আমরা কোন নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করছি না: ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

আমরা কোন নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করছি না: ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী

ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে চলমান লড়াই যেরকম তীব্র হয়ে উঠেছে তাতে খুব শিগগিরই এই সংঘাত একটি ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে’ রূপ নিতে যাচ্ছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

শনিবার শাতি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় মৃত্যু হয়েছে আট শিশু ও দুই নারীর। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে আল জালা টাওয়ার নামে একটি বহুতল ভবন। সেখানে আল-জাজিরা, এপিসহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের অফিস ছিল।

আল জালা টাওয়ারে জঙ্গি সংগঠন হামাসের দফতর ছিল বলে দাবি করেছে ইসরায়েলের।

আল জালা টাওয়ার গুঁড়িয়ে দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা দিয়েছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত না ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে ততক্ষণ পর্যন্ত হামাসের ওপর হামলা চলতে থাকবে।

ফেসবুক পোস্টে নেতানিয়াহু লিখেছেন, “আমি সন্ত্রাসবাদী মাথাগুলোকে বলি, তোমরা লুকিয়ে থাকতে পারবে না। মাটির উপরেও নয় এবং মাটির নিচেও নয়। কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা সন্ত্রাসের টাওয়ার ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দিয়েছি। এই টাওয়ারগুলো সন্ত্রাসী সংগঠনের সদর দপ্তর এবং অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হতো। হামাস নেতাদের ঘরবাড়িও ধ্বংস করে দিচ্ছি। হামাস ও ইসলামী জিহাদের সন্ত্রাসীদের লক্ষ্যবস্তুতে আমরা আঘাত করছি। আমরা কোন নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করছি না। যতদিন না আমরা আমাদের লক্ষ্য পূরণ করছি এবং ইসরায়েলের সকল নাগরিকদের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারছি ততদিন পর্যন্ত এই অপারেশন চলবে।”


আরও পড়ুনঃ


গ্রহাণু ঠেকাতে অন্তত পাঁচ বছর সময় লাগবে: নাসা

ইসরাইলের বর্বর আক্রমণ কেবলই ক্ষমতার জন্য: বেলা হাদিদ

হামলায় ইসরাইলের একক আধিপত্যের যুগ শেষ: হামাস

ভারতের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘তাওকত’, রেড অ্যালার্ট


উল্লেখ্য, গত সোমবার থেকে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের বর্বর ও পাশবিক আগ্রাসন চালাচ্ছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। শনিবার রাতভর বিমান হামলা পর আগ্রাসনের ৭ম দিন রবিবার সকালেও ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবর্ষণ করে ইসরায়েলি বাহিনী।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

চলে গেল সেই যুব্ক, স্ত্রীর ইচ্ছেয় রইল শুক্রাণু

অনলাইন ডেস্ক

চলে গেল সেই যুব্ক, স্ত্রীর ইচ্ছেয় রইল শুক্রাণু

করোনা আক্রান্ত মরণাপন্ন  ৩২ বছরের স্বামীর শুক্রাণু কৃত্রিম উপায়ে সংগ্রহ করতে চেয়েছিলেন স্ত্রী।যাতে করে স্বামী মারা গেলেও তার ঔরসে কৃত্রিম উপায়ে সন্তানধারণ করতে পারেন। কিন্তু এই প্রস্তাবে রাজী হচ্ছিলেন না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তাই উপায় না দেখে সেই স্ত্রী আদালতের দ্বারস্থ হন। মঙ্গলবারই আদালত নারীর আবেদনে অনুমোদন দেয়। সেই অনুমতি পেয়ে নারীর স্বামীর শুক্রাণু সংগ্রহ করা হয়। 

ভারতের গুজরাটের বডোদরার এ ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার মৃত্যু হল সেই ব্যক্তির। 

করোনায় আক্রান্ত হলে যুবকের শারীরিক অবস্থার ক্রমে অবনতি হওয়ায় লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। স্বামীর মুমূর্ষু অবস্থা দেখে তার শুক্রাণু সংগ্রহ করে রাখার পরিকল্পনা করেন নারী। স্বামীর মৃত্যুর পর তার ঔরসে কৃত্রিম উপায়ে সন্তানধারণ করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু নারীর স্বামী এই প্রক্রিয়ায় সম্মতি দেওয়ার মতো অবস্থায় ছিলেন না। ফলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ শুক্রাণু সংগ্রহে রাজি হননি।

এর পরই নারী মঙ্গলবার গুজরাত হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। বিষয়টি জানিয়ে একটি হলফনামা দাখিল করেন। বিচারপতি আশুতোষ জে শাস্ত্রী জরুরি ভিত্তিতে সেই মামলার শুনানি করেন। আদালত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে দ্রুত শুক্রাণু সংগ্রহের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেয়।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

আদালতের নির্দেশ পেয়েই মঙ্গলবারই শুক্রাণু সংগ্রহ করেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসকরা মঙ্গলবার রাতেই ওই ব্যক্তির শুক্রাণু সংগ্রহ করেন। বৃহস্পতিবারই ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

৩১টি মাইন প্রতিরোধী গাড়ির প্রথম চালান ঢাকায়

অনলাইন ডেস্ক

৩১টি মাইন প্রতিরোধী গাড়ির প্রথম চালান ঢাকায়

মাইন প্রতিরোধী ও চোরাগোপ্তা হামলা সুরক্ষিত ৩১টি ম্যাক্সপ্রো এমআরএপি গাড়ি এবং তিনটি ধাতুনির্মিত শার্ক বোট বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শুক্রবার (২৩ জুলাই) ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী সরবরাহে বৃহত্তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশের জন্য তাদের বাহিনীর সুরক্ষায় অত্যাধুনিক সরঞ্জাম থাকা জরুরি এবং এ সামরিক প্রস্তুতির লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। এরই অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র মাইন প্রতিরোধী ও চোরাগোপ্তা হামলা সুরক্ষিত ৩১টি ম্যাক্সপ্রো এনআরএপি গাড়ি এবং তিনটি ধাতুনির্মিত শার্ক বোট বাংলাদেশকে হস্তান্তর করেছে।

দূতাবা‌সের বার্তায় উল্লেখ করা হয়, এ এমআরএপি গাড়িগুলো জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের বিস্ফোরক যন্ত্র থেকে সুরক্ষা দিতে ব্যবহার করা হবে। আর বোটগুলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নদী তীরে অবস্থিত ব্যাটালিয়নের জন্য ব্যবহৃত হবে।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

এটি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কেনা মোট ৫০টি এমআরএপি গাড়ি ও ৭টি মেটাল শার্ক বোটের প্রথম চালান। পুরো এ চালানের মূল্য ২৯ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। এর মধ্যে ১৩ মিলিয়ন ডলার যুক্তরাষ্ট্র অনুদান হিসেবে দিয়েছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

রাস্তায় চা-সিঙারা বিক্রি করে কোটিপতি ২৫০ জন!

অনলাইন ডেস্ক

রাস্তায় চা-সিঙারা বিক্রি করে কোটিপতি ২৫০ জন!

চা-সিঙাড়া বিক্রি করে বড় জোর কত টাকায় আয় করেন একজন বিক্রেতা।হয়তো সারা মাসে চা-সিঙাড়া বিক্রি করে অল্প কিছু টাকা জমে। কিন্তু কোটি টাকা? সেটা সম্ভব চা-সিঙাড়া-কচুরি বিক্রি করে? সেটাই হয়েছে এবার। খুচরা পেশার সঙ্গে যুক্ত ২৫০ জনের ব্যাংক ব্যালেন্স নাকি কোটি কোটি টাকার সন্ধান মিলেছে।

ভারতের উত্তরপ্রদেশের কানপুরে সম্প্রতি আয়কর দপ্তরের একটি তদন্তে উঠে এসেছে এমন চমকপ্রদ তথ্য।

তদন্তকারীরা বলছেন, বছরের পর বছর ধরে খুচরা বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ওই কোটিপতিরা। কোনও রেজিস্ট্রেশন নেই। দিতে হয় না আয়কর। এমনকি ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার কোনও সার্টিফিকেট ছাড়াই দিনের পর দিন খাবার বিক্রি করেন তারা।

আয়কর দপ্তরের তদন্তে জানা গেছে, কানপুরে সামান্য ছাঁট মালের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তির কাছে তিনটা দামি গাড়ি রয়েছে। যা কিনতে হয় ঘাম ছুটে যাবে কোনও সাধারণ মানুষের। 

তদন্তে দেখা গেছে, বছরে এক টাকাও কর বা জিএসটি দেন না ওই সব খুচরা ব্যবসায়ীরা। অথচ কেউ কেউ চার বছরে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি কিনেছেন।

কানপুরের আর্যনগর ও স্বরূপনগরের একজন পান বিক্রেতা নাকি মহামারির সময়ে প্রায় ৫ কোটি রুপির সম্পত্তি কিনেছেন।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

জানা গেছে, সরকারের কর ফাঁকি দিকে কেউ কো-অপারেটিভ ব্যাংকে টাকা জমিয়েছে। কেউবা পরিবারের সদস্যদের নামে বিপুল সম্পত্তি কিনে রেখেছে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

জিন্স পরায় কিশোরীকে পিটিয়ে মারলো দাদা ও কাকা!

অনলাইন ডেস্ক

জিন্স পরায় কিশোরীকে পিটিয়ে মারলো দাদা ও কাকা!

ফাইল ছবি

'ছেঁড়া জিন্সের' পোশাক ভারতে একই সঙ্গে নৈতিক স্খলনের কারণ এবং লক্ষণ। ছেলে-মেয়েদের, বিশেষ করে মেয়েদের এরকম পোশাক পরতে দেয়ার জন্য তিনি বাবা-মা‌'দের সমালোচনা  করেন ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী  তীরাথ সিং রাওয়াত। এদিকে জিন্স ভারতে বরাবরই পুরুষতন্ত্রের ঝাল ঝাড়ার লক্ষ্যবস্তু। এটিকে ভারতের পিতৃতান্ত্রিক সমাজের অধিপতিরা প্রায় নিয়মিতই তরুণদের নৈতিক অবক্ষয়ের কারণ হিসেবে দায়ী করেন। আর তাইতো এবার জিন্স পরার অপরাধে নিজেরই নাতনিকে পিটিয়ে মেরেছেন এক দাদা। আর অপরাধ ঢাকতে মরদেহ ফেলা দেয়া হয় পানিতে। কিন্তুএত কিছু করেও  শেষরক্ষা হয়নি। শেষ পর্যন্ত জেলে যেতেই হলো।

এমনই অমানবিক ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশে। 

১৭ বছরের ওই কিশোরী তার বাবার সঙ্গে লুধিয়ানায় থাকতো। কিন্তু সম্প্রতি সে গ্রামের বাড়িতে থাকতে এসেছিল। তার শহুরে পোশাক পছন্দ ছিল না বাড়ির লোকজনের। জিন্স, টপ, ট্রাউজারেই অভ্যস্ত কিশোরীকে তার কাকা ও দাদা কথায় কথায় পোশাক নিয়ে ধমকাতো।এই ধরনের পোশাক সে যেন আর না পরে, এমনই হুমকি দেয়া হচ্ছিল। 

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, কোনও হুমকিকেই পাত্তা দিতো না ওই কিশোরী। সে নিজের মতোই থাকতো। এই সপ্তাহের শুরুতেও তীব্র কথা কাটাকাটি হয়। তারপরও জিন্সেই পরছিল ওই কিশোরী। বৃহস্পতিবারও তাই করে। আর তাতেই যেন আগুনে ঘি পড়ে।

এরপর তাদের কথা অমান্য করে জিন্স পরায় মেয়েটিকে বেধড়ক মারতে থাকে তার দাদা ও কাকা। কিছুক্ষণের মধ্যেই অচেতন হয়ে লুটিয়ে পড়ে মেয়েটি। অবস্থা বেগতিক দেখে দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে আত্মীয়রা। কিন্তু পথেই মারা যায় ওই কিশোরী।

কিশোরীর মৃত্যুতে এরপর ভয় পেয়ে যায় অভিযুক্তরা। নিজেদের অপরাধ ঢাকতে কাছের এক সেতু থেকে ছুড়ে ফেলে দেয়া হয় মৃতদেহটি। কিন্তু দেহটি নিচে না পড়ে মাঝপথে ঝুলতে থাকে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে হাজির হয় পুলিশ। এরপর কিশোরীর দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়।

খবর পেতেই কিশোরীর মামা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ইতোমধ্যেই পুলিশ কিশোরীর দাদা এবং এক অটো চালককে গ্রেপ্তার করেছে। 

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

প্রঙ্গগত, ভারতের গ্রামে-গঞ্জে পোশাক পরা নিয়ে, বিশেষ করে মেয়েদের বেলায় নানা বিধিনিষেধের কথা প্রায়শই শোনা যায়। ভারতীয় সমাজে এখনো পুরুষশাসিত। কিছুদিন আগে  উত্তর প্রদেশ রাজ্যের একটি গ্রামের পরিষদ বলেছে, মেয়েরা জিন্স বা স্কার্ট এবং ছেলেরা শর্টস পরলে তাদের সামাজিকভাবে বয়কট করা হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

কোভিশিল্ডে মিলবে নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধেও সুরক্ষা : গবেষণা

অনলাইন ডেস্ক

কোভিশিল্ডে মিলবে নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধেও  সুরক্ষা : গবেষণা

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত টিকা ‘কোভিশিল্ড’ নেওয়া থাকলে করোনার সংক্রমণ থেকে আজীবন সুরক্ষা পাওয়া যেতে পারে বলে জানিয়েছে বিজ্ঞান জার্নাল নেচারে এক রিপোর্ট। সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ওষুধ কোম্পানি অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি এই টিকাটি ভারতে উৎপাদন করছে । সেরামের তৈরি এই কোভিড টিকা ‘কোভিশিল্ড’ নামে ​পরিচিত। বাংলাদেশে এই টিকা দেওয়া হয়েছে এবং হচ্ছে। 

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও সুইজারল্যান্ডের গবেষকরা নেচারে প্রকাশিত রিপোর্টে এই তথ্য জানিয়েছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, অ্যান্টিবডি তৈরি ছাড়াও এই টিকা ‘সার্চ-অ্যান্ড-ডেসট্রয় টি-সেল’কে প্রস্তুত করে। এ যেন শরীরের মধ্যে টি-সেলের ‘প্রশিক্ষণ শিবির’। ফলে এই টিকা ভবিষ্যতে নতুন ভ্যারিয়েন্টের করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধেও সমান কার্যকর হবে।

কোভিশিল্ড টিকায় তৈরি অ্যান্টিবডি শেষ হওয়ার অনেক পরেও শরীরে এই গুরুত্বপূর্ণ কোষগুলো তৈরি হতে থাকবে। ফলে সম্ভবত সারাজীবনই তা অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


 

সুইজারল্যান্ডের গবেষক বুখার্ড লুডউইগ জানান, ‘এই সেলুলার প্রশিক্ষণ শিবিরগুলো থেকে যে টি-কোষগুলো আসে তাদের মধ্যে খুব উচ্চ স্তরের ফিটনেস থাকছে। ফলে ভবিষ্যতে মহামারি এই ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে এটিই রক্ষা করবে।’

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর