ফিলিস্তিনে ইসরাইলি বর্বরতায় ৬৩ শিশুসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২২০

অনলাইন ডেস্ক

ফিলিস্তিনে ইসরাইলি বর্বরতায় ৬৩ শিশুসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২২০

দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় মুক্তিকামী ফিলিস্তিনে মৃত্যুর মিছিল দীর্ঘ হচ্ছে। ইহুদিবাদী ইসলাইলের হামলায় এ পর্যন্ত ২২০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৬৩ জনই শিশু।

কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার খবরে বলা হচ্ছে, দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় নারী ও শিশুসহ এখন পর্যন্ত ২২০ জন ফিলিস্তিনির মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া আহতের সংখ্যা দুই হাজার ছাড়িয়ে গেছে বলেও জানায় গণমাধ্যমটি। 

আল-জাজিরার খবরে আরও বলা হয়, বুধবার সকালে ইসরাইলি বিমান থেকে মধ্য গাজার একটি আবাসিক ভবন লক্ষ্য করে বোমা হামলা চালানো হয়। এতে অন্তত তিনজন নিহত হন। স্থানীয় ওয়াফা নিউজ এজেন্সির বরাত দিয়ে আল-জাজিরা জানায়, এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত তিনজন।

আরও পড়ুন

  আমার একটাই কথা, মারামারি করবেন তো খবর আছে: মাশরাফী (ভিডিও)

  সত্য প্রকাশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে সরকার: ৫৭ বিশিষ্ট নাগরিকের বিবৃতি

  ফিলিস্তিন-ইসরাইল ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান জানালো কানাডা

  রেস্তোরাঁর আড়ালে সিসা সেবনের ব্যবসা চালাচ্ছিল ওমর সানি-মৌসুমীর ছেলে

 

এদিকে ইসরাইলি এসব হামলার জবাবে রকেট হামলা অব্যাহত রেখেছে ফিলিস্তিনির প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। এসব রকেটে এক ভারতীয় নারীসহ অন্তত ১২ ইসরাইলি নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে দুই ইসরাইলি শিশুও রয়েছে। সেখানে এখন পর্যন্ত আহত হয়েছেন অন্তত ৩০০ জন।

প্রসঙ্গত, ইসরাইলি দখলদারিত্বকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুদিন ধরেই বিক্ষোভ চলছিল জেরুজালেমে। গত রোববার (৯ মে) লাইলাতুল কদরের রাতে আল-আকসায় নামাজ আদায় শেষে ফিলিস্তিনিরা বিক্ষোভ শুরু করলে ইসরাইলি নিরাপত্তা বাহিনীর হামলায় অন্তত ৯০ জন ফিলিস্তিনি আহত হন।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

‘আটলান্টিক মহাসাগরে ইরানি নৌবহরের উপস্থিতিতে উদ্বিগ্ন শত্রুরা’

অনলাইন ডেস্ক

‘আটলান্টিক মহাসাগরে ইরানি নৌবহরের উপস্থিতিতে উদ্বিগ্ন শত্রুরা’

আটলান্টিক মহাসাগরে ইরানের নৌবহরের উপস্থিতিতে শত্রুরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন, দেশটির নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল হোসেইন খানজাদি। গতকাল সোমবার তেহরানে এক সামরিক অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবারের ওই সামরিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ডেস্ট্রয়ার ‘দেনা’ এবং মাইনহান্টার ‘শাহিন’ আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়।

হোসেইন খানজাদি বলেন, “আটলান্টিক মহাসাগরে ইরানের নৌবাহিনীর জাহাজের উপস্থিতি এদেশের শত্রুদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।” তিনি আরো বলেন, “এমন সময় তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে যখন আটলান্টিক তীরবর্তী দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ইরান ওই মহাসাগরে নৌবহর পাঠিয়েছে।”

ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার বলেন, গত কয়েক সপ্তাহে আমেরিকার গণমাধ্যম ও সরকারি কর্মকর্তারা আটলান্টিকে প্রথমবারের মতো ইরানের নৌ উপস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন।

আরও পড়ুন


এমন ফ্রি-কিকে গোল মেসির দ্বারাই সম্ভব (ভিডিও)

ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা: আবারও ফেসবুক স্ট্যাটাসে যা জানালেন পরীমণি

ঋণ পরিশোধে বিশ্বনবীর মুজিজা

সূরা ইয়াসিন: আয়াত ১০-১২, কাফিরদের শাস্তি


ইরান সম্প্রতি আটলান্টিক মহাসাগরে পোর্ট শিপ ‘মাকরান’ এবং ডেস্ট্রয়ার ‘সাহান্দ’ পাঠিয়েছে। ইরানের নৌবাহিনীর সাবেক কমান্ডার ও সেনাবাহিনীর উপ প্রধান সমন্বয়ক রিয়ার অ্যাডমিরাল হাবিবুল্লাহ সাইয়্যারি গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছিলেন, বিশ্বের অন্য কোনো দেশের বন্দরে নোঙ্গর না করেই একটানা সাগরপথ পাড়ি দিয়ে ইরানের দু’টি জাহাজ আটলান্টিক মহাসাগরে পৌঁছেছে। এই প্রথমবার এত দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আটলান্টিকের গভীর অভ্যন্তরে পৌঁছে গেল ইরানের নৌবাহিনী।

তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের আওতায় ইরান নিজের কৌশলগত অধিকার প্রয়োগের লক্ষ্যে এ তৎপরতা চালিয়েছে এবং এ কাজ অব্যাহত রাখবে তেহরান। সূত্র: পার্সটুডে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

পরকীয়াই বাধা : প্রেমিককে নিয়ে সন্তান হত্যা করল মা

অনলাইন ডেস্ক

পরকীয়াই বাধা : প্রেমিককে নিয়ে সন্তান হত্যা করল মা

বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিলো ভানু ঘোষের সাথে সুবল কোনাই নামে এক ব্যক্তির। মা ভানু ঘোষের পরকীয়ার কথা জানতে পারে ছেলে। সেই জানাই কাল হলো তার জন্য।  অবৈধ সম্পর্কের জন্য প্রতিবাদ করায় মায়ের প্রেমিক সুবল কোনাইকে দিয়ে মা হত্যা করেন ছেলে দিনবন্ধু ঘোষকে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি থানার রুদ্রবাটিতে এ ঘটনা ঘটেছে। 

মায়ের অবৈধ সম্পর্কের কথা ছেলে জানতো। তা নিয়ে আপত্তি ছিল তার। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মা ও ছেলের মধ্যে অশান্তি চলছিল। এরপর রোববার সকালে নিজের বাড়িতেই দিনবন্ধুকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ‍দিনবন্ধুর গলায় দাগ ছিল, যা থেকেই সন্দেহ হয় প্রতিবেশীরদের।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ওই নারী তার প্রেমিককে নিয়েই ছেলে দিনবন্ধুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছে, দিনবন্ধুর মা ভানু ঘোষের সঙ্গে সুবল কোনাই নামে এক ব্যক্তির অবৈধ সম্পর্ক ছিল।

ভানুর স্বামী মারা যাওয়ার পর একই এলাকার সুবলের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। কিন্তু সেই সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি দিনবন্ধু। এ নিয়ে মা ও ছেলের মধ্যে প্রায়ই গন্ডগোল লেগে থাকতো বলে জানা গেছে।

ঘটনার জেরে ভানুকে গ্রেপ্তার করে কান্দি থানার পুলিশ। দিনবন্ধুর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কান্দি মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

উড়ন্ত বিমানে ক্রু ও যাত্রীর ধস্তাধস্তিতে বিমানের জরুরি অবতরণ ( ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক

উড়ন্ত বিমানে ক্রু ও যাত্রীর ধস্তাধস্তিতে বিমানের জরুরি অবতরণ ( ভিডিও)

লস এঞ্জেলস থেকে আটলান্টায় যাচ্ছিল একটি ফ্লাইট। কিন্তু যাত্রার মাঝে পথে উড়ন্ত বিমানেই ধস্তাধস্তি শুরু করে দিলো ক্রু ও যাত্রীরা। আর সেই ধস্তাধস্তি এতটাই প্রকট আকার ধারণ করে যে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হন পাইলটরা।

শুক্রবার (১১ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের ডেল্টা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট এই জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়েছে। ফ্লাইটটি রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওকলাহোমা শহরে নামে বলে ওয়েবাসইটে জানায় ডেল্টা এয়ারলাইন্সের ওয়েবসাইট। আড়াই ঘণ্টা পর রাত ২টায় ফ্লাইটটি ওকলাহোমা শহর ত্যাগ করে এবং শনিবার ভোর ৫টা ৯ মিনিটে আটলান্টায় অবতরণ করে।

টুইটারে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে ডেল্টা ফ্লাইট-১৭৩০ এ এক যাত্রীর সঙ্গে ক্রু ও অন্য যাত্রীদের ধস্তাধস্তি করতে দেখা গেছে।

আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, কিছু যাত্রী ও ক্রু এক ব্যক্তিকে ফ্লোরে চেপে ধরে রাখার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে ওই যাত্রীকে নিজেকে ছাড়াতে ব্যাপক ধস্তাধস্তি করতে দেখা যায়।

এসময় একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘চেপে ধরে রাখুন, চেপে ধরে রাখুন’। তখন ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্ট বারবার যাত্রীদের নিজের সিটে বসতে অনুরোধ জানান।

ডেল্টা এয়ারলাইন্সের এক মুখপাত্র বলেন, উগ্র আচরণ করা এক যাত্রীকে আটক করতে ক্রু ও অন্য যাত্রীরা আমাদের সহায়তা করেছে। ফ্লাইটটি বড় কোনো ঘটনা না ঘটলেও ওকলাহোমায় নামতে বাধ্য হয়। আটক যাত্রীকে সেখান থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেয়া হয়।

ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

৩৮ স্ত্রী ও ৮৯টি ছেলেমেয়ে রেখে মারা গেলেন জিওনা

অনলাইন ডেস্ক

৩৮ স্ত্রী ও ৮৯টি ছেলেমেয়ে রেখে মারা গেলেন জিওনা

মিজোরামের জিওনা চানাই সম্ভবত বিশ্বের সব চেয়ে বড় পরিবারের প্রধান।  তার পরিবারে ছিল ৩৮ জন স্ত্রী, ৮৯টি ছেলেমেয়ে ও ৩৩টি নাতি-নাতনি। রোববার ৭৬ বছর বয়সে মারা গেছেন তিনি। 

চানার মৃত্যুতে টুইট করেছেন মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা। 

টুইট বার্তায় তিনি লেখেন, গভীর বেদনার সঙ্গে ৭৬ বছরের জিওনাকে বিদায় জানাচ্ছে মিজোরাম। সম্ভবত তিনিই ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরিবারের কর্তা। ৩৮ জন স্ত্রী, ৮৯টি ছেলেমেয়ে ছিল তার। তাদের পরিবারের জন্যই তার গ্রাম বাকতাওং তাংনুয়াম রাজ্যের ট্যুরিস্ট আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল।

১৯৪৫ সালের ২১ জুলাই তার জন্ম হয়। নিজ গ্রামে ‘চানা পওল’ ধর্মীয় গোষ্ঠীর প্রধান ছিলেন তিনি। ওই গোষ্ঠী বহুবিবাহে বিশ্বাসী। সেই কারণে চানার এতগুলো বিয়ে করাটা সেখানে স্বাভাবিক ছিল। পাহাড়ঘেরা গ্রামটিতে চানা ব্যাপক জনপ্রিয় ছিলেন।

পারিবারিক সম্পত্তি ভালোই ছিল চানার। তার সঙ্গে গোষ্ঠীর ভক্তরাও ডোনেশন দিতো।  একটি চারতলা বাড়িতে থাকতেন তিনি। সেখানেই একটি বড় ঘরে এই স্ত্রীরা একসঙ্গে দল বেঁধে থাকতো।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

পাঁচ শিশুকে হত্যা : বিচার শুরু সেই মায়ের

অনলাইন ডেস্ক

পাঁচ শিশুকে হত্যা : বিচার শুরু সেই মায়ের

২০২০ সালের ৩ সেপ্টেম্বর  জার্মানির সলিনগেন শহরে  ক্রিস্টিন কের ফ্লাট থেকে তার ১, ২ ও ৩ বছরের তিন মেয়ে এবং ৬ ও ৮ বছরের দুই ছেলের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তারা বিছানায় শোয়ানো অবস্থায় ছিল। তাদের প্রত্যেককে তোয়ালে দিয়ে মুড়ে রাখা হয়েছিল। 

সরকারি কৌঁসুলিদের বিশ্বাস বাচ্চাদের সকালের খাবারে ওষুধ মিশিয়ে দিয়েছিল ক্রিস্টিন। এরপর তারা ঘুমিয়ে পড়লে তাদের গোসলখানায় নিয়ে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করে সে।

এই নৃশংস ঘটনা ঘটানোর পর ডুসেলডর্ফ স্টেশনে একটি ট্রেনের সামনে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি। কিন্তু তাকে উদ্ধার করা হয় এবং তার আঘাত প্রাণঘাতী ছিল না। তার ১১ বছর বয়সী ষষ্ঠ সন্তান স্কুলে থাকায় এই হত্যাকাণ্ড থেকে বেঁচে যায়।

এ ঘটনায় জার্মানির ২৮ বছর বয়সী এক নারীর বিরুদ্ধে বিচার শুরু হয়েছে। ওই নারী ক্রিস্টিন কে. যদি দোষী সাব্যস্ত হন, তবে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হবে। 

সোমবার পশ্চিমাঞ্চলীয় জার্মানির উপারটাল জেলা আদালতে ক্রিস্টিনের বিচার শুরু হয়।

এদিকে নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন ক্রিস্টিন। 

তিনি বলেন, একজন মুখোশধারী লোক ফ্লাটে ঢুকে শিশুদের হত্যা করেছে। তবে সরকারি কৌঁসুলি বলছেন, ক্রিস্টিনের এমন দাবির স্বপক্ষে কোনও প্রমাণ খুঁজে পাননি তারা।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর