হামাসের রকেটের মুখে উপকূলীয় অঞ্চল বন্ধে বাধ্য হলো ইসরায়েল
হামাসের রকেটের মুখে উপকূলীয় অঞ্চল বন্ধে বাধ্য হলো ইসরায়েল

হামাসের রকেটের মুখে উপকূলীয় অঞ্চল বন্ধে বাধ্য হলো ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক

গত কয়েকদিন ধরেই চলছে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘর্ষ। গত সোমবার (১০ মে) থেকে শুরু হওয়া সংঘর্ষ আজও চলছে এবং গাজায় বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল।   ইসরায়েলের হামলায় এ পর্যন্ত ১৪০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এদিকে ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস আজ শনিবার বিকেলে ৩০টি রকেট ছুঁড়েছে ইসরায়েলে।

এতে ইহুদিবাদী ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলীয় রামাত গান শহরে হামাসের হামলায় অন্তত এক ইসরায়েলি প্রাণহানি হয়েছে।

গাজায় ইসরায়েলের হামলায় অন্তত আট শিশু ও দুই নারী নিহত হওয়ার পর হামাস এই হামলা চালালো। আরব-ইসরায়েল শহর তাইবে এবং পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ ও তুলকারেম শহরেও হামাস রকেট হামলা চালায়।  

শনিবার গাজা উপত্যকা থেকে মুহুর্মুহু রকেট হামলায় বেশ কয়েকটি উপকূলীয় অঞ্চল জনসাধারণের জন্য বন্ধ করে রাখে ইসরায়েল।

ইসরায়েলের দৈনিক ইয়েডিওট অ্যারনোথ জানিয়েছে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ হার্জলিয়া, তেল আবিব এবং বাট ইয়াম সহ বেশ কয়েকটি উপকূলীয় শহরগুলোতে সৈকত খালি করার আদেশ জারি করে।

গাজা উপত্যকা থেকে ইহুদিদের বর্বর হামলার প্রতিরোধে ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ দলগুলো ইসরায়েলি শহরগুলোতে রকেট হামলা চালালে রামাত গান শহরে আরও এক ইসরায়েলি নাগরিক নিহত হওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

চলমান সহিংসতায় কমপক্ষে ১০ জন ইসরায়েলি নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে নয়জন হামাসের রকেট হামলায় এবং অ্যান্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল গাড়িতে আঘাত করার পর এক সৈন্য নিহত হয়।

এর আগে গত সোমবার থেকে গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা চালিয়ে ৩৯ শিশু ও ২২জন নারীসহ কমপক্ষে ১৪০ জনকে হত্যা করেছে দখলদার খুনি ইসরায়েল। এসব ঘটনায় সহস্রাধিক ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। ঘর-বাড়ি ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন ১০ হাজার মানুষ।  

ইহুদিদের এমন বর্বরতা রুখতে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখা ইয্যাদ্দিন আল কাসসাম ব্রিগেড।

হামাসের সামরিক শাখা ইয্যাদ্দিন আল কাসসাম ব্রিগেডের মুখপাত্র আবু ওবায়দা বলেছেন, ‘আল্লাহর সাহায্যে আমরা ইসরাইলের বিরুদ্ধে ৬ মাস যুদ্ধের চালিয়ে যাওয়ার মতো ক্ষেপণাস্ত্র মজুদ রেখেছি। ’

আবু ওবায়দা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘গাজার আবাসিক ভবনে নির্বিচার বোমা হামলা চালিয়ে ফিলিস্তিনি নাগরিকদের হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে ইসরাইলের জন্য শিগগিরই বড় ধরনের পরিণতি অপেক্ষা করছে। ’

news24bd.tv/আলী