আসমানি ফয়সালার ওপর আমাদের আস্থা রাখতেই হবে

মারুফ কামাল খান

আসমানি ফয়সালার ওপর আমাদের আস্থা রাখতেই হবে

‘শ্রীমতী গান্ধী যে ছেলেকে জমিনে মানুষের রাজনীতির জন্য গড়লেন, সে বিমান দুর্ঘটনায় মরলো। আর বিমান দুর্ঘটনায় মরার আশঙ্কা ছিল যে পাইলট ছেলের, সে কিনা রাজনীতি করতে নেমে প্রাণ দিল ঘাতকের হাতে। কাজেই মানুষের পরিকল্পনা সব সময় কাজ দেয় না।’

এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সদ্য বিদায়ী প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল। তিনি এক ফেইসবুক স্ট্যাটাসে এ মন্তব্য করেন। মারুফ কামালের সেই লেখাটি পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

মরহুম সাংবাদিক-রাজনীতিক তাহের উদ্দিন ঠাকুরকে কিছুকালের জন্য আমি সাংবাদিকতায় ঊর্ধ্বতন সহকর্মী হিসেবে পেয়েছিলাম। সেটা দৈনিক দেশ-এ কাজ করবার সময়। সাবেক ছাত্রনেতা তাহের ঠাকুর পাকিস্তান আমলে দৈনিক ইত্তেফাকের চিফ রিপোর্টার ছিলেন। সে যামানায় শেখ মুজিবুর রহমান সাহেবের নেতৃত্বের ভাবমূর্তি তৈরিতে তিনি বিরাট ভূমিকা রাখেন। স্বনামে 'জনতা সাগরে জেগেছে ঊর্মি' শিরোনামে ইত্তেফাকে শেখ সাহেবের ওপর সিরিজ রিপোর্ট করতেন তিনি। পরে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য এবং শেখ সাহেবের কেবিনেটে তথ্য ও বেতার প্রতিমন্ত্রী হয়েছিলেন তাহের ঠাকুর।

মুজিবহত্যার পর মোশতাক সরকারে অন্যান্য মন্ত্রীর সঙ্গে তাহের ঠাকুরের মন্ত্রীত্বও বহাল থাকে। প্রেসিডেন্ট হিসেবে জাতির উদ্দেশে দেওয়া খোন্দকার মোশতাকের ভাষণসমূহও ছিল তাহের ঠাকুরেরই লেখা।

সুন্দর অভিজাত চেহারা ছিল তার। কণ্ঠস্বর ছিল চমৎকার। বেশভূষায় সব সময় নিপাট পারিপাট্য বজায় রাখতেন। কথাবার্তায় ছিলেন দারুণ চৌকশ। লিখতেনও দারুণ। অধুনালুপ্ত দৈনিক দেশ-এর শেষ পর্বে তিনি উপদেষ্টা সম্পাদক হিশেবে যোগ দিয়েছিলেন।

তাহের ঠাকুর ১৯৭৫ সালের মুজিবহত্যা ও জেলহত্যায় জড়িত ছিলেন বলে ব্যাপক প্রচার ছিল। আওয়ামী ঘরানার লোকজন তাকে অন্যতম চক্রান্তকারী বলে জানতেন। তবে ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় এবং সম্পাদকীয় বিভিন্ন সিদ্ধান্তগ্রহন প্রক্রিয়ায় আমি তার প্রবল মুজিবভক্তি ও ভারতপ্রীতির প্রমাণ পেতাম। পরে আওয়ামী লীগ সরকার তাকে মুজিবহত্যা ও জেলহত্যা উভয় মামলায় আসামি করে এবং গ্রেফতার করে জেলে রাখে। তবে বিচারে তাহের ঠাকুর বেকসুর খালাস পেয়েছিলেন।

খুব তুখোড় আড্ডাবাজ লোক ছিলেন তাহের ঠাকুর। অফিসে এসেই আমাকে ডাকতেন। বাসা থেকে পিতলের ঝকঝকে পাত্র ভরে আনতেন সাজানো পান। সেটা খুলতেই সুগন্ধী জর্দার সুরভীতে ঘর মৌ মৌ করতো। তার চেয়ারের পাশে একটা পিকদানিও রাখা ছিল। আমারও তখন পান খাবার নেশা ছিল জব্বর। ধুমায়িত চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে কিংবা আয়েশ করে পান চিবুতে চিবুতে জমে উঠত আড্ডা। তাতে শামিল হতেন সহকর্মীদের অনেকেই।

'নব্বুইয়ের গণঅভ্যুত্থানে এরশাদের পতনের পর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আয়োজন হয়। তখন আ.লীগের প্রতি তাহের ঠাকুরের অনুকূল মনোভাব আরো পরিস্কার হয়ে যায়। আমরা ছিলাম তখন বিএনপির পাগলপারা সমর্থক। একদিন একটু ক্ষুব্ধ হয়েই তাকে বললাম, এতো বেশি আওয়ামী লীগ আওয়ামী লীগ করেন, কিন্তু ওরা তো আপনাকে খুনি ও চক্রান্তকারী বলে। ওরা ক্ষমতায় এলে তো আপনাকে লটকে দেবে।

আমার ডাক নাম ধরে ডাকতেন তিনি। খানিকটা ম্লান হাসি হেসে বললেন, সোহেল ভাই, একটা কথা বলি শোনেন। মনে রাখবেন, জগতের অনেক কিছুর ফয়সালাই কিন্তু মানুষের হাতে নেই। সেগুলোর ফয়সালা হয় আসমানে। আমরা দুনিয়ার মানুষ এক রকম পরিকল্পনা করি কিন্তু আসমানি ফয়সালায় তা সম্পূর্ণ উলটে যায়।

তারপর তিনি তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গীতে একটা মেসাল দিয়ে বললেন, ইন্ডিয়ায় মিসেস গান্ধীর ব্যাপারটা দেখুন। তার দুটি ছেলে। বড়টি রাজিব - ধীরস্থির, শান্ত। খুব রোমান্টিক ও শিল্পবোধসম্পন্ন তরুণ। কিছুটা স্বপ্নচারী। এক বিদেশিনী মেয়ের সঙ্গে প্রেম করে, সুন্দর বেহালা বাজায়। মিসেস গান্ধী ভাবলেন, এই স্বাপ্নিক ছেলেকে দিয়ে রাজনীতি হবেনা। ও ডানা মেলে আকাশে উড়ুক। রাজিবকে পাইলট বানালেন তিনি।

ছোট ছেলে সঞ্জয়। সে ডানপিটে, একটু উগ্র স্বভাবের। রগচটা ছেলেটা সবার সাথে মেশে। একটু মতের অমিল হলেই মারপিটও করে ফেলে। শ্রীমতি গান্ধী এ ছেলেকেই তার রাজনীতির উত্তরসূরী করলেন।

কিন্তু বিধি বাম। আসমানি ফয়সালা ভিন্ন। যাকে তিনি রাজনীতির মাঠের জন্য তৈরি করলেন, সেই ছেলে একদিন ফ্লাইং ক্লাবের একটা প্লেন নিয়ে আকাশে উড়তে গিয়ে দুর্ঘটনায় হুট করে মরে গেলো। এরপর শিখ দেহরক্ষীর গুলিতে মিসেস গান্ধী নিজেও নিহত হলেন। তখন আকাশে ওড়া সেই পাইলট ছেলেটিকে মাটিতে নেমে এসে হাল ধরতে হলো মায়ের রাজনীতির উত্তরাধিকারী হিসেবে। আর রাজনীতিতে নামার পর প্রধানমন্ত্রী হয়েও রাজিবকে জীবন দিতে হলো অন্তর্ঘাতকের বোমা হামলায়!

তাহলে কী দাঁড়ালো? শ্রীমতী গান্ধী যে ছেলেকে জমিনে মানুষের রাজনীতির জন্য গড়লেন, সে বিমান দুর্ঘটনায় মরলো। আর বিমান দুর্ঘটনায় মরার আশঙ্কা ছিল যে পাইলট ছেলের, সে কিনা রাজনীতি করতে নেমে প্রাণ দিল ঘাতকের হাতে। কাজেই মানুষের পরিকল্পনা সব সময় কাজ দেয় না। সব কিছুর ওপরে যে আসমানি ফয়সালা সেই কুদরতের ওপর আমাদেরকে আস্থা রাখতেই হবে।

অনেক দিন আগের গল্প। স্বাভাবিক মৃত্যুর দ্বার পেরিয়ে তাহের ঠাকুরও অনেক আগেই গত হয়েছেন। তবুও ঘটনার নানা রকমের অভিঘাত দেখলে এখনো তার সে বয়ান মাঝে মাঝে মনে পড়ে। ভাবতে থাকি, মানুষের পরিকল্পনার বিপরীতে অকল্পনীয় আসমানি ফয়সালা যে কোনো মুহূর্তে আমাদেরকে স্তম্ভিত করে দিতে পারে।

সেই গভীর আস্থাটা মনের মধ্যে ক্রমাগত বাড়তে থাকে, বাড়তেই থাকে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সদ্য বিদায়ী প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেলের ফেসবুক হতে নেওয়া।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

৫ জুলাই থেকে এই নিয়ম কার্যকর

শওগাত আলী সাগর

৫ জুলাই থেকে এই নিয়ম কার্যকর

হেলথ কানাডা অনুমোদিত দুটি ভ্যাকসিনই নিয়েছেন এমন কানাডীয়ান নাগরিক, স্থায়ী বাসিন্দাদের (পিআর) কানাডায় ফিরে এসে বিমানবন্দরে বাধ্যতামূলক হোটেল কোয়ারিন্টিনে থাকতে হবে না।

আরও পড়ুন:


জম্মু-কাশ্মীরে সংঘর্ষ: লস্কর-ই-তাইয়্যেবার কমান্ডারসহ নিহত ৩

যদি নারী অল্প পোশাক পরে ঘোরে তার প্রভাব পুরুষের উপর পড়তে বাধ্য: ইমরান

পুলিশ বিনা ওয়ারেন্টে সাইফুলকে ধরে বন্দুক ঠেকিয়ে গুলি করে: ফখরুল

২ হাত ও টুকরো করা পা এক নারীর, ধারণা পুলিশের


তবে তাদের কানাডার উদ্দেশ্যে যাত্রার আগে এবং কানাডায় পৌঁছার পর কোভিড টেস্ট করতে হবে। ৫ জুলাই থেকে এই নিয়ম কার্যকর হবে।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

কাল থেকে মানিকগঞ্জসহ কয়েকটি জেলায় লকডাউন, কি তাজ্জবকাণ্ড!

সাইফউদ্দিন আহমেদ নান্নু

কাল থেকে মানিকগঞ্জসহ কয়েকটি জেলায় লকডাউন, কি তাজ্জবকাণ্ড!

সাইফউদ্দিন আহমেদ নান্নু

বিকেলে কর্মস্থল থেকে বাসায় ঢুকতেই গৃহপ্রধান বললেন,‘কাল থেকে মানিকগঞ্জে লকডাউন, সত্যি নাকি?’ আমি তাঁর কথা শুনে রীতিমত আকাশ থেকে পরলাম। বলে কি!  চিন্তায় পরে গেলাম, তাঁর মাথায় কোন গোলমাল হয়নিতো!

আমি অবিশ্বাসভরা বিস্ময় নিয়ে বললাম,‘বুঝলাম না’। এবার তিনি দৃঢ়তার সাথে বললেন, ‘কাল থেকে মানিকগঞ্জে লকডাউন, টিভিতে দেখাচ্ছে, দ্যাখো।’

এবার মনে হল ঘটনা বোধ হয় সত্য। টিভির টিকার দেখে নিশ্চিত হলাম, আগামীকাল থেকে মানিকগঞ্জসহ কয়েকটি জেলায় লকডাউন! কি তাজ্জবকাণ্ড!!! 

এবার বলি লকডাউন শুনে আকাশ থেকে কেন পড়লাম, আর বিস্মিতইবা হলাম কেন।

আজসহ গত দুমাসে পেশাগত কাজে আগের যেকোন সময়ের চেয়ে শহরে বেশী গেছি। বাজারে গেছি, কর্মস্থলে গেছি। শহর, শহরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, অফিসে, শপিংমলে, মানুষের চলাচল দেখে আমার একবারও মনে হয়নি দেশে করোনা নামের কোন মহামারীকাল চলছে। 

কেবল আমার মত শতকরা ৫ ভাগ উজবুক নাকমুখ ঢেকে মাস্ক পরে চলেছে। আরও ১০ ভাগের মুখে মাস্ক দেখেছি, তবে তা থুতনীর নীচে ছাগলের দাঁড়ির মত ঝুঁলছে। আর সামাজিক দূরত্ব বলতে যা বোঝায় তার চৌদ্দগুষ্ঠির বালাই ছিলনা কোথাও। সম্পূর্ণ স্বাভাবিক একটি শহর। করোনা নিয়ে কোন ভয়, দুশ্চিন্তা কোত্থাও কিচ্ছু ছিল না, সব স্বাভাবিক।

করোনার প্রথম ঢেউয়েরকালে স্থানীয় পত্রিকা, তাদের অনলাইন ভার্সনে প্রতিদিন জেলার করোনা পরিস্থিতির আপডেট দিতো। গত ৬ মাস ধরে তাও কেউ দেয় না। 

এমন শান্ত, উদ্বেগহীন নিস্তরঙ্গ শহরে হটাৎ করে লকডাউন নামবে বলে কেউ যখন বলে, তখন বিস্মিত হয়ে আকাশ থেকে পরাটাই স্বাভাবিক। 

‘বিধিনিষেধে’র কাল ডিঙিয়ে নামা লকডাউনের ড্রামাটা কেমন জমে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আমেরিকার নাগরিকদের হ্যান্ডগান কেনার অনুমতি থাকার ফল তারা পাচ্ছে

শওগাত আলী সাগর

আমেরিকার নাগরিকদের হ্যান্ডগান কেনার অনুমতি থাকার ফল তারা পাচ্ছে

পাঁচ বছরের, ১১ বছরের বাচ্চা যদি গুলিবিদ্ধ হয়, তাও আবার কোনো জন্মদিনের উৎসবে আনন্দ করত গিয়ে, কেমন লাগবে আপনার! আর যদি এক বছরের একটি শিশু গুলিবিদ্ধ হয়! শনিবার সন্ধ্যায় মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটেছে শহরের ইটোবিকো এলাকায়।

২৩ বছরের এক যুবক বাদে ওই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ পাঁচজনের চারজনই বিভিন্ন বয়সের শিশু, যারা একটি জন্মদিনের পার্টিতে আনন্দমগ্ন ছিলো। জন্মদিনটা গুলিবিদ্ধ এক বছর বয়সীর শিশুরই ছিলো কী না তা এখনো জানা যায়নি। সত্যি বলতে কি পুলিশ এখন পর্যন্ত ঘটনার কারণ সম্পর্কে কোনো তথ্যই প্রকাশ করেনি।

আরও পড়ুন:


ইরানের নতুন প্রেসিডেন্টের সংবাদ সম্মেলন কাল

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল পরীক্ষা স্থগিত

‘ড্যাব’কে অনুরোধ জানাব ফখরুলের মানসিক পরীক্ষা করাতে: তথ্যমন্ত্রী


ইটোবিকো এবং তৎসংলগ্ন এলাকাসহ শহরের বেশ কিছু এলাকায় প্রায় প্রতিদিনই গুলি, ছুরিকাহতের ঘটনা ঘটে। এক বছরের কম সময় হাতে থাকা নির্বাচন নিয়ে প্রভিন্সিয়াল রাজনীতিকরা ভীষন ব্যস্ত, কিন্তু তাদের কেউ এই বিষয় নিয়ে তেমন কোনো কথা বলেন না। এখন পর্যন্ত কেউ শহরের এই উৎপাত নিয়ে কথা বলছেন বলে শোনা যায়নি। ‘এইগুলো শহরের অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা এলাকার ব্যাপার’- রাজনীতিকদের মনে এই ভাবনা কাজ করছে কী না জানি না। কিন্তু ‘অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা নেইবারহুডের সহিংসতা অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে থাকা নেইবারহুডে’ যেতে কতোক্ষণ!

ক্ষুব্দ মেয়র জন টরি প্রশ্ন তুলেছেন, এই শহরে মানুষের হাতে হ্যান্ডগান থাকার অনুমোদন কেন থাকতে হবে! এই প্রশ্নটা আমিও করি। প্রতিবেশী আমেরিকায় নাগরিকদের হ্যান্ডগান কেনার অনুমতি থাকার ফলাফল তারা পাচ্ছে। কানাডা কেন ভিন্নভাবে ভাববে না! কানাডার রাজনীতিকরা কেন মানুষ নিয়ে ভাববে না!

শওগাত আলী সাগর, প্রধান সম্পাদক, নতুনদেশ, কানাডা।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

পুরুষেরা প্রেমিকাকে সব অঙ্গ স্পর্শ করতে দিলেও সম্পত্তি মোটেও স্পর্শ করতে দেয় না

তসলিমা নাসরিন

পুরুষেরা প্রেমিকাকে সব অঙ্গ স্পর্শ করতে দিলেও সম্পত্তি  মোটেও স্পর্শ করতে  দেয় না

কিছু খবর দেখতে না চাইলেও ফেসবুক দেখিয়ে ছাড়ে।  খবরগুলো, বলতেই হবে,   চোখের সামনে বড্ড  নাচানাচি করে।   শোভন-বৈশাখী-রত্না নিয়ে খবরের পর খবর। শোভনবাবু তাঁর প্রেমিকাকে নিজের সব সম্পত্তি লিখে দিয়েছেন!  পুরুষেরা  তো প্রেমিকাকে শরীরের সব অঙ্গ স্পর্শ করতে দিলেও নিজের  স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি  মোটেও স্পর্শ করতে  দেয় না।

 প্রেমিকা নিয়ে দিন রাত পড়ে থাকলেও  নিজের যা আছে তা স্ত্রী পুত্রর জন্যই রাখে। এর অন্যথা তো হয়না।  কোনও লোক যদি অবিশ্বাস্য এবং অভিনব ঘটনা ঘটায়, ঘটাক না। আজকাল তো ব্যতিক্রম জিনিসটা উঠে গেছে। সবাই সবার মতো দেখতে। সবাই সবার মতো ভাবছে, কথা বলছে, কাজ করছে। একটু ভিন্ন কিছু দেখলে চোখ জুড়োয়।

তসলিমা নাসরিন

news24bd.tv/এমিজান্নাত 

 

পরবর্তী খবর

একজন মানুষ সবার কাছে কখনোই গ্রহণযোগ্য হবেন না

আশরাফুল আলম খোকন

একজন মানুষ সবার কাছে কখনোই গ্রহণযোগ্য হবেন না

যে কোনো একটা ভালো কাজ, সবার জন্য ভালো নাও হতে পারে। আপনার যেকোনো নেতিবাচক কাজও কারো জন্য উপকারী হতে পারে। যেকোনো ভালো কথার ১০ টা মন্দ ব্যাখ্যা দেয়া যায়। আবার যেকোনো মন্দ কাজের পক্ষেও ১০ টা ভালো যুক্তি দেয়া যায়।

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা:)- একসময় ওনারও বিপক্ষ গ্রুপ অনেক শক্তিশালী ছিল। মহান সৃষ্টি কর্তায় বিশ্বাস করেন না-পৃথিবীতে এমন মানুষের সংখ্যাও কম না। অর্থাৎ সব কিছুরই পক্ষ বিপক্ষ থাকবে। 

মানুষ আপনার পক্ষে যদি বলতে পারে, বিপক্ষেও বলবে। এবং এটাই হওয়া উচিত। শুধু দেখবেন সমালোচক কত শতাংশ। বেশি হলে নিজেকে সংশোধন করুন। যেকোনো গঠনমূলক সমালোচনা আপনাকে সঠিক পথে রাখতে সহায়তা করবে। 

আর যারা আলতু ফালতু সমালোচক তারা একদিন নিজেরাই ছাগলে পরিণত হয়। শুধু কিছুদিন অপেক্ষা করতে হয়। মনে রাখবেন মানুষজন বাঘ-সিংহ নিয়েই কথা বলে। তেলাপোকারে কেউ গুরুত্ব দেয় না। 

এই সমালোচনা বন্ধ করার জন্য কোনো আইনের প্রয়োজন নেই।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর