অনলাইনেও বেড়েছে বিক্রি

শপিংমলগুলোয় জমে উঠেছে ঈদ কেনাকাটা

অনলাইন ডেস্ক

ঈদের বাকি আর কয়েকদিন। এরইমধ্যে রাজধানীর শপিংমলগুলোয় জমে উঠেছে ঈদ কেনাকাটা। তবে করোনা বাস্তবতায় এবার গেলবারের তুলনায় বিক্রি কম বলে জানান দোকানিরা। 

স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনেকে বিপনীবিতানে আসলেও বেশিরভাগ ফ্যাশনহাউজ বলছে অনলাইনে বেড়েছে তাদের বেচাবিক্রি। বিস্তারিত জানাচ্ছেন ফাতেমা কাউসার।

ঈদ শপিং এ বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনা পরিস্থিতি। বড় বড় শপিংমল গুলোতে তাই ক্রেতা সাধারণের সামাজিক দূরত্ব এবং স্বাস্থ্যবিধি মানার লম্বা লাইন।

অন্যবারের মতো ফ্যাশন হাউজগুলো এবারো ঈদ উপলক্ষে নিয়ে এসেছে নতুন নতুন কালেকশন। ক্রেতারাও ঈদ গরম দুটোকেই মাথায় রেখে সারছেন ঈদ কেনাকাটা।

ঈদের বাকি আরো নয়দিন থাকায় দোকানিরা জানান সামনের দিনগুলোতে আরো বাড়বে তাদের বেচাকেনা।

এদিকে করোনার কথা চিন্তা করে অনেকেই আবার ঘরে বসেই সারছেন ঈদের কেনাকাটা। অনলাইনে আগের চেয়ে বিক্রি বেড়েছে বলে জানান অনেকে। সামনের দিনগুলোতে বেচাবিক্রি আরো বাড়বে এমন প্রত্যাশা সবার।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

সঞ্চয়পত্রের যে বিষয় জানা জরুরি

অনলাইন ডেস্ক

সঞ্চয়পত্রের যে বিষয় জানা জরুরি

সব শ্রেণির বিনিয়োগকারীর জন্যই নিরাপদ বিনিয়োগের নাম হচ্ছে সঞ্চয়পত্র। আবার নিশ্চিত ও সর্বোচ্চ মুনাফার দিক থেকেও সঞ্চয়পত্র সবচেয়ে আকর্ষণীয়, অন্তত ব্যাংকে স্থায়ী আমানত এবং শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের তুলনায়।  ​বাংলাদেশে পাঁচ ধরনের সঞ্চয়পত্র রয়েছে। মেয়াদ অনুযায়ী এসব সঞ্চয়পত্রের মূল্য ও মুনাফা পৃথক হয়ে থাকে। এবার তাহলে সঞ্চয়পত্রের ধরন সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র (৫ বছর মেয়াদী) 

পাঁচ বছর মেয়াদী সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার মেয়াদ শেষে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। এটি দেশের সবচেয়ে পুরোনো সঞ্চয়পত্র। ১৯৭৭ সালে চালু হয় এটি। দেশের যেকোনো নাগরিক কিনতে পারেন এটি। বাজারে ১০, ৫০, ১০০ ও ৫০০ টাকা; ১০০০, ৫০০০, ১০০০০, ২৫০০০ ও ৫০০০০ টাকা এবং ১ লাখ, ৫ লাখ ও ১০ লাখ টাকা মূল্যমানের বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র পাওয়া যায়। ব্যক্তির ক্ষেত্রে একক নামে ৩০ লাখ ও যৌথ নামে ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র কেনা যায়। তবে প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কোনো সীমা নির্ধারিত নেই।

মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র (৩ মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক) :

তিন বছর মেয়াদী ও তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র এটি। এর মুনাফার হার ১১ দশমিক ০৪ শতাংশ। এটি চালু হয় ১৯৯৮ সালে। পাওয়া যায় ১ লাখ, ২ লাখ, ৫ লাখ ও ১০ লাখ টাকা মূল্যমানে। বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের মতো এটিও সবাই কিনতে পারেন। এই সঞ্চয়পত্র একক নামে ৩০ লাখ টাকা ও যৌথ নামে সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা পর্যন্ত কেনা যায়।

পরিবার সঞ্চয়পত্র (৫ বছর মেয়াদী) :

পাঁচ বছর মেয়াদী সঞ্চয়পত্র এটি। এতে মেয়াদ শেষে ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়। সঞ্চয়পত্রটি বিক্রি হয় ১০ হাজার, ২০ হাজার, ৫০ হাজার, ১ লাখ, ২ লাখ, ৫ লাখ ও ১০ লাখ টাকা মূল্যমানে। ২০০৯ সালে চালু হওয়া এ সঞ্চয়পত্র থেকে মাসিক মুনাফা নেওয়ার সুযোগ আছে। এক নামে সর্বোচ্চ ৪৫ লাখ টাকার পরিবার সঞ্চয়পত্র কেনা যায়। তবে সবাই এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন না। কেবল ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী নারী, শারীরিক প্রতিবন্ধী যেকোনো বয়সী নারী-পুরুষ এবং ৬৫ বা তার চেয়ে বেশি বয়সী নারী-পুরুষ এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন।

পেনশনার সঞ্চয়পত্র (৫ বছর মেয়াদী) :

পাঁচ বছর মেয়াদী সঞ্চয়পত্র এটি। এর মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ। এ শ্রেণিতে ৫০ হাজার, ১ লাখ, ৫ লাখ ও ১০ লাখ টাকা মূল্যমানের পাঁচ ধরনের সঞ্চয়পত্র আছে। ২০০৪ সালে চালু হওয়া এ সঞ্চয়পত্র থেকে তিন মাস পরপরও মুনাফা তোলা যায়। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য এবং মৃত চাকরিজীবীর পারিবারিক পেনশন সুবিধাভোগী স্বামী, স্ত্রী ও সন্তানরাই শুধু এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন।

ডাকঘর সঞ্চয়পত্র (৩ বছর মেয়াদী) :

সঞ্চয়পত্রটি শুধু ডাকঘর থেকে লেনদেন করা হয়। তিন বছর মেয়াদী ডাকঘর সঞ্চয়পত্রের সুদের হার বর্তমানে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। ডাকঘর থেকে এ সঞ্চয়পত্র কেনা ও নগদায়ন করা যায়। যে কেউ এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন।


আগামী ১ জুলাই থেকে ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারীদের সুবিধা একটু বাড়বে। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সঞ্চয়কারীদের জন্য বাজেটে যেভাবে প্রস্তাব দিয়েছেন, তা সেভাবেই যদি পাস হয়, তাহলে ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারীদের সুবিধা পাওয়া নিশ্চিত হবে।

সঞ্চয়পত্রের গ্রাহক ও ডাকঘর সঞ্চয় হিসাবের গ্রাহকদের জন্য অর্থমন্ত্রী আগামী ২০২১–২২ অর্থবছরের বাজেটে সামান্য বাড়তি সুবিধা প্রদানের ঘোষণা দেন। সেটি হলো, এখন থেকে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) ছাড়াই সঞ্চয়পত্র ও ডাকঘর সঞ্চয় হিসাবে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগের সুযোগ। এত দিন টিআইএন ছাড়া এক লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করা যেত।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

বেনাপোল স্থল বন্দরের সকল শ্রমিককে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার দাবি

বকুল মাহবুব

করোনা কালীন সময়েও স্বাভাবিক আছে বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে আমদানি রপ্তানি বাণিজ্য। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বেনাপোল বন্দরে কাজ করছে হাজার হাজার শ্রমিক। বন্দরের সকল শ্রমিককে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার দাবি শ্রমিক নেতা ও ব্যবসায়ীদের। 

করোনাকালীন সময়ে সরকারের বিধিনিষেধ ঘোষণার মধ্যেও বেনাপোল স্থল বন্দর খোলা রাখা বিষয়ে নির্দেশনা ছিল। কিন্তু শ্রমিকদের বেশিরভাগ সময় ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভারদের পাশে থেকে কাজ করতে হয়। এতে তাদের শারীরিক ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা কঠিন হয়ে পরে।

ফলে তাদের আক্রান্তের হার বাড়তে পারে। এজন্য পরীক্ষা এবং একই সঙ্গে তাদেরকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনার দাবি জানান শ্রমিক নেতারা।

বেনাপোল স্থল বন্দরে মোট ৮ হাজার শ্রমিক পণ্য ওঠানো ও নামানোর কাজ করে।  এখানে দুই দেশের পণ্য পরিবহনকারী ট্রাকচালক ও হেলপারদের মধ্যে নেই কোন স্বাস্থ্য সচেতনতা।

ফলে সংক্রমণ ঝুঁকিতে রয়েছেন বাণিজ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ট্রাকচালক ও হেলপার, সরকারি, বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পণ্য খালাসের সঙ্গে জড়িত হ্যান্ডেলিং শ্রমিকসহ ১০ হাজার মানুষ। যদিও, বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে যাবতীয় সুরক্ষা নিশ্চিত করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:


সারাদেশে লকডাউনের বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত

বেতন-ভাতা বাড়ানোর আবেদন সরকারি কর্মচারীদের

চলন্ত ট্রাকে তরুণীকে ধর্ষণ, অতঃপর যেভাবে উদ্ধার

দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই অশান্তিতে ছিল আবু ত্ব-হা!


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

চারটি কোম্পানিকে এলএনজি আমদানির অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক

চারটি কোম্পানিকে এলএনজি আমদানির অনুমোদন

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে বুধবার (২৩ জুন) চার দেশের চারটি কোম্পানিকে বিদেশ থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদনের লক্ষ্য হলো জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অধীন পেট্রোবাংলার মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে এলএনজি আমদানি করা।

যে চারটি কোম্পানিকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে তা হচ্ছে- দুবাইয়ের শেল ইন্টারন্যাশনাল ট্রেপিং মিডল ইস্ট লিমিটেড, জাপানের আটিওসিএইচইউ করপোরেশন, যুক্তরাজ্যের টোটাল গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড ও সিঙ্গাপুরের গুনভর সিঙ্গাপুর পেট্রোলিয়াম লিমিটেড। কোম্পানিগুলোর সঙ্গে মাস্টার স্কেল অ্যান্ড পারচেজ চুক্তি স্বাক্ষরের নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল সভায় অংশ নেন কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সভা শেষে অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন অর্থমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব।

আরও পড়ুন:


সারাদেশে লকডাউনের বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত

বেতন-ভাতা বাড়ানোর আবেদন সরকারি কর্মচারীদের

চলন্ত ট্রাকে তরুণীকে ধর্ষণ, অতঃপর যেভাবে উদ্ধার

দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই অশান্তিতে ছিল আবু ত্ব-হা!


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

যুক্তরাজ্যে রপ্তানির সুযোগ চায় বিজিএমইএ

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যে রপ্তানির সুযোগ চায় বিজিএমইএ

যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের জন্য রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি এবং যুক্তরাজ্য থেকে আরও বিদেশি বিনিয়োগ আনার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তৈরি পোশাক খাতের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান।

মঙ্গলবার (২২ জুন) বিজিএমইএ অফিসে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিম এবং বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসানের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকটিতে তিনি এই আহ্বান জানান।

বৈঠকে বাংলাদেশের স্বলোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের প্রেক্ষাপটে নতুন চ্যালেঞ্জসমূহ, সম্ভাব্য শুল্ক পরিবর্তন এবং স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণ পরবর্তী পর্যায়ে বাংলাদেশ কীভাবে যুক্তরাজ্যের বাজার ধরে রাখতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হয়।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, কোভিড-১৯ সংকটকালে কিছু ব্রিটিশ ব্র্যান্ড বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানি করলেও এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের রপ্তানি বিল পরিশোধ করেনি। এতে পোশাক শিল্পের সেসব উদ্যোক্তারা সংকটে পড়েছেন। উল্লেখিত ব্র্যান্ডরা যেন অনতিবিলম্বে রপ্তানি বিল পরিশোধ করেন, সে বিষয়ে সহযোগিতা করার জন্য বিজিএমইএ সভাপতি যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশি হাইকমিশনারকে অনুরোধ জানান।

এ সময় বিজিএমইএ সহ-সভাপতি মিরান আলীও উপস্থিত ছিলেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

‘ইভ্যালি ঈদ ফ্যাশন সাইক্লোন’ নিয়ে আসছে মিথিলা

অনলাইন ডেস্ক

‘ইভ্যালি ঈদ ফ্যাশন সাইক্লোন’ নিয়ে আসছে মিথিলা

দেশীয় ই-কমার্স মার্কেটপ্লেস ইভ্যালি ডট কম ডট বিডি’তে ‘ঈদ ফ্যাশন সাইক্লোন’ নিয়ে আসছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। আসন্ন ঈদ উল আযহা’কে কেন্দ্র করে গ্রাহকদের জন্য বিশেষভাবে সাজানো এই ফ্যাশন সাইক্লোন অফারে দেশি-বিদেশি ফ্যাশন ব্র্যান্ডের পণ্য সুলভ মূল্যে কেনা যাবে ইভ্যালি থেকেই।

রোববার (২০ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয় ইভ্যালির পক্ষ থেকে। এতে বলা হয়, প্রতি সপ্তাহের সোমবার রাত ১০টায় ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল পণ্যের বিশেষ এই অফার নিয়ে হবে ফ্যাশন সাইক্লোন। আর সোমবারের (২১ জুন) সাইক্লোনটি হবে ঈদ উল আযহা’কে কেন্দ্র করে।

সম্প্রতি ইভ্যালির পক্ষে এক ওভিসি’তে অংশ নেন প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ড এম্বাসেডর এবং ‘ফ্যাশন ফেস অব ইভ্যালি’ রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। সেখানেই এই ফ্যাশন সাইক্লোন সম্পর্কে জানান দেন তিনি। প্রায় এক বছরেরও বেশি সময় পর ইভ্যালির মাধ্যমে আবারও বিজ্ঞাপনে ফিরে আসলেন মিথিলা।

রাফিয়াত রশিদ মিথিলা বলেন, ভারতে অবস্থান করা ও করোনার কারণে প্রায় এক বছর কোন বিজ্ঞাপনে আমার কাজ করা হয়নি। ইভ্যালির ‘ব্র্যান্ড এম্বাসেডর’ এবং ‘ফ্যাশন ফেস’ হিসেবে এই বিজ্ঞাপনের মধ্যে দিয়ে আবারও কাজে ফিরে আসার বিষয়টি ছিল সত্যিই দারুণ। আশা করি ইভ্যালির প্রায় ৫০ লক্ষ গ্রাহকদের এই সাইক্লোন অফার ভালো লাগবে।


আরও পড়ুনঃ

জম্মু-কাশ্মীরে সংঘর্ষ: লস্কর-ই-তাইয়্যেবার কমান্ডারসহ নিহত ৩

যদি নারী অল্প পোশাক পরে ঘোরে তার প্রভাব পুরুষের উপর পড়তে বাধ্য: ইমরান

পুলিশ বিনা ওয়ারেন্টে সাইফুলকে ধরে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করে: ফখরুল

ফেসবুকে ‘হা-হা’ রিঅ্যাক্ট নিয়ে যা বললেন শায়খ আহমাদুল্লাহ


অন্যদিকে ইভ্যালির প্রধান বিপণন কর্মকর্তা আরিফ আর হোসেন জানান, সোমবারের এই সাইক্লোনে গ্রাহকদের অর্ডার করা ফ্যাশন পণ্য পৌঁছে দেওয়া হবে ঈদের আগে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই। ফারিয়া বলেন, যেহেতু ইভ্যালিতে সবসময়ই অত্যধিক অর্ডারের চাপ থাকে সেহেতু এবার ঈদ সাইক্লোন একটু আগেভাগেই করা হচ্ছে। যেন গ্রাহকদের অর্ডার করা পণ্য ঈদের আগেই নির্দিষ্ট সময়ের ভেতর তাদের কাছে পৌঁছানো যায়। এই সাইক্লোনে গ্রাহকেরা দেশি ও বিদেশি নামীদামী ব্র্যান্ডের ফ্যাশন ও লাইফস্টাইল পণ্য বরাবরের মতোই আকর্ষণীয় মূল্যছাড়ে ইভ্যালি থেকে কিনতে পারবেন। ঈদকে কেন্দ্র করে ফ্যাশন হাউজগুলোর ‘এক্সক্লুসিভ কালেকশন’ থাকবে এতে।

এছাড়াও ওভিসি’তে মিথিলা বেশকিছু অজানা বিষয়ের খোলাসা করবেন বলেও জানান আরিফ। এর জন্য সবাইকে ওভিসি দেখার আহবান জানিয়েছেন তিনি।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর