অটোরিক্সা থামিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষককে গুলি করে পালাল দুর্বৃত্ত

বগুড়া প্রতিনিধি

অটোরিক্সা থামিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষককে গুলি করে পালাল দুর্বৃত্ত

বগুড়ায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে মোজাফ্ফর হোসেন (৫৫) ওরফে বাবা হুজুর নামের এক মাদ্রাসা শিক্ষক নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়া-নাটোর মহাসড়কে শাজাহানপুর উপজেলার বীরগ্রাম কৃষি কলেজের সামনে সিএনজি চালিত অটোরিক্সা থামিয়ে তাকে দুর্বৃত্তরা গুলি করে পালিয়ে যায়। তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তবরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত মাদ্রাসা শিক্ষক মোজাফ্ফর হোসেন নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার সুকাশ গ্রামের মৃত সায়েদ আলীর ছেলে। তিনি বগুড়া শহরের নিশিন্দারা মধ্যপাড়া দারুল হেদায়া কওমী মাদ্রাসার পরিচালক।


নির্মাণ স্কুল ক্রিকেটের প্রবর্তক কে জেড ইসলাম না ফেরার দেশে

খালেদা জিয়া স্বাভাবিক শ্বাস প্রশ্বাস নিচ্ছেন: চিকিৎসক

হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতাসহ দুইজনের রিমান্ড


পুলিশ জানায়, মাদ্রাসা শিক্ষক মোজাফ্ফর হোসেন একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় বগুড়া শহরের দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে জোড়া কৃষি কলেজের সামনে মোটরসাইকেলযোগে আসা  দুর্বৃত্তরা  অটোরিকশার গতিরোধ করে। এরপর তারা মোজাফ্ফর হোসেনকে গুলি করে পালিয়ে যায়। তার বুকে একাধিক গুলির চিহ্ন দেখা গেছে।

নাটোরের সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর-এ আলম সিদ্দিকী জানান, মোজাফফর পেশায়  কবিরাজ। তিনি বগুড়া শহরে একটি কওমি মাদ্রাসার প্রধানও ছিলেন। তাঁর দুই স্ত্রী ও দুই পক্ষের দুই কন্যা সন্তান রয়েছে। প্রথম স্ত্রী সিংড়ার সুকাশ গ্রামেই থাকেন। দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে মোজাফফর বগুড়া শহরের নিশিন্দারা এলাকায় বসবাস করতেন। সিংড়ায় তাঁর সঙ্গে কারো কোনো বিরোধ নেই।

বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ বলেন, চলন্ত সিএনজির গতিরোধ করে  যাত্রী এবং চালকের সামনেই মোজাফফর  নামে ওই ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বত্তরা। তবে কারা কী কারণে তাঁকে এভাবে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

ফেনীর কালিদহে কিশোরীকে গলা কেটে হত্যা

ফেনী প্রতিনিধি:

ফেনীর কালিদহে কিশোরীকে গলা কেটে হত্যা

ফেনী সদর উপজেলার কালিদহে তানিশা ইসলাম নামে এক কিশোরীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার কালিদহ ইউনিয়নের কালিদহ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

তানিশা প্রবাসী শহিদুল ইসলাম এর ছোট মেয়ে ও শহরের ডাক্তার পাড়ার মহিউচ্ছুন্নাহ মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আক্তার হোসেন নিশান নামে নিহতের চাচাতো ভাই কে আটক করেছে। 

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে বাড়ির স্বজনরা পাশের বাড়িতে গেলে ঘরে কিশোরী তানিশা ও তার বৃদ্ধা দাদি ছিল। রাত ১০টার দিকে তানিশার মা বোন পাশের বাড়ি থেকে ঘরে ফিরলে তানিশাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। ঘরে কোথাও না পেলে তারা বাড়ির ছাদে যেয়ে মেঝেতে তানিশার রক্তাক্ত দেহ দেখতে পায়। এ সময় তাদের শোর চিৎকারে আশেপাশের বাড়ির স্বজনরা ছুটে এসে পুলিশকে খবর দেয়। 

ঘটনাস্থল থেকে একজোড়া সেন্ডেল চিহ্নিত করে নিহত তানিশার চাচাতো ভাই কিশোর নিশান কে আটক করে পুলিশ। ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণ করেছেন পুলিশ সুপার, র‍্যাব, সি আইডি এবং পিবি আই এর কর্মকর্তারা। 

নিহতের মা তাসলিমা আক্তার জানান, গত বুধবার তানিশার জন্মদিন ছিল। তার জন্য নতুন জামাও কেনা হয়েছে। কেনো তাকে হত্যা করা হলো কিছুই বুঝতে পারছি না। তিন ভাই-বোনের মধ্যে তানিশা সবার ছোট ছিল। 

পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবী জানান, ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা পুলিশ, পিবি আই, সি আইডি একাধিক তদন্ত দল কাজ শুরু করেছে। কি কারণে কিশোরীকে হত্যা করা হয়েছে তা তদন্ত করে জানানো হবে। 

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

ঘরের ডেকোরেশন দেখানোর কথা বলে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

ঘরের ডেকোরেশন দেখানোর কথা বলে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

ঘরের ডেকোরেশন দেখানোর নাম করে যশোরে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৬ মে) ভোরে শহরের খোলাডাঙ্গা উত্তরপাড়া থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

তারা হলেন-খোলাডাঙ্গার নূর আলীর ছেলে ইমামুল হক ছোট (২২) ও মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে লুৎফর রহমান (৬০)।

এ ঘটনায় নির্যাতিত কিশোরীর মা বুধবার (৫ মে) কোতোয়ালি থানায় ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, তার মেয়ে স্থানীয় একটি স্কুলে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। গত ৪ মে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তার মেয়েকে ইমামুল বাড়ির পাশে লুৎফর রহমানের চারতলা বাড়ির ডেকোরেশন দেখাবে বলে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। বাড়ির মালিক লুৎফর রহমানও এ সময় তাকে ধর্ষণ করে।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তাজুল ইসলাম বলেন, মামলা পাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে ইমামুল ও লুৎফরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এরপর তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। এছাড়া নির্যাতিত কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করতে যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আজই জবানবন্দি গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে উপস্থাপন করা হবে বলে জানান ওসি।

এ ব্যাপারে যশোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আরিফ আহম্মেদ বলেন, এক কিশোরীর নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

পরবর্তী খবর

বেতন-বোনাসের দাবিতে মিরপুরে রাস্তা অবরোধ

অনলাইন ডেস্ক

বেতন-বোনাসের দাবিতে মিরপুরে রাস্তা অবরোধ

বেতন-বোনাসের দাবিতে মিরপুর ১০ নম্বরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের রাস্তা অবরোধ।

বিস্তারিত আসছে...

পরবর্তী খবর

কুড়িল ফ্লাইওভারে গলায় গামছা পেঁচানো দুবাই প্রবাসীর লাশ

অনলাইন ডেস্ক

কুড়িল ফ্লাইওভারে গলায় গামছা পেঁচানো দুবাই প্রবাসীর লাশ

রাজধানীর খিলক্ষেত কুড়িল ফ্লাইওভারে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় সুভাষ চন্দ্র সূত্রধর (৩২) নামে দুবাই প্রবাসী এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

খবর পেয়ে খিলক্ষেত থানার উপ-পরিদর্শক এসআই শাহিনুর রহমান। বৃহস্পতিবার (৬মে) ভোর সাড়ে পাঁচটায় ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়ক খিলক্ষেত বাজার সংলগ্ন পূর্বাচল গামি ৩০০ ফিট রোডস্থ ফ্লাইওভারে গলায় গামছা পেছানো মাথায় আঘাত রক্তাক্ত উপর হয়ে পড়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে মৃতদেহটি উদ্ধার করে। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

এসআই বলেন ,তার কাছে থেকে পাওয়া পাসপোর্ট থেকে জানা যায়, তিনি দুবাই থাকতেন গত বছরের১৩ নভেম্বর বাংলাদেশে আসেন।

পরে পাসপোর্ট এর ঠিকানা অনুযায়ী পরিবারকে খবর দিলে স্বজনরা এসে মৃতদেহ শনাক্ত করেন।

তিনি আরো বলেন, পরিবার থেকে জানতে পেরেছি  আগামী ৮ মে আবারো দুবাই যাবার কথা সেজন্য গতকাল বগুড়া গ্রামের বাড়ি থেকে ঢাকায় করোনা টেস্ট এর জন্য আসছিলেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি একটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে।

মৃতের ভায়রা ভাই শ্রী কৃষ্ণ বাবু জানান, বগুড়ার শিবগঞ্জের মোকামতলা থেকে গতকাল রাত আটটায়  তিনি  মাইক্রো বাসে  ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। করোনা টেস্ট এর জন্য। কারণ তিনি আগামী ৮ তারিখে আবারো দুবাই যাবেন সেজন্য টিকিটের টাকাসহ ৬০/৭০হাজার টাকা নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে আসেন।

পরে ভোর রাত্রে  নিহতের শাশুড়ির শ্রীমতি লক্ষ্মী রানী তার নাম্বারে ফোন দিয়ে বলে সুভাষের নাম্বার বন্ধ পাচ্ছি তুমি ওকে খোঁজ করে দেখো। আমার বাসা খিলক্ষেত এলাকায় পরে আমি বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকি এর মধ্যে খিলক্ষেত থানা পুলিশ ফোন দিলে ফ্লাইওভারে গিয়ে সুভাষের  গলায় গামছা পেঁচানো রক্তাক্ত অবস্থায় মৃতদেহ দেখতে পাই। তবে তার কাছে কোন টাকা পাওয়া যায়নি।

স্বজনদের দাবি এটি একটি হত্যাকাণ্ড পুলিশ যেন হত্যাকারীদের কে খুঁজে বের করে সঠিক বিচার করেন।

মৃত সুভাষ বগুড়া জেলার, শিবগঞ্জ থানার,বড় নারায়নপুর গ্রামের মৃত সুবীর চন্দ্র সূত্রধরের ছেলে। পাঁচ ভাই তিন বোনের মধ্যে সে ছিল সবার ছোট।

নিহতের আরো ৩ ভাই দুবাইতে থাকেন। গত বছরের দেশে এসে বিবাহ করেছিলেন সুভাষ।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

লিবিয়ায় মাফিয়ার হাতে বন্দী মাদারীপুরের ২৪ যুবক, ভিডিও পাঠিয়ে টাকা দাবি

অনলাইন ডেস্ক

লিবিয়ায় মাফিয়ার হাতে বন্দী মাদারীপুরের ২৪ যুবক, ভিডিও পাঠিয়ে টাকা দাবি

দীর্ঘদিন থেকেই বিদেশে বেশি বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণা করে আসছে দেশের বেশ কিছু দালাল চক্র। সমুদ্র পথে পাড়ি জমাতে গিয়ে অনেককেই জীবন দিতে হয়। অনেকেই আবার চড়াই উতরাই পেরিয়ে হয়তোবা বিদেশে পৌঁছায়। কেউ টিকেও যায়। কিন্তু অনেকেই পড়ে মাফিয়াদের হাতে। মুক্তিপনের টাকা মিললে অনেকেই ছাড়া পান তবে বেশিরভাগকেই জীবন দিতে হয়।

দালালের খপ্পরে পড়ে লিবিয়ায় মাফিয়াদের কাছে বন্দী জীবন কাটাচ্ছে মাদারীপুরের এ রকম ২৪ যুবক। দাবি তাদের একটাই টাকা। বন্দিদের পরিবারের কাছে নির্যাতনের ভিডিও পাঠিয়ে লাখ লাখ টাকা দাবি করছে মাফিয়ারা।

গতকাল বুধবার মাফিয়াদের পাঠানো নির্যাতনের একটি ভিডিও চিত্র গণমাধ্যমের হাতে এসেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে মাফিয়ারা বেশ কয়েকজনকে পিটিয়ে তাদের পরিবারের কাছে বলতে বাধ্য করছে, টাকা না দিলে তাদের মেরে ফেলা হবে। এতে পরিবারের লোকজন আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ ,মাদারীপুর সদর উপজেলার চাষার গ্রামের বাসিন্দা জাহিদ খান ইউছুফ এলাকার পরিচিত দালাল। ৪ থেকে ৫ বছর যাবৎ তিনি মানব পাচারের সঙ্গে যুক্ত। তার মাধ্যমে প্রায় ৩০০ যুবক লিবিয়ার পথে পাড়ি জমিয়েছেন। যার বেশির ভাগ সাগর পথ পাড়ি দিয়ে ইতালি পাড়ি দিয়েছে। এ সব লোকজন পাঠাতে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কাজ করে। জাহিদ খানের কাজ হলো মাদারীপুরের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিদেশ যেতে ইচ্ছুকদের সংগ্রহ করা।

ভুক্তভোগীরা আরও জানান, প্রত্যেকের সাথে জাহিদ খানের ৮ থেকে ৯ লাখ টাকার চুক্তি হয়। রুট হিসেবে তারা ব্যবহার করেছেন ঢাকা টু লিবিয়া তারপর সেখান থেকে ‘গেম করে’ ইতালি। সর্বশেষ তার মাধ্যমে যাওয়া ২৪ জন যুবক লিবিয়ার মাফিয়াদের হাতে আটক রয়েছে। এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় তাকে প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলতে পারছে না।

আরও পড়ুন


খালেদা জিয়ার আবেদন রাতেই পাঠানো হয়েছে আইন সচিবের কাছে

২২ দিন পর চালু গণপরিবহন, মানতে হবে যে সব নির্দেশনা

ভারতে আবারও রেকর্ড পরিমাণ মৃত্যু

রোজার সৌন্দর্যে ​মুগ্ধ হয়ে ভারতীয় তরুণীর ইসলাম গ্রহণ


মাফিয়ার কাছে আটক হিফজু হাওলাদারের বাবা হাবু হাওলাদার বাবা এই প্রতিবেদককে বলেন, গত সোমবার তারা ভিডিওটি পেলেও ছেলের ক্ষতি হবে এই ভয়ে কাউকে জানাননি।

মানবপাচারকারী জাহিদ খান ইউসুফের কাছে মোবাইল ফোনে এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি কোনো লোক পাঠাই নাই। এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।

মাদারীপুর সদর উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মজিবর রহমান মৃধা এ বিষয়ে বলেন, আমি জাহিদকে চিনি। তবে সে মানবপাচারের সাথে জড়িত তা জানা ছিল না। আমার ইউনিয়নের কিছু লোকসহ মাদারীপুরের ২৪ জন লিবিয়ায় মাফিয়ার কাছে বন্দী থাকার বিষয়েও আমি অবগত না।

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম মিঞা বলেন, আমরা এই সংবাদটি শুনেছি। আমি তদন্ত অফিসারকে চাষার গ্রামে পাঠিয়েছি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করব। সূত্র: দেশ রূপান্তর।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর