ফিলিস্তিনে ইসরাইলি বর্বরতা: ইতিহাস ও জয়-পরাজয়ের সমীকরণ

অনলাইন ডেস্ক

ফিলিস্তিনে ইসরাইলি বর্বরতা: ইতিহাস ও জয়-পরাজয়ের সমীকরণ

ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী মানুষের উপর ইহুদিবাদী ইসরাইলি বর্বরতা বেড়েই চলেছে। ফিলিস্তিন-ইসরাইল যুদ্ধ শুরু হয় ১০ মে থেকে। তার এক মাস আগে থেকেই ইহুদিদের সাথে সাম্ভাব্য যুদ্ধের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিলো। মূলত এই মে মাস ফিলিস্তিনিদের জন্য নাকাবা বা বিপর্যয়ের মাস হিসেবে পরিচিতি।

ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেয়া যায় ১৯৪৮ সালের ১৪মে অবৈধভাবে ইসরাইল নামক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। দখলদার ইসরাইল প্রতিষ্ঠার ৭৩ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও ফিলিস্তিন ও ইসরাইলের মধ্যে দ্বন্দ্ব-সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। এমনকি মাঝে মধ্যে বড় ধরনের কয়েকটি যুদ্ধও সংঘটিত হয়েছে। ইসরাইল নতুন করে ফের ফিলিস্তিনে হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে।

আরব ভূখণ্ড দখল করে অবৈধভাবে ইসরাইল রাষ্ট্রের আবির্ভাবই ইসরাইল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সংঘাতের মূল কারণ। ফিলিস্তিনের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের রাজনৈতিক শাখার প্রধান সালেহ আল-আরাভি বলেছেন, ইসরাইলকে আমরা এটা বুঝিয়ে দিতে চাই যে আমাদের যুদ্ধের মূল লক্ষ্যই হচ্ছে আল কুদস মুক্ত করা এবং এটা আমাদের কাছে সবচেয়ে অগ্রাধিকারযোগ্য বিষয়। তিনি আরো বলেছেন, বর্তমানে ইসরাইলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনিদের 'সোর্ড অব কুদস' নামে যে অভিযান চলছে তাতে প্রমাণিত হয়েছে প্রতিরোধ যোদ্ধাদের মূল লক্ষ্য এখন কুদস শরীফের দিকে।

এদিকে ফিলিস্তিনিদের ঠেকাতে দখলদার ইসরাইলও ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে বেসামরিক মানুষজনকে হত্যা করছে। ইসরাইল সম্প্রতি প্রথমে কুদস শহরের আল-জাররাহ এলাকার মুসলমানদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে এবং পরবর্তীতে মুসলমানদের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান মসজিদুল আকসায় নামাজরত মুসল্লিদের ওপর ভয়াবহ হামলা চালায়। ইসরাইলের এ হামলার জের ধরে ফিলিস্তিনিরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। ফলে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয় এবং বলা যায় এটাই নতুন করে যুদ্ধ শুরুর মূল কারণ।  

চলমান যুদ্ধ ফিলিস্তিনিদের ওপর চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধ। ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ সংগঠনগুলো আল আকসা মসজিদ রক্ষা এবং বায়তুল মোকাদ্দাসের ফিলিস্তিনিদের রক্ষার জন্য ইসরাইলের কোনো হুমকিকেই পরোয়া করেনি। এটা একটা অসম যুদ্ধ। কেননা ইসরাইল সর্বাধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত। অন্যদিকে ফিলিস্তিনিদের জন্য পার্থক্য এটাই যে তারা পাথর মেরে যুদ্ধের সময়গুলো পার করে এখন ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে যুদ্ধ করার পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। ফিলিস্তিনিদের কাছে উন্নতমানের অস্ত্রশস্ত্র না থাকলেও বর্তমানে তারা ক্ষেপণাস্ত্র শক্তিতে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে কয়েক মিনিটের মধ্যে শতশত রকেট বা ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইসরাইলে আঘাত হানার ক্ষমতা রাখে।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে, 'সোর্ড অব কুদস' অভিযানে ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ সংগঠনগুলো এবার প্রতিরোধের ক্ষেত্রে যে শক্তির পরিচয় দিয়েছে তার ফলে ইসরাইলের বহু শহর যুদ্ধ ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে এবং খুব শিগগিরি ইসরাইল জুড়ে গণঅসন্তোষ দানা বেধে উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট রিউভেন রিভলিন এ কথা স্বীকার করে বলেছেন, হামাসের মুহুর্মুহু রকেট হামলায় বেশিরভাগ ইসরাইলি হতচকিত হয়ে গেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি তারা স্বচক্ষে দেখেও বিশ্বাস করতে পারছে না। অন্যদিকে ইসরাইলের অভ্যন্তরে বিভিন্ন স্থানে ফিলিস্তিন ও ইসরাইলিদের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ব্যাপারে ইসরাইলি পার্লামেন্টের ডানপন্থী দলের প্রতিনিধি এবং সাবেক আইন ও বিচারমন্ত্রী ইয়ালাত শাকেদ এক টুইটবার্তায় বলেছেন, শহরের পুলিশ নির্বিকার এবং সহিংসতা রোধে তারা কিছুই করতে পারছে না।

