চাঁপাইনবাবগঞ্জের ডিবি’র নির্যাতনে আসামি মৃত্যুর অভিযোগ
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ডিবি’র নির্যাতনে আসামি মৃত্যুর অভিযোগ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ডিবি’র নির্যাতনে আসামি মৃত্যুর অভিযোগ

Other

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি’র নির্যাতনে সানাউল হক বিশ্বাস (৪৪) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নিহত সানাউল হক বিশ্বাস হচ্ছেন জেলার ভোলাহাট উপজেলার চাঁনশিকারী গ্রামের মৃত মুর্শেদ আলী বিশ্বাসের ছেলে।  

ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ভোলাহাটের চাঁনশিকারী গ্রামে। তবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুব আলম খান বলেন, তিনি মাদক মামলার পলাতক আসামি ছিলেন।

তাকে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেপ্তার করতে গেলে দৌড়ে পালানেরা সময় পড়ে সে যায়। এ সময় ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করলে তিনি অসুস্থ্য হয়ে পড়েন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তিনি মারা যান।  

আরও পড়ুন:


স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চালুর দাবিতে বিক্ষোভের ডাক

রওশন এরশাদ হাসপাতালে ভর্তি

মামুনুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা, কথিত দ্বিতীয় স্ত্রীর মেডিকেল টেস্ট

মামুনুলের বিরুদ্ধে ‘কথিত’ স্ত্রী ঝর্ণার ধর্ষণ মামলা


এদিকে নিহত সানাউল হক বিশ্বাসের ছোট ভাই মাসুদ রানা বিশ্বাস মুখ্রবার দুপুরে সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, তার ভাইয়ের নামে কোন মামলা ছিল না এবং তিনি মাদক ব্যবসায়ীও ছিলেন না। তবে তিনি মাদকাসক্ত হয়ে পড়লে তাকে পারিবারিকভাবে কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। এমন অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ডিবি পুলিশ তার ভাই সানাউল হক বিশ্বাসকে আটক করে ব্যাপক নির্যাতন করে।  

এ সময় তিনি পানি চাইলে তাকে পানি না দিয়ে উল্টো তাকে দেখিয়ে ডিবি পুলিশ পানি সেবন করে। পরে তাকে আবারও মারধর করা হলে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হলে সেখান থেকে তাকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিয়ে আসা হয় এবং রাত ৩টার দিকে সানাউল হক মারা গেছেন বলে তারা জানতে পারেন।

এদিকে অভিযোগ উঠেছে ভোলাহাট থানার ওসি বিষয়টি মিমাংসা করার জন্য স্থানীয় কয়েকজন আ.লীগ নেতাকে ম্যানেজ করে মাঠে নামিয়েছেন এবং ম্যানেজকৃত নেতারা নিহত সানাউল হক বিশ্বাসের পরিবারকে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার জন্য চাপ দিচ্ছে।  

এ ব্যাপারে ভোলাহাট উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আ.লীগ নেতা গরীবুল্লাহ দবির জানান, যা হবার হয়ে গেছে বিষয়টি মিটিয়ে যতদ্রুত সম্ভব লাশ দাফনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত (আজ শুক্রবার দুপুর ২টা) লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে রাখা ছিল।  

এর আগে একজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট লাশের সরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন। লাশের হাঁটুতে আগাতের চিহ্ন দেখা গেছে বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন চিকিৎসক জানান।

news24bd.tv / কামরুল