আজো নারীকে পৃথক অস্তিত্ব বলে মানতে চায় না : তসলিমা নাসরিন

অনলাইন ডেস্ক

আজো নারীকে পৃথক অস্তিত্ব বলে মানতে চায় না : তসলিমা নাসরিন

আজও নারীকে মানুষ পৃথক অস্তিত্ব বলে মানতে চায় না বলে অভিযোগ করেছেন নির্বাসিত লেখক তসলিমা নাসরিন। সামজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে তিনি এই অভিযোগ করেন। news24bd.tv এর পাঠকদের জন্য তসলিমা নাসরিনের স্টেটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো। তিনি লিখেছেন: 

 ‘লক্ষ করেছি কোনও বয়স্ক লোকের মৃত্যু হলে তাঁর বয়স্ক জীবিত স্ত্রী নিয়ে মানুষ বেশ দুঃখ করে। এখন খুব একা বোধ করবেন, বড় একা হয়ে গেলেন! তাঁর বেঁচে থাকার উৎসব না করে তাঁর বেঁচে থাকা নিয়ে চুকচুক দুঃখ শুরু হয়ে যায়। জীবন উপভোগ করার জন্য শুভকামনা না জানিয়ে তাঁর একাকীত্বের কথা ভেবে অন্যকে হাহাকারই করতে শুনি। 

তারপর, লক্ষ করেছি, সেই বয়স্ক মহিলাটির মৃত্যু যদি হয়, স্বামীর মৃত্যু হওয়ার পর পরই, লোকেরা দুঃখ করে না, বরং হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। আহ, একা একা তাঁকে আর কষ্ট করতে হলো না। কেউ কেউ বলেন, ওপরে উনি একা ছিলেন, এবার ইনি যাওয়ার পর মিলিত হলেন দুজন। কেউ আর একা নন। 

আরও পড়ুন:


স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চালুর দাবিতে বিক্ষোভের ডাক

রওশন এরশাদ হাসপাতালে ভর্তি

মামুনুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা, কথিত দ্বিতীয় স্ত্রীর মেডিকেল টেস্ট

মামুনুলের বিরুদ্ধে ‘কথিত’ স্ত্রী ঝর্ণার ধর্ষণ মামলা


মানুষ যতই সহমরণকে ওপরে ওপরে মন্দ বলুক, সহমরণের জন্য নিভৃতে একধরণের পক্ষপাত আছে। বৈধব্যের যন্ত্রণা সহ্য করার চেয়ে স্বামীর প্রস্থানের সঙ্গে সঙ্গে স্ত্রীও প্রস্থান করুন- মনে মনে মানুষ এমনই চায়। 

আজও নারীকে মানুষ পৃথক অস্তিত্ব বলে মানতে চায় না। তাঁর জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত যে স্বামীর অনুপস্থিতিতেও মূল্যবান, তা মানতে চায় না। স্বামীকে ভালোবাসলেও স্বামীর মৃত্যুর পরও যে একজন নারী চমৎকার উপভোগ করতে পারেন জীবন, তা মানুষ আজও মানতে চায় না।’

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্য বিভাগের পিয়ন থেকে শুরু করে ওপরের সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক

একরামুল হক

স্বাস্থ্য বিভাগের পিয়ন থেকে শুরু করে ওপরের সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক

আপনারা কি জানেন, এবারের এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় ঢাকার নামিদামি কলেজের শিক্ষার্থীদের প্রাপ্ত নম্বর থেকে ১৪/১৫ নম্বর কমিয়ে দেওয়া হয়েছে?

কারা কমিয়েছে, জানেন? স্বাস্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, যারা ভর্তি পরীক্ষার আয়োজক। কেন কমিয়েছে, জানেন? ঢাকার বেসরকারি মেডিকেল কলেজগুলোকে লাভজনক করে দিতে।

মানে, লাখ লাখ টাকা খরচ করে বেসরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তি হবে চান্স না পাওয়া নামিদামি কলেজের শিক্ষার্থীরা। যদিও ভুক্তভোগীরা হাইকোর্টে গিয়েছেন।


আরও পড়ুনঃ


ধ্বংসস্তূপে ওপর দাঁড়িয়ে র‍্যাপ গাইল ফিলিস্তিনি শিশু (ভিডিও)

হাঙ্গর পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রকে জিপিএস হিসেবে ব্যবহার করে

যুদ্ধবিরতির জন্য ফিলিস্তিনিদের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হবে ইসরাইল: হামাস

রোজিনার মুক্তির দাবিতে শাহবাগ থানার সামনে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ


দেশের সবচেয়ে করাপ্ট জায়গা হচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ। সেখানকার পিয়ন থেকে শুরু করে ওপরের সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক। এরা দানব। দানবের দমন কি এত সহজে হবে?

একরামুল হক, সাংবাদিক (ফেসবুক থেকে নেওয়া)

(এই বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

আমলাতন্ত্রের দম্ভের হাত সাংবাদিক সমাজের গলা ধরেছে

পীর হাবিবুর রহমান

আমলাতন্ত্রের দম্ভের হাত সাংবাদিক সমাজের গলা ধরেছে

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে সচিবালয়ে আটকে রাখা হয়

রোজিনা ইসলাম একজন জাত রিপোর্টার। তার মতোন রিপোর্টার একালে মিলেনা। তার একেকটি তরতাজা রিপোর্টের পেছনে মেধা ধৈর্য আর পরিশ্রম থাকে।

চমকে দেয়া সব খবর আনতেন বের করে। আমার অনুজ ছোটবোন রোজিনাকে নিয়ে গর্ব করতেই পারি। কিন্তু সোমবার স্বাস্থ্য সচিবের দফতরে গেলে পিএসের রুমে তাকে আটকে রেখে যেভাবে নাজেহাল করে রাতে তথ্য চুরির দায়ে থানায় নিয়ে মামলা করা হয়েছে তা নজিরবিহীন।

একজন কর্মকর্তা তার গলা চেপে ধরেছেন। সে অসুস্থ হলেও হাসপাতালে নেয়া হয়নি।গলাটি রোজিনার নয়, আমলাতন্ত্রের দম্ভের হাত সাংবাদিক সমাজের গলা ধরেছে।

পেশাদারিত্বের কন্ঠ চেপেছে ঔদ্ধত্য নিয়ে। দেশের স্বাস্হ্যখাতের ভয়াবহ দুর্নীতির কথা দেশ জানে। জানেনা কেবল স্বাস্থ্য সচিবের দফতরে কি ছিলো যা রোজিনা প্রকাশ করতে চেয়েছিলেন? 


যুদ্ধবিরতির জন্য ফিলিস্তিনিদের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হবে ইসরাইল: হামাস

রোজিনার মুক্তির দাবিতে শাহবাগ থানার সামনে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ

আরশের ছায়াতলে আশ্রয় পাবেন যে সাত ব্যক্তি


দলকানা সুবিধাভোগী চেনা সাংবাদিকরাই পেশাদারদের পথ শ্বাপদশংকুল করেছেন।আমলারা বাজাচ্ছেন সরকারের বারোটা। এ ঘটনায় আমি বাকরুদ্ধ। কেবল বলছি রোজিনার মুক্তি চাই। যারা তাকে আটকে হেনস্তা করেছে তাদের বিচার চাই।

পীর হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক  (ফেসবুক থেকে নেওয়া)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ডাকাতদের শলাপরামর্শে সময় লেগেছে বলেই রোজিনাকে সচিবালয়ে আটকে রাখা হয়েছিল

রাজীব নূর

ডাকাতদের শলাপরামর্শে সময় লেগেছে বলেই রোজিনাকে সচিবালয়ে আটকে রাখা হয়েছিল

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে সচিবালয়ে আটকে রাখা হয়

এই কাজী বেগমের ধনসম্পদ নিয়ে বিস্তর কথা লেখা হচ্ছে। সেই সব আমার জানা নেই। তবে তিনি যে একার সাহসে কাণ্ডটা করেননি, এটা জানার জন্য জ্যোতিষী হওয়ার দরকার নেই। তাঁর পেছনে বড় বড় সব ডাকাত আছেন। ডাকাতদের শলাপরামর্শে সময় লেগেছে বলেই রোজিনাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সচিবালয়ে আটকে রাখা হয়েছিল।

