ঘামাচি থেকে মুক্তি মিলবে ঘরোয়া এই ১২ উপায়ে

অনলাইন ডেস্ক

ঘামাচি থেকে মুক্তি মিলবে ঘরোয়া এই ১২ উপায়ে

প্রচন্ড গরমে অনেকেই ঘামাচির যন্ত্রণায় ভুগে থাকেন। এই ঘামাচি শরীরের মুখ, হাত, পা, ঘাড়, বুক, পিঠ এমনকি যে কোনো জায়গায় হতে পারে। এর ফলে শরীরে অনেক চুলকানি হয় এবং লালচে ভাব তৈরি হয়।

ঘামাচির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই অনেক পদ্ধতি অবলম্বন করে থাকেন। তবে জানেন কি, আমাদের হাতের কাছেই রয়েছে এমন কিছু উপাদান, যা সহজেই এই বিরক্তিকর ঘামাচির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দিতে পারে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক উপায়গুলো-

>> কাঁচা আলু ঘামাচির সমস্যা সমাধানে খুবই কার্যকর। কাঁচা আলুর পেস্ট তৈরি করে শরীরে লাগাতে পারেন। এতে ঘামচি থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে।

>> তরমুজ শরীর ঠাণ্ডা রাখে। তাই তরমুজের পাল্প ঘামাচিতে লাগালে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

>> ঘামচিতে ফিটকিরি মিশ্রিত পানি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে গোসল করলে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

>> বেসনের সঙ্গে পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ঘামাচিতে প্রলেপ দিয়ে কিছু সময় পর ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে উপকার পাবেন।

>> লাউ এমনিতেই ঠাণ্ডা একটি সবজি। ঘামাচির জন্য লাউ আগুনে ঝলসে নিয়ে তা থেকে রস বের করে কিছুদিন খেলে অনেক উপকার পাওয়া যায়।

>> লেবুর রসে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা ঘামাচি দূর করতে বেশ কার্যকরী। ঘামাচিতে উপকার পেতে দিনে ৩ থেকে ৪ গ্লাস লেবুর রস মিশ্রিত পানি পান করুন।

>> কয়েক দিন শরীরে নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করলে ঘামাচি ভালো হয়ে যায়। সেজন্য অ্যালোভেরা পাতা থেকে অ্যালোভেরা জেল বের করে তা শরীরে প্রলেপ মেখে নিতে হবে। জেল আপনা-আপনি শুকিয়ে গেলে পরে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে

>> ঘামাচিতে উপকার পেতে সবচেয়ে সহজ উপায় হলো যেসব স্থানে ঘামাচি আছে, সেখানে বরফ ঘষা। তাছাড়া ঠাণ্ডা পানিও ভালো আরাম দেয় ঘামাচিতে।

>> মুলতানি মাটির পেস্ট ঘামাচিতে বেশ উপকারী। এই পেস্ট তৈরি করতে লাগবে ৫ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি,  গোলাপ জল ২ টেবিল চামচ ও পানি পরিমাণমতো। ঘামাচির জায়গায় এই পেস্ট ২ থেকে ৩ ঘন্টা রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললে কয়েক দিনের মধ্যে ঘামচি ভালো হয়ে যাবে।


চীনা উপহারের ৫ লাখ ডোজ টিকা আসছে বুধবার

৩ হাজার যাত্রী নিয়ে শিমুলিয়া ঘাট ছাড়লো ফেরি

সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি ৬ দিন বন্ধ


>> এক কাপ ঠাণ্ডা পানিতে এক টেবিল চামচ বেকিং সোডা গুলিয়ে একটি পরিষ্কার কাপড় বেকিং সোডার পানিতে ভিজিয়ে তা ভালো করে নিংড়ে ঘামাচির স্থানে লাগালে বেশ উপকার পাওয়া যায়।

>> নিমপাতায় অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান আছে যা ঘামাচি নিরাময়ে সাহায্য করে। এক্ষেত্রে নিমপাতার পেস্ট শরীরে লাগিয়ে তা সম্পূর্ণভাবে শুকাতে হবে। এভাবে ৪ থেকে ৫ বার দিনে ব্যবহার করলে এর থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও এক মুঠো নিমপাতা ২ কাপ পানিতে ২০ মিনিট সেদ্ধ করতে হবে। এরপর সেই পানি ঠাণ্ডা করে একটি পরিষ্কার কাপড় দিয়ে ঘামাচির জায়গায় ৫ থেকে ১০ মিনিট ধরে লাগাতে হবে। এভাবে দিনে ৪ থেকে ৫ বার করতে পারলে ভালো।

>> চন্দন বাটা বা চন্দন গুঁড়া গোলাপজলের সঙ্গে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ঘামাচির স্থানে কয়েকবার লাগালে কিছুদিনের মধ্যেই ঘামাচি ভালো হয়ে যাবে। তাছাড়া চন্দন ও ধনেপাতা বাটা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে ঘামাচিতে লাগালে অনেক উপকার পাওয়া যায়। কারণ ধনেপাতায় আছে অ্যান্টিসেপ্টিক গুণ আর চন্দন ঘামাচির জ্বালা ও চুলকানি দুই-ই কমায়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

খুশকি দূর করবে মাউথওয়াশে

অনলাইন ডেস্ক

খুশকি দূর করবে মাউথওয়াশে

কেবল দাঁত ও মুখের যত্নেই নয়, চুলের খুশকি দূর করতেও লিস্টারিন মাউথওয়াশ যাদুর মতো কাজ করে! সাধারণত মাথার ত্বকের ইষ্ট এর সমস্যার জন্য খুশকির সমস্যা দেখা দেয়। মাউথওয়াশে রয়েছে অ্যান্টি-ফাংগাল উপাদান, যা ইষ্ট প্রতিরোধে সাহায্য করে। তাই খুশকির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে জেনে নিন মাউথওয়াশের ব্যবহার সম্পর্কে-

যা যা লাগবে:

এক টেবিল চামচ মাউথ ওয়াশ, নয় টেবিল চামচ পানি।

আরও পড়ুন:


নদীতে ভাসছিলো অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ

ঝিনাইদহে করোনা ও উপসর্গ নিয়ে দুইজনের মৃত্যু

বাগেরহাটে পিকআপের ধাক্কায় ৬ ইজিবাইক যাত্রী নিহত

কে এই অভিষিক্ত শামীম পাটোয়ারী


যেভাবে ব্যবহার করবেন

একটি পাত্রে পানির সঙ্গে মাউথওয়াশ মিশিয়ে নিন। যে শ্যাম্পু আপনি সবসময় ব্যবহার করেন সেটা দিয়েই চুল ধুয়ে নিন। চুল থেকে অতিরিক্তি পানি ঝরিয়ে নিন। এরপর মাউথওয়াশের পানি দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। কয়েক দিন ব্যবহার করার পর পরিবর্তনটা আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

সিলিং ফ্যান পরিষ্কারের সহজ উপায়

অনলাইন ডেস্ক

সিলিং ফ্যান পরিষ্কারের সহজ উপায়

সিলিং ফ্যান পরিষ্কার করা বেশ ঝামেলার। তবে কিছু কৌশল জানা থাকলে কাজটি সহজ হয়ে যায়। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক এমন কিছু উপায়, যার মাধ্যমে খুব সহজেই পরিষ্কার করতে পারবেন আপনার সিলিং ফ্যান-

১. প্রথমেই বিছানার উপর একটা বাতিল চাদর পেতে ফেলুন। এতে ময়লা পরিষ্কার করার সময় বিছানাতে ময়লা পড়বে না। এবার হাতে নিন শুকনো কাপড়। প্রথমে হালকা হাতে পরিষ্কার করে নিন ফ্যানের ব্লেড।

২. শুকনো কাপড় দিয়ে ব্লেড মোছার পরই ভেজা কাপড় ব্যবহার করবেন। না হলে ব্লেড পরিষ্কার তো হবেই না, উল্টো ময়লা আটকে থাকবে।

৩. পুরনো বালিশের কভারের মধ্যে ফ্যানের ব্লেড ঢুকিয়ে দিন। তারপর কাপড়ের মুখ চেপে নিয়ে হালকা করে টেনে নিন। দেখবেন ময়লা সব কভারের মধ্যে পড়ে ব্লেড পরিষ্কার হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন:


হজে প্রথমবারের মতো নিরাপত্তার দায়িত্বে সৌদি নারী সেনা

ফরজ গোসল অবহেলার শাস্তি

আমেরিকাকে প্রতিহত করতেই রাশিয়া হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণ করছে: পেসকভ

৫০ হাজার টাকা বেতনে লোক নেবে আকিজ বিড়ি ফ্যাক্টরি


৪.ফ্যানের ব্লেড পরিষ্কার করতে ব্যবহার করুন খবরের কাগজ। প্রথমে শুকনো কাপড় দিয়ে ময়লা পরিষ্কার করে নিয়ে, খবরের কাগজ অল্প জলে ভিজিয়ে ব্লেড পরিষ্কার করুন।

৫. ফ্যানের ব্লেড পরিষ্কার করার সময় ডিটারজেন্টের সঙ্গে অল্প খাবার সোডা মিশিয়ে নিন। এতে ঝকঝকে হবে আপনার ফ্যানের ব্লেড।

অবশ্যই মনে রাখবেন, সিলিং ফ্যান পরিষ্কার করতে গিয়ে ঝুঁকি নেবেন না। এর জন্য ছোট মই ব্যবহার করুন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

লেবুর শরবতের ৫ উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক

লেবুর শরবতের ৫ উপকারিতা

এই গরমে এক গ্লাস লেবুর শরবত আমাদের শরীরে এনে দেয় পরম প্রশান্তি। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইট রিডার্স ডাইজেস্ট লেবুর শরবতের ৫টি উপকারিতার কথা জানিয়েছে। 

আসুন সেগুলো একটু জেনে নেই।

১. লেবু পানি পান করলে শরীরে জমে থাকা টক্সিন বা বিষাক্ত পদার্থ দূর হয়।

২. শরীর পরিশোধিত করে ওজন কমানোর সব থেকে কার্যকর এবং প্রাকৃতিক উপায় নিয়মিত লেবুর রস পান করা।

৩. প্রতিদিন লেবুর শরবত পান করলে ত্বকের আর্দ্রতার মাত্রা বজায় থাকে।

আরও পড়ুন:


ফরজ গোসল অবহেলার শাস্তি

আমেরিকাকে প্রতিহত করতেই রাশিয়া হাইপারসোনিক ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণ করছে: পেসকভ


৪. দেহের ভিটামিন সি এর অভাব পূরণে লেবুর জুড়ি নেই। এক কাপের ১/৪ ভাগ লেবুর শরবতের মধ্যে ২৩ দশমিক ৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি থাকে। প্রতিদিন এক গ্লাস লেবুর শরবত আমাদের শরীরের ভিটামিন সি এর চাহিদা বেশ ভালোভাবে পূরণ করে। ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী এন্টি-অক্সিডেন্ট যা আমাদের শরীরের কোষগুলোকে ফ্রি-র‌্যাডিকেলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে এবং ক্যান্সার  ও হৃদরোগ প্রতিরোধে ব্যাপক সাহায্য করে। তাছাড়া আমরা সবাই জানি ভিটামিন সি 'স্কার্ভি' রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। 

৫. নিয়মিত লেবুর শরবত পান করার ফলে আপনার চেহারা থেকে বয়স্কের ছাপ দূর হবে। এই শরবতটি আমাদের ত্বকের জন্য খুবই উপকারী। লেবুতে থাকা ভিটামিন সি ত্বকের বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি কোলাজেন নামক রাসায়নিককে সক্রিয় করে আমাদের ত্বকের নিচে থাকা কানেক্টিভ টিস্যুগুলো মেরামতে সাহায্য করে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ভুঁড়ি সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি

অনলাইন ডেস্ক

ভুঁড়ি সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি

কোরবানীর ঈদে গরু কিংবা খাসির ভুঁড়ি নিয়ে ঝামেলায় পড়েন অনেকেই। তবে ভুঁড়ি সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতি জানা থাকলে এটি কোনো সমস্যাই নয়। ভুঁড়ি সংরক্ষণের সঠিক পদ্ধতিটি জেনে নেই।

সংরক্ষণ পদ্ধতি:

পরিষ্কার করা ভুঁড়ি সিদ্ধ করে ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে পারেন। এভাবে অনেক দিন পর্যন্ত ভুঁড়ি ভালো থাকবে। এজন্য সিদ্ধ হওয়ার পর পানি ঝরিয়ে কয়েকবার ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিন।

আরও পড়ুন:


যেভাবে উদ্ধার হলো পরিকল্পনামন্ত্রীর আইফোন

কোরবানির পশু জবাইয়ের নিয়ম ও দোয়া

বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে ২৫ কিলোমিটার যানজট

সুনামগঞ্জে স্পিডবোট-বাল্কহেড সংঘর্ষে মা-মেয়ে নিহত


পুরোপুরি ঠাণ্ডা হয়ে গেলে ছোট জিপলক ব্যাগ কিংবা মুখবন্ধ বাটিতে করে ফ্রিজে রেখে দিন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

পশু কোরবানীর আগে ও পরে কিছু সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক

পশু কোরবানীর আগে ও পরে কিছু সতর্কতা

ত্যাগের মহিমায় আজ বুধবার (২১ জুলাই) দেশব্যাপী পালিত হবে পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদের নামাজ শেষে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে পশু কোরবানী করবেন সামর্থ্যবান মুসলমানরা।

কোরবানীর পশু কেবল জবাই দিলেই হবে না। জানতে হবে পশু কোরবানির আগে ও পরে কিছু সতর্কতা। চলুন তবে এই বিষয়ে বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক-

কোরবানীর আগে যা করবেন

>> পশু কেনার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে, আগে থেকেই গরুর চামড়ায় কোনো গভীর ক্ষত চিহ্ন বা দাগ যেন না থাকে।

>> ঈদের দিন সকাল থেকেই পশুকে খাবার (খড়, ভুসি, কাঁচা ঘাস প্রভৃতি) দেয়া থেকে বিরত থাকুন। তবে পানি বা তরল খাবার খাওয়াতে পারেন। এতে কোরবানির পর পশুর চামড়া ছাড়ানো অনেক সহজ হবে।

>> পশু কোরবানীর জন্য দক্ষ লোক নিয়োগ করুন। নইলে কোরবানির পশুর সমস্যা গতে পারে। জবাইকৃত গরু উঠে দৌঁড় দিতে পারে। তাছাড়া পশুর অতিরিক্ত কষ্ট হতে পারে।

>> কোরবানীর জন্য শোয়ানো অবস্থায় পশুটিকে যেন টানাহেঁচড়া না করা হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

>> কোরবানীর পশু জবাই করার কাজে বড় ও চামড়া ছাড়ানোর কাজে ধারালো মাথা ছুরি ব্যবহার করতে হবে।

কোরবানীর পরে যা করবেন

>> প্রাণীর ধমনী যাতে পুরোপুরি কাটা যায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রাণী জবাইয়ের পর পুরোপুরি ব্লিডিং হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। জবাইয়ের সঙ্গে সঙ্গে মাংস কাটা শুরু করা হলে মাংসের ভেতর রক্ত থেকে যাবে। এ ধরনের মাংস মোটেও স্বাস্থ্য সম্মত নয়, কারণ রক্তে অনেক ধরনের জীবাণু থাকতে পারে।

>> সাধারণত ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে চামড়ার ক্ষতি ও গুণগত মান নষ্ট হয়ে থাকে। ব্যাকটেরিয়ার হাত থেকে পশুর চামড়াকে রক্ষা করতে বর্তমান বিশ্বে সাধারণত ড্রাই ট্রিটমেন্ট, সল্ট ট্রিটমেন্ট ও ফ্রিজিং করে চামড়া সংরক্ষণ করা হয়।

>> কোনো এলাকার লোকজন বিচ্ছিন্ন স্থানে কোরবানী না দিয়ে বেশ কয়েকজন মিলে একস্থানে কোরবানী করা ভালো।

>> কোরবানীর জায়গাটি যেন খোলামেলা হয়। আর জায়গাটি রাস্তার কাছাকাছি হলে বর্জ্যের গাড়ি পৌঁছানো সহজ হবে। কোরবানীর পর পশুর রক্ত ও তরল বর্জ্য খোলা স্থানে রাখা যাবে না। এগুলো গর্তের ভেতরে পুঁতে মাটিচাপা দিতে হবে। কারণ রক্ত আর নাড়িভুঁড়ি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দুর্গন্ধ ছড়ায়। আর যদি রক্ত মাটি থেকে সরানো সম্ভব না হয়, তাহলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

>> যারা চামড়া কিনবেন, তারা কোনো বদ্ধ পরিবেশে চামড়া পরিষ্কার না করে এমন খোলামেলা স্থানে করতে পারেন, যেখানে ময়লা জমে দুর্গন্ধ হবে না। আর চামড়ার বর্জ্য অপসারণের জন্য জমিয়ে রাখতে হবে।

>> সর্বশেষে কোরবানীর পশুর বর্জ্য নিজের উদ্যোগে পরিষ্কার করুন। তবেই পরিবেশ ভালো থাকবে। সুস্থ থাকবেন আপনিও।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর