লেবানন থেকে রকেট হামলা ইসরাইলে

অনলাইন ডেস্ক

লেবানন থেকে রকেট হামলা ইসরাইলে

গাজা উপত্যকায় চলমান ইসরায়েলি সহিংসতাকে সবচেয়ে ব্যর্থ ও অর্থহীন বলে আখ্যায়িত করেছে দেশটির বামপন্থী দৈনিক পত্রিকা হারেৎস। ইসরায়েলের অভ্যন্তরে যখন এই  ধরণের আলোচনা চলছে তখন ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সামরিক শাখা ইয্যাদ্দিন কাসেম ব্রিগেড দখলদার ইসরায়েলের ছয়টি বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে  ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে ইহুদি বসতিকে লক্ষ্য করে লেবানন থেকে রকেট হামলা চালানো হয়েছে।  

বুধবার ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, লেবানন থেকে চারটি রকেট ছোড়া হয়েছে। তার মধ্যে একটি ধ্বংস করা হয়েছে। একটি খোলা জায়গায় পড়েছে। অপর দুটি ভূমধ্যসাগরে পড়েছে।  খবর-বিবিসির।

সীমান্তে অন্যান্য ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট হামলা ঠেকাতে আয়রন ডোম বসিয়েছে ইসরাইল।  তবে এসব ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফাঁকি দিয়ে দেশটিতে হরমামেশাই রকেট হামলা হচ্ছে।  

টাইমস অব ইসরাইল জানিয়েছে, হাইফা শহরের চারপাশে রকেট সতর্কতা সাইরেন বাজানো হয়েছে।  এছাড়া সারাম, অ্যাকরি ও কেরায়ত শহরেও সাইরেনের শব্দ শুনতে পাওয়া গেছে। 

রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, কেরায়তের বাসিন্দারা তিনটি বড় বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পেয়েছেন। 

তাৎক্ষণিক কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বিবিসি। 

এর আগে ১৮ মে লেবানন থেকে ছয়টি রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছিল ইসরাইলের ইহুদি বসতি লক্ষ্য করে। তার আগে তিনটি রকেট হামলা চালানো হয়েছিল।  তবে এর জবাবে ইসরাইলি বাহিনী লেবাননে হামলা করে।

ফিলিস্তিনি ও ইসরাইলের মধ্যে সংঘর্ষ দশম দিনে পড়েছে।  এ পর্যন্ত ইসরাইলি হামলায় ফিলিস্তিনের ২১৯ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৬৩ জন শিশু রয়েছে। এ ছাড়া দেড় হাজারের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। অপরদিকে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড থেকে হামাসের হামলায় ১২ ইসরাইলি নিহত হয়েছেন। পাশাপাশি এ পর্যন্ত আহত হয়েছেন তিন শতাধিক ইসরাইলি। news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

জি-সেভেনের বিবৃতি চীনের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে মারাত্মক হস্তক্ষেপ: বেইজিং

অনলাইন ডেস্ক

জি-সেভেনের বিবৃতি চীনের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে মারাত্মক হস্তক্ষেপ: বেইজিং

শিল্পোন্নত দেশগুলোর সংগঠন জি-সেভেন চীনের সমালোচনা করে যে বিবৃতি দিয়েছে তাকে অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে মারাত্মক রকমের হস্তক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছে বেইজিং। চীন বলেছে, এই ধরনের বিবৃতি তার সম্মানের ওপর কলঙ্ক লেপনের প্রচেষ্টা।

লন্ডনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস গতকাল সোমবার এসব কথা বলেন। দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, “ব্রিটেনে অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলন শেষে জি সেভেন যে চূড়ান্ত বিবৃতি দিয়েছে তার বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ জানাচ্ছে বেইজিং। এই বিবৃতির মাধ্যমে সত্যকে বিকৃত করা হয়েছে এবং কয়েকটি দেশ বিশেষ করে আমেরিকার অসৎ উদ্দেশ্য প্রকাশ হয়ে পড়েছে।”

চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র আরো বলেন, “সিংকিয়াং ইস্যুতে জি-সেভেন সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করেছে এবং ঘটনাকে রাজনৈতিকীকরণ করে চীনের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করেছে যার তীব্র বিরোধিতা করছি আমরা।”

আরও পড়ুন


‘আটলান্টিক মহাসাগরে ইরানি নৌবহরের উপস্থিতিতে উদ্বিগ্ন শত্রুরা’

এমন ফ্রি-কিকে গোল মেসির দ্বারাই সম্ভব (ভিডিও)

ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা: আবারও ফেসবুক স্ট্যাটাসে যা জানালেন পরীমণি

ঋণ পরিশোধে বিশ্বনবীর মুজিজা


জি সেভেন-এর সদস্য দেশগুলো মিথ্যা, কল্পকথা এবং ভিত্তিহীন অভিযোগ ছড়াচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ব্রিটেনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস আরো বলেছে, জি-সেভেনের এই ধরনের সংঘাত সৃষ্টি এবং চীনের বিরুদ্ধে অপবাদ ছড়ানোর প্রচেষ্টা বন্ধ করতে হবে। সূত্র: পার্সটুডে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

‘আটলান্টিক মহাসাগরে ইরানি নৌবহরের উপস্থিতিতে উদ্বিগ্ন শত্রুরা’

অনলাইন ডেস্ক

‘আটলান্টিক মহাসাগরে ইরানি নৌবহরের উপস্থিতিতে উদ্বিগ্ন শত্রুরা’

আটলান্টিক মহাসাগরে ইরানের নৌবহরের উপস্থিতিতে শত্রুরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন, দেশটির নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল হোসেইন খানজাদি। গতকাল সোমবার তেহরানে এক সামরিক অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

সোমবারের ওই সামরিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ডেস্ট্রয়ার ‘দেনা’ এবং মাইনহান্টার ‘শাহিন’ আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়।

হোসেইন খানজাদি বলেন, “আটলান্টিক মহাসাগরে ইরানের নৌবাহিনীর জাহাজের উপস্থিতি এদেশের শত্রুদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।” তিনি আরো বলেন, “এমন সময় তারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে যখন আটলান্টিক তীরবর্তী দেশগুলোর সঙ্গে সহযোগিতা শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ইরান ওই মহাসাগরে নৌবহর পাঠিয়েছে।”

ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার বলেন, গত কয়েক সপ্তাহে আমেরিকার গণমাধ্যম ও সরকারি কর্মকর্তারা আটলান্টিকে প্রথমবারের মতো ইরানের নৌ উপস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন।

আরও পড়ুন


এমন ফ্রি-কিকে গোল মেসির দ্বারাই সম্ভব (ভিডিও)

ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা: আবারও ফেসবুক স্ট্যাটাসে যা জানালেন পরীমণি

ঋণ পরিশোধে বিশ্বনবীর মুজিজা

সূরা ইয়াসিন: আয়াত ১০-১২, কাফিরদের শাস্তি


ইরান সম্প্রতি আটলান্টিক মহাসাগরে পোর্ট শিপ ‘মাকরান’ এবং ডেস্ট্রয়ার ‘সাহান্দ’ পাঠিয়েছে। ইরানের নৌবাহিনীর সাবেক কমান্ডার ও সেনাবাহিনীর উপ প্রধান সমন্বয়ক রিয়ার অ্যাডমিরাল হাবিবুল্লাহ সাইয়্যারি গত বৃহস্পতিবার জানিয়েছিলেন, বিশ্বের অন্য কোনো দেশের বন্দরে নোঙ্গর না করেই একটানা সাগরপথ পাড়ি দিয়ে ইরানের দু’টি জাহাজ আটলান্টিক মহাসাগরে পৌঁছেছে। এই প্রথমবার এত দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আটলান্টিকের গভীর অভ্যন্তরে পৌঁছে গেল ইরানের নৌবাহিনী।

তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের আওতায় ইরান নিজের কৌশলগত অধিকার প্রয়োগের লক্ষ্যে এ তৎপরতা চালিয়েছে এবং এ কাজ অব্যাহত রাখবে তেহরান। সূত্র: পার্সটুডে।

news24bd.tv আহমেদ

পরবর্তী খবর

পরকীয়াই বাধা : প্রেমিককে নিয়ে সন্তান হত্যা করল মা

অনলাইন ডেস্ক

পরকীয়াই বাধা : প্রেমিককে নিয়ে সন্তান হত্যা করল মা

বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিলো ভানু ঘোষের সাথে সুবল কোনাই নামে এক ব্যক্তির। মা ভানু ঘোষের পরকীয়ার কথা জানতে পারে ছেলে। সেই জানাই কাল হলো তার জন্য।  অবৈধ সম্পর্কের জন্য প্রতিবাদ করায় মায়ের প্রেমিক সুবল কোনাইকে দিয়ে মা হত্যা করেন ছেলে দিনবন্ধু ঘোষকে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি থানার রুদ্রবাটিতে এ ঘটনা ঘটেছে। 

মায়ের অবৈধ সম্পর্কের কথা ছেলে জানতো। তা নিয়ে আপত্তি ছিল তার। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মা ও ছেলের মধ্যে অশান্তি চলছিল। এরপর রোববার সকালে নিজের বাড়িতেই দিনবন্ধুকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। ‍দিনবন্ধুর গলায় দাগ ছিল, যা থেকেই সন্দেহ হয় প্রতিবেশীরদের।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, ওই নারী তার প্রেমিককে নিয়েই ছেলে দিনবন্ধুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছে, দিনবন্ধুর মা ভানু ঘোষের সঙ্গে সুবল কোনাই নামে এক ব্যক্তির অবৈধ সম্পর্ক ছিল।

ভানুর স্বামী মারা যাওয়ার পর একই এলাকার সুবলের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে তার। কিন্তু সেই সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি দিনবন্ধু। এ নিয়ে মা ও ছেলের মধ্যে প্রায়ই গন্ডগোল লেগে থাকতো বলে জানা গেছে।

ঘটনার জেরে ভানুকে গ্রেপ্তার করে কান্দি থানার পুলিশ। দিনবন্ধুর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কান্দি মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

উড়ন্ত বিমানে ক্রু ও যাত্রীর ধস্তাধস্তিতে বিমানের জরুরি অবতরণ ( ভিডিও)

অনলাইন ডেস্ক

উড়ন্ত বিমানে ক্রু ও যাত্রীর ধস্তাধস্তিতে বিমানের জরুরি অবতরণ ( ভিডিও)

লস এঞ্জেলস থেকে আটলান্টায় যাচ্ছিল একটি ফ্লাইট। কিন্তু যাত্রার মাঝে পথে উড়ন্ত বিমানেই ধস্তাধস্তি শুরু করে দিলো ক্রু ও যাত্রীরা। আর সেই ধস্তাধস্তি এতটাই প্রকট আকার ধারণ করে যে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হন পাইলটরা।

শুক্রবার (১১ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের ডেল্টা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট এই জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়েছে। ফ্লাইটটি রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওকলাহোমা শহরে নামে বলে ওয়েবাসইটে জানায় ডেল্টা এয়ারলাইন্সের ওয়েবসাইট। আড়াই ঘণ্টা পর রাত ২টায় ফ্লাইটটি ওকলাহোমা শহর ত্যাগ করে এবং শনিবার ভোর ৫টা ৯ মিনিটে আটলান্টায় অবতরণ করে।

টুইটারে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে ডেল্টা ফ্লাইট-১৭৩০ এ এক যাত্রীর সঙ্গে ক্রু ও অন্য যাত্রীদের ধস্তাধস্তি করতে দেখা গেছে।

আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, কিছু যাত্রী ও ক্রু এক ব্যক্তিকে ফ্লোরে চেপে ধরে রাখার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে ওই যাত্রীকে নিজেকে ছাড়াতে ব্যাপক ধস্তাধস্তি করতে দেখা যায়।

এসময় একজনকে বলতে শোনা যায়, ‘চেপে ধরে রাখুন, চেপে ধরে রাখুন’। তখন ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্ট বারবার যাত্রীদের নিজের সিটে বসতে অনুরোধ জানান।

ডেল্টা এয়ারলাইন্সের এক মুখপাত্র বলেন, উগ্র আচরণ করা এক যাত্রীকে আটক করতে ক্রু ও অন্য যাত্রীরা আমাদের সহায়তা করেছে। ফ্লাইটটি বড় কোনো ঘটনা না ঘটলেও ওকলাহোমায় নামতে বাধ্য হয়। আটক যাত্রীকে সেখান থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দেয়া হয়।

ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

৩৮ স্ত্রী ও ৮৯টি ছেলেমেয়ে রেখে মারা গেলেন জিওনা

অনলাইন ডেস্ক

৩৮ স্ত্রী ও ৮৯টি ছেলেমেয়ে রেখে মারা গেলেন জিওনা

মিজোরামের জিওনা চানাই সম্ভবত বিশ্বের সব চেয়ে বড় পরিবারের প্রধান।  তার পরিবারে ছিল ৩৮ জন স্ত্রী, ৮৯টি ছেলেমেয়ে ও ৩৩টি নাতি-নাতনি। রোববার ৭৬ বছর বয়সে মারা গেছেন তিনি। 

চানার মৃত্যুতে টুইট করেছেন মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী জোরামথাঙ্গা। 

টুইট বার্তায় তিনি লেখেন, গভীর বেদনার সঙ্গে ৭৬ বছরের জিওনাকে বিদায় জানাচ্ছে মিজোরাম। সম্ভবত তিনিই ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বড় পরিবারের কর্তা। ৩৮ জন স্ত্রী, ৮৯টি ছেলেমেয়ে ছিল তার। তাদের পরিবারের জন্যই তার গ্রাম বাকতাওং তাংনুয়াম রাজ্যের ট্যুরিস্ট আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল।

১৯৪৫ সালের ২১ জুলাই তার জন্ম হয়। নিজ গ্রামে ‘চানা পওল’ ধর্মীয় গোষ্ঠীর প্রধান ছিলেন তিনি। ওই গোষ্ঠী বহুবিবাহে বিশ্বাসী। সেই কারণে চানার এতগুলো বিয়ে করাটা সেখানে স্বাভাবিক ছিল। পাহাড়ঘেরা গ্রামটিতে চানা ব্যাপক জনপ্রিয় ছিলেন।

পারিবারিক সম্পত্তি ভালোই ছিল চানার। তার সঙ্গে গোষ্ঠীর ভক্তরাও ডোনেশন দিতো।  একটি চারতলা বাড়িতে থাকতেন তিনি। সেখানেই একটি বড় ঘরে এই স্ত্রীরা একসঙ্গে দল বেঁধে থাকতো।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর