খালেদা জিয়ার চিকিৎসার দিকে সর্বোচ্চ মনোযোগ দেয়া দরকার

শওগাত আলী সাগর

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার দিকে সর্বোচ্চ মনোযোগ দেয়া দরকার

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরেই তাঁকে হাসপাতালে আনা নেয়া  হচ্ছিলো। ধারনা করি, পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে বলেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে।

বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা কতোটা আশংকাজনক তা পত্রিকার খবর পড়ে বোঝা যাচ্ছে না। তবে তাঁর চিকিৎসার দিকে সর্বোচ্চ মনোযোগ দেয়া দরকার। তার পরিবারের সদস্যরা তাকে বিদেশে চিকিৎসা করাতে চায় বলে একটা আলোচনা শুনলাম। 


মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাল শপথ নিচ্ছেন মমতা

সংসার ভাঙলো বিল গেটসের

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে চাকরির সুযোগ

চীন-মার্কিন সংঘাত দু’দেশের স্বার্থের পরিপন্থি: ব্লিঙ্কেন


আমার মনে হয়, তাঁর পরিবার চাইলে তাঁকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা দরকার। তাঁর পরিবার আবেদন না করলেও সরকার নিজে থেকেই এটি করতে পারেন। সিদ্ধান্তটা শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি ঘটার আগেই নেয়া ভালো।

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

অক্সিজেনের জন্য কত কত মানুষের আহাজারি, কত মৃত্যু!

ইভা দাস

অক্সিজেনের জন্য কত কত মানুষের আহাজারি, কত মৃত্যু!

আমরা সবাই কম-বেশি গাছকে ভালোবাসি। আর অক্সিজেন যে মানুষের জন্য কত দরকারি তা কোভিড আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। একটু অক্সিজেনের জন্য কত কত মানুষের আহাজারি, কত মৃত্যু!!  আমরা সবই জানি কিন্তু তারপরও ভুলে যাই। 

অনেক বছর আগে যখন সিঙাপুর গিয়েছিলাম তখন সেখানে দেখেছি, এত ছোট্ট একটা দেশ অথচ কতই না উন্নত, ছোট দেশ বলে সেখানে কেউ পারসোনাল সিঙেল বাড়ি বানাতে পারে না, সেখানের সরকার বিশাল বিশাল বিল্ডিং বানায় জনগণের থাকার জন্য। 

সে দেশের একটা বড় অংশ সেখানের জংগল, কিন্তু তারা সেখানে হাত দেয় না। প্রকৃতিকে কেটে তারা অবকাঠামো গড়ে তোলে নি। প্রকৃতিকে তারা প্রকৃতিই রেখেছে আর বাকি অংশে বসতি, উন্নতি সবকিছু। 

বেশ কয়েকটা বড় বড় ঘুর্ণিঝড়ের কাছ থেকে সুন্দরবনের গাছপালা আমাদের বাঁচিয়ে দিয়েছিল। আমরা তারপরও ভুলে যাই, গাছ কেটে অবকাঠামো গড়ে তুলি, কিন্তু যদি কাঠামোটাই না থাকে, তখন?? সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের গাছ কেটে রেস্তোরাঁ আর গাড়ি পার্কিং এর জায়গা তৈরি করা কি এতটাই উন্নতি দেশের জন্য !!!  আমি জানি না, আমার এত জ্ঞান কোথায়? 

এখন খারাপ লাগছে কয়দিন পর সবার মতো আমিও ভুলে যাব। একসময় হয়তো নিজের সন্তানকে দেখিয়ে বলব--এইখানে এক সময় পার্ক ছিল, অনেক বড় গাছ ছিল, পাখির ডাকা-ডাকি ছিল !!

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

সবাই যা ভুলে যায় তা আমার মনে থাকে

জসিম মল্লিক

সবাই যা ভুলে যায় তা আমার মনে থাকে

জসিম মল্লিক

টুকরো স্মৃতি

আলু দিয়ে গরুর মাংসের তরকারি আর ঘন ডাল..

১.

একবার ঢাকা থেকে বরিশাল যাচ্ছি। গাজী স্টীমারে। তখন দিনে সার্ভিস ছিল স্টীমারের। সকাল এগারোটায় বাদামতলী ঘাট থেকে ছাড়ত সন্ধ্যা ছটায় বরিশাল পৌঁছে যেতো। 

বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি তখন। স্টীমারের তৃতীয় শ্রেণি নিচ তলায়। সেখানে ঘুর ঘুর করছি। তখন দুপুর। খাবারের সময় হয়ে গেছে। স্টীমারে কিচেনও নিচ তলাতে। ইঞ্জিন রুমে পাশেই ছোট্ট একটা রুমে রান্না হয়। গরুর মাংস আর ডাল রান্নার ঘ্রাণ স্টীমারের চারিদিকে ছড়িয়ে যাচ্ছিল আর আমার পেটে মোচড় দিয়ে উঠছিল তীব্র ক্ষুধা। 

কিন্তু আমার পকেটে পয়সা নাই! হঠাৎ দেখি ইভা। বরিশালের মেয়ে ইভা। সুন্দর গোলগাল দেখতে। চেহারায় একটু অহংকারী ভাব। ইডেন কলেজে পড়ে। সাদা ফতুয়া আর জীন্স পড়া। একটু উদ্ধত শরীর কিন্তু ভাল লাগছিল। বয়সটাই ভাললাগার। স্টীমার তখন চাঁদপুরের কাছে চলে এসেছে। জেলেরা মাঝ নদীতে রুপালী ইলিশ ধরছে। আমি রেলিং ঘেসে দাঁড়িয়ে মেঘনা নদীর বড় বড় ঢেউ দেখছি। 

দুঃসাহসী জেলেরা মাঝ নদী দিয়ে অবলীলায় পার হচ্ছে। একসময় ইভা আমার পাশে এসে দাঁড়ালো। আমাদের মধ্যে তেমন কোনো কথা হয়নি সেদিন। কিন্তু সেই পাশে দাঁড়ানোর মধ্যে অনেক কথা ছিল। ইভা কি কিছু বলতে চেয়েছিল! সেদিন ইভা আমাকে দুপুরের খাবার খাইয়েছিল। আহা কি যে স্বাদ লেগেছিল সেই ভাত আর গরুর মাংসের তরকারি! 

২.

সবাই যা ভুলে যায় তা আমার মনে থাকে। আর একবার আমি সামাদ লঞ্চে বরিশাল যাচ্ছিলাম। ঈদ করতে। আমার যাওয়ার তেমন ইচ্ছা ছিল না। কিন্তু দুটো কারণে যেতে হচ্ছিল। এক নম্বর মা কষ্ট পাবেন, দুই নম্বর এই সময় হল খালি হয়ে যায়। ক্যান্টিন বন্ধ হয়ে গেলে আমাকে না খেয়ে থাকতে হবে। তাই আমি বরিশাল যাচ্ছি। রাতের দিকে আমার খুউব জ্বর উঠল। সেটা ছিল ডিসেম্বর মাস। কনে কনে ঠান্ডা। 

ত্রিপল দিয়ে লঞ্চের চারিদিকে বন্ধ থাকলেও সামাদ লঞ্চের স্টিলের বডি বরফের মতো হয়ে আছে। আমার সঙ্গে কাঁথা কম্বল কিছু নাই। এখন যখন বরিশাল যাই কত আয়োজন- ভিআিইপি কেবিন, এয়ারকন্ডিশন, এটাচ বাথ, টেলিভিশন, ডাইনিং, লিফট পর্যন্ত আছে। সামাদ লঞ্চেও হয়ত কেবিন ছিল কিন্তু আমি যাচ্ছিলাম ডেকে। একেতো জ্বর তার উপর অভুক্ত আমি গুটিসুটি মেরে একটা হিন্দু পরিবারের পাশেই নির্জিব হয়ে পড়েছিলাম। আমি জ্বরের ঘোরে কোকাচ্ছিলাম দেখে সেই নারী তাদের ভাগের রুটি আর কলা খেতে দিল আমাকে এবং আমার গায়ে একটা কাঁথা পেচিয়ে দিলেন।

৩.

আমি তখন মহসিন হলের ৬৩২ নম্বর রুমে থাকি। আমি কামালের রুমমেট। কামাল তখনই ব্যাস্ত সংবাদিক। দৈনিক জনতায় কাজ করে। সকালে বের হয় রাতে ফেরে। আমি দশদিন ধরে রুমে পড়ে আছি। আমার জ্বর ঠান্ডা কাশি। হিস্টাসিন খেয়ে আমার মাথা ব্লক হয়ে আছে। নিশ্বাস নিতে পারি না। হিস্টাসিনের মতো কুৎসিত ওষুধ যে কে আবিষ্কার করেছে! 

জ্বর মুখে ক্যান্টিনের খাবার ভয়াবহ লাগে! তিন ধরে কামাল নাই। পাবনা গেছে ওদের বাড়িতে। ও থাকলেও কিছু একটা গতি হতো। এদিকে আমার পকেট গড়ের মাঠ। কাল থেকেই আমাকে না খেয়ে থাকতে হবে এই ভেবে আতঙ্কে আমি অস্থির। মাঝে মাঝে নিচের দোকান থেকে রুটি কলা এনে খাই।


ছাদে মিলল মাদ্রসাছাত্রীর গলাকাটা মরদেহ

রাশিয়ায় এক ডোজের স্পুটনিক টিকার অনুমোদন

জুমাতুল বিদাকে ‘আল-কুদস দিবস’ বলা হয় কেন?

মধ্যরাতে হেফাজতের নেতা শাহীনুর পাশা গ্রেপ্তার


জেসমিনের সাথে সদ্য পরিচয় হয়েছে আমার। মাঝে মাঝে দেখা হতো। আমার বেশি কথা থাকে না তার সাথে। কি কথা বলব আমি! সে আমার মনে তেমন দাগ কাটতে পারেনি তখনও। সম্পর্কটা দানাও বাঁধেনি। বাঁধার সম্ভাবনাও নাই। তার কথা প্রায়ই ভুলে যাই। শুধু তার হাসি মনে পড়ে। অনেক জোরে জোরে হাসতে পারে। প্রাণখোলা হাসি। 

জ্বরের মধ্যে তার কথা মনে পড়ছিল সেদিন। ইশ্‌ এই সময় কোনো আপনজন কাছে থাকলে কত ভাল হতো! আচ্ছা সে কি আমাকে ক্যাম্পাসে না দেখে চিন্তিত হচ্ছে! এইসব এলেবেলে ভাবছি এমন সময় ক্যান্টিনের বয় আমার রুমে আসল। হাতে একটা ব্যাগ। বলল একজন আপা আপনারে দিতে বলছে। খুলে দেখি তার মধ্যে গরম খিচুড়ি, ডিম ভুনা আর গরুর মাংস…!

জসিম মল্লিক, সাংবাদিক, কানাডা

পরবর্তী খবর

কোভিড সার্টিফিকেট জাল, ধ্যাত তাও কি হয় নাকি!

শওগাত আলী সাগর

কোভিড সার্টিফিকেট জাল, ধ্যাত তাও কি হয় নাকি!

শওগাত আলী সাগর

যে কোনো দেশে ভ্রমণেই এখন কোভিড নেগেটিভ সার্টিফিকেট দেখাতে হয়। এই সার্টিফিকেট কি জাল হয়? কেউ কি ভুয়া সার্টিফিকেট দিয়ে ভ্রমণ করে! টরন্টোর পিয়ারসন  ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে দুজন ধরা না পরলে মনে হতো- ধ্যাত, তাও কি হয় নাকি!

ডমিনিকান রিপাবলিক থেকে বিমানে টরন্টো নেমে তিনি কোভিড নেগেটিভ সার্টিফিকেট দেখান। এখানকার অফিসারদের সন্দেহ হলে সার্টিফিকেটটি যাচাই বাছাই শুরু করেন। দেখা যায় কভিড-১৯ টেস্টের ফলাফলটি পাল্টে দেয়া হয়েছে। তাকে ২ হাজার ৫শত ডলার জরিমানা করা হয়। সেটি ছিলো ফেব্রুয়ারির ঘটনা। 

এপ্রিলে আরেকজন ধরা পরেন একই রকমভাবে ফলাফল পাল্টে দিয়ে। তিনি এসেছিলেন নিউইয়র্ক থেকে। তাকে জরিমানা করা হয় ৬ হাজার ৫০০ ডলার।

কানাডার বর্ডার সার্ভিস এজেন্সি অবশ্য এখন বলছে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ৩০ জনকে ধরেছে যারা কোভিডের টেস্টের ফলাফল পাল্টে কানাডায় এসেছেন।এদের ৫ হাজার, ৭ হাজার, ১০ হাজার ডলার করে জরিমানা করা হয়েছে। 

প্রতারণা করে যারা ভ্রমণ করেছে তাদের মধ্যে যারা ধরা পরেছে তাদের ব্যাপারে না হয় আমরা জানতে পারলাম। কিন্তু এর বাইরে কি আর ছিলো না? 


খালেদা জিয়াকে যে দেশে নেওয়ার প্রস্তুতি

জাতীয় অধ্যাপক হলেন তিন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ

যে কারণে হেলমেট ও বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরে পার্লামেন্টে এমপি


যারা সত্যি সত্যি কোভিড পজিটিভ, অথচ ভুয়া ডকুমেন্ট দিয়ে এক দেশ থেকে অন্য দেশে ভ্রমণ করছে, বা করেছে। কোভিড ভাইরা, ভ্যারিয়েন্ট এরাই কি নানা দেশে ছড়িয়ে দেয়নি!

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

মাথা শুধু চুলের স্টাইল করার জন্য বিধাতা দেয়নি

আনোয়ার সাদী

মাথা শুধু চুলের স্টাইল করার জন্য বিধাতা দেয়নি

ঈদে বাড়ি ফেরার অনুভূতির সঙ্গে অন্য কোনো অনুভূতির তুলনা হয় না। বাড়ি ফেরা মানে কোনো একটা ঘরে ফেরা নয়। নয় শুধু পরিচিত রাস্তায় ফেরা, আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে দেখা করা। ঈদে বাড়ি ফেরা মানে স্মৃতির কাছে ফেরা, শৈশবে ফেরা, নিজের কাছেই ফেরা। যাদের বাবা- মা নেই, তাদের কবর জিয়ারত করা । এটা একটা অন্যরকম বিষয়। আমরা হয়তো এই অনুভূতিকে প্রকাশ করতে পারি না, লিখে বুঝাতে পারি না। কেবল ভেতরে ভেতরে আমাদের তাগিদ তৈরি হয়, আমরা বাড়ি ফিরি আবার কাজের টানে ঢাকা ফিরি। 

এবারও সবার মনে একই তাগিদ তৈরি হতে পারে। কিন্তু এবার আর অন্যবার এক নয়। এখন দেশে মহামারি চলছে, করোনা ভাইরাসের কারণে। মাত্র কিছু দিন আগেও হাসপাতালে জায়গা ছিলো না। সেই পরিস্থিতি ঠিকঠাক করতে এবং আরো অনেক মানুষের সম্ভাব্য জীবনহানী ঠেকাতে দেশে লকডাউন দিতে হলো। তাতে সিপিডির হিসাবে কোটিরও বেশি মানুষ নতুন করে গরীব হয়ে গেছে। 

এখন ভেবে দেখুন, করোনা ভাইরাস আরো ছড়ানো মানে, আরো নতুন গরীব তৈরী হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হওয়া। এটাতো দেশের ক্ষতি, কোভিডের চিকিৎসা করাতে কতো খরচ হবে, নিজেকে কী পরিমাণ কষ্টের ভেতর দিয়ে যেতে হবে, এসব বিষয় তো আছেই । 

তাহলে ঈদে বাড়ি ফেরা গুরুত্বপূর্ণ নাকি এবার সংযম করে, করোনা মুক্ত আনন্দের ঈদ করা গুরুত্বপূর্ণ? 
বিবেক আমার আপনার, কিন্তু এই বিবেকের সিদ্ধান্তের ফলাফল পায় দেশ। 

ভাবুন, মাথা শুধু চুলের স্টাইল করার জন্য বিধাতা দেয়নি, দিয়েছে কিছুটা চিন্তা করার জন্যেও। 

আনোয়ার সাদী, সিনিয়র নিউজ এডিটর, নিউজটোয়েন্টিফোর।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ফেসবুক: রচনা ও পাঠ

খালেদ মুহিউদ্দীন

ফেসবুক: রচনা ও পাঠ

প্রতিদিন আপনি আমি ফেসবুক রচনা করি, পড়ি, খুঁজি। কী লিখি-পড়ি কী খুঁজি? আমরা কি তথ্যপ্রেমী তথ্যকাঙাল না তথ্য সওদাগর? 

আমরা তথ্য দেই, তথ্য নেই, তথ্য গিলি, তথ্য বমি করি। আমরা কি এখন পৌরাণিক দুমুখো সাপ - দুই অংশে দ্বিধা হয়ে খেতে থাকি নিজেকেই? কী হয় তথ্য জেনে তথ্য জানিয়ে? এইসব তথ্য কী সেই সব রহস্য বোঝার জন্য জরুরি?

নাকি আপনি আমি আমাদের বিচারের দাঁড়িপাল্লা হাতে বের হই? দেখি কে কে কত বোকা আর খারাপ, কারা কারা নৃশংস আর দুর্নীতিবাজ, কারা ভাল মানুষের মুখোশ এঁটে গলা কাটে আর মানুষের।

সম্ভবত আমরা বিপ্লবী দ্রোহী আর প্রতিবাদী খুব। সব অন্যায়কে আমি আপনি রুখে দেই। আমরা শত্রু খুঁজে পাই, সবাই মিলে তাকে শেষ করি। তারপর দারুণ ভালবেসে বন্ধুদের বানাই নতুন শত্রু।

নাকি আমি আপনি কল্যাণকামী খুব, মহান সংস্কারক একেক জন? তিলে তিলে পঁচে যাওয়া এই সমাজকে আমার পূর্বপুরুষ আর আমার মত মর্যাদাবান করে তুলতে চাই; তাইত চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেই কে কে শয়তান?

আরও পড়ুন


বান্দরবানে মিয়ানমারের আরাকান আর্মির ৩ সদস্য গ্রেপ্তার

যে দিন পৃথিবীতে আছড়ে পড়তে পারে চীনের অনিয়ন্ত্রিত রকেট

৯ বছর পর ফাইনালে চেলসি, রিয়াল মাদ্রিদের বিদায়

নাজাতের ১০ দিন ও বরকতময় শবে কদর


এমনও কি হতে পারে আপনি সতর্ক আর সাবধানী শ্রেষ্ঠ? খালি আপনিই পেয়েছেন সত্যের পথ! তাই আপনি দেখিয়ে দেন কী কী বিপদ আসছে আমাদের দিকে।

আপনি শিখিয়ে দেন শেখাতে থাকেন নিরলস কীভাবে এইসব ক্লেদ আর পাঁক বাঁচিয়ে কীভাবে আপনি শুধু আপনি আর হয়ত আপনার ভক্তকূল থেকে গেছেন পবিত্র।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর