যদি ইসরায়েলের একজন মারা যায় তাহলে তা জঙ্গী তৎপরতা!

আসিফ নজরুল

যদি ইসরায়েলের একজন মারা যায় তাহলে তা জঙ্গী তৎপরতা!

যদি একশত জন ফিলিস্তিনী মারা যায় আর ফিলিস্তিনীরা জবাবে রকেট ছুড়ে, তাতে  যদি ইসরায়েলের একজন মারা যায় তাহলে তা জঙ্গী তৎপরতা। 

যদি একজন  ইসরায়েলী মারা যাওয়ার পর ইসরায়েল বোমা মেরে একশ ফিলিস্তিনী মেরে ফেলবে-এটা তখন আত্নরক্ষা! 
অনেক তথাকথিত সভ্য দেশ এভাবেই দেখে বিষয়টা। 

জাতিসংঘ আর মানবাধিকারের মাতবররা চালাকি করে  দুপক্ষকে বলে আত্নসম্বরণ করতে।

৭০-৮০ বছর ধরে পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় ভন্ডামী হচ্ছে এখানেই। এখন আমি আপনি কি করতে পারি? 

অনেক কিছু পারি। কিন্তু এটা কি কখনো ভাবতে পারি যে কিভাবে নিজেদেরকে এতো দুর্বল করে ফেলেছি আমরা মুসলমানরা? 
আমাদের আনুষ্ঠানিকতা যতোটা আছে ঈমান কি আছে ততোটা? সত্যি মুসলমান কি হতে পেরেছি আমরা অনেকে?

আসিফ নজরুল, রাজনৈতিক বিশ্লেষক (ফেসবুক থেকে)

পরবর্তী খবর

পরীমনির ঘটনা দেখে মনে হচ্ছে কোথাও কারো মধ্যে ঘাপলা আছে

আশরাফুল আলম খোকন

পরীমনির ঘটনা দেখে মনে হচ্ছে কোথাও কারো মধ্যে ঘাপলা আছে

শুধু পরীমনি কেন, যেকোনো নারী যদি অনৈতিকতার শিকার হয় অবশ্যই এর সুষ্ঠু বিচার চাই। কিন্তু ঘটনা প্রবাহ দেখে মনে হচ্ছে এখানে কোথাও কারো মধ্যে কোনো ঘাপলা আছে। গড্ডলিকা প্রবাহে গা না ভাসিয়ে, কারো চরিত্র হনন না করে আসল ঘটনা খুঁজে বের করা দরকার। ঘাপলাটা কোথায় এবং করলো কে।

নাসির উদ্দিন মাহমুদের কিংবা পরিমনির চরিত্রের সার্টিফিকেট দেয়া নেয়া আমার কাজ না। আমরা যদি এই দুইজনের আশেপাশের সহকর্মীদের কাছে ওদের অতীত রেকর্ড সম্পর্কে একটু খোঁজ খবর নেই তাহলে তাদের চারিত্রিক গুণাবলী সম্পর্কে অনেক ধারণা পাওয়া যাবে। কে কোন মহলের বাসিন্দা। কার অতীত ইতিহাস কি বলে। আমজনতা না পারলেও সাংবাদিকদের জন্য খোঁজ খবর নেয়া খুব সহজ কাজ।

একটি গোষ্ঠী নাসির উদ্দিন মাহমুদের বন্ধু হিসাবে পৃথিবীতে একজনকেই পেলেন, তিনি হলেন পুলিশের আইজিপি বেনজির আহমেদ।আরে ভাই, কারো সাথে ছবি থাকতেই পারে, বন্ধু হতেই পারে, আরও অনেকেরই ছবি থাকবে - এর মানে কি বেনজির সাহেব ওনাকে বলে দিয়েছেন নায়িকার সাথে খারাপ ব্যবহার করার জন্য? নাসির মাহমুদ প্রায় ত্রিশ বছর সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ সাহেবের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। এই লোকের সাথে দেশের অনেক বিখ্যাত মানুষেরই দেখলাম ছবি আছে। তাহলে কি সবাই দায়ী।


আরও পড়ুন:


তিন সঙ্গীসহ তিনদিন নিখোঁজ ধর্মীয় বক্তা আদনান

মধ্যগগণে ক্রু-যাত্রীদের ধ্বস্তাধস্তি, বিমানের জরুরি অবতরণ

চতুর্থ বিয়ের মধুচন্দ্রিমায় পাহাড়ে যেতে চান শ্রাবন্তী?

দায়িত্ব গ্রহণ করেই যে প্রতিশ্রুতি দিলেন ইসরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী


পত্রিকার সংবাদ দেখে দুইটা বিষয় আমার কাছে এখনো খটকা লাগছে। প্রথমত: যেখানে যাচ্ছিলেন, বন্ধুর সেই অসুস্থ মা’কে দেখতে না গিয়ে আরেকজনের কথায় পরিমনি কেন মধ্যরাতে আশুলিয়াতে বোট ক্লাবে গেলেন? যদিও যাওয়া কোন অপরাধ না। আর নাসির মাহমুদ এতবড় অভিযোগের পরও কেন এখনো চুপচাপ আছেন। কেন তিনি কথা বলছেন না? আর এই সুযোগে হুজুগে জাতি বেনজির আহমেদের চরিত্র হনন করেই যাচ্ছে।

তবে, পরিমনি অনেক ভাগ্যবতী, দেশের আইজিপির সাথে সরাসরি ফোনে কথা বলার সুযোগ ওনার রয়েছে।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশে উদ্ভট কথার বাজার ভালো

মহিউদ্দিন মোহাম্মদ

বাংলাদেশে উদ্ভট কথার বাজার ভালো

আবু ত্বহা আদনান নামের একজন ধর্মীয় বক্তা নিখোঁজ হয়েছেন। কিছুদিন আগে ভদ্রলোকের একটি ওয়াজের ভিডিও, আমাকে এক পাঠক পাঠিয়েছিলেন, এবং আমার মন্তব্য জানতে চেয়েছিলেন। কৌতূহলবশত আমি তার কয়েকটি ভিডিও দেখি, এবং এগুলোর বিরোধীতা করে কয়েক লাইনের প্রতিক্রিয়া লিখি। এ নিয়ে ভদ্রলোকের ভক্তরা আমাকে আক্রমণ করেছিলেন। ভদ্রলোক স্পষ্ট ভাষায় আধুনিক অর্থনীতিকে হারাম বলেছেন, ভ্রান্ত যুক্তির ভিত্তিতে কাগজের টাকার বিরোধীতা করেছেন, কারেন্সি হিশেবে খেজুর ও স্বর্ণমুদ্রার প্রশংসা করেছেন, এবং সেক্যুলার ঘরানার মুসলিমদের কাফের ও মুশরিক ঘোষণা করেছেন। দাজ্জালের একটি কাল্পনিক রূপও তিনি আবিষ্কার করেছেন। ঢাকা শহরের উপর যেকোনো সময় আল্লাহর গজব নেমে আসতে পারে, এমন হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।   

নো ওয়ান্ডার, এ উদ্ভট কথাগুলো আমার কাছে প্রলাপই মনে হয়েছে, কারণ যারা সবকিছুকে একটি নির্দিষ্ট ধর্মের দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেন, তাদের পক্ষে কোনোকিছুকেই নির্মোহ ও বস্তুনিষ্ঠভাবে ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। মডার্ন কারেন্সি সিস্টেম কীভাবে কাজ করে, তা জানা থাকলে তিনি এগুলো বলতেন না। স্পেনিশরা যখন এজটেক বিজয় করে, তখন তারা দেখতে পায়, এজটেক শিশুরা স্বর্ণপিন্ডকে, সাধারণ পাথর হিশেবে খেলাধুলার সামগ্রীরূপে ব্যবহার করছে।

কাগজ বা স্বর্ণ নয়, কারেন্সি সিস্টেমের ভিত্তি হলো বিশ্বাস। কাগজের মতো স্বর্ণও মূল্যহীন, যদি না মানুষ স্বর্ণকে মূল্যবানরূপে বিশ্বাস করে। যদি মানুষ আগামীকাল থেকে বলে, স্বর্ণের উপর আমাদের আর বিশ্বাস নেই, স্বর্ণকে আমরা আর মূল্যবান মনে করি না, আমরা মূল্যবান মনে করি লোহা বা কপারকে, স্বর্ণের চেয়ে এলুমিনিয়ামের অলংকারই ভালো, তাহলে পরশু থেকেই স্বর্ণ, একটি সাধারণ ধাতুতে পরিণত হবে।

মানুষ একসময় বিশ্বাস করতো শামুকের খোল বা কাওয়ারি শেল মূল্যবান। এই কাওয়ারি শেল দীর্ঘদিন মুদ্রা হিশেবে ব্যবহৃত হয়েছিলো। কিন্তু এটি ভেঙে যেতো, এবং বস্তায় করে সারাক্ষণ বহন করা সহজ ব্যাপার ছিলো না। এজন্য একসময় উদ্ভব ঘটেছিলো ধাতব মুদ্রার। এই ধাতব মুদ্রাদের মধ্যে স্বর্ণমুদ্রা খুব জনপ্রিয় হয়েছিলো, কারণ ধাতু হিশেবে স্বর্ণ ছিলো দুর্লভ, এবং সহজে নষ্ট হতো না।

আর স্বর্ণমুদ্রা মোটেই মুসলিমদের কোনো আবিষ্কার নয়। কাগজের মুদ্রার মতো স্বর্ণমুদ্রাও বিধর্মীদের আবিষ্কার।

ভারতে তো একসময় স্বর্ণের কোনো দামই ছিলো না। পারস্যের সাথে যখন তারা ব্যবসা শুরু করলো, তখন পারসিয়ানরা, সিল্কের বিনিময় মূল্য হিশেবে স্বর্ণ চাইলো। কারণ, স্বর্ণ ভারতে মূল্যবান না হলেও মূল্যবান ছিলো পারস্যে। এর কারণ বিশ্বাস। পারসিয়ানরা শামুকের খোলের মতো স্বর্ণের উপরে বিশ্বাস স্থাপন করেছিলো। আর ভারতীয়রা ভাবতো— পারসিয়ানরা এতো বোকা কেন? ফালতু স্বর্ণের বিনিময়ে এরা আমাদের মূল্যবান সিল্ক দিচ্ছে!

যাইহোক, বাংলাদেশে উদ্ভট কথার বাজার ভালো। এগুলো অনেকেই বিশ্বাস করেন, কেউ যাচাই বাছাই করে দেখার কোনো প্রয়োজন বোধ করেন না। আমি এসব বলা বা বিশ্বাস করার স্বাধীনতা নিয়ে এখানে প্রশ্ন তুলছি না, কিন্তু কিছু ব্যাপার আছে যা আমার কাছে সবসময়ই আপত্তিকর মনে হয়। যেমন, কাউকে বা কোনো গোষ্ঠীকে যদি আপনি কাফের, মুশরেক, মুরতাদ, ইহুদিদের দালাল, নাসারাদের দালাল, জঙ্গী, এসব ট্যাগ দিয়ে দেন, তখন ওই ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর জীবন বিপন্ন হয়ে উঠতে পারে।

আমি ঘৃণা বিদ্বেষ ছড়িয়ে, কারও জীবন বিপন্ন করে তোলাকে সমর্থন করি না। আমি মানুষকে ভয় দেখানোও সমর্থন করি না। সভ্য দেশ হলে এসব নিয়ে নির্বিকার থাকা যেতো, কিন্তু বাংলাদেশের বাস্তবতায় ধর্মীয় ফ্যানাটসিজমকে হালকা করে দেখার সুযোগ নেই।

এসব ফ্যানাটিসিজমকে রুখে দেয়ার সভ্য উপায় হলো এগুলোর বিরুদ্ধে লিখা ও কথা বলা, যা খুবই বিপজ্জনক কাজ। আমি লেখালেখি করি অনেক বছর ধরে, কিন্তু মাত্র কয়েক সপ্তাহ এসব ফ্যানাটিসিজমের বিরুদ্ধে লিখেই নানা উপাধি পেয়ে গেছি। আমি শুধু মানুষকে সাবধান করেছিলাম যে, ধর্মকে যারা নিজ নিজ রাজনীতিক ও অর্থনীতিক স্বার্থে ব্যবহার করে, তাদের কথা সতর্কতার সাথে আমলে নিতে। কিন্তু এ সামান্য কথাতেই মানুষ খেপে উঠেছিলো।

এখন প্রশ্ন হলো, কথার জবাব কথা দিয়ে না দিয়ে, লেখার জবাব লেখা দিয়ে না দিয়ে, কাউকে নিখোঁজ করে ফেলাটা সঠিক কি না?

উত্তর হলো, আমার কোনো শত্রুকেও আমি গুম করা সমর্থন করি না। আদনান সাহেবকে কে বা কারা কী কারণে নিখোঁজ করেছে তা আমরা জানি না। শুধু অনুমান করতে পারি মাত্র। যদি মনে হয় আদনান সাহেব কোনো অপরাধ করেছেন, বা কারও জীবনের প্রতি হুমকি হয়ে উঠেছেন, সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্থানীয় আইনে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। এজন্য স্ট্যান্ডার্ড প্রক্রিয়া হলো, তাকে প্রকাশ্যে আইনি প্রক্রিয়া মেনে গ্রেপ্তার করা, এবং আদালতে প্রেরণ করা। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার প্রয়োজন হলে, সেটিরও স্ট্যান্ডার্ড প্রসেজার আছে। আদালত রিমান্ড মঞ্জুর করলে, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা যেতে পারে। কিন্তু একজন নাগরিককে, গোপনে নিখোঁজ করা, অত্যন্ত গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন।

আবার এমনও হতে পারে, তার কোনো বিরোধী পক্ষ তাকে নিখোঁজ করেছে। সবই অনুমান মাত্র। কিন্তু পুলিশকে এসব অনুমান গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে, এবং তাকে উদ্ধার করতে সামর্থ্যের সবটুকু প্রয়োগ করতে হবে।

কারও বক্তব্যের সাথে আমার দ্বিমত থাকতে পারে, কাউকে আমার কাছে উন্মাদ মনে হতে পারে, কিন্তু তার কোনো মৌলিক অধিকারের হরণ আমার পক্ষে সমর্থন করা সম্ভব নয়। কেউ আমার শত্রু হলেও, আমি তার উপর সংগঠিত কোনো অন্যায়কে উপভোগ করি না।

আর ওয়াজ-মাহফিলের যারা ভক্ত, তাদেরও কিছু দায়িত্ব আছে বলে মনে করি। অপ্রয়োজনীয় ধর্মীয় বয়ান, যা ঘৃণা-বিদ্বেষ ও মারদাঙ্গাকে উৎসাহিত করে, যা স্রেফ ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে নানা রাজনীতিক ও অর্থনীতিক মতবাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার প্রচার করে, তা থেকে সতর্ক থাকতে হবে।


আরও পড়ুন:


তিন সঙ্গীসহ তিনদিন নিখোঁজ ধর্মীয় বক্তা আদনান

মধ্যগগণে ক্রু-যাত্রীদের ধ্বস্তাধস্তি, বিমানের জরুরি অবতরণ

চতুর্থ বিয়ের মধুচন্দ্রিমায় পাহাড়ে যেতে চান শ্রাবন্তী?

দায়িত্ব গ্রহণ করেই যে প্রতিশ্রুতি দিলেন ইসরায়েলের নতুন প্রধানমন্ত্রী


মনে রাখতে হবে, পৃথিবীটা শুধু মুসলিমদের জন্য নয়। সব ধর্মের, সব মতের মানুষ যেন শান্তিপূর্ণভাবে বাস করতে পারে, তা নিশ্চিত করতে কাজ করে যেতে হবে। নিজের মত, নিজের বিশ্বাস, কারও উপর চাপিয়ে দেয়া কোনো ভালো কাজ নয়। কারও কোনো কথা আমলে নেয়ার আগে, আবেগের পরিবর্তে যুক্তির মানদন্ডটিকে একটু ব্যবহার করতে হবে।

আবু ত্বহার পরিবার যে দুর্ভোগ ও দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়েছে, তার দ্রুত অবসান হোক।

(এই লেখাটি ফেইসবুক থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের। স্যোশাল মিডিয়া পাতায় প্রকাশিত লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়। )

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

আমাদের রত্ন আপাতত আমাদেরই থাক!

কাজী শরীফ

আমাদের রত্ন আপাতত আমাদেরই থাক!

ভারতের লোকসভার সদস্য নুসরাত জাহান সম্প্রতি দাবি করেছেন নিখিল জৈনের সাথে তার বিয়েই হয়নি। সুতরাং বিচ্ছেদের প্রশ্ন অবান্তর। লোকসভায় দাঁড়িয়ে তিনি যে নিখিলের পরিচয় দিয়েছিলেন তা কি তবে মিথ্যা? এ নিয়ে যারা প্রশ্ন তুলছেন তারা ভুলে যাচ্ছেন তিনি কেবল রাজনীতিবিদ নন নায়িকাও। ফলে তার পক্ষে ছলাকলা যেমন বেমানান নয় অভিনয় করাও তেমনি অবাক করার মতও নয়! 

আগের পর্বেই লিখেছিলাম আমাদের ঢালিউডের নায়িকা মাহিয়া মাহি অবশ্য নুসরাতের মত এত নিষ্ঠুর নন। তিনি অপুকে স্বামী বলেছেন তবে দুই বছরের আগেই স্বামীর আগে সাবেক শব্দটি বসে গেছে বলে দাবি করেছেন।

যদিও তার স্বামী দাবি করেছেন তিনি ঘুম থেকে উঠে শুনেছেন মাহি বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন। এখন প্রশ্ন হলো দুই বছর মেয়াদি এ দীর্ঘ ঘুম ভাঙলো কী করে!

মাহি যেমন উদার তেমন উদার আমাদের দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের পদ্ধতি। অনার্সে এক বিষয়ে ফেল করে ও দ্বিতীয় শ্রেণি পেয়েও একজন শিক্ষক হয়েছেন বলে গণমাধ্যমের বদৌলতেই জানলাম।

ওদিকে ভাবমূর্তি রক্ষার্থে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতিবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রছাত্রীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভাগ নিয়ে মন্তব্য করতে নিষেধ করেছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের সভাপতি। উপাচার্য মহোদয় যেহেতু সব বিভাগের মুরুব্বি তাই তিনি পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর উদ্দেশ্যেই এ হুকুম জারি করেছেন। সাবেকদের উপর এ হুকুম বলবৎ থাকবে কিনা এ নিয়ে উদ্বিগ্ন আমার মত সাবেকেরা!

আরও পড়ুন:


নিয়োগ দেবে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর

শুভাগত হোমকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব দিয়েছে মোহামেডান

তুরস্কে পাওয়া গেল ১ হাজার ৮শ বছর আগের ভাস্কর্য

নিজের দাম বাড়িয়েছেন রাশি খান্না!


চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে ভাবমূর্তি নিয়ে চিন্তিত সেখানে প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয় দশ টাকায় চা, চপ আর সিঙ্গারা পাওয়া যায় মর্মে গিনিজ বুকে নাম অন্তর্ভুক্তির আশায় উদ্দীপ্ত! 

গিনিজ বুকের কথা যেহেতু এলোই বাংলাদেশ হিরো আলমকে নিয়ে একটা চেষ্টা করে দেখতে পারে। সবচেয়ে বেশি ভাষায় গান করার রেকর্ডতো তার ইতোমধ্যে হয়ে যাওয়ার কথা। বাংলা, আরবি, ইংরেজি, হিন্দি, চাইনিজ ভাষায় গান করে ফেলেছেন এ বিখ্যাত গায়ক। নিন্দুকেরা বলেন তিনি আরবি গান গাওয়ার পর নাকি বাংলাদেশে গরম বেড়ে গেছে। এই যে গানের সাথে ঋতু পরিবর্তনের যোগ আছে এ বিষয়েও তিনি এক ও অদ্বিতীয় বলেই আমার ধারণা! 

তবে এ খবর প্রচার করা যাবে না। এ খবর পেয়ে বরফের দেশে হিরো আলমকে নিয়ে গেলে আরবি গানের প্রভাবে বরফ গলে পুরো পৃথিবীর ভারসাম্য বদলে যেতে পারে! আমাদের রত্ন আপাতত আমাদেরই থাক! 

কাজী শরীফ
১৩ই জুন, ২০২১ খ্রিষ্টাব্দ।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর

মেয়েদের বহুগামিতা সহ্য করা যায় না, পুরুষদের যায়

অনলাইন ডেস্ক

মেয়েদের বহুগামিতা সহ্য করা যায় না, পুরুষদের যায়

-- বহুগামিতা একেবারেই মানতে পারি না।

-- মেয়েদের? 
--শুধু মেয়েদের হবে কেন, পুরুষদেরও। 
--কোনও পুরুষ  বহুগামী, এমন খবর  শুনলে এমন ছিঃ ছিঃ রব শোনা যায় না তো! 
--আলবৎ শোনা যায়। 
--একটা উদাহরণ দাও তো। 
--এভাবে উদাহরণ দেওয়া যায় না কি? 
--খুব যায়। শিল্প সাহিত্য নাটক সিনেমার জগতে  যে পুরুষ বহুগামী নয়,  এমন কয়েকজনের নাম বলো। অথবা যে কজন বহুগামী, তাদেরই নাম বলো।
--কী বলতে চাইছো? 
--বলতে চাইছি, যে পুরুষেরা বহুগামী, তাদের বিরুদ্ধে তুমি কি সরব? 
--নিশ্চয়ই।
--তুমি তো উত্তম কুমার বলতে অজ্ঞান। উনি  তো গৌরী দেবী এবং সুপ্রিয়া দেবী -- দুজনের  সঙ্গে থাকতেন।  একসময়    গৌরী দেবীকে ছেড়ে   সুপ্রিয়া দেবীকে বিয়ে না করেই স্বামী স্ত্রীর মতোই থাকা শুরু করলেন।   তুমি তো উত্তম কুমারকে গালি দাও না। তুমি তো সমরেশ বসুরও নিন্দে করো না, উনি তো দু'বোনকে বিয়ে করেছিলেন।
--একজনকে ছেড়ে আরেকজনকে নিয়ে থেকেছেন, একে তো বহুগামিতা বলে না।
--তাহলে যে মেয়েটির নিন্দে করছো, সেও তো একজনকে ছেড়ে আরেকজনকে নিয়ে থেকেছে। যা করেছে প্রকাশ্যে, লুকিয়ে নয়, কাউকে ঠকিয়ে নয়।  তাহলে তার নিন্দে করছো কেন।

আরও পড়ুন:


নিয়োগ দেবে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর

শুভাগত হোমকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব দিয়েছে মোহামেডান

তুরস্কে পাওয়া গেল ১ হাজার ৮শ বছর আগের ভাস্কর্য

নিজের দাম বাড়িয়েছেন রাশি খান্না!


--সমরেশ বসু বা উত্তর কুমার অনেক বড়, এত বড়'র সঙ্গে কোথাকার কে, তার তুলনা চলে না। 
--বড় হলে বুঝি অনৈতিক কাজ করা যায়? আর কোথাকার কে'দের জন্যই নীতি? নাকি শুধু মেয়েদের বেলায় নীতির প্রশ্ন ওঠে?
--বাজে কথা হচ্ছে।  আমি নারী -পুরুষকে আলাদা করে দেখিনা।
-- তাহলে শুধু  মেয়েদের পতিতালয়  কেন, পুরুষদের পতিতলয় কেন নেই-- এই প্রশ্ন কোনওদিন করেছো? বাই দ্যা ওয়ে,   পতিতালয়কে  যে আইনত বৈধ করা হয়েছে , তার বিরুদ্ধে কিছু বলো না কেন?
--কেন বলবো, পতিতালয় তো থাকা উচিত। আছে বলেই তো সমাজে ধর্ষণ কম হয়। 
--হা হা হা। তাই বুঝি?
--হ্যাঁ তাই। 
--তোমাদের বৈধ পতিতালয় তো বিবাহিত, অবিবাহিত সব পুরুষের জন্য। পতিতালয়ের গেটে তো সাইনবোর্ড নেই, 'শুধু অবিবাহিত পুরুষ অ্যালাউড'। বিবাহিত পুরুষেরা যারা সেখানে যাচ্ছে, তারা  তো বহুগামিতা করছে। করছে না? বৈধ ভাবেই করছে। সে ক্ষেত্রে তো পুরুষের বহুগামিতা বৈধ। 
--শুধু খারাপ লোকেরা যায় ওসব জায়গায়। 
--তাহলে বলতে চাইছো খারাপ লোকদের জন্য বহুগামিতা ঠিক,  শুধু ভালো লোকদের জন্য ঠিক নয়? 
--আমি তা বলতে চাইছি না, বহুগামিতা ব্যাপারটাই খারাপ। 
--তাহলে পতিতালয়ে বিবাহিত পুরুষদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার কথা কোথাও মুখ ফুটে বলো না কেন? 
--আমি বললে কে শুনবে। 
--কিন্তু তুমি যে একটি মেয়ের বহুগামিতার বিরুদ্ধে চিৎকার করছো, ও তো অনেকে শুনছে। 
--মেয়েদের এসব সহ্য করা যায় না। 
--এই তো আসল কথা পাড়লে। মেয়েদের বহুগামিতা সহ্য করা যায় না, পুরুষদের বহুগামিতা সহ্য করা যায়। 
--পুরুষ আর নারীর  শরীর তো এক নয়, পার্থক্য আছে। হরমোনের পার্থক্য।  পুরুষদের সেক্সটা বেশি দরকার হয়। 
--এতক্ষণে অরিন্দম!  মনের কথাটি  আগে বলে ফেললেই পারতে। বলো যে পুরুষের বহুগামী হওয়ার অধিকার আছে, যেহেতু তাদের হরমোন বেশি সেক্স চায়, এক নারীতে তা মেটে না। কিন্তু নারীর বহুগামী হওয়ার কোনও অধিকার নেই। নারীকে  একগামী হতে হবে। 
--আমাদের মায়েরা   কি কল্পনা করতে পারতো স্বামী ছাড়া অন্য কারও দিকে কোনওদিন  তাকাবে? 
--তুমি চাইছো দুনিয়ার সব মেয়ে তোমাদের মায়ের মতো হোক। 
--তা তো হয়নি, চারদিকে সব চরিত্রহীন বহুগামী মেয়ে। 
--চারদিকে কি চরিত্রহীন বহুগামী পুরুষ নেই? 
--উফ এসব শুনতে আর ভালো লাগছে না।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

অবিরাম এই যুদ্ধ মানুষকে কখনো কখনো অন্ধ বানিয়ে দেয়

আশরাফুল আলম খোকন

অবিরাম এই যুদ্ধ মানুষকে কখনো কখনো অন্ধ বানিয়ে দেয়

বুঝতে হবে শিক্ষার আগে থেকেই যুদ্ধটা শুরু হয়। যখনও শিক্ষার মানে বুঝিনি তখনই ক্লাসের বেঞ্চে সুবিধাজনক জায়গায় বসা নিয়ে বন্ধুদের সাথে যুদ্ধের শুরু। বাবা মায়ের সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সহোদরদের সাথেও এক প্রকার যুদ্ধেই নামতাম। 

স্কুলের সুন্দরী মেয়েদের দৃষ্টি আকর্ষণের যুদ্ধটা কার মধ্যে ছিল না? পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের যুদ্ধ করতে গিয়ে সফলতা আসে, কিন্তু ব্যর্থতার সংখ্যাও কম নয়। জীবনে প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ’তো থাকে মৃত্যুর আগে পর্যন্ত। 

এই অবিরাম যুদ্ধ মানুষকে কখনো কখনো অন্ধ বানিয়ে দেয়। এই অস্থির যুদ্ধ থেকে শুধু একটু বিরতি নিন। জোরে জোরে নি:শ্বাস নিয়ে কিছুক্ষণ নির্ভেজাল চিন্তা করুণ। নিজের ভূত ভবিষ্যৎ নিয়ে না ভেবে কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে নিজের চারপাশটা একবার খুব ভালো করে দেখে দেখে আসুন। 

দেখবেন, চারপাশের যাদেরকে মানুষ ভাবেন তাদের মধ্যেও অমানুষ ও বেঈমানের একটা চেহারা আছে। অপরদিকে যাদেরকে অমানুষ ভেবে আসছেন তাদেরও সুন্দর একটা মন আছে।

আরও পড়ুন


জি-৭ সম্মেলন: চীন তাহলে সবক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর!

আবারও সিঁথিতে সিঁদুর দিয়ে বিয়ের সাজে শ্রাবন্তী!

শ্বাসকষ্ট নিয়ে আইসিইউতে ভর্তি সাহিত্যিক সমরেশ মজুমদার

টঙ্গীতে বস্তিতে আগুন, শত শত ঘর পুড়ে ছাই


আসলে মানুষ চিনতে হলে মাঝে মাঝে জীবন যুদ্ধ থেকে বিরতি নিতে হয়। চোখ বন্ধ করে ভাবার সময় বের করে নিতে হয়। জোরে জোরে নি:শ্বাস নিতে হয়। দেখবেন, চারপাশে অকৃতজ্ঞের বাজার বসে আছে …। 

এরপর আবার নতুন করে জীবন যুদ্ধ শুরু করুন। এই যুদ্ধে জয়ী হবেন নিশ্চিত। কারণ ততক্ষণে ভেজাল বিদায় হয়েছে… বিরতি আপনাকে জীবনের অনেক মানে শিখিয়ে দিবে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর