করোনার দ্বিতীয় বছর আরও প্রাণঘাতী হবে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

অনলাইন ডেস্ক

করোনার দ্বিতীয় বছর আরও প্রাণঘাতী হবে: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বিশ্ববাসীকে সতর্ক করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, করোনা মহামারির দ্বিতীয় বছর আরও বেশি প্রাণঘাতী হবে। আমরা এই মহামারির দ্বিতীয় বছরের জন্য অনেক বেশি প্রাণঘাতী পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে চলেছি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস শুক্রবার (১৪ মে) এক সংবাদ সম্মেলনে এ সতর্কবার্তা দেন।

একই সঙ্গে শিশুদের টিকা দেওয়ার বদলে দরিদ্র দেশগুলোকে টিকা সরবরাহ করতে উন্নত বিশ্বের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক বলেন, ‘কিছু দেশ শিশু ও কিশোরদের টিকা দিতে চাচ্ছে। কিন্তু বর্তমান অবস্থায় আমি তাদের আহ্বান জানাবো, তারা যেন শিশু-কিশোরদের টিকা না দিয়ে সেসব টিকা ‘কোভ্যাক্স’জোটের কাছে হস্তান্তর করে।’

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

যে কারণে তিনবেলা ডাল খাবেন

অনলাইন ডেস্ক

যে কারণে তিনবেলা ডাল খাবেন

খাবার হিসেবে ডাল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে থাকা প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকার কারনে একে গরীবের আমিষও বলা হয়ে থাকে। বিশ্বের অনেক দেশেই অধিকাংশ মানুষের দুপুর বা, রাতের খাবারে নিয়মিত ডাল থাকে। তবে পুষ্টিগুণের দিকে খেয়াল করলে প্রতিবেলা খাবারে ডাল রাখা যেতে পারে।

সুস্বাস্থ্য গড়ার জন্য খাদ্য তালিকায় তিনটি উপাদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ- পুষ্টি, মানসম্পন্ন প্রোটিন ও ফাইবার। আর এই তিনটি উপাদানই একসঙ্গে ডালে পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া যায়।

পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার ক্ষুধা নিবারণ করে এবং আমাদের কোলেস্টেরলের মাত্রা হ্রাস করে। ক্যানসার বিরোধী উদ্ভিদ রাসায়নিকও ডাল। বিশেষ করে ডালে আইসোফ্লাভোনস এবং ফাইটোস্টেরলস নামক উপাদান রয়েছে। এসব উপাদান ক্যানসারের ঝুঁকি অনেক কমিয়ে আনে। কেননা, ডালে থাকা ভিটামিন-বি ফোলেট ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

ডালের এসব পুষ্টি গুণাগুণ নিশ্চিতভাবে পাওয়ার জন্য অবশ্যই বিশ্বস্ত সূত্র থেকে ডাল ক্রয় বা সংগ্রহ করতে হবে। কেননা, শুধু অমসৃণ ডালের মধ্যেই সকল প্রকার পুষ্টিগুণ থাকে।


আরও পড়ুন:


হেফাজত নেতা আজহারুল ইসলাম গ্রেপ্তার

সিলেটের জকিগঞ্জে দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান!

পরীমণিকে বোট ক্লাবে নিয়ে যাওয়া কে সেই অমি?

আবারও চুপি চুপি ‘রোমাঞ্চকর’ ভ্রমণে নুসরাত-যশ


সপ্তাহে একেক দিন একেক রকম ডাল খাওয়ার অভ্যাস করুন। প্রতিদিন একই ডাল খেতে বিরক্তি লাগতে পারে। তবে উপকার পেতে অবশ্যই নিয়মিত ডাল খেতে হবে।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

হাড়ের ক্ষয়জনিত রোগের উপসর্গ ও চিকিৎসা

অনলাইন ডেস্ক

হাড়ের ক্ষয়জনিত রোগের উপসর্গ ও চিকিৎসা

হাড়ের ক্ষয়জনিত একটি রোগ অস্টিওপোরোসিস । এ সমস্যায় ঘনত্ব কমে গিয়ে হাড় হালকা ও ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং হাড় ভাঙার ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রতিবছর বিশ্বে ৯০ লাখের বেশি মানুষের হাড় ভাঙে অস্টিওপোরোসিসের কারণে।  অস্টিওপেনিয়ার সময়ই হাড়কে দুর্বল করে ফেলে এবং হাড় ভাঙার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। তেমন কোনো উপসর্গ ছাড়াই নীরবে এই রোগ শরীরে বাসা বাঁধতে থাকে। হাড় ভেঙে যাওয়ার আগে এই রোগের তেমন একটা লক্ষণ প্রকাশ পায় না।

পরিসংখ্যান মতে, বাংলাদেশে ৬০ লাখের মতো মানুষ হাড় ক্ষয়রোগে ভুগছে। পঞ্চাশোর্ধ্ব নারীদের এই রোগের ঝুঁকি ৫.১ শতাংশ, যেখানে পুরুষদের ক্ষেত্রে ৩.১ শতাংশ। নারীদের ক্ষেত্রে মেনোপজ-পরবর্তী হরমোনের অসামঞ্জস্যের (স্ট্রোজেন, প্রজেস্টেরন) কারণে হাড়ক্ষয়ের ঝুঁকি বেশি হয়।

কারণ
হাড়ক্ষয়ের পেছনে নানা ধরনের কারণ রয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম কারণগুলো হলো : খাদ্য : পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, ভিটামিন ‘ডি’, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন ‘কে’, ভিটামিন ‘বি’, ভিটামিন ‘বি ১২’ ইত্যাদির অভাব হাড়ক্ষয়ের জন্য দায়ী। একজন ব্যক্তির প্রতিদিন গড়ে ১০০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম প্রয়োজন, সেখানে প্রতিদিন গড় ক্যালসিয়াম গ্রহণের পরিমাণ মাত্র ৩০৩ মিলিগ্রাম।

বংশগত : বংশে হাড়ক্ষয়জনিত রোগের ইতিহাস থাকলে।
হরমোনাল : কম বয়সে মেনোপজ হলে, হাড়ের ঘনত্ব কম থাকলে।

অন্যান্য রোগ : রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, হাইপারথাইরয়েডিজম, ক্রনিক লিভার ডিজিজ থাকলে।

কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া : স্টেরয়েড (যেমন প্রেডনিসোলোন, ডেক্সামেথাসন, প্রটন পাম্প ইনহিবিটর ইত্যাদি সেবনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় হাড়ক্ষয় হতে পারে।

কায়িক শ্রম না করা : দৈনন্দিন জীবনে কায়িক শ্রম বা ব্যায়ামের অভ্যাস না গড়ে তোলা হাড় গঠনের জন্য বড় সমস্যা।

লক্ষণ

হাড়ক্ষয় একটি নীরব ঘাতক। তেমন কোনো উপসর্গ ছাড়াই মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়। এরপরও কিছু লক্ষণ হলো, পিঠের পেছন দিকের অস্থিতে ব্যথা অনুভব হওয়া, হিপ, কোমর ও মেরুদণ্ডে ক্ষয় দেখা দেওয়া, উচ্চতা কিছুটা কমে যাওয়া, হাঁটা বা দাঁড়ানোর সময় ঝুঁকে থাকা, হঠাৎ পড়ে গেলে হার ভেঙে যাওয়া ইত্যাদি।

হাড়ক্ষয় প্রতিরোধে করণীয়
সঠিক খাদ্যাভ্যাস : হাড় ক্ষয়রোগীদের দুধ, দই, পনির, সয়াবিন, বাদাম, ঋতুকালীন সবুজ শাকসবজি, লেটুস, ব্রকলি, মাশরুম জাতীয় খাবার, মাছ খাওয়া উচিত।

ক্যালসিয়াম : দৈনিক ক্যালসিয়ামের চাহিদা বিভিন্ন বয়সে বিভিন্ন রকম থাকে। গড়ে তিন বছর বয়স পর্যন্ত প্রতিদিন ৫০০ মিলিগ্রাম, চার থেকে আট বছর পর্যন্ত ৮০০ মিলিগ্রাম, ৯ থেকে ১৮ বছর বয়সে ১৩০০ মিলিগ্রাম, ১৯ থেকে ৫০ বছরে ১০০০ মিলিগ্রাম এবং ৫১ বছর বা তদুর্ধ্বে ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম খাবার থেকে গ্রহণ করা উচিত। দুধ ছাড়াও বাদাম, শাকসবজি, ছোট মাছে প্রচুর ক্যালসিয়াম রয়েছে।
প্রোটিন : কাঁটাসহ সার্ডিন মাছ, অ্যালমন্ড, ফুলকপি, বাঁধাকপি ইত্যাদি খাবার গ্রহণ।

ভিটামিন ‘ডি’ : একজন মানুষের ভিটামিন ‘ডি’র চাহিদা দৈনিক১০-১২ মাইক্রোগ্রাম। অথচ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বাংলাদেশে মাত্র ১ শতাংশ লোক যথেষ্ট পরিমাণ ভিটামিন ‘ডি’ গ্রহণ করে থাকে। ক্যালসিয়াম শোষণ, শক্তিশালী হাড় ও দাঁত গঠনে সাহায্য করে এই ভিটামিন ‘ডি’। কিন্তু শুধু খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে যথেষ্ট ভিটামিন ‘ডি’ পাওয়া কঠিন। সূর্যের আলো ভিটামিন ‘ডি’র সবচেয়ে ভালো উৎস। তাই প্রতিদিন ২৫-৩০ মিনিট রোদে থাকা ও প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ভিটামিন ‘ডি’ সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা উচিত। এ ছাড়া চর্বিযুক্ত টুনা, স্যালমন মাছ, ডিমের কুসুম ইত্যাদি খাওয়া উচিত।

করণীয় : নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম করা, পড়ে যাওয়ার মতো ঘটনা থেকে নিরাপদ থাকার ব্যবস্থা করা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ভুঁড়ি কমানোর ঘরোয়া উপায়

অনলাইন ডেস্ক

ভুঁড়ি কমানোর ঘরোয়া  উপায়

ভুঁড়ি আমাদের সৌন্দর্যহানি তো করেই, পাশাপাশি স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। অতিরিক্ত মেদের ফলে বাড়তে পারে ডায়েবিটিস, প্রেশার, কোমর ও হাঁটুর ব্যথার মতো সমস্যা। এমনকি ক্লান্তি, অনিদ্রা, শ্বাসকষ্টের মতো বহু শারীরিক সমস্যার সঙ্গেও অতিরিক্ত ওজন প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।

মেদহীন ফিট শরীর কে না চায়। তবে অনিয়মিত জীবনযাপন আর ব্যস্ততায় বেশির ভাগ সময়ই শরীরের দিকে খেয়াল রাখাটা অনেকের পক্ষে মুশকিল হয়ে পড়ে। তবে একটু সচেতন হলে, সহজ কিছু ঘরোয়া পদ্ধতিতে কমতে পারে ওজন।


আসুন, জেনে নিই ওজন কমানোর কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি—

মেদহীন সুস্থ শরীরের মূল শর্ত পরিমিত আহার ও নিয়মিত ব্যায়াম।

খাওয়ার সময় পেট পুরে না খাওয়াই ভালো। খাবার ভালো হজম হবে। অতিরিক্ত ক্যালরির সমস্যাও হবে না।

সারা দিনের খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ বেশি রাখুন। ছোট মাছ খান। পাতে রাখুন প্রচুর শাকসবজি ও ফল।

বাড়িতে রান্না করা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত তেল-মসলা, ঘি-মাখন এড়িয়ে চলুন। রেড মিট খাবেন না। ফাস্টফুড, ডিপ-ফ্রাই করা খাবার, আইসক্রিম, কোল্ড ড্রিংকস, অ্যালকোহল না খাওয়াই ভালো। বদলে স্ন্যাক্স হিসেবে খান ফল, স্যালাড, আমন্ড, টক দই ইত্যাদি।

ভাত, ময়দা ও চিনি কম খান। পারলে ঢেঁকি-ছাঁটা চালের ভাত খান। আটার রুটি খান। চা-কফিতে চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন।

বাড়িতেই শরীরচর্চা করুন। রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে আধাঘণ্টা রাখুন নিজের জন্য। স্কিপিং, বুক ডাউন, পুল-আপের মতো খালি হাতে ব্যায়াম করুন। তবে ব্যায়াম শুরুর আগে শরীরচর্চা বিশেষজ্ঞের কাছ থেকে সঠিক ফর্ম জেনে নেবেন।

মেদ কমাতে না খেয়ে খালি পেটে থাকেন অনেকে। সেটি খুবই ভুল ধারণা। অল্প পরিমাণে বারবার খান।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ঘুমের সমস্যার সমাধানে খাবেন যেসব খাবার

অনলাইন ডেস্ক

ঘুমের সমস্যার সমাধানে খাবেন যেসব খাবার

ঘুম ছাড়া সুস্থ ও স্বাস্থ্যকর জীবন অসম্ভব। সুস্থ জীবনযাপনে ঘুমের প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য। ঘুম না হলে দেখা দিতে পারে নানাবিধ সমস্যা। সারা দিনের কর্মব্যস্ততার পর আমরা যখন ক্লান্ত হয়ে যাই, তখন আমাদের সবার কাম্য পরিপূর্ণ ঘুম।  মানসিক চাপ, কাজের সময়ের ঠিক না থাকা, বাজে খাদ্যাভ্যাসের কারণে অনেকের ঘুমে সমস্যা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা সাম্প্রতিক এক গবেষণায় কার্বোহাইড্রেটস, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো উপাদানের সঙ্গে ঘুম নিয়ন্ত্রণের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেখতে পেয়েছেন। গবেষকেরা মনে করেন, যাঁদের পরিপূর্ণ ঘুম হয়, তারা অনেক দিন পর্যন্ত সুস্থ থাকতে পারেন এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা এ জন্য আবশ্যক।

কিছু খাবার ঘুমের ক্ষেত্রে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। এর মধ্যে কফি অন্যতম। কফিতে আছে প্রচুর ক্যাফেইন, যা শারীরিক উত্তেজনা বাড়িয়ে আমাদের ঘুমের ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। ডার্ক চকলেট, যা হার্টের জন্য ভালো; কিন্তু ঘুমের জন্য ক্ষতি করছে। সফট ড্রিংকসকে আমরা ‘স্লিপ কিলার’ হিসেবে আখ্যা দিতে পারি। ওয়াইন আমাদের স্নায়ুকে দুর্বল করে ঘুমের ব্যাঘাত সৃষ্টি করে এবং ফাস্টফুড জাতীয় খাবারগুলো আমাদের নিরবচ্ছিন্ন ঘুমের ক্ষেত্রে বিঘ্ন ঘটায়।

কোন খাবার ঘুম আনয়নে সহায়তা করে
কিছু কিছু খাবার আছে, যা আমাদের ঘুমের জন্য সহায়ক। তার মধ্যে দুধ অন্যতম। দুধে আছে ট্রিপটোফেন নামক একটি উপাদান, যা মস্তিষ্কের সেরোটোনিনের খুব ভালো উৎস। তাই রাতে পরিপূর্ণ ঘুমের জন্য আমরা এক গ্লাস দুধ পান করতে পারি। 

এ ছাড়া আছে কিছু ফর্টিফায়েড সিরিয়ালস, যা আমাদের রাতের খাবারে থাকলে তা ধীরে ধীরে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রাকে বাড়িয়ে দেয় এবং ঘুম এনে দেয়। এর মধ্যে ব্রাউন ব্রেডের কথা আমরা বলতে পারি; ব্রাউট আটার রুটি, ওটস—এ জাতীয় খাবারগুলো।

এ ছাড়া মিষ্টি আলুতে আছে প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম; যা মাংসপেশিকে শিথিল করে সুন্দর ঘুম এনে দেয়। আর একটি ভালো উপাদান হচ্ছে হারবাল টি, এটিও ঘুমের জন্য খুবই উপকারী।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

দারুচিনি ও মেথি চা এর উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক

দারুচিনি ও মেথি চা এর উপকারিতা

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ভেষজ উপাদানগুলো অধিক কার্যকরী। এই পানীয় নিয়মিত পান করলে শরীরের পরিবর্তন নিজেই লক্ষ্য করবেন।

দারুচিনি চা

মেটাবলিজম বাড়াতে দারুণ কার্যকরি এই দারুচিনি। এতে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। দারুচিনি চা ডিটক্স হিসেবেও দারুণ কাজ করে। এ কাপ গরম পানিতে ১ চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া দিয়ে ২০ থেকে ৩০ মিনিট রেখে দিন। ঘুমানোর অন্তত আধাঘণ্টা আগে পান করুন এই চা।

মেথি চা
মেথি পাতাতেও পর্যাপ্ত পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট পাওয়া যায়। রক্তশূন্যতা প্রতিরোধ ও হাড়কে শক্তিশালী করার জন্য এ চা বেশ উপকারী। নিয়মিত মেথি চা পান করলে কিডনিতে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত সরবরাহে সহায়তা করে।
অ্যাসিডিটি বা হজমের যাবতীয় সমস্যা সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে মেথি চা।


আরও পড়ুন

নিয়োগ দেবে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর

শুভাগত হোমকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব দিয়েছে মোহামেডান

তুরস্কে পাওয়া গেল ১ হাজার ৮শ বছর আগের ভাস্কর্য

নিজের দাম বাড়িয়েছেন রাশি খান্না


প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি চা খেতে পারলে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে। ফলে হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। সেই সঙ্গে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও কমে।

মেথি চা তৈরী করতে প্রথমে ১ চামচ মেথি গুঁড়ো নিন। দেড় কাপ ফুটন্ত গরম পানিতে ওই গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। এর সঙ্গে ১ চামচ মধু মেশাতে পারেন। চাইলে এর সঙ্গে চা পাতা বা তুলসি পাতাও মেশাতে পারেন। সমস্ত উপকরণ একসঙ্গে দিয়ে ৫ মিনিট ফুটিয়ে নিন। এবার ছেঁকে পান করুন।

news24bd.tv/এমিজান্নাত

পরবর্তী খবর