস্থ্যের চিকিৎসক দল। এজন্য গণস্বাস্থ্যের ভ্রাম্যমাণ মেডিকেল টিমের চিকিৎসাসেবা পেতে ০১৭০৯-৬৬৩৯৯৪ ও ০৯৬০২১১১৯৪০ এই দুটি নম্বরে ফোন করতে হবে। এছাড়াও সিওডিসিরেড এসওএস (CodcRed SOS) অ্যাপসের মাধ্যমেও এই সুবিধা পাওয়া যাবে। আজ থেকেই ঢাকার ভেতরে এই সেবা দেওয়া হবে। প্রথমে এই সেবা দেওয়ার জন্যে ঢাকার ধানমন্ডি, কলাবাগান, পুরান ঢাকা ও মিরপুর এলাকাকে নির্বাচন করা হয়েছে। আপাতত সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই সেবা দেয়া হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি

অনলাইন ডেস্ক

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি

করোনা ভাইরাসের কারণে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে। চলতি মে মাসের ২৪ তারিখ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তা বাড়িয়ে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে। 

এরপরও ২৯ মে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব নয় বলে শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সোমবার (১৭ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের ভার্চুয়াল সভা শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

কবে নাগাদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত কোনো তারিখ নিয়ে কথা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, দেশে ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়েছে। ভ্যাকসিন কার্যক্রম চলমান রাখতে বিভিন্ন দেশ থেকে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে। ফলে শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া সম্ভব হবে।

সচিব বলেন, স্কুল-কলেজ খোলার বিষয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। সবারই একটা বক্তব্য- আগে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংস্কারের কাজ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংস্কারে সরকার নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছে। ৪৯টি ইউনিভার্সিটি বা কলেজগুলোর যে হোস্টেলগুলো আছে সেগুলো অলরেডি ৪০টির মতো সংস্কার হয়ে গেছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভ্যাকসিন আসছে। যদি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন দিয়ে দিতে পারি তারপরে ইনশাল্লাহ তাড়াতাড়ি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে পারব।

সরকারের সর্বশেষ ঘোষণায় বলা হয়, মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ২৯ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ সময়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

দেশে করোনার যে চারটি ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে

অনলাইন ডেস্ক

দেশে করোনার যে চারটি ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে

বাংলাদেশে ২০০ জন কোভিড-১৯ রোগীর নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করে চারটি ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।

সোমবার (১৭ মে) আইইডিসিআরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশে এখন পর্যন্ত পাওয়া চারটি ভ্যারিয়েন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে- বি.১.১.৭ (ইউকে ভ্যারিয়েন্ট), বি.১.৩৫১ (সাউথ আফ্রিকা ভ্যারিয়েন্ট), বি.১.৫২৫ (নাইজেরিয়া ভ্যারিয়েন্ট), এবং বি.১.৬১৭.২ (ইন্ডিয়া ভ্যারিয়েন্ট)।

সম্প্রতি জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর), আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) এবং ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভস (আইদেশি) যৌথভাবে গবেষণা করে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আক্রান্ত রোগীদের সবাই বিগত ১ থেকে ২৫ এপ্রিলের মধ্যে পাশের দেশ ভারতে চিকিৎসার জন্য ভ্রমণ করেছেন। এ ছয়জনের মধ্যে তিনজন একই পরিবারের সদস্য। ছয়জনের বয়স ৭ থেকে ৭৫ বছরের মধ্যে। 

এরা সবাই এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন এবং বিভিন্ন হাসপাতালে আইসোলেশনে ছিলেন। এদের মধ্যে একজন বয়স্ক ব্যক্তি ক্যানসারসহ অন্যান্য জটিল রোগে ভুগছিলেন এবং পরবর্তীতে তিনি মারা যান।

যে ছয়জনের শরীরের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে তারা ভারতের চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, হরিয়ানা ও পশ্চিমবঙ্গে চিকিৎসার জন্য ভ্রমণ করেছিলেন বলে জানানো হয়।

দেশে শনাক্ত হওয়া এই ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের সিকোয়েন্স বৈশ্বিক ডাটাবেজ জিআইএসএআইডিতে জমা দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

আইইডিসিআর জানায়, বাংলাদেশে কোভিডের ইন্ডিয়া ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি শনাক্তে আইইডিসিআর কাজ করছে।

ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভ্যারিয়েন্ট অফ কনসার্ন (VOC) হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। এ ভ্যারিয়েন্ট বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৪৪টি দেশে শনাক্ত হয়েছে।

পরবর্তী খবর

দূরপাল্লার বাস-লঞ্চ-ট্রেন চলবে কিনা সিদ্ধান্ত আগামী সপ্তাহে

অনলাইন ডেস্ক

দূরপাল্লার বাস-লঞ্চ-ট্রেন চলবে কিনা সিদ্ধান্ত আগামী সপ্তাহে

বন্ধ থাকা দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ, ট্রেন চলাচলের অনুমতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত সপ্তাহখানেক দেখে তারপর নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

সোমবার ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকের সভাপিত্ব করেন।

এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে জানান, দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ, ট্রেন আরও কিছু দিন বন্ধ রাখার সুপারিশ করবেন।
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, দেখা যাক, ৫-৬ দিন যাক তারপর কী অবস্থা হয়। ইন্ডিয়ার অবস্থাটা দেখতে হবে। আমাদের এখন মেইন কনসার্ন হলো ইন্ডিয়ার অবস্থা। একটা সুবিধা হয়ে গেছে যে ওয়েস্টবেঙ্গল বা ইস্টার্নে তারা লকডাউন দিয়ে দিয়েছে। তাতে আমাদের একটা ন্যাচারাল প্রটেকশন তৈরি হয়েছে। এখন বর্ডার কন্ট্রোল করতে পারছি। আগামী সাতদিন যাক, সাতদিন পর একটা সিনারিও আসবে তখন দেখা যাবে।

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ১৭ থেকে ২৩ মে বিধিনিষেধ বাড়ানো হয়েছে। এই সমেয় দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ, ট্রেন বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে জেলার ভেতরে বাস চলাচল করছে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

করোনায় মৃত্যু বাড়ল, শনাক্ত একদিনেই দ্বিগুণ

অনলাইন ডেস্ক

করোনায় মৃত্যু বাড়ল, শনাক্ত একদিনেই দ্বিগুণ

বিশ্বব্যাপী তাণ্ডব চালানো ভাইরাস করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা গত দিনের চেয়ে বেশি। একই সময়ে আরও ৬৯৮ জনের শরীরে শনাক্ত হয়েছে।

আজ সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা গেছে, গতকাল ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ২৫ জনের। শনাক্ত হন ৩৬৩ জন।

বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

‘দেশে ঢুকল’ করোনার ভারতীয় ভেরিয়েন্ট, প্রাণ গেল একজনের

অনলাইন ডেস্ক

‘দেশে ঢুকল’ করোনার ভারতীয় ভেরিয়েন্ট, প্রাণ গেল একজনের

বিশ্বব্যাপী তাণ্ডব চালানো অতিমারি ভাইরাস করোনার ভারতীয় ভেরিয়েন্টে অবশেনে দেশে ঢুকে পড়ল। ইতিমধ্যে  ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। যা দেশে প্রথম।

সূত্র জানায়, ভারতে চিকিৎসা শেষে দেশ ফিরে কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় মারা যাওয়া দুই ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর একজন করোনার ভারতীয় ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত ছিলেন।

সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

প্রতিবেশী দেশ ভারতে সংক্রমণের তুঙ্গে থাকা করোনাভাইরাসের ‘ভারতীয় ভেরিয়েন্ট’ গত ৮ মে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে শনাক্ত হয়।

ভারতফেরত ছয়জনের শরীরে এই ভেরিয়েন্ট শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল আইইডিসিআর।

বেশ কিছুদিন ধরে সরকার ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা করোনার ভারতীয় ভেরিয়েন্ট সম্পর্কে সতর্ক করে আসছিল।

বলা হচ্ছিল, এই ভেরিয়েন্ট দেশে ঢুকলে বিপদ অনেক বেশি হবে। এরই মধ্যে দেশে ঢুকে পড়েছে এই ভেরিয়েন্ট। প্রথমবারের মতো মৃত্যুও ঘটল এই ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত রোগীর। এতে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা আরও বেড়ে গেল।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর