কে এই মুফতি হারুন ইজহার?
কে এই মুফতি হারুন ইজহার?

কে এই মুফতি হারুন ইজহার?

অনলাইন ডেস্ক

হেফাজতে ইসলামের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক মুফতি হারুন ইজহার (৪৭)।
তিনি বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরীর বড় ছেলে এবং চট্টগ্রামের লালখান বাজারের জামিয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসার সহকারী পরিচালক।

তার বাবা মুফতি ইজহার চট্টগ্রামের ওই মাদ্রাসার পরিচালক। তিনি এক সময় হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির ছিলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে তার অন্যতম মদদদাতা এই মুফতি ইজহার-এমনটাই
জানিয়েছে র‌্যাব-।

বুধবার রাতে মুফতি ইজাহারকে চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার জামেয়াতুল উলুম আল ইসলামিয়া মাদ্রাসা থেকে আটক করা হয়। র‌্যাব-৭ এর অধিনায়ক লেফট্যান্ট কর্নেল মশিউর রহমান জুয়েল জানান, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সফর ঘিরে দেশের বিভিন্নস্থানে যে নাশকতা হয়েছে, তাতে প্রত্যক্ষভাবে মদদ দেওয়ার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

news24bd.tv

সারা দেশে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার হলেও চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো সংগঠনের একজন কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার হলেন।

২০০৯ সালের নভেম্বরে ওই মাদ্রাসার পেছনের পাহাড় থেকে লস্কর ই তৈয়বার সন্দেহভাজন দুই বিদেশি জঙ্গিসহ গ্রেপ্তার হয়েছিলেন হারুন। ঢাকায় ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে হামলা পরিকল্পনায় জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল তাদের বিরুদ্ধে।  

পরে ২০১৩ সালে ওই মাদ্রাসার ছাত্রাবাসে বড় ধরনের বিস্ফোরণে দুইজনের মৃত্যু হয়। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাজা গ্রেনেডসহ বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় খুলশী থানায় বিস্ফোরক ও এসিড আইনে দুটি মামলা হয়, যাতে মুফতি ইজাহার ও তার ছেলের হারুনকে আসামি করা হয়।

ওই ঘটনায় চট্টগ্রামে বিস্ফোরক ও এসিড আইনে দুটি মামলা হয়, যাতে মুফতি ইজাহার ও তার ছেলে হারুনকে আসামি করা হয়। পরে হারুনকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করে পুলিশ।

এদিকে, বুধবার রাতে আটকের পর হারুনকে নগরের পতেঙ্গা র‍্যাব-৭ কার্যালয়ে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে র‍্যাব। বিকেলে তাকে র‍্যাব কার্যালয় থেকে হাটহাজারী থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে সন্ধ্যার পর আদালতে আনা হয়।  

বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আনজুমান আরার আদালতে হাজির করে পুলিশ ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন জানালে ভার্চুয়ালি শুনানি শেষে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

চট্টগ্রাম জেলা কোর্ট পরিদর্শক হুমায়ুন কবির  বলেন, হাটহাজারী থানার তিন মামলায় ইজাহারকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে তাকে আদালতের নির্দেশে কারাগারে পাঠানো হয়।


ঐতিহাসিক বদর দিবস আজ

ব্রাজিলে করোনায় মৃত্যু ৪ লাখ ছাড়াল

দিল্লির কাছে পাত্তাই পেলো না কলকাতা

করলার পুষ্টিগুণ


হাটহাজারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, তিন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। হারুন ইজাহারের সাত দিন করে রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে। সোমবার শুনানি হতে পারে।

মুফতি হারুনের জঙ্গি সম্পৃক্ততার বিষয়ে এক প্রশ্নে র‌্যাব-৭ অধিনায়ক মশিউর রহমান জুয়েল বলেন, তিনি কোনো জঙ্গি সংগঠনের সাথে জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

news24bd.tv নাজিম