১০ বছরে গচ্ছা ৩লাখ কোটি টাকা

ভেজাল ও নিম্নমানের বিটুমিনে নষ্ট হচ্ছে দেশের ৭০ ভাগ সড়ক

আশিকুর রহমান শ্রাবণ

আমদানি করা ভেজাল ও নিম্নমানের বিটুমিনের কারণেই, বাংলাদেশের ৬০ থেকে ৭০ ভাগ রাস্তা, নির্মাণের ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে-এমন তথ্য দিয়েছেন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা। সরেজমিনে দেখা যায়, দেশের প্রায় ৪৫টি জেলায় শত-শত সড়কের বিভিন্ন জায়গা দেবে গেছে কিংবা খানা-খন্দ তৈরি হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের সাথে অসৎ আমদানিকারকরা মিলে একটি বিটুমিন সিন্ডিকেট তৈরি করেছে। যার ফলে, দেশের বিপুল অর্থের লোকসান হচ্ছে। পাশাপাশি, রাস্তাগুলোও টেকসই হচ্ছে না। বিস্তাতির র প্রতিবেদনে।  

রাস্তা তৈরির কাজ চলছে। খোলা ড্রামে, মান্ধাতা আমলের প্রযুক্তি ব্যবহার করে, গলানো হচ্ছে বিটুমিন। বিজ্ঞান বলছে, বিটুমিনকে গরম করার আদর্শ তাপমাত্র হলো, সর্বোচ্চ ১৫০-১৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কিন্তু এখানে আদর্শ তো দূরে থাক, তাপমাত্রা মাপারই ব্যবস্থা নেই।

এবার চোখ রাখা, বিটুমিনের ড্রামগুলোর দিকে। ভালো করে খেয়াল করলে দেখা যায়, এগুলো সবই আমদানি করা বিটুমিন। তবে, কিছু অসাধু টিকাদার একটি কৌশল ব্যবহার করে। তারা দেশে তৈরি ইস্টার্ন রিফাইনারির কয়েকটি ড্রাম সামনে রাখে। আর পেছনের সবই হলো, কমদামে আমদানি করা নিম্নমানের বিটুমিন।

সরেজমিনে দেখা যায়, আমদানি করা নিম্নমানের বিটুমিন দিয়ে তৈরি রাস্তাগুলোর আয়ু বড়জোর একবছর, বা তারও কম। সেখানে মানুষের দুর্ভোগ নিত্যদিনের।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিম্নমানের আমদানি নির্ভর বিটুমিন ব্যবহারে রাষ্ট্রের ত্রিমুখী ক্ষতি হচ্ছে। এক. বৈদেশিক মুদ্রার অপচয়। দুই. টেকসই উন্নয়ন হচ্ছে না। আর তিন. কিছু অসাধু ঠিকাদার আর অসৎ ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙা যাচ্ছে না।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, টেকসই সড়ক উন্নয়ন করতে হলে, দেশীয় ভালোমানের বিটুমিন ব্যবহারের পাশাপাশি নির্মানকাজে তদাকরি বাড়াতে হবে।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

চরম জনদূর্ভোগেই শুরু হলো রাজধানীকে বিচ্ছিন্ন করার পরিকল্পনা

সজল দাস

চরম জনদূর্ভোগেই শুরু হলো করোনার উর্ধ্ব সংক্রমন প্রেক্ষাপটে রাজধানীকে বিচ্ছিন্ন করার পরিকল্পনা। বুধবার সকাল থেকেই যানবাহন স্বল্পতাই শত ভোগান্তি সহ্য করে বাড়তি ভাড়া গুণে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন হাজারো যাত্রী। 

গণপরিবহন না পেয়ে কেউ ট্রাকে, কেউ মটর সাইকেলে আবার কেউ ইজিবাইকে চড়েই পাড়ি জমিয়েছেন দীর্ঘ পথ। সেই সাথে সকাল থেকেই থেমে থেমে বৃষ্টি, যোগ করে বাড়তি ভোগান্তি।

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড এলাকা। গণপরিবহন না পেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষায় হাজারও মানুষ। থেকে থেমে বৃষ্টি যোগ করে বাড়তে থাকে ভোগান্তি।

অফিসগামী মানুষেরা পড়েন চরম দুর্ভোগে। দূরপাল্লার গণপরিবহনের দেখা না মিললেও মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কারের বাড়তি উপস্থিতি ছিল মহাসড়কে।

গণপরিবহন সল্পতার কারণে বাড়তি ভাড়া গুণেই গন্তব্যে যান যাত্রীরা।

একই অবস্থা ছিল গাবতলী, আব্দুল্লাহপুরসহ রাজধানীর সব প্রবেশমুখগুলোতে। চেকপোস্ট বসিয়ে কঠোর অবস্থানে ছিল আইনশৃঙ্ক্ষলা বাহিনী।

রাজধানীতে দূরপাল্লার গণপরিবহন প্রবেশ বন্ধ থাকলেও চলেছে বাকি সব যানবাহন। বন্ধ ছিল না করোনা স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে মানুষের উপচে পড়া ভিড়ও।

আরও পড়ুন:


সারাদেশে লকডাউনের বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত

বেতন-ভাতা বাড়ানোর আবেদন সরকারি কর্মচারীদের

চলন্ত ট্রাকে তরুণীকে ধর্ষণ, অতঃপর যেভাবে উদ্ধার

দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই অশান্তিতে ছিল আবু ত্ব-হা!


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে চট্টগ্রামে তৈরি করা হয়েছে কৃত্রিম হ্রদ

ফাতেমা জান্নাত মুমু:

ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে তৈরি করা হয়েছে কৃত্রিম হ্রদ। প্রতিদিন সেই হ্রদ থেকে ইস্পাত কারখানা ও স্থানীয় মানুষের পানির চাহিদা মিটছে। কৃত্রিম হ্রদটি তৈরি করেছে ইস্পাত উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠান জিপিএইচ। পরিবেশবিদরা বলছেন, পরিবেশ বাঁচাতে এমন উদ্যোগ বাড়াতে হবে। 

চট্টগ্রামের পাহাড়ি উপজেলা সীতাকুণ্ডে ৫৫ একরের এই হৃদ দু বছর আগে তৈরি করা হয় পাহাড়ের মাঝে বাঁধ দিয়ে। দুবছর ধরে এখানে জমা করা হচ্ছে বৃষ্টির পানি। এর উদ্যোক্তা জিপিএইস ইস্পাত লিমিটেড। কোনো ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের স্বউদ্যোগে লেক তৈরির এমন নজির খুব একটা নেই এদেশে।

লেকের পানি পাইপ লাইনের মাধ্যমে ট্যাঙ্কে সংগ্রহ করে পরে শোধন করা হয়। পরিশোধিত পানি থেকে প্রতিদিন ৪০ লাখ লিটার ব্যবহার হয় কারখানার উৎপাদন কাজে।

ভূগর্ভের পানির ওপর চাপ কমিয়ে, পরিবেশবান্ধব শিল্প প্রতিষ্ঠান ড়তেই এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানান কোম্পানির সিনিয়র ডিজিএম।

পরিবেশবিদরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। বলছেন, পরিবেশ বাঁচাতে সব শিল্প উদ্যোক্তাদেরই এগিয়ে আসা উচিত।

সীতাকুণ্ডে জিপিএইচ ইস্পাত লিমিটেডের এই লেক-এর ধারণ ক্ষমতা দেড় মিলিয়ন কিউবিক লিটার। কারখানার পাশাপাশি আশপাশের এলাকার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির মানুষও এই লেক থেকে পানি ব্যবহার করে।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

পঞ্চগড়ে মরিচের বাম্পার ফলন, দাম পাচ্ছেন না কৃষকরা

সরকার হায়দার

 

চলতি মৌসুমে পঞ্চগড়ে মরিচের আশানুরূপ উৎপাদন হয়েছে । কৃষকরা জানান, করোনা পরিস্থিতির কারণে এবার বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা আসছে না । এ কারণে মরিচের নায্যমূল্যও পাচ্ছে না তারা । এ অবস্থায় উৎপাদন খরচ তোলা নিয়ে দিশেহারা তারা।

চলতি মৌসূমে বিভিন্ন জাতের মরিচের চাষ করেছেন পঞ্চগড়ের কৃষকরা । গেল বছর নানা রোগের কারণে মরিচের উৎপাদন অর্ধেক হলেও এ বছর ফলন ভালো হয়েছে।

আরও পড়ুন:


বিপদটা এখানেই

ফ্রান্সের কাছে জার্মানির হার

ওমানের কাছে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত বাংলাদেশ


কৃষকরা জানান, গেল বছরের লোকসান পুষিয়ে নেওয়ার আশায় এ বছর বেশি জমিতে মরিচের আবাদ করেছেন তারা । তবে করোনার কারণে বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা না আসায় মরিচের বাজারে ধ্বস নেমেছে। এ অবস্থায় লোকসানের আশঙ্কায় দিশেহারা তারা ।

সংশ্লিস্টরা বলছেন, আবহাওয়ায় অনুকূলে থাকায় মরিচের আশানুরূপ ফলন হয়েছে । এবছর প্রায় ৩০ হাজার মেট্রিক টন মরিচ উৎপাদন হবে।

কৃষি অফিসের তথ্য মতে, এবছর পঞ্চগড়ে প্রায় ১১ হাজার হেক্টর জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে।

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

দেশে ফিরলেও পাচার হওয়া নারীরা শিকার হন নানা বঞ্চনার

মাসুদা লাবনী

কপালের জোরে দেশে ফিরতে পারলেও পাচার হওয়া নারীরা ঘরে ফিরে, সন্মুখিন হন বিচিত্র যন্ত্রণার। অনেকেরই জীবন আর স্বাভাবিক হয় না। তবে, তাদের সবচেয়ে ব্যাথা, বিচার না পাওয়া। তবে আইনমন্ত্রী বলেন, নারী পাচার প্রতিরোধে গঠন করা হয়েছে ট্রাইব্যুনাল, এই আইনে পাচারকারীদের জামিন পাওয়া কঠিন। নারী পাচার নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের শেষ পর্বে বিস্তারিত।

দরিদ্র পরিবারের বড় মেয়ে, মাত্র ১৫ বছর বয়সে সংসারের হাল ধরতে, সামান্য টাকায় পাড়ি জমান বিদেশে।  কিন্ত তাকে বিক্রি করে দেয়, দালালরা।

সেখানে নিযাতন-নিপীড়ন আর মারধরের শিকার হওয়া ছাড়াও বাধ্য করা হয় পতিতাবৃত্তিতে। দুই বছর নির্মম জীবন যাপনের পর, পালাতে গিয়ে ধরা পড়েন, পুলিশের কাছে। দুইমাস জেল খাটার পর, সরকার ও বেসরকারি সংস্থার সহায়তায় ফেরেন, দেশে। তখন তিনি অন্তসত্ত্বা।

জন্ম দেন সন্তানের, বড় হচ্ছে ছোট্ট শিশুটি। বিয়ে করা আর হয়নি, পাননি বিচারও। সংসারে সচ্ছলতা আনতে যে স্বপ্ন নিয়ে পাড়ি জমিয়েছিলেন ভিনদেশে, এখন সবই শুধু দু:স্বপ্ন।

এমন আরেক নারী অভাব অনটনের সংসারে, উপার্জনের জন্য সৌদি আরব যান, দালালের মাধ্যমে। বিক্রি করা হয় তাকেও। পরে, তার স্বামী ভিটে মাটি বিক্রি করে, ফিরিয়ে আনেন দেশে। সহায়-সম্বল হারিয়ে এখন তার দু:সহ জীবন যাপন।

পাচার হওয়া এমন নারীর করুণ গল্প রয়েছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়। তাদের ফিরিয়ে আনার পর কোন কোন সংস্থা দাঁড়িয়েছে, পাশে।

বেশিরভাগ নিম্নবৃত্ত পরিবারের নারীরা বিদেশে পাড়ি জমিয়ে, সব হারিয়ে শূণ্য হাতে ফিরে, সমাজের কাছে নিগ্রহের শিকার ছাড়াও, অনেকেই পান না, বিচার।

আইনমন্ত্রী মুঠোফোনে বলেন, প্রত্যন্ত অঞ্চলের নারীরা যেনো, সঠিক বিচার পান, সে ব্যবস্থা করেছে সরকার।

বিভিন্ন পথে….বিভিন্ন দেশে পাচার হওয়া এই নারীদের চাওয়া, আর কেউ যেনো, পাচারের শিকার না হন। আর ভুক্তভোগীরা যেন পান, ন্যায় বিচার।

আরও পড়ুন


অভিনব কায়দায় ব্যাংকে চুরি করতে গিয়ে আটক

নারীকে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে ব্লাকমেইল করে কবিরাজ, অতঃপর

পাকিস্তানের সংসদে বাজেট অধিবেশনের সময় মারামারি (ভিডিও)

চলমান ‘বিধি নিষেধ’ আরও এক মাস বাড়ল


news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

খরচের চেয়ে লাভের পরিমাণ প্রায় ৫ গুণ এই লেবু চাষে

সৈয়দ নোমান

বীজ বিহীন লেবু চাষ বাংলাদেশে নতুন নয়। এতোদিন চায়না সিডলেস লেবু একমাত্র ভরসা হলেও এখন বাংলাদেশ পরমানু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিনা-এক জাতের লেবু স্বপ্ন দেখাচ্ছে। খরচের চেয়ে লাভের পরিমাণ প্রায় ৫ গুণ এই লেবুতে। তাই অন্য জাতের চেয়ে দ্রুত এটি কৃষক পর্যায়ে জনপ্রিয় হবে বলে বিশ্বাস গবেষকদের।

পুরনো ব্রহ্মপুত্র নদের পাড় ঘেঁষে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার কাশিয়ারচরে এই বাগানের অবস্থান। পাঁচ একরের লিজ নেয়া এই জমির পুরোটাই বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বিনা উদ্ভাবিত বিনা-১ জাতের লেবু চাষের ক্ষেত্র। পরীক্ষামূলক এই বাগানে খুটিনাটি বিষয়ে গবেষণা করছেন বিনার গবেষকরা।

আরও পড়ুন:


মোংলা হাসপাতালে ১৫টি বেডসহ করোনা সুরক্ষা সামগ্রী দিল ভারতীয় কোম্পানি

লোকালয়ে হাঁস খেতে গিয়ে ধরা ৮ ফুট অজগর

মাত্র ৫ হাজার টাকা পেয়েই হত্যার মিশনে নামে খুনিরা

ময়মনসিংহে বাসচাপায় নিহত ২


বেশ কয়েক বছর গবেষণার পর ২০১৮ সালের শেষে বিনা লেবু-এক জাত চাষাবাদের জন্য নিবন্ধনের অনুমতি দেয় জাতীয় বীজ বোর্ড। লাভ কিছুটা কম হওয়ায় কৃষক পর্যায়ে এতোদিন জনপ্রিয়তা পায়নি নতুন জাত। তবে এখন ভরা মৌসুমে গাছ প্রতি ৩শ লেবু উৎপাদনে সফল হয়েছে বিজ্ঞানীরা।
ময়মনসিংহসহ আশপাশের কয়েকটি জেলায় কৃষক পর্যায়ে চাষ হচ্ছে বিনালেবু। বর্তমান ফলনে কেউ কেউ লাভের মুখও দেখেছেন।

বিনা মহাপরিচালকের দাবি, নতুন জাতে খরচের কয়েকগুণ লাভ হবে চাষিদের। নতুন উদ্যোক্তা তৈরির চেষ্টা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

গবেষণা সংশ্লিষ্টরা জানান, বিনালেবু রোপনের ১০ থেকে ১১ মাসের মধ্যে ফলন পাওয়া যায়। একটি গাছ গড়ে ১৫ বছর পর্যন্ত ফলন দিতে পারে।

news24bd.tv / তৌহিদ

পরবর্তী খবর