অবশেষে রাতে শাহবাগ থানায় মামলা করা হয়েছে। এজাহারে রোজিনা ইসলামের বিরুদ্ধে ১৮৬০ সালের দণ্ডবিধির ৩৭৯ ও ৪১১ ধারায় এবং ১৯২৩ সালের অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের ৩ ও ৫ ধারায় গুপ্তচরবৃত্তি আর রাষ্ট্রের গোপন নথি নিজ দখলে রাখার অভিযোগ আনা হয়েছে। আর অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে বলা আছে, যদি কেউ নিষিদ্ধ স্থানে যায়, আর কোনো গোপন তথ্য সংগ্রহ বা প্রকাশ করে তাহলে তিনি অপরাধী হবেন। এসব ধারায় সর্বোচ্চ তিন বছর সাজার বিধান রয়েছে।

এই তো চাই, ডাকাতদলের ডাকাতির তথ্য বের করে আনার নাম গুপ্তচরবৃত্তি। সত্যিকারের রিপোর্টার যারা তাদের মোবাইল ফোনগুলো জব্দ করা হলে এমন আরও অনেক গুপ্তচর পাওয়া যাবে। তথ্য পাওয়া যে দেশে দুরূহ করে রাখা হয়, সেখানে নথিপত্র চুরি করা ছাড়া অন্য উপায় কি আছে?

সাংবাদিকদের অন্য সংগঠনগুলো কি করবে জানি না। রিপোর্টারদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সব সদস্যের বলা উচিত, 'আমি একজন রিপোর্টার, জীবনে অনেক বার তথ্য চুরি করে প্রকাশ করেছি, একই অপরাধে রোজিনাকে জেলে আটকে রাখা হলে আমাকেও জেলে নেওয়া হোক।'

ফুটনোট : শাহবাগ থানা ঘুরে বাসায় ফেরার পর তনুজা বলল, 'তোমার মেয়েকে ডাক্তার রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাবার পরামর্শ দিয়েছেন।'


যুদ্ধবিরতির জন্য ফিলিস্তিনিদের শর্ত মেনে নিতে বাধ্য হবে ইসরাইল: হামাস

রোজিনার মুক্তির দাবিতে শাহবাগ থানার সামনে সাংবাদিকদের বিক্ষোভ

আরশের ছায়াতলে আশ্রয় পাবেন যে সাত ব্যক্তি

নিয়োগ দেবে এসিআই


আমাদের মেয়ে অপার সর্বজয়াকে নিয়ে বিকেলে ডাক্তারের কাছে গিয়েছিল ওর মা তনুজা আকবর। অপার ডাক্তারকে বলেছে, 'বাবা বাসায় না ফিরলে আমি ঘুমাতে পারি না।'

রোজিনার বাচ্চাটা কি ঘুমিয়েছে আজ?

এই সব সাত-সতেরো ভাবনায় ঘুম এলো না আমার। নির্ঘুম রাতযাপন শেষে মনে হলো, দুই যুগের বেশি সাংবাদিকতা জীবনে সাংবাদিকতার এমন খারাপ সময় আর দেখিনি আমি।

রাজীব নূর, বিশেষ প্রতিনিধি, সমকাল (ফেসবুক থেকে নেওয়া)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

চাপাবাজিকে সম্বল করে এরদোয়ান মুসলিম বিশ্বের নেতা

ডা. আমিনুল ইসলাম

চাপাবাজিকে সম্বল করে এরদোয়ান মুসলিম বিশ্বের নেতা

১. ইসরাইলের সাথে তুরস্কের বিরাট অংকের ব্যবসা-বাণিজ্য আছে, সেটা চলছে  চলবে এবং দিন দিন বাড়বাড়ন্ত। গাজায় হামলার জন্য এরদোয়ান কিন্ত বলে নাই ইসরাইলে সে কোন কিছু আমদানি-রপ্তানি কমিয়ে দেবে বা বন্ধ করবে। ইজরাইলি সৈন্যদের মিলিটারি বুট এবং ইউনিফর্মগুলি তুরস্কের সাপ্লাই করা।
এরদোয়ান ভালো করেই জানে practically যাই করুক মুসলিমদের পক্ষে একটু তর্জন গর্জন করলেই, তাদের ইমোশনে একটু ঘুটা দিতে পারলেই এই আবেগি জাতি তাকে নেতা হিসাবে মেনে নেবে, বাঘ নামে ভূষিত করবে।

২. এরদোয়ানের স্ত্রী রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাথায় হাত বুলিয়ে কান্নাকাটি করে পুরো মুসলিম বিশ্বের হৃদয় জয় করে নিয়েছিল বিশেষ করে বাংলাদেশের মুসলমানদের। আয়রনি হলো কোন রোহিঙ্গাকে তুরস্ক আশ্রয় দিতে নিয়ে যায়নি। ইউরোপ, উত্তর আমেরিকার কিছু নন মুসলিম দেশে কিছুসংখ্যক রোহিঙ্গা কিন্তু ঠিকই আশ্রয় পেয়েছে। আর যা করার তা তো বাংলাদেশ ই করলো।

৩. বছর কয়েক আগে মুসলিম গণহত্যায় আইএসের নিষ্ঠুরতার কথা কারো ভুলে যাবার কথা নয়।
তারা যখন ইরাক সিরিয়ায় নিষ্ঠুরভাবে মুসলিমদের হত্যা করছিল, ইয়াজিদি নারীদেরকে ফতোয়া জারি করে বৈধ গণিমতের মাল হিসাবে উপভোগ করতে ছিল- এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, হ্যাশট্যাগতো দূরের কথা উল্টো IS এ যোগদানের জন্য বাংলাদেশসহ সারা বিশ্ব থেকে মুসলিম যুবক যুবতীরা তুরস্ক হয়ে ইরাক-সিরিয়া যাচ্ছিল।

এই আইএস ইজরাইল তুরস্কের সীমানা পর্যন্ত চষে বেড়িয়েছিল কিন্তু এ দুটি দেশে একটা পাথরও কখনো ছুড়ে মারেনি (আমি বলছি না পাথর ছোড়াটা উচিত ছিল, just IS এ join করা, তাতে যোগ দিতে ইচ্ছুক ছিল এমন বলদ গুলির insight কে প্রশ্ন করার জন্য বললাম)।

৪. আইএসের কাছ থেকে কম দামে চোরাই তেল ক্রয় করে বাণিজ্যিক ভাবে লাভবান হয়েছে এই এরদোয়ান, এই তুরস্ক। 
 ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পরে  ধীরে ধীরে নিস্তেজ হয়ে যায় IS। ইরাক-সিরিয়ার সৌভাগ্য আরব বসন্তের নাটের গুরু ওবামা ও হিলারি দৃশ্যপট থেকে বিদায় নিয়েছিল।

৫. এতকিছুর পরও শুধু তর্জন-গর্জন ও চাপাবাজিকে সম্বল করে এরদোয়ান মুসলিম বিশ্বের নেতা। তার fake হুংকারকে তুলনা করা হয় বাঘের গর্জনের সাথে। কেমন করে যেন সে বাংলার মুসলিমদের নমস্য।

ডা. আমিনুল ইসলাম

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

রোজিনাকে সচিবালয়ে আটকে রেখে মারধর

জ. ই. মামুন, সিনিয়র সাংবাদিক

রোজিনাকে সচিবালয়ে আটকে রেখে মারধর

করোনা ভ্যাকসিন সংক্রান্ত সরকারি নথি চুরির অভিযোগে প্রথম আলোর অনুসন্ধানী সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে সচিবালয়ে আটকে রেখে মারধর করার পর তাকে পুলিশ হেফাজতে শাহবাগ থানায় নেয়া হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। 

একজন সাংবাদিক হিসেবে আমি এর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। তথ্য মন্ত্রণালয়সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিষয়টি শান্তিপূর্ণ সমাধান করার দাবি জানাই।

জ. ই. মামুন, সিনিয়র সাংবাদিক

news24bd.tv/আলী

 

পরবর্তী খবর