‘লকডাউন’ থেকে বের হতে ১০ সুপারিশ বিশেষজ্ঞদের

অনলাইন ডেস্ক

‘লকডাউন’ থেকে বের হতে ১০ সুপারিশ বিশেষজ্ঞদের

করোনার সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউন শেষ হলেই এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের সংক্রমণ সহসাই কমছে না। প্রতিদিনই বাড়ছে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। লকডাউনের শুরুর দিকে গত ৫ এপ্রিল থেকে  প্রথম এক সপ্তাহ একরকম ঢিলেঢালাভাবে তা চলে। পরে ১৪ এপ্রিল থেকে ‘সর্বাত্মক লকডাউনের’ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ সময় আরোপ করা হয় কঠোর বিধিনিষেধ। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী এই লকডাউন চলবে আগামী ৫ মে পর্যন্ত। 

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে লকডাউন কিংবা কঠোর বিধিনিষেধ পদ্ধতিকে সবচেয়ে কার্যকর মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে লকডাউনের মতো একটি বিষয় দীর্ঘদিন চালিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়।  তাই লকডাউন শেষ হলে সরকার ও জনসাধারণের করণীয় কী সেসব বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। লকডাউন তুলে নিলেও সংক্রমণ যাতে না বাড়ে সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে 'লকডাউন' থেকে বেরিয়ে আসার একটি কৌশল ঠিক করেছে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটি। এ সংক্রান্ত সুপারিশগুলো ইতোমধ্যে সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

এই কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছেন, দীর্ঘমেয়াদি কৌশল হিসেবে ১০টি সুপারিশ করেছেন তারা। এসব পদক্ষেপ না নিয়ে একসঙ্গে সবকিছু খুলে দিলে আবারও সংক্রমণ বাড়তে পারে এবং সংক্রমণ লাগামছাড়া হয়ে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।

সুপারিশগুলো হলো:

১. অবশ্যই মুখে মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। ঘর থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যেন মুখে মাস্ক থাকে। যেখানে ভাইরাসের ঘনত্ব বেশি যেমন: গণপরিবহন, সুপার মার্কেট, বাজার, ব্যাংক, হসপিটাল- এসব জায়গায় কেউ মাস্ক ছাড়া যেতে পারবে না। মাস্ক না পরলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা থাকতে হবে।

২. অফিসে উপস্থিতি অর্ধেক করার প্রস্তাব করেছে জাতীয় পরামর্শক কমিটি। তবে উপস্থিতি এক-তৃতীয়াংশ হলে ভালো হয়। অফিসগুলোতে ভার্চুয়াল মিটিংকে উৎসাহ দিতে হবে। অফিসগুলোতে যেন দলবেঁধে খাওয়া-দাওয়া না চলে। সবাই যেন আলাদাভাবে তাদের খাওয়া সম্পন্ন করে।

৩. গণপরিবহন যেন তাদের সক্ষমতার ৫০ ভাগ যাত্রী বহন করে। এই নিয়ম দীর্ঘদিনের জন্য চালু থাকতে হবে। এ ছাড়া প্রাইভেটকার এবং তিন চাকার যান্ত্রিক বাহন (সিএনজি অটোরিকশা) একজন করে যাত্রী বহন করবে। তবে পরিবারের সদস্য হলে দুইজন বহন করতে পারে। অবশ্য রিকশা, মোটরসাইকেল এবং বাইসাইকেলে কোনো সমস্যা নেই।

৪. খাবারের দোকান, মুদি দোকান, মার্কেট এবং শপিংমল দিনের লম্বা সময়ের জন্য খোলা রাখা। স্বল্প সময়ের জন্য খোলা রাখলে মানুষের চাপ বাড়ে এবং সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হয়। বেশি সময় যাবত খোলা থাকলে মানুষের ভিড় কম হবে। কাঁচা বাজারগুলো উন্মুক্ত জায়গায় পরিচালনা করতে হবে। রেস্টুরেন্টে বসে খাওয়া যাবে না। হোম ডেলিভারি সার্ভিসকে উৎসাহ দিতে হবে।

৫. জনসমাবেশ কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। মসজিদ, মন্দির এবং চার্চে যাতে ভিড় না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রার্থনায় সীমিত সংখ্যক মানুষ যেতে পারবে। এ ছাড়া রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ বন্ধ রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। যদি করাও হয় তাতে ১০ জনের বেশি মানুষ থাকতে পারবে না।

৬. যারা দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে জীবিকা নির্বাহ করে তাদের কাজ চালিয়ে নেওয়া যাবে। নিয়োগকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের শারীরিক দূরত্ব এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

৭. কলকারখানার প্রবেশ মুখে শ্রমিকদের জন্য স্যানিটাইজেশন ব্যবস্থা রাখতে রাখবে, যাতে করে তারা জীবাণুমুক্ত হয়ে কারখানায় প্রবেশ করতে পারে। কারখানার ভেতরে মাস্ক পরে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করতে হবে।

৮. যতদিন পর্যন্ত পরিস্থিতির উন্নতি না হয় ততদিন পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে। অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমকে উৎসাহ দিতে হবে।

৯. বিনোদন এবং পর্যটন কেন্দ্রগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ রাখতে হবে। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত পর্যটন কেন্দ্র খোলা যাবে না।

১০. আইসোলেশন, কন্টাক্ট ট্রেসিং এবং কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে। এ ছাড়া ভ্যাকসিন কার্যক্রম চলমান রাখতে হবে। সংক্রমণ রোধ করার জন্য এটা ভীষণ প্রয়োজন। বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের ক্ষেত্রে কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে যারা আসবেন তাদের দ্রুত খুঁজে বের করে আইসোলেশন নিশ্চিত করতে হবে। টেস্ট করার সুবিধা বাড়াতে হবে। টেস্টিং সেন্টারগুলোতে যাতে ভিড় না হয় সেজন্য সেন্টারের সংখ্যা বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। খবর বিবিসি বাংলা

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি

অনলাইন ডেস্ক

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি

করোনা ভাইরাসের কারণে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে বন্ধ রয়েছে। চলতি মে মাসের ২৪ তারিখ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তা বাড়িয়ে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে। 

এরপরও ২৯ মে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব নয় বলে শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সোমবার (১৭ মে) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের ভার্চুয়াল সভা শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

কবে নাগাদ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তবে চূড়ান্ত কোনো তারিখ নিয়ে কথা হয়নি।

তিনি আরও বলেন, দেশে ভ্যাকসিন দেওয়া শুরু হয়েছে। ভ্যাকসিন কার্যক্রম চলমান রাখতে বিভিন্ন দেশ থেকে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে। ফলে শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া সম্ভব হবে।

সচিব বলেন, স্কুল-কলেজ খোলার বিষয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। সবারই একটা বক্তব্য- আগে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংস্কারের কাজ করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সংস্কারে সরকার নির্দেশনা দিয়ে দিয়েছে। ৪৯টি ইউনিভার্সিটি বা কলেজগুলোর যে হোস্টেলগুলো আছে সেগুলো অলরেডি ৪০টির মতো সংস্কার হয়ে গেছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভ্যাকসিন আসছে। যদি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের ভ্যাকসিন দিয়ে দিতে পারি তারপরে ইনশাল্লাহ তাড়াতাড়ি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে পারব।

সরকারের সর্বশেষ ঘোষণায় বলা হয়, মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে বিশ্ববিদ্যালয় এবং মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ২৯ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ সময়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

দেশে করোনার যে চারটি ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে

অনলাইন ডেস্ক

দেশে করোনার যে চারটি ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে

বাংলাদেশে ২০০ জন কোভিড-১৯ রোগীর নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং করে চারটি ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে নিশ্চিত করেছে জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)।

সোমবার (১৭ মে) আইইডিসিআরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশে এখন পর্যন্ত পাওয়া চারটি ভ্যারিয়েন্টগুলোর মধ্যে রয়েছে- বি.১.১.৭ (ইউকে ভ্যারিয়েন্ট), বি.১.৩৫১ (সাউথ আফ্রিকা ভ্যারিয়েন্ট), বি.১.৫২৫ (নাইজেরিয়া ভ্যারিয়েন্ট), এবং বি.১.৬১৭.২ (ইন্ডিয়া ভ্যারিয়েন্ট)।

সম্প্রতি জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর), আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) এবং ইনস্টিটিউট ফর ডেভেলপিং সায়েন্স অ্যান্ড হেলথ ইনিশিয়েটিভস (আইদেশি) যৌথভাবে গবেষণা করে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করেছেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আক্রান্ত রোগীদের সবাই বিগত ১ থেকে ২৫ এপ্রিলের মধ্যে পাশের দেশ ভারতে চিকিৎসার জন্য ভ্রমণ করেছেন। এ ছয়জনের মধ্যে তিনজন একই পরিবারের সদস্য। ছয়জনের বয়স ৭ থেকে ৭৫ বছরের মধ্যে। 

এরা সবাই এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন এবং বিভিন্ন হাসপাতালে আইসোলেশনে ছিলেন। এদের মধ্যে একজন বয়স্ক ব্যক্তি ক্যানসারসহ অন্যান্য জটিল রোগে ভুগছিলেন এবং পরবর্তীতে তিনি মারা যান।

যে ছয়জনের শরীরের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে তারা ভারতের চেন্নাই, বেঙ্গালুরু, হরিয়ানা ও পশ্চিমবঙ্গে চিকিৎসার জন্য ভ্রমণ করেছিলেন বলে জানানো হয়।

দেশে শনাক্ত হওয়া এই ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের সিকোয়েন্স বৈশ্বিক ডাটাবেজ জিআইএসএআইডিতে জমা দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

আইইডিসিআর জানায়, বাংলাদেশে কোভিডের ইন্ডিয়া ভ্যারিয়েন্টের উপস্থিতি শনাক্তে আইইডিসিআর কাজ করছে।

ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ভ্যারিয়েন্ট অফ কনসার্ন (VOC) হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। এ ভ্যারিয়েন্ট বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৪৪টি দেশে শনাক্ত হয়েছে।

পরবর্তী খবর

দূরপাল্লার বাস-লঞ্চ-ট্রেন চলবে কিনা সিদ্ধান্ত আগামী সপ্তাহে

অনলাইন ডেস্ক

দূরপাল্লার বাস-লঞ্চ-ট্রেন চলবে কিনা সিদ্ধান্ত আগামী সপ্তাহে

বন্ধ থাকা দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ, ট্রেন চলাচলের অনুমতির বিষয়ে সিদ্ধান্ত সপ্তাহখানেক দেখে তারপর নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

সোমবার ভার্চ্যুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠক শেষে সচিবালয়ে ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকের সভাপিত্ব করেন।

এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে জানান, দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ, ট্রেন আরও কিছু দিন বন্ধ রাখার সুপারিশ করবেন।
এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, দেখা যাক, ৫-৬ দিন যাক তারপর কী অবস্থা হয়। ইন্ডিয়ার অবস্থাটা দেখতে হবে। আমাদের এখন মেইন কনসার্ন হলো ইন্ডিয়ার অবস্থা। একটা সুবিধা হয়ে গেছে যে ওয়েস্টবেঙ্গল বা ইস্টার্নে তারা লকডাউন দিয়ে দিয়েছে। তাতে আমাদের একটা ন্যাচারাল প্রটেকশন তৈরি হয়েছে। এখন বর্ডার কন্ট্রোল করতে পারছি। আগামী সাতদিন যাক, সাতদিন পর একটা সিনারিও আসবে তখন দেখা যাবে।

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে ১৭ থেকে ২৩ মে বিধিনিষেধ বাড়ানো হয়েছে। এই সমেয় দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ, ট্রেন বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে জেলার ভেতরে বাস চলাচল করছে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

করোনায় মৃত্যু বাড়ল, শনাক্ত একদিনেই দ্বিগুণ

অনলাইন ডেস্ক

করোনায় মৃত্যু বাড়ল, শনাক্ত একদিনেই দ্বিগুণ

বিশ্বব্যাপী তাণ্ডব চালানো ভাইরাস করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। যা গত দিনের চেয়ে বেশি। একই সময়ে আরও ৬৯৮ জনের শরীরে শনাক্ত হয়েছে।

আজ সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জানা গেছে, গতকাল ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছিল ২৫ জনের। শনাক্ত হন ৩৬৩ জন।

বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

‘দেশে ঢুকল’ করোনার ভারতীয় ভেরিয়েন্ট, প্রাণ গেল একজনের

অনলাইন ডেস্ক

‘দেশে ঢুকল’ করোনার ভারতীয় ভেরিয়েন্ট, প্রাণ গেল একজনের

বিশ্বব্যাপী তাণ্ডব চালানো অতিমারি ভাইরাস করোনার ভারতীয় ভেরিয়েন্টে অবশেনে দেশে ঢুকে পড়ল। ইতিমধ্যে  ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে। যা দেশে প্রথম।

সূত্র জানায়, ভারতে চিকিৎসা শেষে দেশ ফিরে কোয়ারেন্টাইনে থাকা অবস্থায় মারা যাওয়া দুই ক্যান্সার আক্রান্ত রোগীর একজন করোনার ভারতীয় ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত ছিলেন।

সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)।

প্রতিবেশী দেশ ভারতে সংক্রমণের তুঙ্গে থাকা করোনাভাইরাসের ‘ভারতীয় ভেরিয়েন্ট’ গত ৮ মে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে শনাক্ত হয়।

ভারতফেরত ছয়জনের শরীরে এই ভেরিয়েন্ট শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছিল আইইডিসিআর।

বেশ কিছুদিন ধরে সরকার ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা করোনার ভারতীয় ভেরিয়েন্ট সম্পর্কে সতর্ক করে আসছিল।

বলা হচ্ছিল, এই ভেরিয়েন্ট দেশে ঢুকলে বিপদ অনেক বেশি হবে। এরই মধ্যে দেশে ঢুকে পড়েছে এই ভেরিয়েন্ট। প্রথমবারের মতো মৃত্যুও ঘটল এই ভেরিয়েন্টে আক্রান্ত রোগীর। এতে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা আরও বেড়ে গেল।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর