বিদ্যুৎ কর্মকর্তাকে ভাই বলায় একি করলেন তিনি

অনলাইন ডেস্ক

বিদ্যুৎ কর্মকর্তাকে ভাই বলায় একি করলেন তিনি

'আমার সম্পর্কে আপনি কতটুকু জানেন, আমি ডিসির সমমান পদমর্যাদায় আছি। আমি ২০তম বিসিএসে ক্যাডার হিসেবে যোগদান করার পর ৫ম গ্রেডে কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছি। আমাকে আগে স্যার বলে সম্মোধন করে পরে কথা বলুন' বলেই ফোন কেটে দেন ত্রিশাল বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক হোসেন।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে বিদ্যুৎ বিভাগের নানা অনিয়ম ও হয়রানি শিকার হয়ে কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করতে ত্রিশাল প্রেস ক্লাব কার্যালয়ে আসলে এসব বিষয়ে জানতে দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি মতিউর রহমান সেলিম নির্বাহী প্রকৌশলী ফারুক হোসেনকে ফোন দিলে তিনি এমন দাপুটে কথা বলেন।

জানা যায়, চলতি বছরের ৩ আগস্ট নির্বাহী প্রকৌশলী হিসেবে ত্রিশাল বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রে যোগদান করেন ফারুক হোসেন। তিনি যোগদানের পর থেকেই উপজেলায় চলছে ঘনঘন লোডশেডিং, আর ভুতুরে বিল তো আছেই। দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গ্রামের গ্রাহকরা গাছ ও বাঁশের খুঁটির মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ সংযোগের পরিবর্তে পিলারের আবেদন করলেও তা আমলে নিচ্ছেন না ওই কর্মকর্তা।

এ ছাড়া বাড়িতে মিটার না থাকলেও প্রায় অর্ধলাখ টাকার ভুতুরে বিল দিয়ে হয়রানির শিকার গিয়াস উদ্দিন নামের এক ভুক্তভোগী একাধিকবার নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরে গিয়ে কোনো সুরাহা না পেয়ে গত ৩ সেপ্টেম্বর ত্রিশাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেন। ওই ঘটনায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন হয়। কমিটি সরেজমিনে তদন্ত করার পর রেহায় পান ভুক্তভোগী গিয়াস উদ্দিন। 

গ্রাহক হয়রানি আর লোডশেডিংয়ের বিষয়ে বিদ্যুৎ অফিসে গেলে ভুক্তভোগীরা তার অসদাচরণের শিকার হন। বৃহস্পতিবার কয়েকজন ভুক্তভোগী আসেন ত্রিশাল প্রেস ক্লাবে। বিষয়গুলো জানতে নির্বাহী প্রকেীশলী ফারুক হোসেনকে দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি ফোন দিয়ে ভাই বলে সম্বোধন করলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, আমি ডিসিদের সমমর্যাদার। আগে আমাকে স্যার বলে সম্বোধন করেন পরে কোনো প্রশ্ন থাকলে করুন। এই বলে তিনি ফোন কেটে দেন।

স্যার ডাকার বিষয়টি সাংবিধানিক কোনো বাধ্যবাধকতা বা প্রজ্ঞাপন আছে কিনা জানতে চাইলে নির্বাহী প্রকেীশলী ফারুক হোসেন বলেন, আমি ২০তম বিসিএসে সহকারী প্রকৌশলী ক্যাডার হিসেবে বিদ্যুৎ বিভাগে যোগদান করি। ৫ম গ্রেডের কর্মকর্তা হিসেবে আমরা তো ডিসিদের পদমর্যাদার। তাদের স্যার ডাকলে আমাদের স্যার ডাকতে অসুবিধে কোথায়। আপনাদের ইউনিয়ন পর্যায়ে একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে যদি স্যার ডাকতে পারেন আমরা কেন স্যার ডাক শুনতে পারি না।

বিদ্যুৎ বিভাগের এই অসাধু কর্মকর্তা নিজেকে বিসিএস ক্যাডার দাবি করলেও বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের ওয়েবসাইডে গিয়ে ১৯৮২ সালের পর থেকে বিদ্যুতের আলাদা কোনো ক্যাডারের তথ্য পাওয়া যায়নি। ২০তম বিসিএস দাবি করলেও সেই তালিকাতেও তার নাম দেখা যায়নি।

উপজেলার একাধিক বিসিএস কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা যায়, বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনে ৮২ সালের পর থেকে বিদ্যুৎ বিভাগে আলাদা ক্যাডার আছে বলে আমাদের জানা নেই। তিনি নিজেকে কেন ২০তম বিসিএস কর্মকর্তা দাবি করলেন সেটা তিনি বলতে পারবেন।

সূত্র- কালের কণ্ঠ

পরবর্তী খবর

নওমুসলিম ইমামকে ডেকে নিয়ে মসজিদের সামনে গুলি করে হত্যা

বান্দরবান প্রতিনিধি

নওমুসলিম ইমামকে ডেকে নিয়ে মসজিদের সামনে গুলি করে হত্যা

বান্দরবানে নওমুসলিম ইমামকে ডেকে নিয়ে মসজিদের সামনে গুলি করে হত্যা।

বিস্তারিত আসছে...

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

শেরপুুরে কৃষকলীগ নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

জুবাইদুল ইসলাম, শেরপুর

শেরপুুরে কৃষকলীগ নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে উপজেলা কৃষকলীগের আহবায়ক ও মরিচপুরান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার শফিক আহাম্মেদ শফিক (৩৫) এর বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভনে এক তরুণীকে (২০) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। শফিক উপজেলার ফকিরপাড়া এলাকার খন্দকার মো. আবুল মনসুরের ছেলে।

আদালতে দায়েরকৃত মামলা সূত্রে জানা গেছে, ইউপি চেয়ারম্যান ও কৃষকলীগ নেতা খন্দকার শফিক আহাম্মেদ গত ২০ মার্চ বিয়ে করার উদ্দেশ্যে তার নালিতাবাড়ী শহরের ছিটপাড়াস্থ বাসায় এনে একজনকে কাজী ও অপর দুজনকে সাক্ষী বানিয়ে বিয়ে করেন। তারপর থেকে তারা দুজন স্বামী-স্ত্রী হিসেবে সংসার করতে থাকেন। কিন্তু  গত ২০ মে সকালে ইউপি চেয়ারম্যান শফিক ওই তরুণীকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। সেইসাথে তরুণীকে জানিয়ে দেন, তাদের কোন বিয়ে হয়নি। এ ঘটনায় ওইদিনই তরুণী নিজেই বাদী হয়ে আদালতে একটি নালিশী মামলা দায়ের করেন। পরে আদালত ওই মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)কে তদন্তের নির্দেশ দেন।

ভুক্তভোগী তরুণী জানান, আমি এ ঘটনার উপযুক্ত বিচার চাই। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শফিক আমাকে হুমকি দিয়ে আসছে। আমি বাড়িতে নিরাপদে থাকলেও আমার অধ্যয়নরত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকায় নিরাপদ নই।

এ ব্যাপারে জামালপুর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার (এসপি) এমএম সালাহউদ্দীন ১৮ জুন শুক্রবার রাতে জানান, আদালতের নির্দেশনা হাতে পাওয়ার সাথে সাথে তদন্ত করে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে ইউপি চেয়ারম্যান ও কৃষকলীগ নেতা খন্দকার শফিক আহাম্মেদ বলেন, অভিযোগকারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তিনি রাজনৈতিক কারণে নালিতাবাড়ী পৌর মেয়র আবু বক্কর সিদ্দিককে এজন্য দোষারোপ করেন। আর এ অভিযোগের বিষয়ে পৌর মেয়র আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, এটি তাদের ব্যক্তিগত ব্যাপার। এ বিষয়ে আমি কারোর পক্ষে বা বিপক্ষে কথা বলিনি। তবে কেউ দোষ করে থাকলে তার শাস্তি হওয়া উচিৎ।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, নারীসহ গ্রেপ্তার ৩

অনলাইন ডেস্ক

স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ করে ভিডিও ধারণ, নারীসহ গ্রেপ্তার ৩

প্রতীকী ছবি।

বিয়ের প্রলোভনে এক স্কুলছাত্রীকে (১৫) ধর্ষণ ও ধর্ষণের ভিডিও ধারণের অভিযোগ পাওয়া গেছে পাবনার চাটমোহরে। এ ঘটনায় পুলিশ ওই স্কুলছাত্রীর প্রেমিক, এক নারী সহযোগীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। এর আগে, ওই স্কুলছাত্রীর মা এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেন 

আটককৃতরা হলেন - চাটমোহর উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের শাহজাহান আলীর ছেলে ও স্কুলছাত্রীর কথিত প্রেমিক সাজেদুল ইসলাম (৩৬) ও তার সহযোগী ফরিদপুর উপজেলার রামনগর উত্তরপাড়া গ্রামের আমির হোসেনের স্ত্রী সাহেদা খাতুন (৪২)। 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে নাটোর জেলার বড়াইগ্রাম উপজেলার ওই স্কুলছাত্রীর সঙ্গে মোবাইলের মাধ্যমে প্রেম হয় সাজেদুল ইসলামের। গত বুধবার (১৬ জুন) সকালে সাজেদুল ওই স্কুলছাত্রীকে চাটমোহরে আসতে বলেন। স্কুলছাত্রী চাটমোহরে আসলে সাজেদুল তাকে পৌর শহরের নারিকেলপাড়া মহল্লায় নিজাম উদ্দিনের ভাড়াটিয়া ও তার আত্মীয় সাহেদা খাতুনের বাসায় নিয়ে আসেন। সেখানে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করে এবং সেই দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করেন। ওই স্কুলছাত্রী বিয়ের কথা বললে তাকে বাসা থেকে বের করে দিয়ে ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। 

এনিয়ে স্কুলছাত্রীর সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি জানতে বাড়ির মালিক নিজাম উদ্দিনসহ স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তারা ওই স্কুলছাত্রীর বাবা-মা ও পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার ও অভিযুক্ত দুজনকে আটক করে।

চাটমোহর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাসান বাশীর জানান, মামলা হওয়ার পর দুজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:


শনিবার থেকে সিনোফার্মের টিকাদান কার্যক্রম শুরু

ব্রাজিলের কাছে পাত্তাই পেল না পেরু

আবারও গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী

নন্দীগ্রামের ভোটের ফলাফল নিয়ে হাইকোর্টে মমতা


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

শেরপুরে কিশোরীকে গণধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার

শেরপুর প্রতিনিধি:

শেরপুরে কিশোরীকে গণধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার

শেরপুরের শ্রীবরদীতে কিশোরীকে (১৪) গণধর্ষণের ঘটনায় সুন্দর আলী (৩৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  আজ শুক্রবার (১৮ জুন) ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সুন্দর আলী উপজেলার চুকচুকি গ্রামের লংগর আলীর ছেলে। শুক্রবার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত সুন্দর আলীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

জানা যায়, গত ১৬ জুন বুধবার বিকেলে শ্রীবরদী উপজেলার বালিঝুড়ি খ্রিস্টানপাড়া পাহাড়ি এলাকার জনৈক কৃষকের কিশোরী কন্যা ছোট ভাইকে সাথে নিয়ে বাড়ির অদূরে পাহাড়ে থাকা তার খালুর করলা ক্ষেতে করলা তুলতে যায়। ওই সময় একই এলাকার সুন্দর আলীসহ সঙ্গীয় তিনজন মিলে ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। 

ওই ঘটনায় কিশোরীর পিতা বাদী হয়ে ধর্ষণে সম্পৃক্ত ৪ জনকে আসামি করে শ্রীবরদী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরে শুক্রবার পুলিশ সুন্দর আলীকে গ্রেপ্তার করে। অপর ৩ আসামি পলাতক রয়েছে।

এ ব্যাপারে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার বিশ্বাস জানান, ওই ঘটনায় ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষা ও আদালতে জবানবন্দির জন্য পাঠানো হয়েছে। ইতোমধ্যে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

আরও পড়ুন:


শনিবার থেকে সিনোফার্মের টিকাদান কার্যক্রম শুরু

ব্রাজিলের কাছে পাত্তাই পেল না পেরু

আবারও গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী

নন্দীগ্রামের ভোটের ফলাফল নিয়ে হাইকোর্টে মমতা


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

যুবককে পায়ে পেরেক ঢুকিয়ে নির্যাতন!

অনলাইন ডেস্ক

যুবককে পায়ে পেরেক ঢুকিয়ে নির্যাতন!

চোর সন্দেহে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে তার পায়ে পেরেক ও সুঁচ ঢুকিয়ে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করার অফিযোগ উঠেছে। এ ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাতে বগুড়ার কাহালু উপজেলা অহর মালঞ্চা গ্রামে। ওই যুবককের নাম আতাইর রহমান শিরু (২৪)।

নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ায় এলাকায় ব্যাপক সমালোচনা চলছে।

ঘটনার শিকার শিরুর বাবা মজনু সোনার বাদী হয়ে কাহালু থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। আগের দিন বুধবার (১৬ জুন) গভীর রাতে কাহালু উপজেলার অহর মালঞ্চা গ্রামে শিরুকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে নিয়ে গিয়ে এ নির্যাতন চালানো হয় বলে পরিবারের অভিযোগ।

শিরুর বাবা মজনু সোনার বলেন, গত বুধবার (১৬ জুন) গভীর রাতে শিরুকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে নিয়ে যান একই গ্রামের সেলিনা, আছিয়াসহ তার পরিবারের পাঁচ-ছয়জন। পরে তাকে সেলিনার বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শিরুকে গ্যাস সিলিন্ডার চুরির অভিযোগে প্রথমে হাত-পা বেঁধে মারধর করা হয়। পরে তার আঙুলে সুঁচ ও বাম পায়ে হাতুড়ি দিয়ে লোহার পেরেক ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে কাহালু থানা পুলিশ শিরুকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।

জানা গেছে, গত বুধবার রাতে গ্যাস সিলিন্ডার চুরি হয় অভিযুক্তদের বাড়ি থেকে। এরপর তারা চোর সন্দেহে শিরুকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে নিয়ে নির্যাতনের এই ঘটনা ঘটে। 

এদিকে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া তিন মিনিট ছয় সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা গেছে, শার্ট পরা  লাঠি হাতে এক ব্যক্তি আতাউর রহমান শিরুর দুই পা বেঁধে নির্যাতন করছেন। আর চারপাশে স্থানীয়রা তা দেখছে। ভিডিওটি প্রকাশিত হওয়ার পর এলাকার সর্বত্র ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলেও পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

এ ব্যাপারে কাহালু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমবার হোসেন বলেন, 'নির্যাতনের ঘটনায় শিরুর বাবা বাদী হয়ে থানায় পাঁচজনের নামে মামলা করেছেন। নির্যাতনকারীদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।'

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর