সৌদিতে ঈদ ১৩ মে

অনলাইন ডেস্ক

সৌদিতে ঈদ ১৩ মে

মধ্যপ্রাচ্যর দেশ সৌদি আরবে এবার পবিত্র রমজান হবে ৩০ টি। সেক্ষেত্রে আগামী ১৩ মে পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হবে। সৌদি কাউন্সিল অব সিনিয়র স্কলারস এবং রয়েল কোর্টের উপদেষ্টা শেখ আব্দুল্লাহ বিন সুলেইমান আল মানেয়া এ কথা জানিয়েছেন।

শেখ আব্দুল্লাহর বরাত দিয়ে খবর প্রকাশ করে আল শোরোক। তারা বলছে, জ্যোতির্বিদ্যার গণনার মাধ্যমে এই তারিখ বের করা হয়েছে। এর ফলে আগামী ১৩ মে ঈদুল ফিতর পালিত হবে।

এই প্রথম সৌদি আরব জ্যোতির্বিদ্যার প্রযুক্তি ব্যবহার ইসলামিক ক্যালেন্ডারে তারিখ ঘোষণা করলো। আরবি মাস চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়। কিন্তু সৌদি আরব সেই অবস্থান থেকে অনেকটা সরে এসেছে। তবে রমজানের শেষে নতুন চাঁদ দেখলে মানুষজনকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন আল মানেয়া।

উল্লেখ্য, সৌদি আরবে গত ১৩ এপ্রিল রমজান শুরু হয়। নতুন চাঁদ দেখার ওপর ভিত্তি করে আরবি মাস শুরু হয়। সেক্ষেত্রে একটি মাস ২৯ দিন না ৩০ দিন হবে তা নির্ধারিত হয়।

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

ফেসবুকে ‘হা-হা’ রিঅ্যাক্ট নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

অনলাইন ডেস্ক

ফেসবুকে ‘হা-হা’ রিঅ্যাক্ট নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের মনোভাব প্রকাশে অনেকে বিভিন্ন ‘রিঅ্যাক্ট’ চিহ্ন ব্যবহার করেন। এর মধ্যে ‘লাইক, স্যাড, হা-হাসহ রিঅ্যাক্ট চিহ্ন আছে। এবার ফেসবুকে ‘হা-হা’ রিঅ্যাক্ট ব্যবহার সম্পর্কে সুস্পষ্ট বক্তব্য দিয়েছেন শায়খ আহমাদুল্লাহ।

‘কাউকে নিয়ে ঠাট্টা বা হাসাহাসি করা সম্পর্কে ইসলাম কী বলে? এ প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন-

এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায়ও এটি ব্যবহার অনেক বেশি দেখা যায়। উদাহরণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন- কেউ একটি কমেন্ট বা পোস্ট করেছেন; এ পোস্ট বা কমেন্টে তাকে তাচ্ছিল্য করার জন্য সাধারণত ‘হা-হা’ রিঅ্যাক্ট দিয়ে থাকে। তাকে বিদ্রূপ করে।

কথা হলো- যার সঙ্গে বা যার কমেন্ট বা পোস্টে মজা করে ‘হা-হা’ রিঅ্যাক্ট করা হয়; আর কমেন্ট বা পোস্ট যার, তিনিও যদি এটি নিয়ে মজা করেন তবে তা ভিন্ন বিষয়। কিন্তু যদি কাউকে তাচ্ছিল্য বা বিদ্রূপ করার জন্য ‘হা-হা’ রিঅ্যাক্ট করা হয় তবে তা হারাম বা নিষিদ্ধ। এটি পুরোপুরি নাজায়েজ একটি কাজ।

আল্লাহ তাআলা কাউকে তাচ্ছিল্য বা বিদ্রূপ করা সম্পর্কে সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন-

یٰۤاَیُّهَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَا یَسۡخَرۡ قَوۡمٌ مِّنۡ قَوۡمٍ عَسٰۤی اَنۡ یَّکُوۡنُوۡا خَیۡرًا مِّنۡهُمۡ وَ لَا نِسَآءٌ مِّنۡ نِّسَآءٍ عَسٰۤی اَنۡ یَّکُنَّ خَیۡرًا مِّنۡهُنَّ ۚ وَ لَا تَلۡمِزُوۡۤا اَنۡفُسَکُمۡ وَ لَا تَنَابَزُوۡا بِالۡاَلۡقَابِ ؕ بِئۡسَ الِاسۡمُ الۡفُسُوۡقُ بَعۡدَ الۡاِیۡمَانِ ۚ وَ مَنۡ لَّمۡ یَتُبۡ فَاُولٰٓئِکَ هُمُ الظّٰلِمُوۡنَ

‘হে ঈমানদারগণ! কোনো পুরুষ যেন অপর কোনো পুরুষকে বিদ্রূপ না করে, হতে পারে তারা বিদ্রূপকারীদের চেয়ে উত্তম। আর কোন নারীও যেন অন্য নারীকে বিদ্রূপ না করে, হতে পারে তারা বিদ্রূপকারীদের চেয়ে উত্তম। আর তোমরা একে অপরের নিন্দা কর না এবং তোমরা একে অপরকে মন্দ উপনামে ডেক না। ঈমানের পর মন্দ নাম কতই না নিকৃষ্ট! আর যারা তাওবা করে না, তারাই তো জালিম।’ (সুরা হুজরাত : আয়াত ১১)

তিনি এক ভিডিওতে আরও বলেন, ‘মুসলমানদের ইজ্জত এবং সম্মান লুণ্ঠন করাকে হারাম করে দিয়েছেন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিদায় হজের ভাষণে বলেছেন, এই স্থান, এই মাস ও সময় যেমন আল্লাহর কাছে সম্মানিত; একজন মানুষের ইজ্জত এ রকম আল্লাহর কাছে সম্মানিত। তাই কাউকে তাচ্ছিল্যভরে বিদ্রূপ করা যায় না।

আজকাল ফেসবুকে ‘হা-হা’ রিঅ্যাক্ট দেওয়া একটা নরমাল বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সুতরাং যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখেন, যারা আখেরাতের আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে এ বিশ্বাস রাখেন, যারা বান্দার প্রত্যেকটি ছোটখাটো বিষয় নিয়ে জবাবদিহি করতে হবে এটি বিশ্বাস রাখেন; তারা বিদ্রূপাত্মকভাবে কোনো পোস্টে, কোনো কমেন্টে ‘হা-হা’ রিঅ্যাক্ট দিতে পারেন না বলেও উল্লেখ করেন।

ফেসবুক ব্যবহারকারী সবা মানুষের প্রতি তাঁর আহ্বান-

প্রিয় ভাই এবং বোন আমার, আপনারা আল্লাহর ওয়াস্তে এ কাজটি থেকে বেরিয়ে আসুন। কাউকে নিয়ে বিদ্রূপ করে কোনোভাবেই ‘হা-হা’ রিঅ্যাক্ট দেবেন না। কাউকে কষ্ট দেবেন না। কেউ ভুল করলে সম্ভব হলে সুন্দর ভাষায়, মার্জিত ভাষায়, যুক্তিনির্ভরভাবে তাকে তার ভুল খণ্ডন করে দিন। তাকে বোঝানোর চেষ্টা করুন। যদি তা-ও সম্ভব না হয় তবে এড়িয়ে যান। কিন্তু তাকে নিয়ে বিদ্রূপ করে; তাঁকে হাসির পাত্র বানিয়ে আপনি নিজেই গোনাহগার হচ্ছেন।

তিনি হয়তো একটি ভুল বা ত্রুটি করেছেন। আর আপনি এ ত্রুটিতে ‘হা-হা’ রিঅ্যাক্ট দিয়ে আরেকটি ত্রুটি করলেন।  হতে পারে আপনার ত্রুটি তার ভুলের চেয়ে বেশি জঘন্য। কিংবা বান্দার হক নষ্ট করার মতো বিষয়ও হতে পারে। অথচ বান্দার হক নষ্ট করলে কেয়ামতের দিন আমলনামা থেকে সাওয়াব কেটে নেওয়া হবে।

সুতরাং ফেসবুকে যে কাউকে ‘হা-হা’ রিঅ্যাক্ট দেওয়া থেকে বেঁচে থাকতে হবে।

মহান আল্লাহর কথাটি খেয়াল করুন-

'হে ঈমানদারগণ! তোমাদের এক গোষ্ঠী যেন অপর গোষ্ঠীকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ না করে। কারণ হতে পারে যাকে নিয়ে তুমি বিদ্রূপ করছ, সে তোমার চেয়ে (শেষ পরিণতির বিচারে) শ্রেষ্ঠ! (৪৯/১১)

মহান আল্লাহ আমাদের তাকওয়ার পথে এক পা এক পা করে অগ্রসর হওয়া এবং আত্মসংশোধন করার তাওফিক দান করুন।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

যে পাঁচ আমলে রিজিক বাড়ে

অনলাইন ডেস্ক

যে পাঁচ আমলে রিজিক বাড়ে

বরকত মানুষের জন্য জরুরি বিষয়। এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা দীর্ঘ হায়াত পেয়েছেন, সে হিসেবে ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্ততি কিংবা আমল-ইবাদতেও বরকত নেই। আবার অনেকে কঠোর পরিশ্রম করেন কিন্তু প্রাপ্তি সেভাবে আসে না। কাজে কোনো বরকত নেই।

পক্ষান্তরে এমন অনেক লোক আছেন, যারা কম হায়াত পেয়েছেন কিন্তু ধন-সম্পদ, সন্তান-সন্তুতি, আমল-ইবাদতে বরকত লাভ করেছেন। অনেক অল্প পূজিতে ব্যবসা এবং অল্প বেতনে চাকরি করার পরও তার রিজিকের অভাব নেই। পরিবারে অফুরন্ত বরকত।

সুতরাং সব কাজে বরকত অনেক জরুরি বিষয়। আর বান্দার রিজিক বৃদ্ধির কার্যকরী উপায়গুলো হলো-

১. তাওবাহ-ইসতেগফার

হরজত ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, যারা বেশি বেশি তাওবাহ-ইসতেগফার করে; তাদের সামনে যত সংকটই (অভাব) থাকুক না কেন, মহান আল্লাহ তাআলা তা সমাধান করে দেন।’ (মুসতাদরেকে হাকেম)

সুতরাং বেশি বেশি তাওবাহ-ইসেতগফার করা-

أَستَغْفِرُ اللهَ

উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহ।

অর্থ: আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

أَسْتَغْفِرُ اللهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ

উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি।

অর্থ: আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তাঁর দিকেই ফিরে আসছি।

رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ (أنْتَ) التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ

উচ্চারণ: 'রাব্বিগ্ ফিরলি ওয়া তুব আলাইয়্যা ইন্নাকা (আংতাত) তাওয়্যাবুর রাহিম।'

অর্থ: 'হে আমার প্রভু! আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবাহ কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তাওবা কবুলকারী করুণাময়।'

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ

উচ্চারণ: 'আস্‌তাগফিরুল্লা হাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যুমু ওয়া আতুবু ইলায়হি।'

অর্থ: 'আমি ওই আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, যিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোনো মাবুদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তাঁর কাছেই (তাওবাহ করে) ফিরে আসি।'

২. আল্লাহর রাস্তায় দান বা ব্যয় করা

যারা আল্লাহর রাস্তায় দান করে, আল্লাহ তাআলা তাদের বেশুমার রিজিক দান করেন মর্মে মহান আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমে এভাবে ঘোষণা করেন-

قُلۡ اِنَّ رَبِّیۡ یَبۡسُطُ الرِّزۡقَ لِمَنۡ یَّشَآءُ مِنۡ عِبَادِهٖ وَ یَقۡدِرُ لَهٗ ؕ وَ مَاۤ اَنۡفَقۡتُمۡ مِّنۡ شَیۡءٍ فَهُوَ یُخۡلِفُهٗ ۚ وَ هُوَ خَیۡرُ الرّٰزِقِیۡنَ

‘(হে রাসুল! আপনি)বলুন, নিশ্চয়ই আমার রব তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্য ইচ্ছা রিজিক প্রশস্ত করেন এবং সঙ্কুচিত করেন। আর তোমরা যা কিছু আল্লাহর জন্য ব্যয় কর তিনি তার বিনিময় দেবেন এবং তিনিই উত্তম রিজিকতা।’ (সুরা সাবা: আয়াত ৩৯)

৩. তাকওয়ার ওপর অটল থাকা

আল্লাহর প্রতি অগাধ বিশ্বাস এবং তাকে ভয় করলে তিনি বান্দার প্রতি বরকত বা কল্যাণ দান করেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-

> وَ مَنۡ یَّتَّقِ اللّٰهَ یَجۡعَلۡ لَّهٗ مَخۡرَجًا  - وَّ یَرۡزُقۡهُ مِنۡ حَیۡثُ لَا یَحۡتَسِبُ ؕ وَ مَنۡ یَّتَوَکَّلۡ عَلَی اللّٰهِ فَهُوَ حَسۡبُهٗ ؕ اِنَّ اللّٰهَ بَالِغُ اَمۡرِهٖ ؕ قَدۡ جَعَلَ اللّٰهُ لِکُلِّ شَیۡءٍ قَدۡرًا

‘আর যে কেউ আল্লাহকে ভয় করবে, আল্লাহ তার নিষ্কৃতির পথ করে দেবেন। আর তাকে তার ধারণাতীত উৎস হতে রুযী দান করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর উপর নির্ভর করবে, তার জন্য তিনিই যথেষ্ট হবেন। নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর ইচ্ছা পূরণ করবেনই। আল্লাহ সবকিছুর জন্য স্থির করেছেন নির্দিষ্ট মাত্রা।’ (সুরা তালাক: আয়াত ২-৩)

> وَلَوْ أَنَّ أَهْلَ الْقُرَى آمَنُواْ وَاتَّقَواْ لَفَتَحْنَا عَلَيْهِم بَرَكَاتٍ مِّنَ السَّمَاء وَالأَرْضِ وَلَـكِن كَذَّبُواْ فَأَخَذْنَاهُم بِمَا كَانُواْ يَكْسِبُونَ

‘আর যদি সে জনপদের অধিবাসীরা ঈমান আনত এবং পরহেযগারী অবলম্বন (তাকে ভয়) করত, তবে আমি তাদের প্রতি আসমানি ও দুনিয়ার নেয়ামতসমূহ উম্মুক্ত করে দিতাম। কিন্তু তারা মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছে। সুতরাং আমি তাদেরকে পাকড়াও করেছি তাদের কৃতকর্মের বদলাতে।’ (সুরা আরাফ: আয়াত ৯৬)

সুতরাং শিরক, কুফর ও নেফাক থেকে নিজেদের ঈমানকে হেফাজত করতে হবে। সব হারাম থেকে বেঁচে থাকতে হবে। আল্লাহকে সব বিষয়ে বেশি বেশি ভয় করতে হবে। তবেই আল্লাহ তাআলা ওই বান্দার জন্য আসমানি ও জমিনের সব রিজিকে বরকতের দুয়ার খুলে দেবেন।

৪. আত্মীয়-পরিজনের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রাখা

আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার মাধ্যমে বরকত ও কল্যাণ নেমে আসে। এটি অনেক পরীক্ষিত একটি আমল। আত্মীয়-স্বজন তথা মা-বাবা, ভাই-বোন তথা রক্তের সম্পর্কের আত্মীয়দের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা। হাদিসে এসেছে-

হজরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কামনা করে যে, তার রিজিক বাড়াতে চায় বা প্রশস্ত করতে চায়; তার হায়াত বা আয়ুকে দীর্ঘ করতে সে যেন আত্মীয়-স্বজন, পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখে।’ (বুখারি ও মুসলিম)


আরও পড়ুনঃ

জম্মু-কাশ্মীরে সংঘর্ষ: লস্কর-ই-তাইয়্যেবার কমান্ডারসহ নিহত ৩

যদি নারী অল্প পোশাক পরে ঘোরে তার প্রভাব পুরুষের উপর পড়তে বাধ্য: ইমরান

পুলিশ বিনা ওয়ারেন্টে সাইফুলকে ধরে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করে: ফখরুল

২ হাত ও টুকরো করা পা এক নারীর, ধারণা পুলিশের


৫. বিয়ে করা

রিজিক বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকরী আমল বিয়ে করা। যারা অবিবাহিত তারা নেক নিয়তে বিয়ে করলে মহান আল্লাহ তাদের অভাব দূর করে দেবেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-

وَأَنكِحُوا الْأَيَامَى مِنكُمْ وَالصَّالِحِينَ مِنْ عِبَادِكُمْ وَإِمَائِكُمْ إِن يَكُونُوا فُقَرَاء يُغْنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضْلِهِ وَاللَّهُ وَاسِعٌ عَلِيمٌ

‘তোমাদের মধ্যে যারা বিবাহহীন, তাদের বিবাহ সম্পাদন করে দাও এবং তোমাদের দাস ও দাসীদের মধ্যে যারা সৎকর্মপরায়ন, তাদেরও। তারা যদি নিঃস্ব হয়, তবে আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাদেরকে সচ্ছল করে দেবেন। আল্লাহ প্রাচুর্যময়, সর্বজ্ঞ।’ (সুরা নুর: আয়াত ৩২)

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

যে কারণে যৌবনকালের ইবাদত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

অনলাইন ডেস্ক

যে কারণে যৌবনকালের ইবাদত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ

যৌবন মানেই বন্ধু, আড্ডা, গান, মাস্তি নয়। মহান আল্লাহ ক্ষণিকের জন্য মানুষকে তার এই বিশেষ নিয়ামত দিয়ে পরীক্ষা করেন। যারা তাতে উত্তীর্ণ হবে, তারাই সফল। আর যারা তা অবহেলা করবে, তারা চিরব্যর্থ। যে ব্যক্তি তার যৌবনকে আল্লাহর ইবাদতে ব্যয় করবে, কঠিন কিয়ামতের দিন সে মহান আল্লাহর আরশের ছায়াতলে আশ্রয় পাবে।

পবিত্র হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যেদিন আল্লাহর রহমতের ছায়া ছাড়া আর কোনো ছায়া থাকবে না, সেদিন সাত ব্যক্তিকে আল্লাহ তাআলা তাঁর নিজের ছায়ায় আশ্রয় দেবেন।...যে যুবক বেড়ে উঠেছে মহান প্রতিপালকের ইবাদতের মধ্যে।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৬০)

যুগে যুগে সব পাপ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুবকরাই দাঁড়িয়েছে। প্রত্যেক জাতির ইতিহাসেই দেখা যায়, তাদের মুক্তি, শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে যুবকরাই অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। তেমনই এক যুবক ছিলেন ইবরাহিম (আ.), যিনি সর্বপ্রথম নিজ গোত্রের মূর্তিপূজার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তাদের কেউ কেউ বলল, আমরা শুনেছি, এক যুবক এই মূর্তিগুলোর সমালোচনা করে। তাকে বলা হয় ইবরাহিম।’ (সুরা : ইবরাহিম, আয়াত : ৬০)

মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের উপযুক্ত সময়ে বিশেষ বিশেষ নিয়ামত দান করেন। অনেক ক্ষেত্রেই মানুষের ওই উপযুক্ত সময় হলো যৌবনের শেষ মুহূর্ত। মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর মুসা যখন যৌবনে পদার্পণ করল এবং পরিণত বয়স্ক হলো, তখন আমি তাকে বিচারবুদ্ধি ও জ্ঞান দান করলাম। আর এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদের পুরস্কার দিয়ে থাকি।’ (সুরা : কাসাস, আয়াত : ১৪)

শুধু তা-ই নয়, ঈমান রক্ষার জন্য গোত্র ত্যাগকারী সেই আসহাবে কাহাফকেও পবিত্র কোরআনের মাধ্যমে মহান আল্লাহ চিরস্মরণীয় করে রেখেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘আমি তোমাকে তাদের সংবাদ সঠিকভাবে বর্ণনা করছি। নিশ্চয়ই তারা কয়েকজন যুবক, যারা তাদের রবের প্রতি ঈমান এনেছিল এবং আমি তাদের হিদায়াত বাড়িয়ে দিয়েছিলাম।’ (সুরা : কাহাফ, আয়াত : ১৩)

যৌবন কখনো কখনো মানুষকে পথভ্রষ্ট করে। যৌবনের তাড়নায় যুবকরা অনেক ধরনের পাপে লিপ্ত হয়ে যায়। এ কারণেই যুবকদের উদ্দেশে রাসুল (সা.) বলেন, ‘হে যুবকদের দল! তোমাদের মধ্যে যে বিয়ের সামর্থ্য রাখে, সে যেন বিয়ে করে। এবং যে বিয়ের সামর্থ্য রাখে না, সে যেন সাওম পালন করে। কেননা সাওম যৌনক্ষমতাকে দমন করে।’ (বুখারি, হাদিস : ৫০৬৫)

যৌবনে কেউ কেউ অধিক ফ্যাশনপ্রিয় হয়। তাদের চুল, পোশাক ও বেশভূষায় থাকে উগ্রতা। কেউ কেউ নারীদের মতো কানে দুল পরে। কেউ আবার সোনার আংটি, চেইন, ব্রেসলেট ইত্যাদিও পরে থাকে। রাসুল (সা.) এ ধরনের কাজ পছন্দ করতেন না। একবার রাসুল (সা.) হজরত খাব্বাবের দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলেন, তাঁর হাতে একটি সোনার আংটি। তিনি বললেন, এখনো কি এই আংটি খুলে ফেলার সময় হয়নি? খাব্বাব (রা.) বললেন, আজকের পর আর এটি আমার হাতে দেখতে পাবেন না। অতঃপর তিনি আংটিটি ফেলে দিলেন। (বুখারি, হাদিস : ৪৩৯১)


আরও পড়ুনঃ

জম্মু-কাশ্মীরে সংঘর্ষ: লস্কর-ই-তাইয়্যেবার কমান্ডারসহ নিহত ৩

যদি নারী অল্প পোশাক পরে ঘোরে তার প্রভাব পুরুষের উপর পড়তে বাধ্য: ইমরান

পুলিশ বিনা ওয়ারেন্টে সাইফুলকে ধরে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করে: ফখরুল

২ হাত ও টুকরো করা পা এক নারীর, ধারণা পুলিশের


 

মূলকথা হলো, যৌবনকাল মানুষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি নিয়ামত। এ সময় মানুষের ইবাদতের শক্তি ও সুস্থতা দুটিই থাকে। এ সময় একজন মানুষ যতটা শুদ্ধতা ও দৃঢ়তার সঙ্গে আমল করতে পারে, বৃদ্ধ হয়ে গেলে তা অনেক সময় সম্ভব হয় না। তাই এই মহামূল্যবান নিয়ামত কোনোভাবেই অবহেলায় কাটানো উচিত নয়। কারণ কিয়ামতের দিন যৌবনকালের সময়ের হিসাব নেওয়া হবে। (তিরমিজি, হাদিস : ২৪১৬)

তাই প্রত্যেক যুবকের উচিত তার যৌবনকে পাপমুক্ত রেখে আল্লাহর ইবাদতে রঙিন করা। সন্ত্রাস, মাদক, দুর্নীতি, জিনা-ব্যভিচারসহ সব গুনাহ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখা। আল্লাহকে ভয় করা। মানুষের উপকার করা। সৎকাজে আদেশ ও অসৎকাজে বাধা প্রদান করা। তাহলেই আমাদের সমাজটা আরো সুন্দর ও নিরাপদ হয়ে উঠবে।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

কোরআন মাজীদ হাত থেকে পড়ে গেলে করণীয় কি?

অনলাইন ডেস্ক

কোরআন মাজীদ হাত থেকে পড়ে গেলে করণীয় কি?

অসতর্কতাবশত হাত থেকে অথবা কোনো স্থান থেকে পবিত্র কুরআন মাজীদ পড়ে গেলে মহান আল্লাহর দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। তওবা ইস্তিগফার করতে হবে। 

পবিত্র কোরআন ওজন করে সমপরিমাণ চাল বা কিছু দান করতে হবে- এমন কথা মোটেই সঠিক নয়। এমন কোনো বাধ্যবাধকতা মোটেও নেই। (আগলাতুল আওয়াম, ইসলামী নেসাব-৪৮৫-৮৬)।

উক্ত অবস্থায় অনুতপ্ত হয়ে ‘ইন্নালিল্লা-হি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজেউন’ পড়া যায় (সূরা: বাকারা, আয়াত: ১৫৬)। সেই সঙ্গে সতর্ক থাকতে হবে যেন এমনটি পুনরায় আর না ঘটে।

উল্লেখ্য যে, পড়ে গেলে তুলে চুমো দেয়া বা চাল বিতরণ করা ভিত্তিহীন প্রথা মাত্র। ইসলামী শরিয়তে এমন কোনো নির্দেশনা আসেনি। তাই তা বর্জনীয়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

সুবহানাল্লাহ’র তাৎপর্য ও ফজিলত

অনলাইন ডেস্ক

সুবহানাল্লাহ’র তাৎপর্য ও ফজিলত

সুবহানাল্লাহ অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা পুতঃপবিত্র। যা কুরআনের আয়াত দ্বারা সাব্যস্ত। 

সুরা বাক্বারা ৩২ নং আয়াতে আল্লাহর উদ্দেশ্যে ফেরেশতাদের বক্তব্যে তা উঠে এসেছে। সুবহানাল্লাহ’র তাৎপর্য ও ফজিলত এখানে তুলে ধরা হলো-

তাৎপর্য

ক. হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, ‌এ বাক্যটির অর্থ হলো- আল্লাহ পবিত্র অর্থাৎ আল্লাহ তাআলা যাবতীয় মন্দ ও  সকল প্রকার দোষ-ত্রুটি থেকে সম্পূর্ণ পবিত্র।

খ. একবার হজরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু হজরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহুর নিকট প্রশ্ন করেছিলেন, আমরা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’র অর্থ জানি। কিন্তু সুবহানাল্লাহ’র তাৎপর্য কি? তখন হজরত আলী  রাদিয়াল্লাহু আনহু জবাব দিয়েছিলেন, ‘আল্লাহ তাআলা এ বাক্যটি নিজের জন্য পছন্দ করেছেন। তিনি এ বাক্য দ্বারা সন্তুষ্ট হন। এ বাক্যটির জিকির আল্লাহ তাআলার  মহান দরবারে অত্যন্ত পছন্দনীয়।

গ. হজরত মাইমুন ইবনে মেহরান রহমাতুল্লাহি আলাইহি সুবহানাল্লাহর প্রসঙ্গে বলেছেন, এতে আল্লাহ তাআলার তাযিম রয়েছে এবং তাঁর পবিত্রতার 

বর্ণনা রয়েছে।

ফজিলত
হজরত সাদ ইবনে আবি ওয়াক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমরা রাসুল সাল্লাল্লাহু  আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকট  ছিলাম। তিনি বললেন, তোমাদের কোনো ব্যক্তি প্রত্যেক দিন ১০০০ নেকি অর্জন করতে সক্ষম কি? তন্মধ্যে একজন বললেন, আমাদের মধ্যে কোনো ব্যক্তি কিভাবে ১০০০ হাজার নেকি অর্জন করবে? তখন রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ১০০ বার سُبْحَانَ اللهِ (সুবহানাল্লাহ) বললে, তার জন্য ১০০০ হাজার নেকি লেখা হবে। অথবা তার ১০০০ পাপ মোচন করা হবে। (মুসলিম, মিশকাত)

পরিশেষে...
আল্লাহ তাআলার পবিত্রতা বর্ণনা করেছেন ফেরেশতারা। যার বাস্তব শিক্ষা কুরআনে কারিমে তুলে ধরা হয়েছে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদিস দ্বারা ফজিলত বর্ণনা করা হয়েছে। সুতরাং অনেক ছোট বাক্য ‘সুবহানাল্লাহ’র জিকির অত্যন্ত জরুরি। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সকাল-সন্ধ্যায় এ জিকির করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

------------------------------------------------------------

চাকরির জন্য আল্লাহর কাছে যে দোয়া পড়বেন

যে দোয়া পড়লে মনের আসা কবুল হয়

যারা বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে

যে দোয়া পড়লে কখনো বিফলে যায় না!

যে সময় দোয়া পড়লে দ্রুত কবুল হয়

কঠিন বিপদ থেকে রক্ষা পেতে যে দোয়া পড়বেন!

যাদের দোয়া দ্রুত কবুল হয়

-----------------------------------------------------------------

news24bd.tv / কামরুল

পরবর্তী খবর