ডায়াবেটিস রোগীদের যেসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন

অনলাইন ডেস্ক

ডায়াবেটিস রোগীদের যেসব লক্ষণ দেখলে সতর্ক হবেন

ডায়াবেটিস রোগীদের করোনা আক্রান্তের সম্ভাবনা অন্যান্যদের তুলনায় ৩০ গুণ। শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে গেলে তা ইনসুলিনের উৎপাদনকে কমিয়ে দেয় আর এতে করে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাধাগ্রস্ত হয়।

ডায়াবেটিসের ফলে সব পুষ্টি উপাদান শরীর সঠিকভাবে গ্রহণ করতে পারে না, রক্ত চলাচল বাধাগ্রস্থ হয় এবং কোন রোগ থেকে সেরে উঠতে অনেক সময় লাগে।

যেসব লক্ষণ দেখলে ডায়াবেটিস রোগীদের সতর্ক হতে হবে:

করোনাকালে শরীরে কিছু লক্ষণ দেখা দিলে ডায়াবেটিস রোগীদের অবশ্যই সতর্ক হতে হবে।

ত্বকে সমস্যা:

যাদের ডায়াবেটিস আছে তাদের স্কিনে র‌্যাশ দেখা দেয়। কাটা ছেড়া শুকাতেও অনেক বেশি সময় লাগে।

নিউমোনিয়া:

করোনা রোগীদের যাদের নিউমোনিয়া হয় তাদের যদি ডায়াবেটিস থাকে তবে তা জটিল সমস্যার সৃষ্টি করে। ব্লাড প্রেসার বেশি থাকলে খুব সহজে তা ফুসফুসকে আক্রমণ করে।

অক্সিজেন লেভেল: 

ডায়াবেটিস রোগীদের অক্সিজেন লেভেল কম হলে তা আরো সমস্যা তৈরি করে। অক্সিজেন লেভেল কমে গেলে বুকে ব্যাথা, শ্বাসকষ্টের মত সমস্যা দেখা দেয়।

গ্লুকোজ লেভেল:

গ্লুকোজ বেশি থাকে এজন্য ইনসুলিন উৎপাদন কমে যায়। রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যায়। অগ্ন্যাশয়েও সমস্যা হতে পারে আর এতে করে ডায়াবেটিসের পরিস্থিতি আরো খারাপ হতে পারে।

ব্ল্যাক ফাংগাস: 

ডায়াবেটিস আক্রান্তদের করোনা হলে তাদের ব্ল্যাক ফাংগাসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। সঠিক সময়ে ব্ল্যাক ফাংগাসের চিকিৎসা করা না হলে তা প্রাণঘঘাতিও হতে পারে।

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক

গ্রামে টিকা প্রয়োগ নিয়ে ভাবা হচ্ছে, টিকা নেয়ার বয়সসীমা ১৮

অনলাইন ডেস্ক

গ্রামে টিকা প্রয়োগ নিয়ে ভাবা হচ্ছে, টিকা নেয়ার বয়সসীমা ১৮

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকার সর্বনিম্ন বয়সসীমা ১৮ বছর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত সময়ের মধ্যেই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক আবুল বাশার খুরশীদ আলম।

 তিনি বলেন, গ্রাম পর্যায়ে টিকা প্রয়োগ নিয়ে ভাবা হচ্ছে।

শুক্রবার (২৩ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় মুগদা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সময়ের মধ্যেই এর বাস্তবায়ন শুরু করব।

স্বাস্থ্য মহাপরিচালক বলেন, গ্রাম পর্যায়ে টিকা প্রয়োগ নিয়ে ভাবা হচ্ছে। গ্রামের মানুষদের অন্যান্য টিকা যেভাবে দেওয়া হয়, সেভাবেই করোনা টিকা দেওয়া যায় কি না এ বিষয়ে সরকার পরিকল্পনা করছে। যদি এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়, তাহলে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং টিকা কার্ড দেখেই টিকা নিতে সম্ভব হবে, নিবন্ধনের প্রয়োজন হবে না।


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


গত ১৯ জুলাই করোনাভাইরাসের টিকা নেওয়ার বয়স ৩০ বছর নির্ধারণ করেছে স্বাস্থ্য অধিদফতর। এর আগে গত ৫ জুলাই করোনার টিকার বয়স ৩৫ বছর করা হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

টুথপিক ব্যবহারে আসলে দাঁতের কি হয়?

অনলাইন ডেস্ক

টুথপিক ব্যবহারে আসলে দাঁতের কি হয়?

খাওয়ার পর আমাদের মধ্যে অনেকের অভ্যাস আছে টুথপিক ব্যবহারের। অনেকের ধারণা, টুথপিক ব্যবহার করলে দাঁত ফাঁকা হয়ে যায়। কিন্তু সেই ধারণাটি কি সঠিক?

আমাদের দেশে অনেকের ধারণা, যদি টুথপিক ব্যবহার করি, তাহলে দাঁত ফাঁক হয়ে যাবে। কিন্তু সেই ধারণা একেবারেই সঠিক নয়। কারণ, টুথপিক করে যদি দাঁতকে পরিষ্কার রাখা হয় এবং ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করা হয়, তাহলে ফাঁক যদি থাকে উল্টো বন্ধ হবে।

কিন্তু অনেকের ধারণা যে টুথপিক ব্যবহার করলে দাঁত ফাঁক হয়ে যাবে। টুথপিক ও ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করাটা খুবই জরুরি।

টুথপিক জরুরি ওরাল হাইজিন ঠিক রাখার জন্য। এখন আমাদের ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলোতে ইন্ট্রাডেন্টাল ব্রাশ পাওয়া যায়। এ ব্রাশ দিয়ে যদি দুই দাঁতের ফাঁকগুলো পরিষ্কার করা যায়, তাহলে আপনি যেটি বললেন, জিনজিভাইটিস হবে না, পেরিওডনটাইটিস হবে না। 

আরও পড়ুনঃ


দ. কোরিয়ার কোন গালিও দেয়া চলবে না উত্তর কোরিয়ায়

তালেবানের হাত থেকে ২৪ জেলা পুনরুদ্ধারের দাবি

কাছাকাছি আসা ঠেকাতে টোকিও অলিম্পিকে বিশেষ ব্যবস্থা


ক্যালকুলাস যদি পরিষ্কার করে রেখে, ইন্ট্রাডেন্টাল ব্রাশ, টুথপিক, ডেন্টাল ফ্লস যদি ব্যবহার করা যায়, তাহলে ক্যালকুলাস জমা হবে না, জিনজিভাইটিস হবে না।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

মানসিক চাপ কমানোর গোপন সুত্র

অনলাইন ডেস্ক

মানসিক চাপ কমানোর গোপন সুত্র

পরিবার বা কর্মক্ষেত্রে সমস্যা, সম্পর্কে অবনতি, অর্থনৈতিক সংকট, খারাপ স্বাস্থ্য, এমনকি ঘনিষ্ঠ কারো মৃত্যু— এসব বিভিন্ন কারণে আমরা মানসিক চাপের মধ্যে থাকি। এই মানসিক চাপ বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ঝুঁকির কারণ হতে পারে। তাই নিজেকে ভালো রাখতে চাপ কমানো জরুরি।চুইংগাম চিবালে মানসিক চাপ ও  দুশ্চিন্তা দুটোই কমে। এর কারণ চুইংগাম চিবানোর সময় ব্রেনে রক্ত চলাচল ঠিকভাবে হয়।

আবার কেউ কেউ বলেন চুইংগামের স্বাদ এবং গন্ধ দুশ্চিন্তামুক্ত হতে সহায়তা করে। ঘরের বাহিরে সময় কাটানোর ফলে মানসিক চাপ কমে। বিভিন্ন পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় ঘরের কাছে হলেও কয়েক মিনিট বাহিরে সময় কাটিয়ে আসলে মানসিক চাপ কমবে এবং আপনি সতেজ ও চাঙ্গা অনুভব করবেন।

প্রকৃত হাসি আপনার মানসিক চাপ কমায়। তাই যতদূর সম্ভব আমাদের হাসি মুখে থাকা উচিত। ল্যাভেন্ডার সৌরভ যেমন ল্যাভেন্ডার এয়ার ফ্রেশনার মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন অন্ততঃ একটি গান শুনুন। গান মানসিক চাপ কমায়। গান ব্রেনে ডোপামিন নামে একটি রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে থাকে, যা আপনার মুডকে উজ্জীবিত করে এবং মানসিক চাপ কমিয়ে দেয়। ব্রেথিং এক্সারসাইজ বা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যয়াম  আপনার মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে।

শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যয়ামে লম্বা করে দম নিন এবং ধীরে ধীরে দম ছেড়ে দিতে হবে। অন্তত দিনে দশ বার এভাবে ব্রেথিং এক্সারসাইজ করলে মানসিক চাপ অনেক কমে যাবে। মানসিক চাপ অনুভব করলে আপনি ডায়েরীর পাতায় বা কোনো স্থানে আপনার সমস্যার কথাগুলো লিখুন এবং একটা সময় পর দেখবেন  সমস্যার সমাধান আপনি নিজ থেকেই পেয়ে যাবেন। ফলে আপনার মানসিক চাপ থাকবে না।

সামাজিক বন্ধন এবং বন্ধুত্ব মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। আপনার কোনো ভাল বন্ধু থাকলে বা আপনজন কাউকে আপনার সমস্যার কথা খুলে বলুন, দেখবেন মানসিক চাপ ধীরে ধীরে কমে যাবে। তবে আপনার  বন্ধু বা আপনজন যদি স্বার্থপর হয়ে থাকে তবে সেক্ষেত্রে মানসিক চাপ কমার বদলে বরং বেড়ে যাবে। তাই আপনার বন্ধু বা আপনজন কে তা আপনাকে জানতে হবে। প্রতিদিন দিনে অন্ততঃ একবার সকালে বা বিকালে ব্যয়াম করার অভ্যাস করুন। একটু হাটা-চলা, নৌকা চালানো বা শারীরিক পরিশ্রম আপনার মানসিক অবস্থা ভাল রাখতে সাহায্য করে।

ব্যয়াম করলে এন্ডোরফিন নামক হরমোন নিঃসৃত হয় যা মানসিক চাপ কমায় এবং আমাদের মনে আনন্দের সৃষ্টি করে। এন্ডোরফিন অর্থ এন্ডোজেনাস মরফিন যা সরাসরি আল্লাহ প্রদত্ত। আমাদের কিনতে হয় না। এন্ডোরফিন নিঃসৃত হলে মনে কোনো ব্যাথা বেদনা থাকলে তা কমিয়ে দেয় এবং মনে আনন্দের সৃষ্টি করে। একটি কথা সবার জানা দরকার মানসিক চাপ ক্রমাগত চলতে থাকলে মুখের অভ্যন্তরে যে সব রোগ পরিলক্ষিত হয় তা সহজে ভাল হতে চায় না। তাই মুখের রোগে ভাল হতে চাইলে আপনাকে মানসিক চাপ মুক্ত থাকতে হবে।  


নাসির প্রেমিক না আমার বন্ধু : মডেল মিম

আমার বয়ফ্রেন্ড নিয়ে আমিও মজায় আছি : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা

বউ যেন এদিক-ওদিক ভাইগা না যায় : নাসিরের সাবেক প্রেমিকা (ভিডিও)

নাসির-তামিমার জন্য ভালোবাসা ও দোয়া : শবনম ফারিয়া


 

চাপ দূর করতে কী করা প্রয়োজন, এর জন্য একটি তালিকা তৈরি করুন। আপনার চাহিদা অনুসারে তালিকাটি সাজান এবং সেই তালিকা অনুসারে পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। এই পদক্ষেপগুলোর চর্চা মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

৭ ভুল কাজে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যহানি

অনলাইন ডেস্ক

৭  ভুল কাজে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যহানি

মানুষের পুরো শরীরের সব অঙ্গই মস্তিষ্কের উপর নির্ভরশীল। মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখা খুবই জরুরি। মস্তিষ্ক থেকে সংকেত দেয় বলেই শরীরের সব অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ঠিকমতো চলছে।  মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য জরুরি কিছু বিশেষ যত্নের ও সাবধানতার। অথচ নিজের অজান্তেই প্রতিদিন অসংখ্য ভুল কাজে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যহানি করে চলেছি আমরা নিজেরাই।

সাতটি বদঅভ্যাস মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর। 

১. সকালের নাস্তা ভুলে যাওয়া/মিস করা
২. রাতে দেরিতে ঘুমানো

৩. অতিরিক্ত মিষ্টি জাতীয় খাবার খাওয়া
৪. সকালে অধিক পরিমাণে ঘুমানো 
৫. খাওয়ার সময় টিভি বা কম্পিউটার দেখা
৬.  ক্যাপ/স্কার্ফ বা মোজা পরে ঘুমানো
৭. ইচ্ছাকৃতভাবে প্রস্রাব আটকে রাখা/বন্ধ করে রাখা

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

দাঁতের যন্ত্রণায় লবঙ্গ

অনলাইন ডেস্ক

দাঁতের যন্ত্রণায় লবঙ্গ

দাঁত ব্যথা বলে কয়ে আসে না। হঠাৎ যদি দাঁতে ব্যথা শুরু হয়ে যায়, দিশেহারা হয়ে আমরা ওষুধের খোঁজ করি। আজ জানাবো দাতের যন্ত্রণায়  লবঙ্গের গুণাগুণের কথা।  সুস্বাস্থ্যে লবঙ্গ নানাভাবে আমাদের উপকারে আসে। 

চলুন জেনে রাখি সেইসব জাদুকরি টোটকা-

১) দাঁতের যন্ত্রণায় কষ্ট পেলে লবঙ্গ চিবিয়ে খেলে যন্ত্রণা কমবে।

২) লবঙ্গ মুখে রাখলে বা জলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লবঙ্গ তেল মিশিয়ে খেলে আপনার বমি বমি ভাব দূর হবে।
৩) হাল্কা গরম পানিতে ১০ ফোঁটা লবঙ্গ তেল ও মধু যোগ করে, সেটা খেয়ে নিন। ভাইরাল ফিভারে কাজে দেবে।

আরও পড়ুন:

সৌদির সঙ্গে মিল রেখে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আগামীকাল ঈদ

ফাঁস হলো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের স্মার্টফোনে আড়িপাতার ঘটনা

যে বাঙালি আলেম হজের খুতবা অনুবাদ করবেন


 

৪) মানসিক চাপ দূর করে লবঙ্গ। পঞ্চ ইন্দ্রিয়কে শিথিল রাখতে সাহায্য করে। লবঙ্গের সঙ্গে তুলসি পাতা, পুদিনা পাতা ও দারচিনি মিশিয়ে আপনি ফ্লেভার্ড চা তৈরি করতে পারেন।

৫) সর্দি, কাশিতে লবঙ্গ খেলে আরাম পাওয়া যায়। কফ দূর হয়। নিঃশ্বাসে বাজে দুর্গন্ধও দূর হয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর