যে ৬ বিভাগে আজও ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে

অনলাইন ডেস্ক

যে ৬ বিভাগে আজও ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে

দেশের ৬ বিভাগ ও বেশ কিছু অঞ্চলে তীব্র দাবদাহ অব্যাহত আছে। কিছু কিছু অঞ্চলে গতকালের বৃষ্টি কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছে। তীব্র দাবদাহ কমেছে সে সব অঞ্চলে। তবে যে সব অঞ্চলে বৃষ্টি হয়নি সে জায়গাগুলো তাপমাত্রা বেড়েছে। 

শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, আজ দেশের দুই অঞ্চল ও ৬ বিভাগে কালবৈশাখী বয়ে যেতে পারে।

সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, কুষ্টিয়া ও যশোর অঞ্চলসহ রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের অন্যান্য এলাকায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন


নাসার ফেলোশিপ অর্জন করলেন বাংলাদেশি তরুণ গবেষক সজীব

খাগড়াছড়ির পানছড়িতে পানিতে ডুবে ভাই-বোনসহ ৩ শিশুর মৃত্যু

চাকরি দেবে ইউনাইটেড হসপিটাল

তাসকিনের জোড়া শিকারের পর তাইজুলের আঘাত, টাইগার শিবিরে স্বস্তি


এদিকে এই ২৪ ঘণ্টা পরবর্তী ৩ দিনে বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলেও আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে।

তাপপ্রবাহের পূর্বভাসে বলা হয়েছে, সীতাকুণ্ড, রাঙ্গামাটি, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও রাজশাহী অঞ্চলসহ ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা কিছু জায়গা থেকে প্রশমিত হতে পারে। দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা বেশি।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৯ পরামর্শ

অনলাইন ডেস্ক

বজ্রপাত থেকে বাঁচতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ৯ পরামর্শ

চলছে বজ্রপাতের ভরা মৌসুম। প্রায় প্রতিদিনই দেশের কোথাও না কোথাও থেকে বজ্রপাতে প্রাণহানির খবর আসছে। গতকাল দেশের ছয় জেলায় ১৮ জনের প্রাণ গেছে বজ্রপাতে। এর মধ্যে নেত্রকোনায় নয়জন, ফরিদপুরে চারজন, মানিকগঞ্জে দুজন এবং সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহে একজন করে মারা গেছেন। 

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এপ্রিল ও মে মাসে দেশে বজ্রপাত তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। এ সময় একটু সাবধানতা অবলম্বন করলেই নিরাপদে থাকা যেতে পারে। এড়ানো যেতে পারে অনাকাঙ্ক্ষিত প্রাণহানি।

বজ্রপাতে প্রাণহানি কমাতে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে ৯টি পরামর্শ রয়েছে।

০১. পাকা বাড়ির নিচে আশ্রয় নিন। ঘন ঘন বজ্রপাত হতে থাকলে কোনো অবস্থাতেই খোলা বা উঁচু জায়গায় না থাকাই ভালো। এ অবস্থায় সবচেয়ে ভালো হয় যদি কোনো দালানের নিচে আশ্রয় নিতে পারেন।

০২. উঁচু গাছপালা ও বিদ্যুতের লাইন থেকে দূরে থাকুন। উঁচু গাছপালা বা বিদ্যুতের খুঁটিতে বজ্রপাতের সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই এসব জায়গায় যাবেন না বা কাছাকাছি থাকবেন না। ফাঁকা জায়গায় কোনো যাত্রী ছাউনি বা বড় গাছ ইত্যাদিতে বজ্রপাত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি থাকে।

০৩. জানালা থেকে দূরে থাকুন। বজ্রপাতের সময় বাড়িতে থাকলে জানালার কাছাকাছি থাকবেন না। জানালা বন্ধ রাখুন এবং ঘরের ভেতর থাকুন।

০৪. ধাতব বস্তু এড়িয়ে চলুন। বজ্রপাত ও ঝড়ের সময় বাড়ির ধাতব কল, সিঁড়ির রেলিং, পাইপ ইত্যাদি স্পর্শ করবেন না। এমনকি ল্যান্ড লাইন টেলিফোনও স্পর্শ করবেন না। বজ্রপাতের সময় এগুলোর সংস্পর্শে এসে অনেকে আহত হন।

০৫. টিভি-ফ্রিজ থেকে সাবধান। বজ্রপাতের সময় বৈদ্যুতিক সংযোগযুক্ত সব যন্ত্রপাতি স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন। টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি বন্ধ করা থাকলেও ধরবেন না। বজ্রপাতের আভাস পেলে আগেই এগুলোর প্লাগ খুলে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন করুন। অব্যবহৃত যন্ত্রপাতির প্লাগ আগেই খুলে রাখুন।

০৬. বজ্রপাতের সময় রাস্তায় গাড়িতে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব বাড়িতে ফেরার চেষ্টা করুন। যদি প্রচণ্ড বজ্রপাত ও বৃষ্টির সম্মুখীন হন তবে গাড়ি কোনো পাকা ছাউনির নিচে নিয়ে যান। এ সময় গাড়ির কাঁচে হাত দেয়া বিপজ্জনক হতে পারে।

০৭. ঝড়-বৃষ্টির সময় রাস্তায় পানি জমতে পারে। বজ্রপাত অব্যাহত থাকলে সে সময় রাস্তায় বের না হওয়াই মঙ্গল। একে তো বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে। উপরন্তু কাছাকাছি কোথাও বাজ পড়লে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও থেকে যায়।


রক্তাক্ত হাত দিয়ে ইতিহাস লিখছেন আপনি: বাইডেনকে এরদোয়ান

নিউইয়র্কে সাঁতার কাটতে গিয়ে প্রাণ গেল বাংলাদেশির

আধাঘণ্টায় গাজার ৬৫টি স্থানে বিমান হামলার দাবি জিলম্যানের

চার ঘণ্টায় গেল ১৮ প্রাণ


০৮. বজ্রপাতের সময় চামড়ার ভেজা জুতা বা খালি পায়ে থাকা খুবই বিপজ্জনক। যদি একান্ত বেরোতেই হয় পা ঢাকা জুতো পড়ে বের হোন। রবারের গাম্বুট এক্ষেত্রে সব থেকে ভালো কাজ করবে।

০৯. বজ্রপাতের সময় রাস্তায় চলাচলের সময় আশেপাশে খেয়াল রাখুন। যেদিকে বাজ পড়ার প্রবণতা বেশি সে দিক বর্জন করুন। কেউ আহত হলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করুন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

দেশের যে অঞ্চলগুলোতে বৃষ্টি হতে পারে আজ

অনলাইন ডেস্ক

দেশের যে অঞ্চলগুলোতে বৃষ্টি হতে পারে আজ

দেশে চলছে তীব্র দাবদাহ। প্রচণ্ড গরমের প্রভাবে আজ দেশের বেশ কিছু অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আজ শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ময়মনসিংহ, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের কয়েকটি জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণ হতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়েছে, যশোর ও খুলনা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। যা আরও বিস্তার লাভ করতে পারে। সারা দেশে তাপমাত্রা এক থেকে দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। আবহাওয়া অফিসের বর্ধিত পাঁচদিনের পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, তাপমাত্রা আরও বাড়তে পারে। পরের দুই দিন বৃষ্টিপাত কমতে পারে।

আরও পড়ুন


ইসরাইলি হামলায় প্রাণ গেল একই পরিবারের ৬ ফিলিস্তিনি শিশুর

ফিলিস্তিনের হামলার প্রতিবাদে এবার ইসরাইলে রকেট হামলা চালালো সিরিয়া

ইসলামি বক্তা মুফতি আমির হামজাকে খুঁজছে পুলিশ

ফিলিস্তিনের ‘আল কাসসাম ব্রিগেডের’ হামলায় নাজেহাল ইসরাইল (ভিডিও)


গতকাল শুক্রবার ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া দেশের সর্বাধিক তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মোংলায় ৩৬ দশমিক পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পাশাপাশি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায় ১৯ দশমিক সাত ডিগ্রি সেলসিয়াস।

গতকাল সর্বাধিক বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছিল সিলেট ও শ্রীমঙ্গলে ৩৯ মিলিমিটার করে। এ ছাড়া কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে ১৩ মিলিমিটার, খুলনায় ১০, রাঙামাটিতে ৯ এবং ভোলায় ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

৮ বিভাগে ভারী বর্ষণসহ শিলাবৃষ্টি হতে পারে

অনলাইন ডেস্ক

৮ বিভাগে ভারী বর্ষণসহ শিলাবৃষ্টি হতে পারে

দেশের ৮ বিভাগে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণসহ বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ ছাড়া আজ বুধবার ও আগামীকাল বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।

আজ বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আরও পড়ুন


ইসরাইলে রাতভর ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের রকেট হামলা

বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত ১৬ কোটি ছাড়াল

শিমুলিয়ায় তিল ধারণের ঠাঁই নেই

দেশে পৌঁছেছে চীনের ৫ লাখ টিকা


দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার থেকে শুরু হয়ে দমকা হাওয়া অস্থায়ীভাবে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বয়ে যেতে পারে।

এ ছাড়া বর্ধিত পাঁচ দিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই সময়ে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কমতে পারে। এদিকে সিনপটিক অবস্থার বিষয়ে বলা হয়েছে- পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিত অংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশ এলাকায় অবস্থান করছে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

ঝুম বৃষ্টিতে ভিজলো রাজধানী

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝুম বৃষ্টিতে ভিজলো রাজধানী

ক’দিন ধরেই বৃষ্টি নামি নামি করছিল রাজধানী ঢাকার আকাশে। এরমধ্যে ভোর বা ভরদুপুরে হুট করে এক পশলা বৃষ্টি ঝরলেও তাতে তাপদাহ কমছিল না কিছুতেই।

অবশেষে মঙ্গলবার (১১ মে) ভোরে রাজধানীকে ভিজিয়ে দিলো ঝুম বৃষ্টি। ভোর সোয়া পাঁচটার দিকে বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টির পাশাপাশি বয়ে গেছে ঝড়ো হাওয়া।

ভ্যাপসা গরমের পর প্রায় ৪৫ মিনিটের এই বৃষ্টি নগর জীবনে স্বস্তি নিয়ে আসে।  তুমুল বৃষ্টিপাতের কারণে আলোর স্বল্পতায় হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে দেখা যায় যানবাহনকে। অনেক এলাকায় সড়কে জমেছে পানি।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

উত্তরাঞ্চলে তীব্র কালবৈশাখীর আশঙ্কা, হুঁশিয়ারি সংকেত

অনলাইন ডেস্ক

উত্তরাঞ্চলে তীব্র কালবৈশাখীর আশঙ্কা, হুঁশিয়ারি সংকেত

দেশের উত্তরাঞ্চলে তীব্র কালবৈশাখী ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে দুই নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

সোমবার (১০ মে) রাতে এক পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, ময়মনসিংহ অঞ্চলের উপর দিয়ে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে অস্থায়ীভাবে বজ্রসহ বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে দুই নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া রাজশাহী, পাবনা, যশোর, কুষ্টিয়া, ঢাকা, ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজারের উপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিকে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া আকারে ৪৫ থেকে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে এক নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ মো. আরিফ হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, বর্তমানে লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর