বাঁশিতে ফুঁ দিয়েই কর্তব্য শেষ নীতি নির্ধারকদের, কষ্ট করেন শ্রমজীবীরা
বাঁশিতে ফুঁ দিয়েই কর্তব্য শেষ নীতি নির্ধারকদের, কষ্ট করেন শ্রমজীবীরা

বাঁশিতে ফুঁ দিয়েই কর্তব্য শেষ নীতি নির্ধারকদের, কষ্ট করেন শ্রমজীবীরা

Other

সরকারের নীতি নির্ধারকরা মনে করেন, তারা বাঁশিতে ফু দেবেন আর সব মানুষ আটকে যাবে। আবার ফু দেবেন, মানুষ চলতে থাকবে। এটা স্রেফ অপরিপক্ক চিন্তা।

বাস্তবতা হল কিছু মানুষ যাবেই।

যে রাজমিস্ত্রী ঢাকার একটি নির্মাণাধীন ঘরের কোণে, কোনো রকমে দিন কাটায় এবং ঈদের চার-পাঁচ দিন আগেই তার কাজ বন্ধ হয়ে যায়, সে কিভাবে ঢাকায় থেকে ঈদ করবে? ঢাকায় গ্যারেজে থাকে গ্যারেজে খায়-এমন রিকশা চালকই ১২ আনা। এরকম অসংখ্য মানুষ ঢাকায়, যারা ঢাকা ছাড়বে যেকোনো মূল্যে।

এছাড়া বহু মানুষ ঠিক করে রেখেছে, ঈদে বাড়ি গেলে ঘরবাড়ি ঠিকঠাক করবে, পারিবারিক ঝামেলা মিটমাট করবে। অসুস্থ, বৃদ্ধ মাকে দেখতে যাওয়া থেকে শুরু করে ছেলে মেয়েদের বিয়ে সাদির কথাবার্তার জন্যও অনেকে ঈদকে বেছে নেয়। এরকম প্রয়োজন শত শত, মানুষের।

আরেকটা বাস্তবতা হল গত কয়েক বছর ধরে নীতি নির্ধারকদের গাড়ির কাঁচ স্বচ্ছ থাকে না। জানালা খোলা থাকে না। তারা এখন কালো রঙের এসি গাড়িতে চলেন। ফলে তাদের মনের জানালাও বন্ধ থাকে। তারা শ্রমে ঘামে চলা মানুষকে ঠিক দেখতে পান না, তাদের প্রয়োজনকে, কষ্টকে অনুভব করতে পারেন না। এটা খুবই সাম্প্রতিক ইতিহাস। আর পারেন না বলেই ঈদে যে মানুষ দলে দলে বাড়ি যাবে তাদেরকে কিভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে বাধ্য করা যায় - সে চিন্তা না করে, তারা বাঁশিতে ফু দিয়েই কর্তব্য সারেন।

আরও পড়ুন


যশোরে বোমা বানাতে গিয়ে বিস্ফোরণে ইউপি সদস্যের মৃত্যু

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আরও ৫০টি গাছ কাটা হবে: মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী

বুধবার চীন থেকে আসছে করোনার টিকা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সাতক্ষীরার দেবহাটার একটি বাগান থেকে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার


তাদের উচিত ছিল পয়েন্টে পয়েন্টে বিডিআর, অতিরিক্ত পুলিশ, র‌্যাব এবং প্রয়োজনে আর্মি নামিয়ে, গণপরিবহন খুলে দিয়ে সৃশৃঙ্খলভাবে মানুষকে চলতে বাধ্য করা। তা না করায় কী হল? মানুষ অতিরিক্ত খরচ করল, কষ্টও পেলো, ভাইরাসটি বিস্তারের ঝুঁকিও নিল।

রাষ্ট্রের কাজ মানুষের দুর্ভোগ দূর করা এবং তা আগাম বুঝতে পারা। কিন্তু গাড়ির কালো কাঁচ ও এসি বাতাস কি বুঝতে পারার সব ক্ষমতা বন্ধ করে দিলো?

news24bd.tv আহমেদ

সম্পর্কিত খবর

;