ইউনিভার্সিটির একটা ছেলে ১৭৪ পৃষ্ঠার একটা সাইন্স ফিকশন লিখেছে
 ইউনিভার্সিটির একটা ছেলে ১৭৪ পৃষ্ঠার একটা সাইন্স ফিকশন লিখেছে

ইউনিভার্সিটির একটা ছেলে ১৭৪ পৃষ্ঠার একটা সাইন্স ফিকশন লিখেছে

Other

একটা সাইন্স ফিকশন পড়ছি। বইটা আমাকে দেয়া হয়েছে পড়ার জন‍্য। ফলে লেখক সম্পর্কে জেনে গেছি। তা না হলে, বইটার যতটুকু পড়েছি তা থেকে মোটেও অনুমান করতে পারতাম না যে ইউনিভার্সিটির থার্ড ইয়ারের একটা স্টুডেন্ট এই বইটা লিখেছে।

 

বইয়ের গল্প প‍্যারালাল ইউনিভার্সের দুটো চরিত্র নিয়। লেখকের ভাণ্ডারে শব্দ আছে। এবং এই শব্দরা যে প্রতিনিয়ত তার মগজে বাক‍্য তৈরির এক তাড়না দেয়, সেটা অনুধাবন করা যায়। বইটা পড়তে গিয়ে মনে হলো, এই বাক‍্য তৈরির তাড়নায় তার ঘুম নষ্ট হয়। অন‍্যান‍্য কাজের প্রতি তার ফোকাস নষ্ট হয়। কিন্তু সে যদি এই তাড়নাকে ধরে রাখতে পারে, তাহলে নিঃসন্দেহে অনেক বড়ো লেখক হবে।  

লেখকের নাম শাহরিয়ার জাওয়াদ (Shahriar Zawad)। তার বইয়ের নাম গ্রাফিতিরা জেগে রয়। চট্টগ্রাম ইউনিভার্সিটিতে বায়োকেমেস্ট্রি ডিপার্টমেন্টে পড়ছে।  

২২-২৩ বছরের একটা ছেলে ১৭৪ পৃষ্ঠার একটা সাইন্স ফিকশন লিখেছে, এটা একটা সাহস। এবং সেটা প্রকাশ করেছে, সেটা আরেকটা সাহস। কিন্তু সবচেয়ে বড়ো সাহস হবে সেটাই, যদি সে যে কোন প্রতিকূলতাতেও এই লেখা চালিয়ে যায়। তার মগজে বাক‍্য তৈরির যে তোলপাড়, সেটা যদি কখনো না থামে। সে যদি নিজেকে পোড়ায়। তাহলে আমি দেখছি একজন বড়ো লেখক সেখানে লুকিয়ে আছে, আরো অনেক আলো ছড়ানোর অপেক্ষায়! অভিনন্দন!

রউফুল আলম, নিউজার্সি, যুক্তরাষ্ট্র।

news24bd.tv/আলী