যদিও চলমান যুদ্ধে গাজার ফিলিস্তিনিরা ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে কিন্তু ইসরাইল কম ক্ষতির সম্মুখীন হয়নি। হামাসের রকেট হামলায় ইসরাইলি নাগরিকদের জীবনযাত্রা অচল হয়ে গেছে। আরব রাজনৈতিক বিশ্লেষক আব্দুল বারি আতাওয়ান ইসরাইলে ফিলিস্তিনের প্রতিরোধ যোদ্ধাদের নজিরবিহীন রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়ে বলেছেন, ইসরাইলের ইয়াফা, হাইফা, আল-লুদ প্রভৃতি শহরগুলোর রাস্তায় রাস্তায় যেভাবে স্থানীয় ফিলিস্তিনি ও ইহুদি অভিবাসীদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে তা নজিরবিহীন এবং বলা যায় এখান থেকে ইসরাইল নামক অবৈধ রাষ্ট্রের অস্তিত্ব বিলীন হওয়ার দিন গণনা শুরু হয়েছে।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে, চলমান এ যুদ্ধে কেউ পরাজিত হবে কেউ বিজয়ী হবে। এখন পর্যন্ত ফিলিস্তিনের জনগণ ও প্রতিরোধ যোদ্ধারা বিজয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে। যেখানে ফিলিস্তিনিরা আগে ইসরাইলের বুলেটের জবাব পাথর দিয়ে দিত এখন তারা ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আগ্রাসী ইসরাইলকে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছে এবং ইসরাইল গাজা দখল করার কথা স্বপ্নেও ভাবে না। ইসরাইলের মোকাবেলায় ফিলিস্তিনিরা এরইমধ্যে নিজেদের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছে।

হামাসের রাজনৈতিক শাখার উপপ্রধান সালেহ আল আরাভি বলেছেন, ‘শত্রুরা যেন এটা না ভাবে যে তাদের হামলায় ফিলিস্তিনের কয়েকজন কমান্ডার শহীদ হওয়ায় হামাস দুর্বল হয়ে পড়েছে বরং প্রতিরোধের এ ধারা অব্যাহত থাকবে এবং প্রতিদিনই প্রতিরোধ শক্তি জোরদার হচ্ছে। কুদস শহরের ওপর একত্র আধিপত্য বিস্তারের যে চেষ্টা ইসরাইল করেছিল তা কার্যত ব্যর্থ হয়েছে এবং তাদের এ ব্যর্থতা কালের সাক্ষী হয়ে থাকবে।' এ হামাস নেতা আরো বলেছেন, এ যুদ্ধে ফিলিস্তিনের জনগণই বিজয়ী। কেননা যুদ্ধ বাধিয়েও ইসরাইল কুদস এর পরিচিতি মুছে দিতে পারেনি।

আরও পড়ুন

  টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৩

  রক্তাক্ত হাত দিয়ে ইতিহাস লিখছেন আপনি: বাইডেনকে এরদোয়ান

  জুনে আসছে ফাইজারের লক্ষাধিক টিকা

  নিউইয়র্কে সাঁতার কাটতে গিয়ে প্রাণ গেল বাংলাদেশির

 

আরেকটি বিষয় হচ্ছে, ফিলিস্তিনিদের সোর্ড অব কুদস অভিযানে যারা পরাজিত হয়েছে তাদের মধ্যে প্রথম সারিতে রয়েছে মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বাধীন ফিলিস্তিন স্বশাসন কর্তৃপক্ষ। কেননা মুসলমানদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় আবেগের সঙ্গে যুক্ত আল কুদস শহরকে মুক্ত করাই ছিল বর্তমান যুদ্ধের মূল কারণ। সেখানে বহু ফিলিস্তিনিও বসবাস করে। কিন্তু ফিলিস্তিনের সরকার হয়েও স্বশাসন কর্তৃপক্ষ চলমান যুদ্ধে প্রতিরোধ যোদ্ধাদেরকে সমর্থন দেয়নি এমনকি সামান্য সহযোগিতাও তারা করেনি।

চলমান যুদ্ধে আরেকটি পরাজিত শক্তি হচ্ছে ইসরাইলের যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। মূলত তিনি তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইয়ের লাপিদের নেতৃত্বে যাতে নতুন মন্ত্রীসভা গঠিত না হয় সেজন্য জনমত নিজের পক্ষে টানার জন্য তাড়াহুড়া করে যুদ্ধ বাধিয়েছেন। কিন্তু ফল হয়েছে উল্টো। কারণ ইসরাইলিরাও হতাহত হওয়ায় এবং তাদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায়, এ ছাড়া রাস্তায় রাস্তায় ইহুদি অভিবাসী ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ায় এটা প্রমাণিত হয়েছে, নেতানিয়াহু ইসরাইলি নাগরিকদের স্বার্থ রক্ষার চাইতে নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখাকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

ফিলিস্তিনিদের 'সোর্ড অব কুদস' অভিযানে আরেক পরাজিত শক্তি হচ্ছে ইসরাইল ও আমেরিকার তল্পিবাহক আরব দেশগুলো। সৌদি আরব অনেক বিলম্বে ইসরাইলি আগ্রাসনের নিন্দা জানালেও কোনো আরব দেশ ফিলিস্তিনিদের সাহায্যে এগিয়ে আসছে না। একমাত্র কাতার ভিত্তিক আল জাজিরা টিভি চ্যানেলই ইসরাইলি বর্বরতার চিত্র তুলে ধরছে। কিন্তু অন্য আরব দেশগুলোর মিডিয়া ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন দেয়া থেকে বিরত রয়েছে। তারা ইসরাইলের বর্বরতার বিষয়ে সম্পূর্ণ নীরব রয়েছে।

এ ছাড়া চলমান যুদ্ধে মার্কিন সরকার ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পরাজয়ও ফুটে উঠেছে। বাইডেন প্রশাসন মুখে ইসরাইল এবং ‘ডিল অব দ্যা সেঞ্চুরি’ পরিকল্পনার সমালোচনা করলেও বাস্তবে তারা ইসরাইলকে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। ‘ইসরাইলেরও আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে' -এমন দাবি তুলে তারা সরাসরি তেলআবিবের প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেছে। এটা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নৈতিক পরাজয়। অন্যদিকে জাতিসংঘও স্বাধীনভাবে পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছে। সূত্র: পার্সটুডে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত ইব্রাহিম রাইসি

অনলাইন ডেস্ক

ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত ইব্রাহিম রাইসি

ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ইব্রাহিম রাইসি। এর আগে ১৩ তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের পেছনে ফেলে তিনি। ভোট গণনার সময় এগিয়ে থাকায় সম্ভাব্য প্রেসিডেন্ট হিসেবে তাকে অভিনন্দন জানান প্রতিদ্বন্দ্বীরা।

শনিবার (১৯ জুন) দুপুরে নিউইয়র্ক টাইমস’র এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায় এ তথ্য। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রাক্তন গভর্নর আবদুলনাসের হেমমতী জনাব রাইসিকে অভিনন্দন জানিয়ে ইনস্টাগ্রামে তাকে ‘ইসলামী প্রজাতন্ত্রের ১৩তম রাষ্ট্রপতি’ সম্বোধন করেছেন। এছাড়া অপর প্রার্থী ইসলামী বিপ্লবী গার্ড কর্পস-এর প্রাক্তন কমান্ডার ইন চিফ, মহসেন রেজায়িও জনাব ইব্রাহিম রাইসিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন- সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রাইসি, মোহসেন রেজায়ি, আব্দুন নাসের হেম্মাতি এবং কাজিযাদে হাশেমি।

আরও পড়ুন:


দুর্লভ আবাসিক পাখি ‘জল ময়ূর’

কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়ে ইসরাইলি সেনাদের মনোবল চাঙ্গা হবে না: হামাস

বিবস্ত্র করা ছবি তুলে ফাঁদে ফেলে প্রবাসীর স্ত্রী, মামলায় আ.লীগ নেতাও আসামি

‘নিখিলকে আগেই বলেছিলাম, নুসরাত তোমাকে ঠকাবে’


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

মধ্যপ্রাচ্যে সেনা সংখ্যা কমাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

অনলাইন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে সেনা সংখ্যা কমাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সেনা সদস্য সংখ্যা কমাতে চাইছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সরকার। চীন এবং রাশিয়ার সঙ্গে আমেরিকার দ্বন্দ্বের প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্য থেকে সেনা কমাচ্ছে মার্কিন সরকার।

এর অংশ হিসেবে ইরাক, কুয়েত, জর্দান ও সৌদি আরব  থেকে অন্তত আটটি পেট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যাটারি সরিয়ে নিচ্ছে পেন্টাগন। বাইডেন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মার্কিন দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এ খবর দিয়েছে।
ওই কর্মকর্তারা আরো বলেন, সৌদি আরব থেকে একটি থাড ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও কয়েক স্কোয়াড্রন জঙ্গিবিমান  সরিয়ে নেয়া হচ্ছে।
ইরানের সঙ্গে সামরিক উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে সেনা উপস্থিতি জোরদার করে। এছাড়া, ২০১৯ সালে সৌদি তেলক্ষেত্রে দফায় দফায় হামলার পর অনেকগুলো পেট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ-পশ্চিম সাইবেরিয়ান অঞ্চলে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৭

অনলাইন ডেস্ক

দক্ষিণ-পশ্চিম সাইবেরিয়ান অঞ্চলে বিমান বিধ্বস্তে নিহত ৭

রাশিয়ার দক্ষিণ-পশ্চিম সাইবেরিয়ান অঞ্চলের কেমেরোভো এলাকায় দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট এল-৪১০ মডেলের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৭ জন প্যারাসুটারের মৃত্যু হয়েছে। 

এ ঘটনায় ডজনখানেকের বেশি আহত হয়েছেন। তবে এদের মধ্যে চারজনের অবস্থা খুবই গুরুতর। বার্তা সংস্থা তাস’র বরাত দিয়ে শনিবার (১৯ জুন) এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, একটি বনের ভেতরে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার আগে বিমানটির ক্রু ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ার সংকেত পাঠিয়েছিলেন।

রাশিয়ান সিভিল এভিয়েশন এজেন্সির সাইবেরীয় শাখা রোসাভিয়াৎসা জানিয়েছেন, ঘটনার পর তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চলছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানায়নি তারা। সূত্র : রয়টার্স, তাস

আরও পড়ুন:


দুর্লভ আবাসিক পাখি ‘জল ময়ূর’

কাপুরুষোচিত হামলা চালিয়ে ইসরাইলি সেনাদের মনোবল চাঙ্গা হবে না: হামাস

বিবস্ত্র করা ছবি তুলে ফাঁদে ফেলে প্রবাসীর স্ত্রী, মামলায় আ.লীগ নেতাও আসামি

‘নিখিলকে আগেই বলেছিলাম, নুসরাত তোমাকে ঠকাবে’


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

রাশিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত সাতজন নিহত

অনলাইন ডেস্ক

রাশিয়ায় বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত সাতজন নিহত

রাশিয়ার সাইবেরিয়ান অঞ্চলের কেমেরোভো এলাকায় একটি দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট এল-৪১০ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত সাতজন নিহত এবং ডজনখানেকের বেশি আহত হয়েছেন।

শনিবার (১৯ জুন) রুশ গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানায়।

দেশটির জরুরি সেবা সংস্থা সূত্রের বরাতে বার্তা সংস্থা তাস জানিয়েছে, তানায় বিমানঘাঁটির কাছে একটি বনের ভেতরে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। দুর্ঘটনার আগে বিমানটির ক্রু ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ার সঙ্কেত পাঠিয়েছিলেন। এই ঘটনায় ১৭ জন আহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।


আরও পড়ুনঃ

বিবস্ত্র করা ছবি তুলে ফাঁদে ফেলে প্রবাসীর স্ত্রী, মামলায় আ.লীগ নেতাও আসামি

‘নিখিলকে আগেই বলেছিলাম, নুসরাত তোমাকে ঠকাবে’

বিয়ের পিঁড়িতে বসার আগ মূহুর্তে যে কারণে বিয়ে ভেঙে দিয়েছিলেন সালমান

চুরির দায়ে জেলে গেলেন ‘ক্রাইম পেট্রলের’ ২ অভিনেত্রী


রাশিয়ান সিভিল এভিয়েশন অ্যাজেন্সর সাইবেরীয় শাখা রোসাভিয়াৎসা রয়টার্সকে জানায়, ঘটনার পর তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চলছে। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানায়নি তারা।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর

চীনের রাস্তায়-গলিতে সরকারদলীয় প্রচারণামূলক বিলবোর্ড

অনলাইন ডেস্ক

চীনের রাস্তায়-গলিতে সরকারদলীয় প্রচারণামূলক বিলবোর্ড

চীনের কমিউনিস্ট পার্টির শতবর্ষ উদযাপনের পূর্বে নাগরিকদের উদ্দেশে রীতিমতো বিজ্ঞাপন দিয়েছে শাসক দল, ‘দলকে মেনে চলুন’, ‘ভদ্র আচরণ করুন’। সেই বার্তা নিয়েই এখন ব্যানারে আর বিলবোর্ডে ছাপিয়ে গলি থেকে রাজপথে।

১৯৮৯ সালের তিয়েনআনমেন স্কোয়ারের বিক্ষোভ থেকে শুরু করে সম্প্রতি উহানে করোনার খবর ফাঁসের ঘটনা— বজ্র আঁটুনির মধ্যেও বেসুরো হয়েছেন নাগরিকদের একাংশ। শক্তিধর রাষ্ট্রে আঞ্চলিক বৈষম্যের সুরও চিনের প্রাচীর ছাপিয়ে মাঝেমধ্যে বাইরে বেরিয়ে আসছে।

শতবার্ষিকীর এই সময়েই প্রশ্ন উঠেছে চিনা কমিউনিস্ট পার্টির বিভিন্ন নীতি নিয়েও। কখনও দমন নীতিতে তা সামলাতে হয়েছে কমিউনিস্ট নেতাদের, কখনও আবার ধুয়ো উঠেছে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের। সঙ্গে কোভিড পরিস্থিতির উৎপত্তি ঘিরে দেশের প্রশাসনের উপর চাপ বাড়াচ্ছে বিশ্ব।

এই প্রেক্ষাপটেই কমিউনিস্ট পার্টির শতবর্ষে নাগরিকদের উদ্দেশে এই বার্তা দেওয়া হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের পর্দায় বিজ্ঞাপনগুলি দেখে এমনটাই মনে করছেন কূটনীতিকদের একাংশ।

দেশের বিভিন্ন ব্যস্ত এলাকাতেই নজরে পড়ছে বিজ্ঞাপনগুলি। ব্যানার জুড়ে বড় করে লাল রঙে লেখা ‘১০০’। সঙ্গে কমিউনিস্ট দলের প্রতীক।

দলের শতবর্ষ পালন শুরু হলে যাতে কোনও রকমের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না-হয়, তার জন্যেই সরকারের পক্ষ থেকে এই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। এমনটাই মনে করছে এই সংক্রান্ত প্রতিবেদন তুলে ধরা সংবাদমাধ্যমগুলিও।


আরও পড়ুনঃ

বিবস্ত্র করা ছবি তুলে ফাঁদে ফেলে প্রবাসীর স্ত্রী, মামলায় আ.লীগ নেতাও আসামি

‘নিখিলকে আগেই বলেছিলাম, নুসরাত তোমাকে ঠকাবে’

বিয়ের পিঁড়িতে বসার আগ মূহুর্তে যে কারণে বিয়ে ভেঙে দিয়েছিলেন সালমান

চুরির দায়ে জেলে গেলেন ‘ক্রাইম পেট্রলের’ ২ অভিনেত্রী


যে সব জায়গায় বিলবোর্ডের দিকে সাধারণের নজর কাড়া সম্ভব নয়, সেখানে বিশাল ডিজিটাল স্ক্রিন লাগানো হয়েছে। তাতে ‘পিপল‌্‌স লিবারেশন আর্মি’র ছবি। সঙ্গে নাগরিকদের উদ্দেশে বার্তা, ‘তেজস্বী, যোগ্য, সাহসী এবং ন্যায়নিষ্ঠ বিপ্লবীদের নয়া প্রজন্ম গড়ে তুলুন।’

১ জুলাই থেকে শুরু হবে উদ্‌যাপন। তার আগে দলের এই প্রয়াস নজর কেড়েছে কূটনৈতিকদের। দলের প্রতিষ্ঠার কাহিনি নাগরিকদের সামনে তুলে ধরতে একটি ছায়াছবিও মুক্তির অপেক্ষায়। যেখানে দেখা যাবে চিনের বিনোদন জগতের পরিচিত মুখগুলিকে। আগামী মাসেই মুক্তি পেতে চলেছে এই ছবি।

news24bd.tv / নকিব

পরবর্তী খবর