ঢাকায় এসেছিলেন কলিন্সসহ তিন চন্দ্রবিজয়ী!

হারুন আল নাসিফ

ঢাকায় এসেছিলেন কলিন্সসহ তিন চন্দ্রবিজয়ী!

প্রথম ছবি বামে: ছাদখোলা গাড়িতে ঢাকার রাজপথে আর্মস্ট্রং (বামে) ও অলড্রিনের (ডানে) সঙ্গে মাইকেল কলিন্স (মাঝখানে)। দ্বিতীয় ছবি ডানে: কলিন্সদের দেখতে লাখো মানুষের ভিড় ঢাকায়।

চন্দ্রবিজয়ের পর পর নীল আর্মস্ট্রং, এডুইন অলড্রিন ও মাইকেল কলিন্স বিশ্ব সফরে বেরিয়েছিলেন। এই সফরের অংশ হিসেবে ১৯৬৯ সালে ২৭ অক্টোবর ঢাকায় পা রেখেছিলেন কলিন্স, অলড্রিন ও আর্মস্ট্রং। তাদের এক নজর দেখতে লাখো মানুষ ভিড় জমিয়েছিল ঢাকার রাজপথে।
প্রথম ছবি:
ছাদখোলা গাড়িতে ঢাকার রাজপথে আর্মস্ট্রং (বামে) ও অলড্রিনের (ডানে) সঙ্গে মাইকেল কলিন্স (মাঝখানে)।
দ্বিতীয় ছবি:
কলিন্সদের দেখতে লাখো মানুষের ভিড় ঢাকায়। ছবি : নাসার ওয়েবসাইট থেকে।

লেখক : হারুন আল নাসিফ : কবি, ছড়াকার, সাংবাদিক।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আপনার কাছে আমার জানতে চাওয়া

প্রতীক ইজাজ

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আপনার কাছে আমার জানতে চাওয়া

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা যে ধরণের আচরণ করেছেন, রোজিনা যেভাবে তথ্য সংগ্রহ করেছেন, সর্বপরি রোজিনাকে নিয়ে যে ধরণের ঘটনা ঘটেছে- সেসব নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আজ যেসব কথা বলেছেন তা খুবই বেমানান ও দুঃখজনক। 

মাননীয় মন্ত্রী, আমরা আপনাকে জানি ও চিনি, সচিব বা অন্য আমলাদের সঙ্গে খুব দরকার না হলে কথা বলি না, ফোনও দেই না। তাই আপনাকেই বলছি-

আপনি শুধু একজন মন্ত্রীই নন; জনপ্রতিনিধিও। সবশ্রেণির মানুষের ভোটে আপনি নির্বাচিত হন। অথচ আপনি রোজিনার ঘটনায় নির্দ্বিধায় কোন বাছবিচার না করেই আমলাদের, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের পক্ষ নিয়েছেন।

আপনি নিরপেক্ষভাবে মুল ঘটনা জানার চেষ্টা করেননি। স্পটে যে সব সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন, তাদের সঙ্গে কথা বলেননি। আপনি নিজেও স্পটে ছিলেন না। আপনাকে ফোনে কর্মকর্তারা যে তথ্য দিয়েছে, আপনি সেগুলোই সত্য মেনেছেন। সাংবাদিকদের সামনে আমলাদের ভাষায় ও বয়ানে কথা বলেছেন। এটা আপনার কাছে আমরা প্রত্যাশা করিনি।
 
একটি মন্ত্রণালয়ের আপনি মন্ত্রী, বলতে গেলে প্রধান। আপনার উচিত ছিল দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে, বিচার বিবেচনা করে, তদন্ত সাপেক্ষে বক্তব্য দেওয়া। 

মন্ত্রণালয় কেন্দ্রিক যে কোন ঘটনার দেখভালের দায়িত্বও আপনার। এতবড় একটি ঘটনা ঘটে গেল, দেশের ইতিহাসে প্রথম একজন সাংবাদিদের বিরুদ্ধে তথ্যচুরির অভিযোগ আনা হলো; অথচ আপনি এখন পযন্ত কোন ব্যবস্থা নিলেন না। ঘটনার একদিন পর যা কিছু বললেন, হতবাক হলাম আমরা। 

আপনি বক্তব্যে যে সব তথ্য দিয়েছেন, তা কোনটাই সঠিক নয়। আমাদের সহকর্মীরা সেখানে যারা ছিলেন, তাদের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে এসব মিলে না। তা হলে কারা মিথ্যে বলছেন, সাংবাদিকরা, নাকি আপনার মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা?

আপনি নিজেও আমলাদের ব্যাপারে ক্ষুব্ধ। বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে তা প্রকাশও করেছেন। কিন্তু ঘটনা যখন নিজেদের মধ্যে ঘটলো, তখন আপনি তাদের সঙ্গে মিলে গেলেন। তখন আপনার সেই আমলারাই আপনার বিশ্বস্ত বিশ্বাসী হয়ে উঠলেন। তার মানে স্বার্থের বেলায় আপনারা সবাই এক। 

রোজিনা এক কর্মকর্তাকে চড় থাপ্পড় মেরেছেন। সেটা আপনি বিশ্বাসও করেছেন। ও নিজেই ইচ্ছে করে মেঝেতে গড়াগড়ি করেছেন। এসব তথ্য আপনি মেনে নিলেন। অথচ ওই কর্মকর্তা ওর বুকে চেপে বসলো, গলা টিপে ধরলো, আঙ্গুল শাসিয়ে কথা বললো, ধমকালো, এসবের ভিডিও ফেসবুকে এলো, আমাদের সহকর্মীরা বললেন, আপনি সে তথ্যে আস্থা রাখলেন না। আপনি আমলা ও সরকারের বিপক্ষে দাঁড় করালেন গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের। 

আপনি দীর্ঘদিন সক্রিয় রাজনীতি করেন। একজন রাজনীতিক, এমপি ও মন্ত্রী হিসেবে, গণমাধ্যমের খুব কাছাকাছি ছিলেন আপনি। সাংবাদিকদের ভালো করে জানেন ও বোঝেন। আপনি কি কখনো দেখেছেন, কোন সাংবাদিক আপনাদের থেকে তথ্য নিয়ে বিদেশে পাচার করেছেন, বা অসাধু কাজে লাগিয়েছেন। সাংবাদিকরা তথ্য সংগ্রহ করেন প্রকাশের জন্য। প্রত্যেকটি গণমাধ্যম প্রত্যেকটি তথ্য খুবই নিখুতভাবে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তির দিকে লক্ষ্য রেখেই প্রকাশ করেন। তা হলে এতদিন পরে এসে, আপনার কেন মনে হলো অসাধু উদ্দেশ্যে সাংবাদিকরা তথ্য চুরি করছে?

ঘটনার দুদিন পার হচ্ছে আজ। সরকারের পক্ষ থেকে প্রকৃত ঘটনা জানতে এখন পযন্ত কোন তদন্ত কমিটি করা হলো না। আপনি কি পারতেন না একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি করতে? নাকি আমলারা যা বলেছেন, সেটাই্ সত্য বলে মেনে নিলেন?

পেশার কারণে আপনার সাথে অনেকদিন কথা হয়েছে। নানা বিষয়ে আপনি তথ্য দিয়েছেন। আপনি কি বলতে পারবেন, এখন অবধি আপনার কোন তথ্য বিকৃত করে প্রকাশ করেছি, বা অসৎ উদ্দেশে প্রকাশ করেছি?

তথ্য দেওয়ার নামে রোজিনাকে ফাঁসানো হলো, এমন অভিযোগ সহকর্মীদের। ফাদ পাতা ছিলো আগেই, পূর্বপরিকল্পিত। আপনি সে তথ্যে গা করলেন না। আমলারা যা বললো, আপনি অবলীলায় তা মেনে নিলেন। তারমানে আপনার ও আপনাদের কাছে সাংবাদিকদের কোন মযাদা নেই। আপনি সাংবাদিকদের সততাকে প্রশ্নবিদ্ধ করলেন। 

আপনি কি দেখেছেন, রোজিনাকে যখন আদালতে নেওয়া হয়, তখন সামনে পেছনে কি পরিমান পুলিশ মোতায়েন ছিল? মনে হচ্ছিল বড় দাগী কোন আসামীকে আদালতে নেওয়া হচ্ছে। আপনার রাজনৈতিক জীবনে কখনো দেখেছেন, একজন সাংবাদিক আদালতে নেওয়ার পথে পালিয়ে গেছেন, বা তাকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে? 

স্বাস্থ্য খাতে কাজ করছি দীর্ঘদিন ধরে। নানা ধরণের ফন্দিফিকির আমাদের জানান। নানা তথ্য আমাদের কাছে নানাপক্ষ দেয়। আমরা কিন্তু সবকিছুই ঢালাওভাবে প্রকাশ করিনা। যাচাই-বাছাই করি। 

আমরা আশা করবো, আপনার নেতৃত্বে এই ঘটনার প্রকৃত তথ্য বেরিয়ে আসবে। কারা কি স্বার্থে এমন ঘটনা ঘটলো আপনি উদ্যোগি হয়ে তা বের করবেন। 

রোজিনাকে হেনস্থা, নিযাতন, মামলা ও গ্রেপ্তারের পেছনে যদি কোন দুনীতি গোষ্ঠীর হাত থাকে; মনে রাখবেন সেই গোষ্ঠী একদিন সবাইকে ডোবাবে। 

রাষ্ট্র সবার। সরকার দলীয়। আমরা রাষ্ট্রকে সম্মান করি। দেশকে ভালবাসি। সরকারকে সঠিক পথে পরিচালনায় সাহায্য করি। সরকারের দোষ ক্রটি তুলে ধরি। এভাবেই একটি রাষ্ট্র ও সরকার উন্নয়নের পথে হাঁটে। 

আমরা রোজিনার নিঃশর্ত মুক্তি চাই। নিযার্তন ও ষড়যন্ত্রের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দেখতে ও চিনতে চাই, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। 

গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের রুদ্ধ করে কখনোই কোন উন্নয়েনের পথে হাঁটা সম্ভব নয়; না রাষ্ট্রের, না সরকারের।

প্রতীক ইজাজ, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

রাষ্ট্রের বেতনভুক কর্মচারীরা রাষ্ট্রকাঠামো নড়বড়ে করতে পারে না

মিল্লাত হোসেন

রাষ্ট্রের বেতনভুক কর্মচারীরা রাষ্ট্রকাঠামো নড়বড়ে করতে পারে না

ফেসবুকে ভেসে বেড়ানো সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের আক্রান্ত হওয়ার ভিডিও গুলো দেখতে দেখতেই মনে পড়ে গেলো যে, গলা চেপে ধরা প্রাথমিকভাবে দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩২৩ ধারার আঘাত করা ও ৩০৭ ধারার  হত্যাপ্রচেষ্টা'র অপরাধ। মোবাইল নিয়ে ফেলা ৩৭৯ ধারার  চুরি এবং ঘরে আটকে রাখা ৩৪২ ধারার বেআইনি আটকের অপরাধ।

৩২৩ ও ৩৪২ ধারার শাস্তি হলো- ০১ বছর করে জেল বা ১০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ড।
৩৭৯ ধারায় ০৩ বছর জেল বা ১০,০০০ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় সাজা। আর ৩০৭ এ ১০ বছর সাজাসহ অর্থদণ্ডের বিধান আছে। এর মাঝে ৩৭৯ ও ৩০৭ ধারা জামিনযোগ্য নয়।

নির্যাতন এবং হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩ এর ১৫ (১) ধারা অনুসারে নির্যাতনের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলেও কমপক্ষে ০৫ বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা অন্যূন ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডের সাজাসহ এর অতিরিক্ত ২৫ হাজার টাকা ক্ষতিগ্রস্ত/সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।

রাষ্ট্রের বাঁধন আলগা করার ক্ষমতা রাষ্ট্রের অধিবাসীদের থাকতে পারে তাত্ত্বিকভাবে হলেও। কারণ, নাগরিকেরা সম্মিলিতভাবে চাইলে রাষ্ট্রের প্রকৃতি (ফেডারেল না এককেন্দ্রিক, সমাজতান্ত্রিক না পুঁজিতান্ত্রিক ইত্যাদি) বা সরকারের ধরন (সংসদীয় না রাষ্ট্রপতি শাসিত, রাজতন্ত্র না একনায়কতান্ত্রিক) বদলাতে পারেন। কিন্তু, রাষ্ট্রের বেতনভুক কর্মচারীরা রাষ্ট্রকাঠামো নড়বড়ে করতে পারে না।

এমন কিছুও করতে পারে না, যাতে রাষ্ট্র নড়বড়ে হয়ে উঠে, নাগরিকদের আস্থা টলমল করে উঠে।
সাংবিধানিক কাঠামোকে বাঁকিয়ে-চুড়িয়ে দুমড়ে-মুচড়ে চিড়েচেপটা করতে উদ্যত হতেও পারবেন- না, হে কর্মচারী!

মিল্লাত হোসেন, বিচারক

পরবর্তী খবর

মৃত্যু মনে হয় হাতের তালুতে থাকে: তসলিমা নাসরিন

তসলিমা নাসরিন

মৃত্যু মনে হয় হাতের তালুতে থাকে: তসলিমা নাসরিন

মৃত্যুটা মনে হয় হাতের তালুতে থাকে। অসাবধানে হাত কাত হয়ে গেলে মৃত্যুটা উড়ে হৃদপিণ্ডে চলে যায়, ওখানে এমন নৃত্য শুরু হয় তার, যে, হৃদপিণ্ডও সব কাজকম্ম থামিয়ে মৃত্যুর নৃত্য দেখে।

লেখক শীর্ষ বন্দোপাধ্যায়ের হৃদপিণ্ডও তাই করেছে। মাত্র ১১ ঘণ্টা আগে শীর্ষ তাঁর স্মৃতি শেয়ার করেছেন ফেসবুকে, স্মৃতিতে ছিল আকাশ কালো হয়ে যাওয়া একখানা ছবি, ক্যাপশান দিয়েছিলেন, 'ওরে ঝড় নেমে যায়'। ঝড়ের বদলে মৃত্যু নেমে এলো।

শীর্ষ সবে ৫০। অথচ ৮০ বছর বয়সী অভিনেত্রী সন্ধ্যা রায় মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে জয়ী হয়েছেন। শীর্ষকে যুদ্ধ করতে হয়নি। শীর্ষের হাত শুধু একটুখানি কাত হয়েছিল। ওদিকে জয় গোস্বামী সিসিইউতে। জয়   ৬৬। এমন কোনও বয়স নয়। উনিও সন্ধ্যা রায়ের মতো বেঁচে ফিরুন।


আরও পড়ুনঃ


ধ্বংসস্তূপে ওপর দাঁড়িয়ে র‍্যাপ গাইল ফিলিস্তিনি শিশু (ভিডিও)

হাঙ্গর পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রকে জিপিএস হিসেবে ব্যবহার করে

রোজিনার কোন দল নেই, বাহিনী নেই; তার পিছনে এত পুলিশ!!

যুদ্ধবিরতির জন্য ফিলিস্তিনিদের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হবে ইসরাইল: হামাস


শুভকামনায়, প্রার্থনায় সত্যি কি কিছু হয়? হয় না। মৃত্যু আসলে হাতের তালুতেই থাকে। আমরা যারা হাতের তালুতে মৃত্যুকে নিয়ে খাচ্ছি দাচ্ছি গল্প করছি ঘুরে বেড়াচ্ছি ঘুমোচ্ছি জাগছি, তারা ভুলেই যাই যে মৃত্যু আমাদের হাতের তালুতে।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

রোজিনার কোন দল নেই, বাহিনী নেই; তার পিছনে এত পুলিশ!!

পীর হাবিবুর রহমান

রোজিনার কোন দল নেই, বাহিনী নেই; তার পিছনে এত পুলিশ!!

স্বাস্থ্যখাতে ভয়াবহ দূর্নীতি সরকারের ইমেজে বহু আগেই আঁচড় বসিয়েছে। প্রজাতন্ত্রের কোন কর্মচারীর কিছু হয়নি। পালাবদলে তারা আরও বেপরোয়া হয়েছেন। এতে লাভ কার ক্ষতি কার?

সোমবার সাহসী পেশাদার রিপোর্টার রোজিনাকে স্বাস্থ্য সচিবের দফতরে আটকে ৬ ঘন্টা মানসিক শারীরিক নিপীড়ন অপমান করা হয়েছে। এতে সরকারের লাভ কতখানি?

আমলা ও কর্মচারীদের মালিকের প্রতি সীমাহীন ঔদ্ধত্য সমাজে অসন্তোষ তৈরি করেছে। লাভ হলো না ক্ষতি হলো সরকারের?

রাতে নথি চুরির মামলায় থানায় নিয়ে আটক, দিনে কারাগারে। তাকে জেলের ভাত খাইয়ে সরকার লাভবান নাকি আমলা কর্মচারীদের ক্ষমতার দম্ভের তৃপ্তির ঢেকুর?


আরও পড়ুনঃ


ধ্বংসস্তূপে ওপর দাঁড়িয়ে র‍্যাপ গাইল ফিলিস্তিনি শিশু (ভিডিও)

হাঙ্গর পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রকে জিপিএস হিসেবে ব্যবহার করে

যুদ্ধবিরতির জন্য ফিলিস্তিনিদের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হবে ইসরাইল: হামাস

রোজিনার মুক্তির দাবিতে শাহবাগ থানার সামনে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ


সচিবালয় বিটের সাংবাদিকরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সম্মেলন বয়কট করে পাল্টা অপমান করেছে। নির্লজ্জদের কিছু এসে যায়না। রোজিনার কষ্ট হলেও সে এখন দেশ ছেড়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনের খবর হবে। এতে সরকারের লাভ না লোকসান? রোজিনার কোন দল নেই, বাহিনী নেই। তার পিছনে এত পুলিশ!!!!! আমি রোজিনার মুক্তি চাই।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

প্রতিকার অন্যভাবে করলে সরকার লজ্জিত না হয়ে সাংবাদিকরা লজ্জিত হতো

আশরাফুল আলম খোকন

প্রতিকার অন্যভাবে করলে সরকার লজ্জিত না হয়ে সাংবাদিকরা লজ্জিত হতো

এই ঘটনা সারা বিশ্বের মিডিয়ার কাছে বাংলাদেশের ইমেজ প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। আজ ক্লাসে আমার কোর্স টিচারও এই ঘটনা আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন। ক্লাসের সবাই যেহেতু বিভিন্ন দেশে সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত তাদেরকেও আমার অনেকভাবে ব্যাখ্যা দিতে হয়েছে। ব্যাখ্যা যাই দেই না কেন, লজ্জিত হয়েছি।

বিশ্বের সব দেশের অনুসন্ধানী সাংবাদিকরাই অনেকভাবেই তথ্য সংগ্রহ করেন। মানলাম রোজিনা ইসলাম চুরি করে মোবাইল দিয়ে ফাইল থেকে ছবি নিয়েছেন কিংবা কাগজ নিয়েছেন। নিশ্চয় তিনি চুরি করে রুমে প্রবেশ করেননি। অনুমতি নিয়েই প্রবেশ করেছেন। যিনি প্রবেশের অনুমতি দিয়েছেন তিনিতো জানতেনই রোজিনা ইসলাম একজন ঝানু সাংবাদিক। তারও সতর্ক থাকা দরকার ছিল।

পুরো ঘটনাচক্র দেখে মনে হয়েছে বিষয়টির প্রতিকার অন্যভাবেও করা যেত। এতে সরকার লজ্জিত না হয়ে সাংবাদিকরা লজ্জিত হতেন। রোজিনা ইসলাম হিরো না হয়ে জিরো হয়ে যেত। যখন রোজিনা ইসলামকে ধরেই ফেললেন তখন সুশিক্ষিত একটি পেশার লোকজনের এরকম উদ্ভট আচরণ করা ঠিক হয়নি। ভিডিও দেখে তাই মনে হয়েছে।


আরও পড়ুনঃ


ধ্বংসস্তূপে ওপর দাঁড়িয়ে র‍্যাপ গাইল ফিলিস্তিনি শিশু (ভিডিও)

হাঙ্গর পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রকে জিপিএস হিসেবে ব্যবহার করে

যুদ্ধবিরতির জন্য ফিলিস্তিনিদের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হবে ইসরাইল: হামাস

রোজিনার মুক্তির দাবিতে শাহবাগ থানার সামনে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ


তাদের উচিত ছিল রোজিনা ইসলামকে বসিয়ে রেখে তার অফিস, এবং সাংবাদিক নেতাদের খবর দেয়া। রোজিনা ইসলামের অন্যায়(!) তাদেরকে বিস্তারিত জানানো। বিচারের দায়িত্ব তাদেরকে দিয়ে রোজিনা’র অফিসের জিম্মায় লিখিত নিয়ে তাকে দিয়ে দেয়া। এরপর অফিস ওনার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক কী ব্যবস্থা নেয় সেটার জন্য অপেক্ষা করা। যদি রোজিনার প্রতি ব্যাক্তিগত আক্রোশও থাকে তাহলে প্রেস রিলিজ দিয়ে পুরো বিষয়টি মিডিয়াকেও জানিয়ে দেয়া যেতো। এককাজে অনেক কাজ হয়ে যেতো। সাংবাদিক বান্ধব একটি সরকারকে বিব্রত হতে হতো না, উল্টো সাংবাদিকরা বিব্রত থাকতেন। আজকে যেসব সাংবাদিকরা সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন, তাঁরাই রোজিনা’কে ছি ছি করতেন।

আইনগত বিষয়ে যাওয়ার বিষয়ে এরপরও সিদ্ধান্ত নেয়া যেত।

(এই বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর