নোয়াখালীতে নববধূকে গলাটিপে হত্যা, স্বামী আটক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

নোয়াখালীতে নববধূকে গলাটিপে হত্যা, স্বামী আটক

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক নববধূকে গলাটিপে হত্যা করেছে স্বামী। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ।

নিহত ফাতেমা আক্তার মুন্নি (১৯), নোয়াখালী পৌরসভার ১নম্বর ওয়ার্ডের মধুসুদনপুর গ্রামের ফরিদ হাজী বাড়ির আহছান উল্যার মেয়ে।

বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় নিহতের মা খায়েরুন নেছা বাদী অভিযুক্ত স্বামীকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। এর আগে, বুধবার (৫ মে) গভীর রাতের যে কোন এক সময়ে উপজেলার ছয়ানী ইউনিয়নের উত্তর নয়নপুর গ্রামের ওদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

আটক স্বামী মো.জিহাদ (২২), উপজেলার ৫নং ছয়ানী ইউনিয়নের উত্তর নয়নপুর গ্রামের ওদার বাড়ির মো.হারুনের ছেলে।

প্রায় একমাস পর সুখবর পেলেন খালেদা জিয়া

ঘরের ডেকোরেশন দেখানোর কথা বলে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ

হেফাজত নেতা জাকারিয়া নোমান ফয়জী ৫ দিনের রিমান্ডে

কুড়িল ফ্লাইওভারে গলায় গামছা পেঁচানো দুবাই প্রবাসীর লাশ

ভুক্তভোগী পরিবার ও মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, গত ৩ মাস ২৭ দিন আগে মুন্নি ও জিহাদ প্রেম করে নোটারী পাবলিকের মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বিবাহের পর থেকে জিহাদ তাকে একটি ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা কিনে দেওয়ার জন্য শ্বশুরের পরিবারের কাছে দাবি করে। তার স্ত্রীকে শ্বশুর বাড়ি থেকে টাকা এনে দেওয়ার জন্য শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত। জিহাদের স্ত্রী তার মা-বাবা গরীব বলে তাদের পক্ষে অটোরিকশা কিনে দেওয়া সম্ভব নয় মর্মে স্বামীকে জানাইলে,সে স্ত্রীকে মারধর ও নির্যাতন করে। শ্বশুর-শাশুড়ি একাধিকবার মেয়ের স্বামীর বাড়িতে গেলে মেয়ের
জামাই তাদের কাছেও অটোরিকশা কিনে দেওয়ার জন্য টাকা দাবি করে। শ্বশুর-শাশুড়ি অটোরিকশা কিনে দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে সে ফের স্ত্রীর ওপর নির্যাতন করত। বুধবার রাতে জিহাদ তার স্ত্রীকে অটোরিকশা কিনে দেওয়ার জন্য টাকার এনে দেওয়ার কথা বললে এই নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। টাকা এনে দিতে পারবে না বললে গভীর রাতে বসত ঘরের রুমের খাটের ওপর তার স্বামী তাকে গলা টিপে হত্যা করে। নিহতের শাশুড়ি জোসনা বেগম সেহরী খেতে তাকে ডাকতে গেলে খাটের ওপর পুত্রবধূর মরদেহ দেখতে পায় । বৃহস্পতিবার পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে অভিযুক্ত আসামিকে আটক করে।

বেগমগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ কামরুজ্জামান সিকাদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

মাস্ক কেলেঙ্কারি: সেই শারমিনকে অব্যাহতি দিয়ে পুলিশের প্রতিবেদন

অনলাইন ডেস্ক

মাস্ক কেলেঙ্কারি: সেই শারমিনকে অব্যাহতি দিয়ে পুলিশের প্রতিবেদন

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) নকল ‘এন-৯৫’ মাস্ক সরবরাহের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলা থেকে অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালের মালিক শারমিন জাহানকে অব্যাহতির আবেদন করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশ পরিদর্শক মোর্শেদ হোসেন খান এ প্রতিবেদন দাখিল করেন।

মঙ্গলবার (২২ জুন) শাহবাগ থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গত ২৮ এপ্রিল ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে তাকে অব্যাহতি দিয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা।

মামলা থেকে জানা যায়, বিএসএমএমইউয়ে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দেয়া শুরু হয় গত ৪ জুলাই। সেখানে প্রথম ও দ্বিতীয় ব্যাচে যারা মাস্ক সরবরাহের দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের দেয়া এন-৯৫ মাস্ক নিয়ে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

তবে তৃতীয় ব্যাচেই দেখা দেয় বিপত্তি। অভিযোগ ওঠে, এই চালানে সেখানে দায়িত্ব পালন করা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নকল এন-৯৫ মাস্ক সরবরাহ করা হয়। নকল মাস্কগুলোতে লেখা ভুল, লট নম্বর ছিল না।

আরও পড়ুন


লন্ডনে রানির বাড়ির সামনে থেকেও ফোন চুরি হয়: পরিকল্পনামন্ত্রী

হিংস্রতা আর ষড়যন্ত্রের হোতা বিএনপি, আ.লীগ হিংস্র আচরণ করে না: কাদের

ভারত থেকে কানাডা ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা ২১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ল

ফোনালাপে আড়িপাতা রোধের পদক্ষেপের বিষয়ে জানতে বিটিআরসিকে নোটিশ


অভিযোগে আরও বলা হয়, আসল এন-৯৫ মাস্কের সঙ্গে নকল মাস্কও সরবরাহ করে অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনাল। প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে প্রায় ৮০-৯৫ লাখ টাকার মাস্ক নিয়েছে বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ।

এ ঘটনায় অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালকে কারণ দর্শানোর নোটিশও দেয় বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ। বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষের কারণ দর্শানোর নোটিশের পরিপ্রেক্ষিতে উত্তর দেন অপরাজিতা ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার শারমিন জাহান।

এতে তারা বিষয়টিকে অনাকাঙ্ক্ষিত বলে উল্লেখ করেন। তাতে বলা হয়, নকল মাস্ক সরবরাহ করার কোনো ইচ্ছা তাদের ছিল না। তাদের কাছে যেভাবে প্যাকেটজাত অবস্থায় মাস্কগুলো এসেছে সেভাবেই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছিল। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই তারা সেসব মাস্ক প্রত্যাহার করে নিয়েছে।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ফোনালাপে আড়িপাতা রোধের পদক্ষেপের বিষয়ে জানতে বিটিআরসিকে নোটিশ

অনলাইন ডেস্ক

ফোনালাপে আড়িপাতা রোধের পদক্ষেপের বিষয়ে জানতে বিটিআরসিকে নোটিশ

ফোনালাপে আড়িপাতা রোধে কি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তা জানতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) লিগ্যাল নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ জুন) সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবীর পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে এ নোটিশ দেন।

যারা নোটিশ দিয়েছেন তারা হলেন, অ্যাডভোকেট রেজওয়ানা ফেরদৌস, উত্তম কুমার বনিক, শাহনা বিলাকাশফী, ফরহাদ আহমেদ সিদ্দীকী, মোহাম্মদ নওয়াব আলী, মোহাম্মদ ইবরাহিম খলিল, মুস্তাফিজুর রহমান, জিএম মুজাহিদুর রহমান (মুন্না), ইমরুল কায়েস ও একরামুল কবির।

নোটিশ পাঠানোর বিষয়ে চাওয়া হলে অ্যাডভোকেট শিশির মনির জানান, নোটিশে ২০১৩ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত সংঘটিত ১৬টি আড়িপাতার ঘটনা উল্লেখ করা হয়। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার সংলাপ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ফোনালাপ, প্রয়াত সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ এবং রাজশাহী মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার নাজমুল হাসানের ফোনালাপ উল্লেখযোগ্য। এ সব আড়িপাতার ঘটনা বাংলাদেশের গণমাধ্যমে বহুল প্রচারিত হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

আরও পড়ুন


শিশু সাঈদ হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টেও বহাল

খুলনায় কঠোর লকডাউন, নানা অজুহাতে পথে নামছে মানুষ

জীবন আর মৃত্যু খুব কাছাকাছি থাকে

খিলগাঁয়ে ড্রেনে পড়ে এক কিশোর নিখোঁজ, উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস


সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদে চিঠিপত্র ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা সংরক্ষণ নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এছাড়া ২০১১ সালের ১৬ এপ্রিল বাংলাদেশ টেলিকিমিউনিকেশন রেগুলেটরি অ্যাক্ট ২০০১ প্রণয়ন করা হয়। আইনের ৩০ (চ) ধারা অনুযায়ী টেলিযোগাযোগের একাত্ততা রক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এ কমিশনের দায়িত্ব। কিন্তু এ ধরনের ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনা অহরহ ঘটছে। অথচ, বাংলাদেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী কমিশনের দায়িত্ব হল ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সংরক্ষণ নিশ্চিত করা বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

নোটিশে ৭ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছে। অন্যথায়, উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করা হবে বলেও জানান আইনজীবী শিশির মনির।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

শিশু সাঈদ হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টেও বহাল

অনলাইন ডেস্ক

শিশু সাঈদ হত্যা: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টেও বহাল

সিলেট নগরীর শাহ মীর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র আবু সাঈদ (৯) হত্যা মামলায় তিন আসামিকে বিচারিক (নিম্ন) আদালতের দেয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।

আসামিরা হলেন- সিলেটের বিমানবন্দর থানার সাবেক কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুল, সিলেট জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাকিব ও পুলিশের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদা।

মঙ্গলবার (২২ জুন) ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিলের শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি সহিদুল করিম ও বিচারপতি মো. আখতারুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল বেঞ্চ এই রায় দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বশির আহমেদ। আসামিদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

এর আগে গত ৪ এপ্রিল শিশু সাঈদ হত্যা মামলায় হাইকোর্টের শুনানি শেষ হয়। শুনানি শেষে ১৩ এপ্রিল রায়ের জন্য দিন রাখা হয়। কিন্তু সম্প্রতি করোনার প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় তারিখ পিছিয়ে মামলাটি আজ রায় ঘোষণার জন্য কার্যতালিকায় আসে।

২০১৫ সালের ১১ মার্চ শিশু আবু সাঈদ অপহরণ হয়। এর তিনদিন পর ১৪ মার্চ নগরীর ঝর্ণারপাড় সোনাতলা এলাকায় পুলিশ কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুলের বাসার ছাদের চিলেকোঠা থেকে তার বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

আরও পড়ুন


খুলনায় কঠোর লকডাউন, নানা অজুহাতে পথে নামছে মানুষ

জীবন আর মৃত্যু খুব কাছাকাছি থাকে

খিলগাঁয়ে ড্রেনে পড়ে এক কিশোর নিখোঁজ, উদ্ধারে ফায়ার সার্ভিস

সেই রাতের পরীমণির আরও একটি ভিডিও ভাইরাল


একই বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর এ মামলায় চারজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন সিলেট কোতোয়ালি থানার তৎকালীন ওসি (তদন্ত) মোশাররফ হোসেন।

চার্জশিটে অভিযুক্তরা হলেন- সিলেটের বিমানবন্দর থানার সাবেক কনস্টেবল এবাদুর রহমান পুতুল, সিলেট জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাকিব, পুলিশের কথিত সোর্স আতাউর রহমান গেদা ও ওলামা লীগ নেতা মাহিব হোসেন মাসুম।

২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর মাসুমকে খালাস দিয়ে বাকি তিনজনকে মৃত্যদণ্ড দেন সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুর রশিদ।

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

হেফাজত নেতা আজহারুল কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক

হেফাজত নেতা আজহারুল কারাগারে

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিরোধী আন্দোলনের ঘটনায় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা মামলায় হেফাজতে ইসলামের ঢাকা মহানগরের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আজহারুল ইসলামকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

আজ ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম এই আদেশ দেন।

ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিকে পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এদিন পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে আজহারুল ইসলামকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের ডেমরা জোনাল টিমের উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।

আসামির পক্ষে মো.পারভেজ জামিন আবেদন করেন। তিনি বলেন, ‘এজাহারে আসামির নাম নেই। ঘটনার তিন মাস পর গ্রেপ্তার করে তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। তিনি প্রখ্যাত আলেম। আজহারুল ইসলাম মাদ্রাসায় চাকরি করেন। সেখানে ৭০০ শিক্ষার্থী আছে। তাদের মধ্যে কয়েকশ শিক্ষার্থী এতিম। তিনি তাদের দেখাশোনা করেন। আজহারুল ইসলাম জেলহাজতে থাকলে শিক্ষার্থীদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠবে। তাই তার জামিন প্রার্থনা করছি।’

রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আজহারুল ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ১৫ জুন আজহারুল ইসলামকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠান ঢাকার সিএমএম আদালত। সেদিন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ যাত্রাবাড়ী থেকে আজহারুলকে গ্রেপ্তার করে।

আরও পড়ুন:


ভোট ভালো হয়েছে: ইসি সচিব

কাল থেকে ৭ জেলায় লকডাউন

যশোরে বেড়েইে চলেছে করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা


গ্রেপ্তারের পর ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) ইফতেখায়রুল ইসলাম জানান, আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশে আসার সময় হেফাজত যে নাশকতা করেছিল, সেখানেও তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল। এসব মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

বাবা-মা-বোনকে হত্যা: এবার মেহজাবিনের স্বামী রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাবা-মা-বোনকে হত্যা: এবার মেহজাবিনের স্বামী রিমান্ডে

রাজধানীর কদমতলী থানার ৫২ নম্বর ওয়ার্ডের মুরাদপুর হাইস্কুল রোডের একটি বাসা  এক দম্পতি ও তাদের ছোট মেয়ের মরদেহ উদ্ধারের মামলায় বড় মেয়ের জামাই শফিকুল ইসলামের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

সোমবার (২১ জুন) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক জাকির হোসাইন আসামির সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিলেন।

একই মামলায় রোববার (২০ জুন) ওই দম্পতির বড় মেয়ে মেহজাবিন ইসলাম মুনের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এছাড়াও মেহজাবিন ও তার স্বামী শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩১ আগস্ট দিন ধার্য করেছেন আদালত।

এর আগে রোববার সকালে রাজধানীর কদমতলী থানায় নিহত মাসুদ রানার বড় ভাই এবং আটক মেহজাবিন ইসলাম মুনের বড় চাচা সাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে মেহজাবিন ইসলাম মুন ও তার স্বামী শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

আরও পড়ুন:


ভোট ভালো হয়েছে: ইসি সচিব

কাল থেকে ৭ জেলায় লকডাউন

যশোরে বেড়েইে চলেছে করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা


গত শনিবার সকালে কদমতলীর মুরাদপুরে পাঁচতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সেখান থেকে অচেতন অবস্থায় মেহজাবিনের স্বামী শফিকুল ইসলাম ও মেয়ে তৃপ্তিকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। এই হত্যাকেণ্ডর দায় স্বীকার করেছেন মেহজাবিন ইসলাম মুন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর