ফরিদপুরে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের শিকার

অনলাইন ডেস্ক

ফরিদপুরে স্কুলছাত্রী ধর্ষণের শিকার

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায় সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে ওই স্কুলছাত্রী প্রতিদিনের ন্যায় উপজেলার আলফাডাঙ্গা সদর ইউনিয়নের জাটিগ্রাম বাড়ির পাশে পুকুরে গোসল করার সময় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় শনিবার (১ মে) ওই ছাত্রীর মামা বাদি হয়ে আলফাডাঙ্গা থানায় দুই সন্তানের জনক মো. সুমন মোল্যা (২৫) নামে এক যুবককে একমাত্র আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯(১) ধারায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নম্বর-০১। আসামি সুমন মোল্যা আলফাডাঙ্গা উপজেলার সদর ইউনিয়নের জাটিগ্রামের শের আলী মোল্যার ছেলে।

থানা সূত্রে জানা যায়, আলফাডাঙ্গা উপজেলার সদর ইউনিয়নের জাটিগ্রাম মামা বাড়ি থেকে সপ্তম ওই ছাত্রী পড়ালেখা করে। শুক্রবার বিকেলে মামা বাড়ির পাশে প্রতিদিনের ন্যায় সে একটি পুকুরে গোসল করতে যায়। এ সময় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওঁত পেতে থাকা সুমন মোল্যা পুকুরের দক্ষিণ পাশ থেকে কিশোরীকে পিছন থেকে গামছা দিয়ে মুখ চেপে ধরে পাশের একটি ঘাস খেতে নিয়ে যায়। 

এরপর সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে ফেলে রেখে চলে যায়। পরে ওই ছাত্রী বাড়িতে পৌঁছে অসুস্থ হয়ে পড়লে মামা-মামীর নিকট বিষয়টি খুলে বলে। পরিবারের লোকজন তার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ দেখতে পেয়ে দ্রুত আলফাডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। 

সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থার অবনতি দেখতে পেয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। বর্তমানে ওই ছাত্রী সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

মামলার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে আলফাডাঙ্গা থানার ওসি মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ওই ছাত্রী বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় ভিকটিমের মামা বাদী হয়ে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। আসামিকে গ্রেপ্তারের জোর চেষ্টা চলছে।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

ভরাট গলায় ভাব নিয়ে ফোন, অবশেষে ধরা ভুয়া এমপি

অনলাইন ডেস্ক

ভরাট গলায় ভাব নিয়ে ফোন, অবশেষে ধরা ভুয়া এমপি

‘আমি এলাকার এমপি বলছি। একটা কাজে ফোন করেছি। কাজটি করে দেবেন।' আদৌ তিনি এমপি নন। কিন্তু ভরাট গলায় ভাবটা ভালোই নিতেন। 

শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাতে ধরা খেলেন ভুয়া এমপি। তার সাথে ছিল আরেক নারী সহযোগীও। ময়মনসিংহ ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছেন তারা।

প্রতারক এমপির নাম জহির উদ্দিন বাবুল (৫৫)। ডিবি পুলিশ তাকে ঢাকার ফকিরাপুল এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে। আটক নারীর নাম গুলশান আরা বেগম। তার বাড়ি নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার সাহুদকোনা গ্রামে।

ডিবির ওসি শাহ কামাল জানান, চাকরির কথা বলে আটককৃত নারী গুলশান আরা বেগম চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে ব্যাংকের চেক নিতেন। আর জহির উদ্দিন বাবুল এমপি পরিচয়ে বিভিন্ন জায়গায় তদবির করতেন। সম্প্রতি ময়মনসিংহে একাধিক ব্যক্তি এদের হাতে প্রতারিত হওয়ার পর পুলিশের কাছে অভিযোগ করে। পরে ডিবি পুলিশ চক্রটিকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে।

কোতোয়ালি থানায় এ বিষয়ে গতকাল বুধবার একটি মামলা দায়ের হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। প্রতারণার শিকার একজন চাকরিপ্রার্থী বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

আরও পড়ুন:


রমনার বটমূলে বোমা হামলা: ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি ২৪ অক্টোবর

নুসরাতের ‘প্রাক্তন স্বামী’ নিখিলের সঙ্গে দুই নায়িকার প্রেমের গুঞ্জন

রহস্যের জট খুলছে, একাই বাবা-মা-বোনকে হত্যা করে মেহজাবিন‍!

ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট বেনিগনো অ্যাকুইনো মারা গেছেন


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

রহস্যের জট খুলছে, একাই বাবা-মা-বোনকে হত্যা করে মেহজাবিন‍!

অনলাইন ডেস্ক

রহস্যের জট খুলছে, একাই বাবা-মা-বোনকে হত্যা করে মেহজাবিন‍!

রাজধানীর কদমতলীতে একই পরিবারের তিনজনকে হত্যার রহস্য এখনও পুরোপুরি উৎঘাটন হয়নি। এই হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে রহস্য বেড়েই চলেছে। মেহজাবিন ইসলাম মুন এই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করলেও স্বজন এবং মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, হত্যার পেছনে তার স্বামী শফিকুল ইসলামের বড় ভূমিকা থাকতে পারে।

গতকাল বুধবার রিমান্ডের দ্বিতীয় দিনে শফিকুল ঘটনার সময় অসুস্থ থাকার কথা বললেও তার পরকীয়া এবং শ্বশুরের সম্পত্তির ওপর নজরের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ কারণেই তাকে বারবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

মেহজাবিন একা বাবা-মা ও বোনকে পরিকল্পিতভাবে খুন করেছেন - স্থানীয়রা এ কথা কেউ বিশ্বাস করতে চাইছে না। তারা মনে করেন, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ইসলাম এবং তার ঘনিষ্ঠ আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে। এ ঘটনার নেপথ্যে পরকীয়ার সঙ্গে সম্পত্তি দখলের চেষ্টাও জড়িত থাকতে পারে। কারণ মেহজাবিনের বাবা মাসুদ রানা দীর্ঘ ২৬ বছর প্রবাসে ছিলেন। পুরান ঢাকায় তার প্রচুর সম্পত্তি রয়েছে। ওই সম্পত্তি দখল করতে শফিকুল এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ভূমিকা রাখতে পারেন বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

মেহজাবিনের খালা ইয়াসমিন বলেন, অর্থ ও সম্পত্তির জন্য এ হত্যাকাণ্ডে মেহজাবিনের স্বামী শফিকুলের ইন্ধন থাকতে পারে। পাঁচ বছর আগে পারিবারিকভাবে শফিকুল-মেহজাবিনের বিয়ে হয়। এর কিছুদিন পরই পারিবারিক নানা বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কলহ তৈরি হয়। বিয়ের পর মেহজাবিনের ছোট বোন জান্নাতুলের ওপর নজর পড়ে শফিকুলের। এক পর্যায়ে মেহজাবিন ও তার মা মৌসুমী শফিকুলের এ বিষয়টি জানতে পারেন। মৌসুমী জামাতাকে নিয়ন্ত্রণেরও চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে শফিকুলের বিরুদ্ধে মামলাও করেন মৌসুমী।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে শফিকুলও মৌসুমীর বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা করেন। শফিকুলের সঙ্গে কুলিয়ে উঠতে না পেরে এক পর্যায়ে অসহায় হয়ে পড়েন মৌসুমী।

আরেক স্বজন বলেন, পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে মৌসুমী তার ছোট মেয়ে জান্নাতুলকে মামলা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। শফিকুল এতে আরও খেপে যান। সেই থেকে তিনি মেহজাবিনের সঙ্গেও নানাভাবে অশান্তি সৃষ্টি করেন। শফিকুল পাঁচ মাস পর জান্নাতুলকে জামিনে কারাগার থেকে বের করে এনে আবার তার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক অব্যাহত রাখেন।

মেহজাবিনের খালা ইয়াসমিন আরও বলেন, ‘শফিকুল এই পরিবারের অনেক ক্ষতি করেছে। সে একবার আমার বোনকে (মৌসুমী) হত্যার উদ্দেশ্যে গায়ে আগুন লাগিয়ে দেয়। চিকিৎসা করতেও বাধা দেয়। দরজা-জানালা বন্ধ করে আমার বোন ও ভাগ্নিকে প্রায়ই মারধর করত বলেও আমরা জেনেছি। প্রতিবাদ করায় আমাকেও হুমকি দিত শফিকুল। এ বিষয়ে কদমতলী থানায় অভিযোগ করে কোনও ফল না পেয়ে পরে কোর্টে মামলা করা হয়েছিল।’

আরও পড়ুন


ফিলিপাইনের সাবেক প্রেসিডেন্ট বেনিগনো অ্যাকুইনো মারা গেছেন

তরুণীকে তুলে নিয়ে ভাড়া বাসায় ৩ যুবকের পালাক্রমে ধর্ষণ

টিকা উৎপাদনে আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশ্ববাজারে ২ বছরের মধ্যে অপরিশোধিত তেলের দাম সর্বোচ্চ


ইয়াসমিনের অভিযোগ, ‘সংসারের অভিভাবক বিদেশে থাকার সুযোগ নিয়ে শফিকুল পুরো পরিবারটিকে জিম্মি করে ফেলেছিল। মেহজাবিন হত্যাকাণ্ডের দোষ একা নিতে চাইলেও আমরা মনে করি শফিকুল পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে।’

শফিকুল সম্পর্কে জানা গেছে, তিনি এলাকার মাদককারবারি ও সন্ত্রাসী চক্রের সদস্য। মৌসুমীকে অনেকটা জিম্মি করে মেহজাবিনকে বিয়ে করেছিলেন তিনি। স্বজনরা জানান, বিয়ের ছয় মাসের মাথায় আমিন নামের এক ব্যক্তিকে হত্যাকাণ্ডের মামলায় গ্রেফতার হয়ে শফিকুল ছয় মাস কারাগারে আটক থেকে পরে জামিন পান।

পুলিশের ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনার শাহ ইফতেখার আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে এখন পর্যন্ত মেহজাবিন একাই তিনজনকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তবে এই খুনের নেপথ্যে শফিকুলের কী ধরনের সম্পৃক্ততা আছে, তা জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রয়েছে।

গত শনিবার সকালে পুরান ঢাকার কদমতলী থানার মুরাদপুরে একটি ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকে মাসুদ রানা, তার স্ত্রী মৌসুমী ইসলাম ও মেয়ে জান্নাতুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অচেতন অবস্থায় মেয়ের জামাই শফিকুল ইসলাম ও নাতনি তৃপ্তিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় ওই পরিবারের বড় মেয়ে মেহজাবিন ইসলাম মুন ও তার স্বামী শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে বান্ধবীকে ভিডিও কল দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা!

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে বান্ধবীকে ভিডিও কল দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা!

বান্ধবীকে ভিডিও কল দিয়ে ফানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন রুবিনা ইয়াসমিন নদী (২১) নামের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী।

বুধবার বিকালে রাজধানীর শাহজাহানপুরের গুলবাগে এ ঘটনা ঘটে। নদীর বাবা রফিকুল ইসলাম পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই)। বরগুনা জেলার বেতাগীতে তাদের বাড়ি।

বর্তমানে মালিবাগ ৩৯১ গুলবাগের ৫ম তলায় এক বান্ধবীসহ সাবলেট থাকতেন নদী। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে নদী ছিলেন বড়।  দুজনই পড়াশোনার পাশাপাশি আমজারা নামে একটি বোরকা কোম্পানিতে চাকরি করতেন। 

তার রুমমেট বান্ধবী মারিয়াম জানান, তিনি ও রুবিনা ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আইন বিভাগে পড়াশোনা করতেন। সেখানে একই বিভাগের সায়েম নামে এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে সম্পর্ক হয় নদীর। তারা ২০১৯ সালে বিয়েও করেন। বিয়ের তিন মাসের মাথায় বনিবনা না হওয়ায় তাদের ডিভোর্স হয়। ছেলের চরিত্রগত সমস্যা ছিল বলে পরে জানতে পেরেছিল নদী।

নদীর খালাতো বোন শরিফা সুলতানা জানান, সায়েমের সঙ্গে ছাড়াছাড়ির পরও বিভিন্ন সময় নদীর বান্ধবী মারিয়ামের ফোনে তাদের বিশেষ মুহূর্তের ছবি, ভিডিও পাঠাতো। মারিয়াম তা নদীকে দেখাতো। পরে তা ডিলিট করে দিয়েছিল। এসব নিয়ে নদী মানুসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।

শরিফা সুলতানার দাবি, ওই ছেলের এসব আচরণের কারণেই নদী আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

আরও পড়ুন


কলম্বিয়ার বিপক্ষে অনেক কষ্টে জয় পেল ব্রাজিল

রাশিয়ার আক্রমণে পালিয়েছে ব্রিটিশ যুদ্ধ জাহাজ, বেড়েছে উত্তেজনা

অবশেষে নকআউট নিশ্চিত করল জার্মানি

রোনালদোর বিশ্ব রেকর্ড, নকআউট পর্বে পর্তুগাল


রুমমেট মারিয়ম জানান, নদী এদিন কাজে না গেলেও তিনি নিজে কাজে চলে যান। বিকাল ৩টার সময়ে নদী তাকে ফোন করেন। নদী তাকে জানান, ‘আমার ভালো লাগছে না, তুই দ্রুত চলে আসিস, আমি মরে যাব।’ 

মারিয়ম আরও জানান, কিছু সময় পরে নদী তাকে ভিডিও কল দেন। তিনি দেখান ফ্যানের সঙ্গে ওড়না বাঁধছিলেন। এটা দেখেই তিনি দ্রুত অফিস থেকে  বেরিয়ে যান। বাসায় গিয়ে দেখেন, ঘরের ভেতর দিয়ে দরজা বন্ধ। ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে আশপাশের লোকজনকে খবর দেন। তারা এলে তাদের সহযোগিতায় ছিটকানি ভাঙেন। তখন তারা নদীকে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না বাঁধা ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তারা সেখান থেকে উদ্ধার করে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে। 

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

তিন কেজি গাজাসহ বিজিবির হাতে ছাত্রলীগ নেতা আটক

অনলাইন ডেস্ক

তিন কেজি গাজাসহ বিজিবির হাতে ছাত্রলীগ নেতা আটক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আসিফ উদ্দিন (২২) তিন কেজি গাঁজাসহ বিজিবির হাতে আটক হয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে গোপনে মাদক ব্যবসা করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

বুধবার বিকালে উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের রানওয়ে বাজার নামক স্থান থেকে গাঁজাসহ তাকে আটক করা হয়।

আসিফ উদ্দিন সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের নোয়াবাদী গ্রামের ফারুক চৌধুরীর ছেলে।

জানা গেছে, বিজয়নগর উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের রানওয়ে বাজার নামক স্থানে গাঁজা পাচারকালে বিজিপি বিষ্ণুপুর ক্যাম্পের নায়েক মোস্তফা কামাল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাকে আটক করেন। এ সময় বিজিবির হাত থেকে পালিয়ে যায় একই ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামের আলমগীর ভূঁইয়ার ছেলে রবিন মিয়া (২৭) ও মহেষপুর গ্রামের হুমায়ুন মিয়ার ছেলে আলমাছ মিয়া (২১) ।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মহাসড়কে যেভাবে ছিনতাই করতো বুস্টার গ্যাং

অনলাইন ডেস্ক

মহাসড়কে যেভাবে ছিনতাই করতো বুস্টার গ্যাং

ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে অত্যন্ত কৌশলে গাড়ি থামিয়ে যাত্রীদের সবকিছু ছিনতাই করতো তারা।ব্যস্ততম এই মহাসড়কে রাতের বেলা ঢিল মেরে বা কৌশলে চাকা পাংচার করে গাড়ির গতিরোধ করত বুস্টার গ্যাং নামের চক্র।  পরে যাত্রীদের জিম্মি করে তাদের কাছে থাকা টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র হাতিয়ে নিত এই তরুণ সন্ত্রাসী গ্যাং। মঙ্গলবার অভিযান চালিয়ে এই গ্যাংয়ের মূল হোতা বুস্টার শাওনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

মঙ্গলবার (২২ জুন) রাত ১ টার দিকে ডাকাতির প্রস্তুতি নেয়ার সময় কেরানীগঞ্জের আগানগর এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র, মাদকসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাব-১০ অধিনায়ক মাহফুজুর রহমান বলেন, তাদের আস্তানায় আমরা তল্লাশি চালিয়ে সেখান থেকে আমরা মাদক দ্রব্যও পাই। গ্যাংয়ের প্রত্যেকের বয়স ২২ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে।

র‌্যাব বলছে, ডাকাতি ছাড়াও এই গ্যাংয়ের সদস্যরা মাদক ব্যবসা, ইভটিজিং, চাঁদাবাজি ও জমি দখল করে ভয় ভীতি দেখিয়ে এলাকাবাসীকে জিম্মি করে রেখেছিল।

র‌্যাব-১০ অধিনায়ক বলেন, ওই এলাকার জনগণ প্রায় জিম্মি অবস্থায় ছিল। গ্যাংটি গ্রেপ্তারের পর স্থানীয়রা বিভিন্নভাবে আমাদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন।
এই গ্যাংয়ের প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই একাধিক অপরাধের মামলা রয়েছে। এদের সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানায় র‌্যাব।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর