কখন বুঝবেন ব্যায়াম আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনছে

অনলাইন ডেস্ক

কখন বুঝবেন ব্যায়াম আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনছে

ব্যায়ামের উপকারিতা জানা আছে সবারই কমবেশি। কথায় বলে ‘শরীর ফিট তো আপনি হিট’। আর তাই শরীরটাকে ফিট রাখতে দরকার শরীরচর্চার। যারা জিমে যেতে পারেন না বা খুব হেভি ওয়ার্কআউট যাদের পক্ষে করা সম্ভব নয়, শরীর ফিট রাখার জন্য ব্যায়াম অত্যন্ত উপকারী।

ব্যায়াম করলে স্বাস্থ্য ভালো থাকে এই কথা যেমন সত্যি, ঠিক তেমনি অতিরিক্ত ব্যায়াম করাও যে ক্ষতিকর তাও সত্যি। আর তাই এ বিষয়ে খুব সতর্ক হওয়া দরকার। অনেকে ব্যথা সহ্য করেই ব্যায়াম করেন। যা মোটেও সঠিক নয়। ‘নো পেইন, নো গেইন’, ব্যায়ামের অনুপ্রেরণা পেয়ে দাঁতে দাঁত চেপে ব্যায়াম করাটা স্বাভাবিক মনে হলেও সবসময় তা ঠিক নয়। কখন বুঝবেন ব্যায়াম আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনছে।

আসুন সেগুলো জেনে নেই:

ব্যায়াম তিন দিন আগে, ব্যথা আছে আজও

ব্যায়াম শুরু করার প্রথম কয়েকদিন ব্যথা হওয়া স্বাভাবিক। এর কারণ হলো মাংসপেশির ছোট টিস্যু ছিড়ে যাওয়া। এই ছেড়া অংশগুলো যখন পুনর্গঠিত হয় তখন পেশি আরও শক্তিশালী হয়। তবে তা একদুদিনের মধ্যেই সেরে যাওয়া উচিট। আরও বেশি সময় ব্যথা থাকলে বুঝতে হবে আপনি মাংসপেশির উপর বেশি চাপ দিয়ে ফেলেছেন।

ব্যথা সেরে যাওয়ার পর ব্যায়ামাগারে যেতে হবে। কারণ এই অবস্থায় ব্যায়াম করলে ব্যায়াম একপেশে হতে পারে। যার কারণে পরে দীর্ঘমেয়াদি জটিলতা দেখা দিতে পারে।

নির্দিষ্ট ব্যায়ামে ব্যথা পাওয়া

এটিও বিপদের পূর্বাভাস। ব্যথা যদি তীব্র হয় তবে অর্থোপেডিক স্পেশালিস্টের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। আর সহনশীল ব্যথা হলে ব্যয়ামের আগে শরীরকে ব্যয়ামের জন্য প্রস্তুত করে নেয়ার প্রতি সতর্ক হতে হবে।

ম্যাকআর্থি বলেন, বাড়তি খেয়াল রাখতে হবে ‘ওয়ার্ম-আপ’ আর ‘স্ট্রেচিং’য়ের প্রতি। আর ব্যয়ামের ফাঁকে পানি পান করতে হবে। অন্যদের সঙ্গে পাল্লা দিতে যাবেন না। ভার উত্তোলনের ব্যায়াম কম ওজন দিয়ে শুরু করতে হবে। আর প্রশিক্ষকের নির্দেশনা সতর্কতার সঙ্গে অনুসরণ করতে হবে।

মাংসপেশিতে কাঁপুনি

ম্যাথিউস বলেন, ব্যায়ামের সময় মাংসপেশির সামান্য কাঁপুনি সমস্যা নয়। তবে থরথর করে কাঁপতে থাকলে এবং শক্তি কমে যেতে থাকলে তা পেশির ক্ষমতা কমে যাওয়ার লক্ষণ। এই অবস্থায় জোর করে ব্যায়াম করা পুরোপুরি নিষিদ্ধ। অবসাদগ্রস্ত অবস্থায় ব্যায়ামের স্বাভাবিক পারদর্শীতা থাকে না। এসময় ব্যায়াম করলে পেশি ছিড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আকস্মিক ব্যথা

ধীর ও ক্রমবর্ধনশীল ব্যথা স্বাভাবিক। এর মানে হলো ব্যায়ামটি আপনার জন্য চ্যালেঞ্জিং। তবে হঠাৎ করে তীব্র ব্যথা জটিলতার লক্ষণ।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থোপেডিক সার্জন মোরিয়া ম্যাক্কার্থি বলেন, এক্ষেত্রেও জোর করে নির্দিষ্ট ব্যায়াম করা যাবে না। কারণ এতে পেশি ও হাড়ের জোড়ায় আঘাত লাগতে পারে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আসল গ্রিন টি চিনবেন কীভোবে?

অনলাইন ডেস্ক

আসল গ্রিন টি চিনবেন কীভোবে?

শরীরে জারিত না হওয়ায় গ্রিন টি অন্য চায়ের তুলনায় স্বাস্থ্যকর। এটি শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বা এলডিএল ও ট্রাইগ্লিসারাইড জমতে দেয় না। এছাড়াও দ্রুত ফ্যাট ঝরাতে এটি সাহায্য করে।

সঠিক গ্রিন টি চেনা বেশ মুশকিল। তবে খাঁটি গ্রিন টি তে রয়েছে কিছু বৈশিষ্ঠ্য যেগুলো জানা থাকলে সহজেই আসল গ্রিন টি চিনে নিতে পারবেন--

# সতেজ গ্রিন টি হালকা সবুজ রঙের হবে

# এর পাতার আকার হবে বড়

# আসল গ্রিন টি ৬ মাসের বেশি রাখা যায় না

# গ্রিন টি-র প্যাকেটে এপিগ্যালোক্যাটেচিন (ইজিসিজি) আছে কি না দেখে কিনতে হবে।

# গ্রিন টির গন্ধ হবে হালকা, সতেজ, কচি ঘাসের মতো

খাওয়ার বিষয়ে যেসব খেয়াল রাখা জরুরি--

# গ্রিন টি-তে দুধ মেশানো ঠিক নয়

# গ্রিন টি-তে কখনই চা মিশিয়ে খাবেন না

# ওয়ার্ক আউটের আগে বা পরে গ্রিন টি খাওয়া যায়

news24bd.tv/এমিজান্নাত

 

পরবর্তী খবর

অ্যাকুরিয়াম পরিষ্কারের সহজ কিছু উপায়

অনলাইন ডেস্ক

অ্যাকুরিয়াম পরিষ্কারের সহজ কিছু উপায়

ঘরে অনেকেই অ্যাকুরিয়াম রাখতে পছন্দ করেন। ঘরকে সুশোভিত রাখার জন্য শৌখিন মানুষরা এটি রাখেন। কিন্তু এর যত্ন নেওয়ার সময় হিমশিম খান অনেকে। বিশেষ করে অ্যাকুরিয়ামের কাঁচের ভেতরের দেয়ালের শ্যাওলা পরিষ্কার করা কষ্টকর একটি কাজ। এমন কিছু উপায় রয়েছে যেগুলো অবলম্বন করে অ্যাকোয়ারিয়ামের কাঁচ পরিষ্কার করা যায়। এসব উপায় অবলম্বন করার জন্য খুব পরিশ্রম করারও প্রয়োজন নেই। 

আলো: অ্যাকুরিয়ামের ভেতর আলো বেশি থাকলে শেওলাও দ্রুত জমে। এ সমস্যা এড়াতে যথাসম্ভব আলো কমিয়ে রাখা ভালো। যদি সেখানে সত্যিকারের গাছ থাকে তাহলে ভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

গাছ: অ্যাকুরিয়ামে যদি শেওলা জমে যায় তাহলে সেখানে গাছের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হবে। এতে গাছ পানি থেকে অনেক খাবার সংগ্রহ এবং পানিতে থাকা কার্বন-ডাই অক্সাইডও নিতে পারবে। খাবার না পেয়ে ধীরে ধীরে শেওলা মরে যাবে।

চিংড়ি: অ্যাকুরিয়ামে রাখার জন্য বাজারে ছোট মাপের চিংড়ি কিনতে পাওয়া যায়। এসব চিংড়ির প্রিয় খাবার শেওলা। তাই শেওলা দূর করতে মোক্ষম হাতিয়ার হলো ছোট চিংড়ি। তবে মাছও চিংড়ি খেতে পছন্দ করে বলে চিংড়ি রাখবেন কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে নিতে হবে।

শামুক: শেওলা থেকে মুক্তির সবচেয়ে সহজ পথ হলো শামুক। তবে শেওলা খাওয়ার শেষে তারা অ্যাকুরিয়ামের অন্যান্য গাছের প্রতি আক্রমণ করতে পারে। এ বিষয়ে সাবধান হয়ে নিতে হবে আগেই।

আরও পড়ুন:


এবারও হচ্ছে না প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা

আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করা: প্রধানমন্ত্রী

ওসমানীনগরে শিক্ষিকাকে গলাকেটে হত্যার পর গৃহকর্মীর আত্মহত্যা

এবার মাহিয়া মাহির দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে গুঞ্জন


প্লেকো মাছ: অ্যাকুরিয়ামের দেয়ালের শেওলা পরিষ্কারের জন্য অনেকেই প্লেকো মাছ রাখেন। এই মাছ অনেক শান্ত প্রকৃতির হয়। তবে এরা আকারে বড় হয়। তাই অতি ছোট ট্যাংকে এসব মাছ না রাখাই উত্তম।

অ্যালগি-ইটার: অ্যালগি-ইটার নামে বিশেষ ধরনের মাছ শেওলা খেতে ভালোবাসে। তবে সমস্যা হচ্ছে এসব মাছ অন্য মাছের আঁশ খেয়ে নেয়। ফলে অ্যাকুরিয়ামে থাকা অন্যান্য মাছ মারা যায়। তাই অ্যাকুরিয়ামে অ্যালগি-ইটার মাছ রাখার আগে চিন্তাভাবনা করা উচিত।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

বর্ষায় ঘরে পোকামাকড়ের উপদ্রপ থেকে বাঁচার টিপস

অনলাইন ডেস্ক

বর্ষায় ঘরে পোকামাকড়ের উপদ্রপ থেকে বাঁচার টিপস

বর্ষা মৌসুমে বসতঘরে বিভিন্ন ধরনের পোকামাকড়ের উপদ্রপ বেড়ে যায়। কিছু নিয়ম মেনে চললে আপনার বাড়ি হবে পোকামাকড়মুক্ত এবং আপনি থাকবেন রোগবালাইমুক্ত। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক বর্ষায় পোকামাকড়ের উপদ্রপ থেকে বাঁচতে আপনার করণীয় কী-

পোকামাকড়

বর্ষার সময় রান্নাঘরের সিংক ও বাথরুমের বেসিন বা কমোড দিয়ে বিভিন্ন পোকামাকড় উঠে আসে। এর থেকে রক্ষা পেতে গরম পানিতে স্যাভলন মিশিয়ে কয়েক দিন পরপর কমোড, বেসিন ও রান্নাঘরের সিংকে ঢালুন। বিশেষ করে যেদিন বৃষ্টি পড়বে সেদিন। তবে ঢালার সময় এমনভাবে ঢালুন যাতে সরাসরি পাইপে পড়ে। না হলে কমোড কিংবা বেসিনে চিড় ধরতে পারে।

মশা-মাছি

মশা-মাছির তাড়ানোর জন্য কয়েক টুকরো কর্পূর আধা কাপ পানিতে মিশিয়ে ঘরের এক কোণে রেখে দিন। রান্নাঘরে ঢাকনা দেওয়া ডাস্টবিন ব্যবহার করুন। এছাড়া শুকনা চা-পাতা পোড়ানো ধোঁয়া ছড়িয়ে দিন পুরো বাড়িতে। এতে মশা-মাছির উপদ্রব কমে যাবে।

তেলাপোকা ও পিঁপড়া

তেলাপোকা ও পিঁপড়ার উপদ্রব এ সময় বেড়ে যায়। তাই সব সময় ঘর পরিষ্কার রাখুন। কোথাও খাবার পড়ে থাকলে বেসিনের সিংকে যাতে খাবার জমে না থাকে, খেয়াল রাখুন। প্রতিদিনের ময়লা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলে আসুন। রান্নাঘর স্যাভলন ও ভিনেগার দিয়ে মুছে নিন। পিঁপড়ার উপদ্রব কমাতে জানালায় ও দরজায় বরিক পাউডার ঢেলে রাখুন।

আরও পড়ুন:


বেতন বাড়ছে ক্রিকেটারদের, কত পান সাকিব-তামিম-মুশফিকরা

রিজার্ভের সব রেকর্ড ভেঙে ৪৫.৪৬ বিলিয়ন ডলার

বাব-মা-বোনকে হত্যার পর ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে যা বলেছিলো মেহজাবিন


এছাড়া অন্যান্য পোকামাকড় থেকে রক্ষা পেতে রান্নাঘরের কেবিনেট, বুক সেলফ, আলমারিসহ ঘরের বিভিন্ন জায়গায় নিমপাতা ও কালিজিরা কাপড়ে মুড়ে বেঁধে রাখুন। এছাড়া এক কাপ নারকেল তেলের সঙ্গে কর্পূরের গুঁড়া মিশিয়ে ঘরের বিভিন্ন জায়গায় ছিটিয়ে দিন। ঘরের কোনায় কীটনাশক স্প্রে করতে পারেন। পোকামাকড়ের আনাগোনা কমাতে বিষাক্ত পদার্থ ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন। এর বদলে প্রাকৃতিক উপায় অবলম্বন করুন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

যত্নে রাখুন সাদা পোশাক

অনলাইন ডেস্ক

যত্নে রাখুন সাদা পোশাক

গ্রীষ্মের প্রখর গরমে সাদা পোশাকগুলোই যেন স্বস্তি এনে দেয়। তবে নিয়মিত ব্যবহারের পরেও ধবধবে সাদা রাখতে চাইলে একটু বাড়তি যত্ন নিতেই হবে আপনাকে।

#সাদা পোশাক আলাদাভাবে ধুতে হবে। নাহলে অন্য পোশাকের রঙ লেগে সাদা পোশাকের বারোটা বেজে যাবে।

#সাদা কাপড়ে দাগ লাগলে আগেই সেই দাগ ভালো করে তুলে নিন। দাগযুক্ত স্থানে বেশি করে ডিটারজেন্ট পাউডার লাগিয়ে রেখে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে টুথব্রাশ দিয়ে ধীরে ধীরে ঘষে উঠিয়ে নিন দাগ।
#সহনীয় তাপমাত্রার গরম পানিতে পরিষ্কার করুন। এতে সাদা পোশাক থাকবে উজ্জ্বল ও সুন্দর।

#উজ্জ্বলতা বাড়াতে লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন। কাপড় ভেজানোর সময় ডিটারজেন্টের সঙ্গে আধা কাপ লেবুর রস মিশিয়ে দিন।

#সাদা পোশাক কড়া রোদে শুকান। এতে হলদে ভাব দূর হবে।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর

বর্ষায় ঘর জীবাণুমুক্ত রাখার ঘরোয়া ৩টি টিপস

অনলাইন ডেস্ক

বর্ষায় ঘর জীবাণুমুক্ত রাখার ঘরোয়া ৩টি টিপস

বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে বাঁচতে ঘর জীবাণুমুক্ত রাখা জরুরি। এক্ষেত্রে জীবাণুনাশক ব্যবহারের চেয়ে ঘরোয়া কিছু উপাদানে ঘর পরিষ্কার করলেই জীবাণু দূর হবে। এমনকি ঘরের ছোট সদস্যরাও বিপদমুক্ত থাকবে। 

চলুন তবে জেনে নেয়া যাক বর্ষায় ঘর জীবাণুমুক্ত রাখতে কোন ঘরোয়া উপাদানগুলো ব্যবহার করবেন-

লেবুর রস

স্বাস্থ্য সচেতন অনেকেই সকালে গরম পানি ও তার মধ্যে লেবুর রস মিশিয়ে পান করে থাকেন। কিন্তু এর পাশাপাশি লেবুর একটি অন্য গুণও আছে। লেবুর রস জীবাণুনাশক হিসেবে ব্যবহার করা যায়। তাছাড়া লেবু দিয়ে পরিষ্কার করলে তা আরও বেশি দ্রুত উজ্জ্বল হয়।

সাদা ভিনেগার

এই উপাদানটি অ্যাসিড হিসেবে রান্নায় ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও জীবাণুনাশক হিসেবে এর ব্যবহার করা যেতে পারে। এছাড়াও চটচটে ময়লা সহজেই তুলে ফেলতে পারে ভিনেগার।

বাষ্প

ঘরে জলীয় বাষ্প তৈরি করা গেলেও, তার কারণে জীবাণুর উৎপাত কমে যেতে পারে এটা অনেকেই জানতেন না। স্বাভাবিকভাবেই এই পদ্ধতিতে অনেকেই ঘর জীবাণুমুক্ত করে থাকেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর