ইতিহাস গড়ল টাইগাররা

নিজস্ব প্রতিবেদক

 ইতিহাস গড়ল টাইগাররা

তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সহজ জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। সেই সঙ্গে আইসিসি ওয়ানডে সুপার লিগের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে আসার পাশাপাশি টাইগাররা গড়ল এক নতুন ইতিহাস। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে ১০৩ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতে নিল তামিম ইকবালের দল।

সিরিজ জয়ের মিশনে দুপুরে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ। লঙ্কানদের ২৪৭ রানের লক্ষ্য দিয়ে আঁটসাঁট বোলিং করে শুরু থেকেই বেঁধে ফেলে টাইগার বোলাররা।

ব্যাট করতে নেমে লঙ্কানদের ওপেনিং জুটি ভাঙে ২৪ রানের মাথায় কুশল পেরেরার ১৪ রানে বিদায়ে। অভিষিক্ত শরিফুল ইসলামের বলে ক্যাচ দেন তামিম ইকবালের হাতে।

এরপর ওপেনার ধানুষ্কা গুনাথিলাকাকে ২৪ রানে সাকিবের ক্যাচ বানিয়ে ফেরান মোস্তাফিজুর রহমান। দুই ওপেনারের বিদায়ের পর ধুঁকতে থাকে লঙ্কান ব্যাটিং লাইন-আপ।

গত ম্যাচে ৪ উইকেট নেয়া মেহেদী মিরাজ আর মোস্তাফিজের বোলিং তোপে ঘুরে দাঁড়াতেই পারেনি সফরকারীরা। দলীয় ১২৬ রানেই পড়ে ৯ উইকেট। তবে ৩৮ ওভার শেষ হতে না হতেই আসে বৃষ্টি।

বৃষ্টি আইনে লঙ্কানদের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৪০ (১০ ওভার কেটে) ওভারে ২ রান কমে ২৪৫ রান। এর মানে ২ ওভারে ১১৯ রানের লক্ষ্য দাঁড়ায় লঙ্কানদের সামনে।

এমন অসম্ভব লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে লঙ্কানদের ইনিংস শেষ হয় ৯ উইকেটে ১৪১ রান তুলে। বাংলাদেশ জয় তুলে নেয় ১০৩ রানে।

বাংলাদেশের পক্ষে ৩ টি করে উইকেট নিয়েছেন মিরাজ, মোস্তাফিজ। ২ উইকেট নিয়েছেন সাকিব আর ১টি উইকেট নিয়েছেন শরিফুল। উইকেট না পেলেও তাসকিন ৮ ওভার বোলিং করে দেন মাত্র ২৭ রান।

এর আগে একাদশে দুই পরিবর্তন নিয়ে ব্যাট করতে নামে বাংলাদেশ। মোহাম্মদ মিঠুনের বদলে জায়গা হয় মোসাদ্দেক হোসেনের, তাসকিন আহমেদের বদলে অভিষেক হয় পেসার শরিফুলের। তবে ব্যাটিংয়ের সময় রান নিতে গিয়ে মাথায় বল লেগে আঘাত পেলে কনকাশন সাব হিসেবে খেলেন তাসকিন।

ব্যাট করতে নেমে ওপেনার তামিম ইকবালের ঝোড়ো শুরুর আভাস দিলেও মাত্র ১৩ (৬) রান করে ফেরেন সাজঘরে। সাকিব আল হাসান সাজঘরে ফেরেন রানের খাতা খোলার আগেই।

তবে গত ম্যাচে শূন্য রানে ফেরা লিটন দাস আজ ২৫ রান করেন। টপ অর্ডারের বিদায়ের পর মুশফিক ও মাহমুদউল্লাহ’র ৮৭ রানের জুটি ভাঙে মাহমুদউল্লাহ'র ৪১ (৫৮) রানের বিদায়ে। এরপর আফিফ হোসেন, মেহেদী মিরাজ ও সাইফউদ্দিনের সঙ্গে জুটি গড়ে তুলে নেন ৪১তম অর্ধশতক। এরপর ছুটেন সেঞ্চুরির পথে। তবে বৃষ্টি বাধায় থেমে যেতে হয়েছে দুইবার

প্রথমে ৪১.১ ওভারের সময় তার ৮৪ রানের মাথায় বৃষ্টিতে প্রায় কুড়ি মিনিট খেলা বন্ধ থাকে। পুনরায় খেলা শুরু হলে ৪৩.৩ ওভারের সময় মুশফিকের ৯৬ রানের মাথায় আবারও বাগড়া দেয় বৃষ্টি।

এরপর প্রায় চল্লিশ মিনিট খেলা বন্ধ থাকার পর ব্যাট করতে নেমে ১১৪ বলের মাথায় ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গার বলে দুই রান নিয়ে মুশফিক পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের অষ্টম শতকের ইনিংস।

যদিও থাকতে পারেননি শেষ পর্যন্ত। তার ১২৫ (১২৭) রানের ইনিংসে ৪৮.১ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ২৪৬ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ।

শ্রীলঙ্কার পক্ষে ৩টি করে উইকেট নেন দুষমন্থ চামিরা ও লাকশান সান্দাকান। এছাড়া ২টি নেন ইশুরু উদানা ও ১টি উইকেট নেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা।

সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ মে শের ই বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে। ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ১টা থেকে।


সংক্ষিপ্ত স্কোর 

টস : বাংলাদেশ

বাংলাদেশ : ২৪৬/১০ (৪৮.১ ওভার)
মুশফিক ১২৫, রিয়াদ ৪১, লিটন ২৫
চামিরা ৪৪/৩, সান্দাকান ৫৪/৩, উদানা ৪৯/২

শ্রীলঙ্কা : ১৪১/৯ (৪০ ওভার) (ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে ৪০ ওভারে লক্ষ্য ২৪৫ রান)
গুনাথিলাকা ২৪, নিসাঙ্কা ২০, উদানা ১৮*
মুস্তাফিজ ১৬/৩, মিরাজ ২৮/৩, সাকিব ৩৮/২, শরিফুল ৩০/১

ফল : বাংলাদেশ ১০৩ রানে জয়ী (ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতিতে)।

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

গ্যালারিতে গেলেই নতুন বলের শর্ত

দুই ম্যাচেও গ্যালারিতে বল ফেলতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া

অনলাইন ডেস্ক

দুই ম্যাচেও গ্যালারিতে বল ফেলতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া

বাংলাদেশ সফরে এসে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে অস্ট্রেলিয়ার জৈব সুরক্ষা বলয়ের বেশকিছু শর্ত আলোচনায় এসেছিলো, যার মধ্যে অন্যতম হলো কোনো ব্যাটসম্যানের ছক্কা উড়ে গিয়ে গ্যালারিতে পড়লে সেই বল আর মাঠে ফিরিয়ে আনা যাবে না। নতুন বল দিয়ে খেলা শুরু হবে।

কিন্তু শর্ত দিয়েও প্রথম দুই টি-টোয়েন্টির একটিতেও বল গ্যালারিতে পাঠাতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। দুইবার বল গ্যালারিতে গেলেও ব্যাটসম্যান ছিলেন বাংলাদেশি।

গত মঙ্গলবার প্রথম ম্যাচে তিনটি ছক্কা মারে বাংলাদেশ। এর মাঝে নাঈম দুইটি আর মাহমুদউল্লাহ একটি। গ্যালারিতে পড়া বলে আর খেলা হয়নি।

আরও পড়ুনঃ

দিনাজপুরে হেরোইন-ইয়াবাসহ মা, মেয়ে ও ছেলে আটক

আবারও বাংলাদেশের জয়কে কটাক্ষ ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের

পর্নোগ্রাফি: আঁচল-নায়লা নাঈম ও শিলাসহ অনেকেই র‍্যাবের নজরদারিতে

বেরিয়ে আসছে পরীমনির অন্ধকার জগতের চাঞ্চল্যকর তথ্য


প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা ছক্কা মেরেছে মাত্র দুইটি। একটাও গ্যালারিতে যায়নি। বাংলাদেশ জিতেছে ২৩ রানের ব্যবধানে। সেটাই ছিল টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম জয়।

আর গতকাল বুধবার দ্বিতীয় ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া একটি ছয় মারলেও তা গ্যালারিতে যায়নি। এ ম্যাচে ৫ উইকেটে জয় পায় বাংলাদেশ।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

মুস্তাফিজের ধারালো বোলিংয়ে বিস্মিত অস্ট্রেলিয়া

অনলাইন ডেস্ক

মুস্তাফিজের ধারালো বোলিংয়ে বিস্মিত অস্ট্রেলিয়া

আগের চেয়ে আরও ধারালো হয়েছে কাটার মাস্টার মুস্তাফিজের বোলিং। এর আগেও অনেকবার ধারালো বোলিংয়ের প্রমাণ দিয়েছেন মিস্টার ফিজ। আইপিএলে ফিজের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়ার মোইজেস হেনরিকসের খেলার অভিজ্ঞতা আছে। সেখানেও হেনরিকস দেখেছেন তার বিস্ময় করা বোলিং।

কিন্তু, সেই মুস্তাফিজের সঙ্গে ঘরের মাঠের মুস্তাফিজকে যেন মেলাতেই পারছেন না অজি তারকা। ঘরের মাঠে মুস্তাফিজের বোলিং যে কতটা ধারালো, সেটা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই টি-টোয়েন্টিতেই বল হাতে বিরাট ভূমিকা রেখেছেন মুস্তাফিজ। প্রথম ম্যাচে মাত্র ১৬ রান দিয়ে পেয়েছেন দুটি উইকেট। পরের ম্যাচে গতকাল পেয়েছেন তিনটি উইকেট, খরচ করেছেন ২৩ রান। মিরপুরের উইকেটে মুস্তাফিজের ধাঁধাতেই আটকে গেছেন অজিরা।

আরও পড়ুন


ইসরাইলি সাইবার ইউনিট: সঙ্কটের কেন্দ্রে পারস্য উপসাগর

নওগাঁর মান্দায় বসুন্ধরা গ্রুপের খাদ্য সহায়তা পেল ২৫০ অসহায় পরিবার

দেশে করোনায় আক্রান্ত ৯৮ শতাংশের শরীরেই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট

সারারাত র‍্যাব সদরদপ্তরেই ছিলেন পরীমণি, আজ পুলিশের কাছে হস্তান্তর


গতকাল ম্যাচ শেষে হেনরিকস বলেন, ‘মুস্তাফিজ দেখিয়েছে, কতটা দ্রুত মানিয়ে নিতে পারে সে। আমার মনে হয়, সে ২৩টি বা ২৪টিই স্লোয়ার বল করেছে, গতি দিয়ে একটি বলও করেনি। আইপিএল খেলার সময় সে এটা করে না মনে হয়। আইপিএলে হয়তো অর্ধেক বল স্লোয়ার করে, অর্ধেক গতি দিয়ে। কন্ডিশন খুব ভালো বুঝতে পেরেছে সে, কৃতিত্ব তারই। ভালো উইকেটেও তার স্লোয়ার বল খেলা কঠিন, এরকম উইকেটে তো বলাই বাহুল্য।’

মুস্তাফিজকে নিয়ে হেনরিকস আরও বলেন, ‘শরীরকে এমন কাজে লাগাতে পারা এক ব্যাপার, কিন্তু সে যেভাবে সঠিক লেংথে বল করে যায় (তাকে খেলা কঠিন)। খুবই স্মার্ট বোলিং এটা, কারণ প্রয়োজনে সে গতিময় বোলিংও করতে পারে। কিন্তু, কন্ডিশনকে কাজে লাগিয়ে সে নিজের পরিকল্পনায় অটল ছিল।’

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

আবারও বাংলাদেশের জয়কে কটাক্ষ ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের

অনলাইন ডেস্ক

আবারও বাংলাদেশের জয়কে কটাক্ষ ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে দেশে এসেছে অস্ট্রেলিয়া। প্রথম দুই ম্যাচেই দাপুটে জয় তুলে নিয়েছে টাইগাররা। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা দুই জয়ে বাংলাদেশ দলের প্রশংসা করছে বিশ্বক্রিকেট। অথচ ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই জয়কে দেখল ‘অঘটন’ হিসেবে!

দুই ম্যাচেই অজিদের ১২৫ রানের কমে বেঁধে রাখেন বাংলাদেশের বোলাররা। দ্বিতীয় ম্যাচেও যেখানে সহজেই জিতে সিরিজ প্রায় টাইগারদের হাতের মুঠোয় তখন কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে— ‘ফের অঘটন, দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচেও অস্ট্রেলিয়াকে হারাল বাংলাদেশ’।

আরও পড়ুনঃ

অসংখ্য তরুণীর পর্নো ভিডিও পরীর গডফাদার রাজের মোবাইলে

দক্ষিণ চীন সাগরে বেশ কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে ভারত

পর্নোগ্রাফি: আঁচল-নায়লা নাঈম ও শিলাসহ অনেকেই র‍্যাবের নজরদারিতে

বেরিয়ে আসছে পরীমনির অন্ধকার জগতের চাঞ্চল্যকর তথ্য


এভাবেই বাংলাদেশের এই জয়কে খাটো করা হয়েছে ‘অঘটন’ শব্দ জুড়ে দিয়ে। অস্ট্রেলিয়া টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ পাঁচ দলের একটি, সেই দলের বিপক্ষে বাংলাদেশের এমন জয়ে বিস্মিত ভারতের ক্রীড়া সাংবাদিকরা। কিন্তু টানা দুটো জয়কেই খাটো করে অবিবেচকের মতোই উপস্থাপন করল আনন্দবাজার।

news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেও অস্ট্রেলিয়াকে হারালো টাইগাররা

নিজস্ব প্রতিবেদক

আরো একবার অস্ট্রেলিয়াকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ। পাঁচ ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে অজিদের বাংলার টাইগাররা হারিয়েছে ৫ উইকেটে। প্রথম বল করে মুস্তাফিজ, শরিফুল, সাকিব মেহেদীদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে স্কোরবোর্ডে মাত্র ১২১ রান তুলতে পারে অজিরো। বিপরীতে ৮ বল আর ৫ উইকেট হাতে রেখে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে মাহমুদুল্লাহরা। ৩১ বলে ৩৭ রানের অপরাজিত ইনিংসে ম্যাচ সেরা আফিফ হোসেন। 

আরো একটি জয় আরো একটি মাইলফলক আরো একটি সম্ভাবনা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা দ্বিতীয় জয়, আরোও একবার সোনালী স্বপ্ন উকি দিলো শুধু ম্যাচ নয় সিরিজ জয়ের টাইগারদের সামনের অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে যা কিনা হতে পারে ইতিহাসে প্রথমবার।

তবে আফিফ সোহান যেভাবে ম্যাচটা শেষ করলেন ব্যাপরটা এতটাও সহজ ছিলোনো বাংলাদেশের জন্য এই ছোট টার্গেট তারা করতে নেমে। 

সৌম্য ফেরেন দলীয় ৯ রানে নিজেরে রানের খাতা খোলার আগেই। 

আগের ম্যাচের সম্ভাবনা জাগানো মোহাম্মদ নাঈম আজকে ফেরেন ৯ রান করে তখন স্কোরবোর্ডে রান ২১। 

এরপর সাকিব মেহেদির ৩৭ রানের পার্টনারশীপ আশা জাগায় টাইগার শিবিরে। বাড়ায় কপালে ভাজ অজিদের।

এরপর এন্ডু টাইয়ের আঘাত, সাজঘরে সাকিব। ১৭ বলে ২৬ রানের আশা জাগানো ইনিংস শেষ হয় দ্বলীয় ৫৮ রানে। 

টিকতে পারেননি মাহমুদুল্লাহ এদিন খুব বেশীক্ষণ। অ্যাস্টন আগারের বলে ইনসাইডেজ হয়ে ধরে সাঝঘরের পথ। থুলতে পারেননি রানের খাতা। 

এরপর ব্যাটিং অর্ডারে উঠে আশা মেহেদীর ২৩ রানের ইনিংস দলকে নিয়ে যায় ৬৭ রানে। যখন স্বপ্ন দেখছে টাইগাররা জয়ের হাতছানির তখণ মেহেদীও ফেরেন সাজঘরে এ্যডাম জাম্পার বলে। 

বাকীটা ইতিহাস, তার রচয়ীতা বাংলার দুই দরুন কান্ডারী আফিফ হোসেন ও নুরুল হাসান সোহান। দুজন খেলেন দলকে তীরে ভেড়ানোর এক ইনিংস। কোনো ভুল হয়নি আর এবার । ৫৬ রানের ম্যাচ জয়ী এই পার্টনারশীপে আফিফের ব্যাট থেকে আছে ৩৭ রানের অপরাজিত ইনিংস। নুরুল হাসান সোহানের ব্যাট থেকে আসে ২২ রান। আট বল বাকী থাকতে আর হাতে ৫ উইকেট হাতে রেখে রচনা হয় মিরপুরে নতুন এক অধ্যায়ের । যেই অধ্যায়ে স্বপ্ন এখন সিরিজ জয়ের অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। 

আরও পড়ুন

আর্থিক সংকট মেটাতে বাড়ি ভাড়া দিচ্ছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী

চিত্রনায়িকা পরীমণি আটক হচ্ছেন!

পরীমণির বাসায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের হামলার দাবি, আতঙ্কে নায়িকা


 

এর  আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে চমক দেখিয়েছে আবারো বাংলাদেশের বোলররা। মুস্তাফিজের ৩ উইকেট শরিফুলের ২ উইকেট আর সাকিব মেহেদীর ১ উইকেট শিকারে এদিন মাত্র ১২১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে থেমে জায় সফরকারী অস্ট্রেলিয়া। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

১৩০-১৪০ করলে আমাদের জয় হতো: অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক

অনলাইন ডেস্ক

১৩০-১৪০ করলে আমাদের জয় হতো: অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক

এভাবে পর পর দুটি ম্যাচ হারবে হয়তো তা ভাবতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে মঙ্গলবার বাংলাদেশের সঙ্গে প্রথমবারের মতো হারের স্বাদ পায় তারা। দ্বিতীয় দিনই ফের হার।

মিরপুরের স্পিনবান্ধন উইকেটে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৫ উইকেটে হারের পর প্রতিক্রিয়ায় জানান অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড। তিনি এজন্য উইকেটের আচরণের বিস্ময় প্রকাশ করেন।

তিনি জানিয়েছেন, ‘আমরা আজ প্রথম ৪ ওভার বেশ ভালো ব্যাট করেছি। শুরুতে আমারা ভালো পজিশনেও ছিলাম। কিন্তু শেষ ৪ ওভারে আশাব্যঞ্জক রান করতে পারিনি। ওই সময়টায় আমাদের সংগ্রাম করতে হয়েছে। তাই আমাদের স্কোর ১২১ রানেই থেমে গেছে। এই উইকেটে ১৩০-১৪০ করলে হয়তো জয় আমাদের হতো। এমন উইকেটে এই টার্গেট জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল। আমরা সেই লক্ষ্যে এগিয়েও যাচ্ছিলাম। কিন্তু আমরা পারিনি। আজ দুই দলই দুর্দান্ত বল করেছে। আমাদের স্পিনাররাও ভালো বল করেছে আজ। বিশেষ করে অ্যাগার দুর্দান্ত বল করেছে। কিন্তু টার্গেট কম হওয়া দুর্ভাগ্যজনকভাবে হেরেছি। তবে আমাদের খেলায় উন্নতি হয়েছে। আশা করছি পরের ম্যাচে আরো ভালো খেলব।’

তিনি যোগ করেন, আসলে বোলিং ডিপার্টমেন্ট নিয়ে আমাদের দুর্বলতা নেই। আমাদের সমস্যাটা এখানে টপঅর্ডারের ব্যাটসম্যানরা ভালো করছে না তেমন। শেষের অধেক ব্যাটসম্যানই খারাপ খেলছে।

এমন উইকেটে যে অস্ট্রেলিয়রা খেলতে অভ্যস্ত নয় তা গত ম্যাচেই জানিয়েছিলেন ওয়েড। উইকেটের আচরণে তিনি বিস্মিত হয়েছিলেন।

তিনি বলেছিলেন,  ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজের উইকেটেও স্পিন সহায়ক ছিল। কিন্তু এখানে স্পিনারদের বল স্কিড করে ভেতরে ঢুকেছে, যা ওয়েস্ট ইন্ডিজে ছিল না। এখান থেকে আমাদের দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে হবে।’

তবে দ্বিতীয় ম্যাচেও ঘুরে দাঁড়াতে পারল না মেথিউ ওয়েডের দল।

আরও পড়ুন:

যতক্ষণ না পুলিশ আসবে, মিডিয়া আসবে লাইভ চলবে: পরীমনি

আবারও মুখোমুখি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা

একসঙ্গে দুই ছেলে ও দুই মেয়ের জন্ম

দরজা খুলল পরীমনি

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর