গাজার বিধ্বস্ত বাড়ি ঘরে ফিরছেন ফিলিস্তিনিরা

গাজার বিধ্বস্ত বাড়ি ঘরে ফিরছেন ফিলিস্তিনিরা

Other

১১ দিন ধরে হামলা পাল্টা হামলা শেষে গাজার বিধ্বস্ত বাড়ি ঘরে ফিরছেন ফিলিস্তিনিরা। তবে ইসরায়েলি হামলায় সাজানো সংসারগুলো এখন শুধু ইট পাথরের স্তুপ।  

যুদ্ধবিরতির পর ফিলিস্তিনে ত্রাণ আসতে শুরু করলেও, বিধ্বস্ত গাজার অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে। এদিকে ফিলিস্তিনিদের জন্য আলাদা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ছাড়া দুই জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাতের অবসান সম্ভব নয় বলে মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

সাজানো সংসারের এমন ছিন্নভিন্ন রূপ দেখে দীর্ঘশ্বাস ফেলা ছাড়া আর কিছিুই করার নেই ফিলিস্তিনবাসির। গাজার বাসিন্দারা ধ্বংস হয়ে যাওয়া বাড়িঘরে খুঁজে ফিরছেন নিজেদের প্রয়োজনীয় সামগ্রী। কেউবা বিধ্বস্ত ঘরকেই সাজিয়ে তুলছেন মাথা গোজার আশ্রয় হিসেবে। দেশটির কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গাজার অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে। যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে কয়েক কোটি মার্কিন ডলার প্রয়োজন 

দেখুন আমরা ঘরে ফিরে এসেছি, কি আছে আমাদের, বসার জায়গা নেই, জল বিদ্যুৎ নেই, এই ধ্বংশের পাহাড়ে আমরা অসহায়। এই যুদ্ধবাজির অর্থ কী কেউ কি বলতে পারে? 

গাজায় ১১ দিনের সংঘাতে ২৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এর বেশিরভাগই গাজার বাসিন্দা। আহতদের সরিয়ে নিতে করিডোর স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

ইসরায়েল কেরেম সালোম ক্রসিং খুলে দেওয়ার পর বিভিন্ন ত্রাণ সংস্থার ট্রাক প্রবেশ শুরু করে। জাতিসংঘ অনুমোদিত ত্রাণ সংস্থার ট্রাকগুলো গাজায় অতি প্রয়োজনীয় ওষুধ, খাবার ও তেল নিয়ে যেতে শুরু করেছে।   

দুই জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাতের অবসানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন পুরোপুরিই দুই রাষ্ট্র পরিকল্পনার বিষয়ে জোর দিয়েছেন

দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাতের একমাত্র সমাধান দুটি আলাদা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, তবে একটা বিষয় স্পষ্ট করা দরকার: একটি স্বাধীন ইহুদি রাষ্ট্র হিসেবে ইসরায়েলের অস্তিত্ব যতদিন না ওই অঞ্চলের স্বীকৃতি পাবে, ততদিন কোনো শান্তি আসবে না

যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর আর কোন বিমান হামলা কিংবা মর্টারের গুলির শব্দ শোনা যায়নি। শহর ছিল অনেকটাই নিস্তব্ধ। হামাস এবং ইসরায়েল উভয়েই নিজেদের বিজয় দাবি করেছে। তবে এরিমাঝে ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল সমর্থকদের বিক্ষোভে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। অনেকেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, সংঘাত শুরু হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র।  

news24bd.tv / কামরুল